Author: Jvadmin

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করল ইরান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

    লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান।

    সোমবার (১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

    তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত অপরাধ ও যুদ্ধবিরতির শর্ত বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের আলোচক দল মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনা ও খসড়া বিনিময় স্থগিত করেছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লেবানন ইস্যু ছিল তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অন্যতম শর্ত। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে পুরোপুরি ভঙ্গ হয়েছে।

    রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। কারণ শান্তি আলোচনা চলার মধ্যেই ইরানের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার চালানোর কথা বলেছে ইরানও।

    এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়াটা অন্যতম প্রধান শর্ত। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে কোনো প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতেও হিজবুল্লাহকে সমর্থন দেবে ইরান।

    সোমবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি লেখেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষ্য করুন: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিঃসন্দেহে সব ফ্রন্টে কার্যকর, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।’

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কোনো একটি ফ্রন্টে ভঙ্গ করা হলে সেটি সব ফ্রন্টে ‍যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে ওই পোস্টে জানান তিনি।

  • শিগগিরই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে

    শিগগিরই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে খুব শিগগিরই মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন মুখ। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমাতে দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্তও আসছে একইসঙ্গে।

    সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রগুলো বলছে, তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের একজন তরুণ এমপির নাম বেশ আলোচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।

    পাশাপাশি নরসিংদী থেকে আরও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। এছাড়া নেত্রকোনা থেকে একজন এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন নারী এমপির নাম মন্ত্রী হিসেবে বেশ আলোচনা রয়েছে।

    বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার একজন সিনিয়র বিএনপি নেতাকেও তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় শিগগিরই দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, খুলনা, ঢাকা ও বৃহত্তর পাবনা জেলা থেকেও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন কয়েকজন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

    সেসঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে।

    এদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    দীপেন দেওয়ান সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে সরকার ও প্রশাসনে।

    দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৫০ সদস্যের। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

    প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাগ্রহনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জুনের তৃতীয় সপ্তাহে কুয়ালালামপুর সফরের প্রস্তুতি চলছে। এর পরপরই ভারত কিংবা চীন সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে, যদিও ওই সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সফরে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। এ ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠকেও বসবেন সরকারপ্রধান।

    নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বোঝার ক্ষেত্রে এই দুই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, প্রথম সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়; এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর কূটনৈতিক বার্তাও।

    কূটনৈতিক মহল বলছে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকা সময়ে একটি মধ্যম শক্তির দেশের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ শুরু করা বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক ও ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে কোনো নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক বলয়ের প্রতি ঝুঁকে পড়ার ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে।

    বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন খাতে কর্মরত আছেন। নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং সেবা খাতে তাঁদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সফরে শ্রম অভিবাসন, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং শ্রমিকদের কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশ্লেষকেরা মনে করেন, মালয়েশিয়া সফরের পর চীন সফর আয়োজনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। একদিকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, অন্যদিকে এশিয়ার বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দুই ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকার বার্তা দিতে চায় ঢাকা।

    নতুন সরকারের ঘোষিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়গুলো রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আসন্ন সফরগুলোকে কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

  • খানজাহান আলীর দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    খানজাহান আলীর দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাগেরহাট সদর উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (র.) মাজার-সংলগ্ন দিঘির ঘাট থেকে ফাতেমা আক্তার (৭) নামে এক শিশুকে কুমির টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ।

    তিনি বলেন, সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে শিশুটি কুমিরের হামলার শিকার হয়ে নিখোঁজ হয়েছে বলে খবর পাই। খবর পেয়ে আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। রাতভর অনুসন্ধান চালানোর পর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী তার মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নামেন। এ সময় দিঘিতে থাকা কুমির হঠাৎ শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় ফাতেমার চিৎকারে মাজার এলাকায় থাকা লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা তৎক্ষণাৎ নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। এরপর শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, মাজারের খাদেম ও স্থানীয়রা সম্মিলিতভাবে অভিযান চালান।

    ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

  • ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৫

    ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৫

     

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মালিগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে ভাঙ্গামুখী একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালকসহ গাড়িতে থাকা ছয়জন গুরুতর আহত হন।

    খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালকসহ পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। এছাড়া একই পরিবারের চারজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। আহত অপর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।

    শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • পাঁচ খনিতে ৭ বিলিয়ন টনের বেশি মজুদ আছে কয়লা

    পাঁচ খনিতে ৭ বিলিয়ন টনের বেশি মজুদ আছে কয়লা

    দিনাজপুর প্রতিনিধি

    বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লাখনির সংখ্যা পাঁচটি। এগুলোর অধিকাংশই দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এবং উচ্চমানের বিটুমিনাস কয়লায় সমৃদ্ধ।

    বর্তমানে আবিষ্কৃত খনিগুলো হলো- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়া, রংপুরের খালাশপীর এবং জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র। বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, বড়পুকুরিয়ায় প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন টন, ফুলবাড়ীতে ৫৭২ মিলিয়ন টন, দীঘিপাড়ায় ৬০০ মিলিয়ন টন এবং খালাশপীরে ১৪৩ মিলিয়ন টন কয়লার মজুদ রয়েছে। সবচেয়ে বড় মজুদ রয়েছে জামালগঞ্জে, যেখানে প্রায় ৫.৪ বিলিয়ন টন কয়লা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে সম্ভাব্য কয়লা মজুদের পরিমাণ প্রায় ৭.১ বিলিয়ন টন।

    ৩০০ বছরের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা রয়েছে।

    বর্তমানে দেশে চালু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বার্ষিক কয়লার চাহিদা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ থেকে এক কোটি ৫০ লাখ টন। পায়রা, রামপাল, মাতারবাড়ী এবং বড়পুকুরিয়াসহ বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হওয়ায় এই চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সে হিসাবে, পুরো ৭.১ বিলিয়ন টন কয়লা ব্যবহার করা গেলে বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ৪৭০ থেকে ৫৯০ বছর পর্যন্ত দেশের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।

    তবে বাস্তবে পুরো মজুদ উত্তোলন করা যায় না। প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, ভূতাত্ত্বিক জটিলতা, পরিবেশগত ঝুঁকি ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সাধারণত ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ কয়লা উত্তোলনযোগ্য ধরা হয়। সে হিসেবে মোট মজুদের মাত্র অর্ধেকও যদি উত্তোলনযোগ্য হয়, তাহলেও প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন টন কয়লা ব্যবহার করা সম্ভব হবে। বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী এই কয়লা দিয়েই প্রায় ২৩০ থেকে ৩০০ বছর দেশের বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।

    তবুও আমদানির ওপর পূর্ণনির্ভরতা

    বিপুল মজুদ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল কয়লাখনি হলো দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি। এখান থেকে বছরে গড়ে ৭ থেকে ১০ লাখ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়, যা জাতীয় চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। ফলে দেশের প্রায় সব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল। পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বিদেশী কয়লায় চলছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমানে বছরে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ থেকে এক কোটি ৫০ লাখ টন কয়লা আমদানি করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে এর জন্য বছরে প্রায় ২ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় দেশের ডলার সঙ্কটকে আরো তীব্র করছে। একই সাথে জ্বালানি আমদানিনির্ভরতার কারণে বিদ্যুৎ খাতও বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে।

    কয়লা উত্তোলন আটকে আছে কেন?

    বাংলাদেশে কয়লা উত্তোলন নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই রয়েছে নীতিগত অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে ওপেন-পিট নাকি ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন হবে- এই বিতর্কের কারণে বড় প্রকল্পগুলো এগোয়নি। বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে, বাংলাদেশের অধিকাংশ কয়লাখনি তুলনামূলক কম গভীরতায় অবস্থিত। ফলে ওপেন-পিট পদ্ধতিতে উত্তোলন করলে উৎপাদন ব্যয় কম হবে এবং অধিক পরিমাণ কয়লা উত্তোলন সম্ভব হবে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে ব্যাপক জমি অধিগ্রহণ, কৃষিজমি ক্ষতি, বসতভিটা উচ্ছেদ এবং পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ২০০৬ সালে ফুলবাড়ী কয়লাখনি প্রকল্পকে কেন্দ্র করে তীব্র আন্দোলন ও হতাহতের ঘটনার পর সরকার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নেয়। এরপর থেকে কার্যত ফুলবাড়ী প্রকল্প স্থবির হয়ে আছে। অন্য দিকে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে উত্তোলন তুলনামূলক নিরাপদ হলেও তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। বড়পুকুরিয়া খনিতে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে উৎপাদনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, প্রত্যাশিত পরিমাণ কয়লা উত্তোলন সম্ভব হয়নি। জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বড়। খনিটির কয়লার স্তর মাটির প্রায় ৬০০ থেকে এক হাজার মিটার গভীরে অবস্থান করছে। ফলে বর্তমান প্রযুক্তি ও ব্যয়ের কাঠামোয় এটিকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক মনে করা হচ্ছে না।

    দেড় যুগেও হয়নি কয়লানীতি

    বাংলাদেশে জাতীয় কয়লানীতি প্রণয়নের আলোচনা শুরু হয় প্রায় দেড় যুগ আগে। ২০০৮ সালে খসড়া কয়লানীতি তৈরি হলেও তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নীতিটি ঝুলে থাকার কারণে কয়লা উত্তোলনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বিদেশী বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন- কোনোটিই এগোয়নি। ফলে দেশের জ্বালানি পরিকল্পনায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার এক দিকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে, অন্য দিকে দেশীয় কয়লা উত্তোলনে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। ফলে আমদানিনির্ভরতা দিন দিন বাড়ছে।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় বাড়ছে ঝুঁকি

    বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতা বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সেই সময় ডলার সঙ্কটের কারণে কয়লা আমদানিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি যদি বিদেশি বাজারের ওপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে যেকোনো বৈশ্বিক সঙ্কট সরাসরি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে। তাদের ভাষ্য, দেশীয় কয়লার একটি অংশও যদি পরিকল্পিতভাবে উত্তোলন করা যেত, তাহলে অন্তত বিদ্যুৎ খাতের একটি বড় অংশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হতো। একই সাথে বৈদেশিক মুদ্রার চাপও কমে আসত।

    নবায়নযোগ্য জ্বালানি বনাম কয়লা বিতর্ক

    পরিবেশবিদদের একটি অংশ মনে করেন, বিশ্ব এখন ধীরে ধীরে কয়লা থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগোচ্ছে। ফলে নতুন করে বড় আকারে কয়লা উত্তোলন দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে জ্বালানি অর্থনীতিবিদদের অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় আগামী কয়েক দশকে কয়লা পুরোপুরি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। গ্যাসের মজুদ কমে যাচ্ছে, এলএনজি আমদানির ব্যয় বাড়ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতাও এখনো সীমিত। তাদের মতে, পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশীয় কয়লার ব্যবহার বাড়ানোই হতে পারে বাস্তবসম্মত সমাধান। কারণ দেশের মাটির নিচে শত শত বছরের জ্বালানি মজুদ রেখে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার কয়লা আমদানি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা- দুই ক্ষেত্রেই বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

  • পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

    পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    পবিত্র হজ পালন শেষে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে গত ২২ মে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

  • মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

    মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশে মে মাসে ৫৫ জন সংবাদমাধ্যমকর্মী শারীরিকভাবে হামলা, নির্যাতন, আইনি হয়রানি এবং জীবননাশসহ নানা হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। আজ সোমবার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টের (বিএজে) গবেষণা ও মনিটরিং সেলের সম্পাদক মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, মে মাসে সারা দেশে অন্তত ২১টি ঘটনায় ৩৮ সংবাদকর্মী শারীরিক হামলা, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। এসব হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, রাজনৈতিক দলের উশৃঙ্খল নেতাকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পেশাজীবীরা, ঠিকাদার, এবং হাসপাতালকর্মীরা।

    পাবনা ও লালমনিরহাটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে ৩ সাংবাদিক আক্রান্ত হন। নরসিংদীতে যুবদল নেতার মারধরের শিকার হন ২ সাংবাদিক এবং বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নেতৃত্বে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বগুড়ায় যুবলীগ এবং কেরানীগঞ্জে বিএনপি এনসিপির রাজনৈতিক সংঘর্ষের সময় অন্তত ৩ সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন।

    চট্টগ্রামে আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। এছাডা রাজধানীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানের সংবাদ সংগ্রহকালে দুই সাংবাদিকের ওপর পুলিশ সদস্যরা হামলা চালায়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মদ্যপ সন্ত্রাসীদের হামলায় ২ জন, মানিকগঞ্জে মাদক কারবারির হামলায় একজন এবং সাভারে সংবাদ সংগ্রহকালে মাদক কারবারিদের হাতে ৪ সাংবাদিক আহত হন। এছাড়া ঝালকাঠিতে একদল দুর্বৃত্ত এক সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম করে। চট্টগ্রামে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৩ সাংবাদিক আইনজীবীদের হামলার শিকার হন।

    ময়মনসিংহে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার দলবল ৩ জন সাংবাদিককে মারধর করে। এছাড়া পটুয়াখালীর পীরগাছায় ২ শিক্ষকের হামলায় একজন এবং রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হামলার শিকার হন অন্তত ৫ সাংবাদিক।

    কালিহাতী ও ফরিদপুরে অনিয়মের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারদের হাতে ২ জন এবং মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে একজন সাংবাদিক আক্রান্ত হন। মোট দশ সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন।

    টেকনাফে মাদক ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা দায়ের করেন। এসময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পুলিশ খাগড়াছড়িতে একজন এবং র‍্যাব ময়মনসিংহে এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। হুমকি ও পেশাগত কাজে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন ৮ সাংবাদিক।

    সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকের আক্রান্ত হওয়ার এই দীর্ঘ তালিকা কেবল সংখ্যার হিসাব নয়। বরং এটি দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতায় ওপর এক বড় আঘাত। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় না আনা হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তাই বিএজে সাংবাদিকদের ওপর চলমান এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

  • তাহলে এবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা!

    তাহলে এবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা!

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এই শিরোপা-উল্লাস লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনও। তবে আলোচনা এখানে নয়। এবারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ৪৮ দলের ফিফা বিশ্বকাপ। 

    যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা দলে আছেন মেসি। কোচ লিওনেল স্কালোনির মূল ভরসাও তিনি। পাশাপাশি, দলে ১৭ জন ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী এবং ৯ জন নতুন খেলোয়াড় আছেন। সবমিলিয়ে শিরোপাটা ধরে রাখার জন্য দলের যে সব রসদ প্রয়োজন, এবারের আর্জেন্টিনা দলে তার সবই রয়েছে।

    এদিকে আর্জেন্টিনা দলটি দেখে ফুটবলবিশেষজ্ঞদের অভিমত, ১৯৬২ সালের পর এবারই প্রথম টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারে কোনো দল। এর আগে, ১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনার সামনে সেই সুযোগ ছিল, কিন্তু ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে গিয়ে ম্যারাডোনার দল ইতিহাস গড়তে ব্যর্থ হয়।

    ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলও এই সুযোগ হারায়। তবে ২০০২ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে দুটি জয় করেছিল ব্রাজিল। কাতারে ফ্রান্সের সামনেও এই সুযোগ ছিল। কিন্তু মেসিদের কাছে হেরে সেই স্বপ্নভঙ্গ হয়ে ফরাসিদের।

    বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে মাত্র দুটি দেশের টানা দু’বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি আছে। প্রথম দল হিসেবে ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে এই রেকর্ড গড়ে ইতালি। এরপর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপে পেলের জাদু ও গারিঞ্চাদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে একই কীর্তি গড়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু গত ৬৪ বছরে আর কোনো দেশ এই অর্জনে নাম লেখাতে পারেনি।

    এবার আর্জেন্টিনা কী পারবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয় করতে? ফুটবল বিশ্বে মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন দেখছে এবং সমর্থকদের মধ্যে বড় আশা তৈরি হয়েছে। যদিও সেই উত্তর মেলাতে আপাতত ১৯ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে ভক্ত-সমর্থকদের।

    কিছু লক্ষণ অবশ্য মেসিদের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে। বিশ্বকাপজয়ী কোচ, বিশ্বকাপজয়ী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অধিকাংশ ফুটবলারও এবার আর্জেন্টাইন শিবিরে আছেন। সবচেয়ে বড় শক্তি দলটির ভেতরের ঐক্য ও ড্রেসিং রুমের দারুণ পরিবেশ, যা বড় সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এ ছাড়া আধুনিক ফুটবল ও অন্যান্য খেলার সাম্প্রতিক ফলাফল বলছে, দলীয় স্থিতিশীলতা থাকলে টানা শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব ফুটবলে পিএসজি ও অন্যান্য শীর্ষ দলগুলো ধারাবাহিক সাফল্য মূলত ভালো টিমওয়ার্ক ও ভারসাম্যের কারণেই এসেছে। গত ৩০ মে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে টাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় পিএসজি।

    যদিও এর আগে কিলিয়ান এমবাপ্পে-নেইমার জুনিয়র কিংবা লিওনেল মেসিদের মতো তারকাদের ভিড়িয়েও ইউরোপাসেরা খেতাব জিততে পারেনি দলটি। কিন্তু সবশেষ দুই আসরে তারকাভর্তি টাইটানিক নয়, বরং একাত্মতা আর ড্রেসিং রুমের স্থিতিশীলতার মন্ত্রেই সাফল্য পেয়েছে কোচ লুইস এনরিকের অধীনে থাকা দলটি।

    ক্রিকেট ও ফুটবলের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়ও একই চিত্র দেখা যায়। যেখানে দল হিসেবে একসঙ্গে খেলা ও ড্রেসিং রুমের স্থিতিশীলতা শিরোপা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে। উদাহরণ হিসেবে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কথাও আসতে পারে। এর আগে, তারকা নির্ভর দল গড়েও প্রত্যাশিত শিরোপা স্বাদ বঞ্চিত ছিল বিরাট কোহলির দল। কিন্তু সবশেষ দুই আসরে দলীয় স্থিতিশীলতা, ড্রেসিংরুমের চমৎকার পরিবেশ টিম স্পিরিটের মন্ত্রে শিরোপা উল্লাসে মেতেছে তারা।

    এ ছাড়া কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে স্প্যানিশ লা লিগায় টানা দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সেলোনা। জার্মান বুন্দেসলিগায় টানা দু’বার চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। এখানেও একইরকম রহস্যমন্ত্রে সফল দলগুলো। এই দিকগুলো আর্জেন্টিনা দলে এখন স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

    সব মিলিয়ে বলা যায়, অন্যান্য দলের তুলনায় আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে। যদি এই ধারাবাহিকতা ও ঐক্য বজায় থাকে, তাহলে আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা মেসির হাতেই উঠতে পারে, এমন সম্ভাবনাই এখন বেশি আলোচনায়

  • মশা মারা শিখতে আমেরিকা নয়, সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে দাঁড়াতে মেয়রকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

    মশা মারা শিখতে আমেরিকা নয়, সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে দাঁড়াতে মেয়রকে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাব নিয়ে ব্যতিক্রমী মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মশক নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচজন কর্মকর্তার মশক নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের একটি প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সফরটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান Valent BioSciences LLC-এর অর্থায়নে হওয়ার কথা ছিল।

    প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হলে এ বিষয়ে মতামত প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বলা হয়, ‘মশক নিধন শেখা বা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশেই সন্ধ্যার পর যে কোনো ডোবার পাশে দুই-তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশক নিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।’