Category: অনান্য

  • প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাপানের বায়োটেক পুরস্কার পেলেন কুবি শিক্ষিকা ড. জান্নাতুল ফেরদৌস

    প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাপানের বায়োটেক পুরস্কার পেলেন কুবি শিক্ষিকা ড. জান্নাতুল ফেরদৌস

    কুবি প্রতিনিধি

    জাপানের ‘এশিয়ান ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস। এ সম্মাননা অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রথম বাংলাদেশি গবেষক হিসেবে এ পুরস্কার লাভের গৌরব অর্জন করেছেন।

    মঙ্গলবার (২ জুন) তার এই পুরস্কার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ড. জান্নাতুল ফেরদৌস।

    বায়োটেকনোলজি গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাপানের সোসাইটি ফর বায়োটেকনোলজি (এসবিজে) তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।

    নিজের গবেষণা ও অর্জন প্রসঙ্গে ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, “আমার গবেষণার মূল বিষয় ছিল ন্যানোটেকনোলজির মাধ্যমে উন্নত ড্রাগ ডেলিভারি সিস্টেম উদ্ভাবন। ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দ্রাব্যতা ও স্থায়িত্ব সংক্রান্ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হই। এছাড়া গ্রোথ ফ্যাক্টর, প্রোটিনসহ বিভিন্ন জৈব অণু নিয়ে কাজ করতে গিয়েও নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়।

    তিনি আরও বলেন, আমার গবেষণার লক্ষ্য ছিল ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহার করে এমন একটি ক্যারিয়ার সিস্টেম তৈরি করা, যা এসব জৈব অণুকে কার্যকরভাবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। এই প্রযুক্তি বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগের চিকিৎসা, চোখে ওষুধ সরবরাহ, এমনকি ক্যান্সার থেরাপিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মূলত একটি বহুমুখী ও কার্যকর ডেলিভারি সিস্টেম হিসেবে ‘ন্যানোজেল ডিসপারশন’ প্রযুক্তির উন্নয়নই ছিল আমার গবেষণার প্রধান বিষয়। এই গবেষণার জন্য আমরা জাপানে একটি পেটেন্টও অর্জন করেছি, যা পরবর্তীতে গবেষণাটিকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে এটিকে একটি আদর্শ ড্রাগ ডেলিভারি সিস্টেম হিসেবে আরও উন্নত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মর্যদাপূর্ণ অর্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি যে পুরস্কারটি পেয়েছি, তা আমার ব্যক্তিগত জীবনের অন্যতম বড়ো অর্জন। একই সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি।

    এই গৌরবময় সাফল্যযাত্রায় গবেষণা সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, এই অর্জনের পেছনে দীর্ঘ গবেষণা-যাত্রা রয়েছে। আমার পিএইচডি গবেষণা এবং পরবর্তীতে জাপানে আমার সুপারভাইজারের গবেষণাগারে পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমের ফলস্বরূপ আমি এই পুরস্কার অর্জন করেছি। এ ক্ষেত্রে আমার জাপানি সুপারভাইজার, গবেষণাগারের সহকর্মী এবং ল্যাবমেটদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে শিক্ষা ছুটি প্রদান এবং গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছে। আমার বিভাগের সহকর্মীরা সবসময় সহযোগিতা করেছেন এবং শিক্ষার্থীরাও আমাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আমি গবেষণার মাধ্যমে যা শিখেছি, তা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এবং তাদের গবেষণায় উৎসাহিত করার চেষ্টা করি। এছাড়া আমার পরিবারও এই দীর্ঘ যাত্রায় সবসময় আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে।

    ন্যানোজেল প্রযুক্তি আবিষ্কার বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার হতে পারে উল্লেখ করে ড. জান্নাতুল ফেরদৌস আরও বলেন, “এটি একটি আধুনিক ও উন্নত ড্রাগ ডেলিভারি প্রযুক্তি। বর্তমানে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় প্রযুক্তিগত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশীয় গবেষক ও ওষুধ কোম্পানিগুলো নিজস্ব পেটেন্ট, নতুন ড্রাগ মলিকিউল এবং উন্নত ক্যারিয়ার সিস্টেম উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ক্যান্সারের মতো জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় এ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম। জাপানে আমি যে ক্যারিয়ার সিস্টেম নিয়ে কাজ করেছি, তার অনুরূপ গবেষণা বাংলাদেশেও পরিচালিত হলে দেশের চিকিৎসা ও ওষুধ গবেষণা খাতে তা একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।”

    উল্লেখ্য, সোসাইটি ফর বায়োটেকনোলজি, জাপান (এসবিজে) জাপানের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সংগঠন। ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংগঠনটি জীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি (বায়োটেকনোলজি) এবং জীবনবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক গবেষণার উন্নয়নে কাজ করে আসছে।

  • প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

    প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ‘অভিযোগ নিষ্পত্তি ও নিরসন সেল’ গঠন করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিষয়টি জানান।
    আদেশ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব/যুগ্মসচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এ সেল গঠন করা হয়েছে।
    মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এ আদেশ আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এই অভিযোগ সেলে প্রবাসীরা তাদের অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
    হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের অভিযোগ জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া যুক্ত করা হবে।
    সেলের অন্য সদস্যরা হলেন- কল্যাণ অধিশাখার যুগ্মসচিব/উপসচিব, আইন শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব, সেবা ও প্রটোকল শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব এবং এনফোর্সমেন্ট-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব। এনফোর্সমেন্ট-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
    অফিস আদেশে বলা হয়, minister@probashi.gov.bd এবং minister.expat@gmail.com ই-মেইল ঠিকানায় প্রাপ্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই সেল।
    এছাড়া প্রাপ্ত আবেদন ও অভিযোগ এবং সেগুলোর বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা দৈনিক বা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
  • পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, আবেদন ৮ জুন পর্যন্ত

    পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, আবেদন ৮ জুন পর্যন্ত

    চাকরি 

    জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানটি ১৩ থেকে  ২০তম গ্রেডে ৪ পদে ৩৭ কর্মী নিয়োগে ১২ মে প্রকাশ করেছে এ বিজ্ঞপ্তি। আবেদন ১৯ মে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ৮ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৮ জুনের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

    প্রতিষ্ঠানের নাম: পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়;

    ১. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর

    পদসংখ্যা: ১০টি

    বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

    *সাঁটলিপিতে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ৪৫ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ হতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ হতে হবে

    ২. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

    পদসংখ্যা: ২টি

    বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ হতে হবে

    ৩. পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক;

    পদসংখ্যা: ৯টি

    বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ হতে হবে

    ৪. পদের নাম: অফিস সহায়ক

    পদসংখ্যা: ১৬টি

    বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,১০০ টাকা (গ্রেড-২০)

    আবেদনের যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

    প্রার্থীর বয়স: ১৮-৩২ বছর (১ মে ২০২৬ তারিখে)

    আবেদন যেভাবে

    আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারবেন

    আবেদনের শেষ সময়: আগামী ৮ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা

    আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

     

    সূত্রঃ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

  • মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

    মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশে মে মাসে ৫৫ জন সংবাদমাধ্যমকর্মী শারীরিকভাবে হামলা, নির্যাতন, আইনি হয়রানি এবং জীবননাশসহ নানা হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। আজ সোমবার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টের (বিএজে) গবেষণা ও মনিটরিং সেলের সম্পাদক মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, মে মাসে সারা দেশে অন্তত ২১টি ঘটনায় ৩৮ সংবাদকর্মী শারীরিক হামলা, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। এসব হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, রাজনৈতিক দলের উশৃঙ্খল নেতাকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পেশাজীবীরা, ঠিকাদার, এবং হাসপাতালকর্মীরা।

    পাবনা ও লালমনিরহাটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে ৩ সাংবাদিক আক্রান্ত হন। নরসিংদীতে যুবদল নেতার মারধরের শিকার হন ২ সাংবাদিক এবং বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নেতৃত্বে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বগুড়ায় যুবলীগ এবং কেরানীগঞ্জে বিএনপি এনসিপির রাজনৈতিক সংঘর্ষের সময় অন্তত ৩ সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন।

    চট্টগ্রামে আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। এছাডা রাজধানীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানের সংবাদ সংগ্রহকালে দুই সাংবাদিকের ওপর পুলিশ সদস্যরা হামলা চালায়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মদ্যপ সন্ত্রাসীদের হামলায় ২ জন, মানিকগঞ্জে মাদক কারবারির হামলায় একজন এবং সাভারে সংবাদ সংগ্রহকালে মাদক কারবারিদের হাতে ৪ সাংবাদিক আহত হন। এছাড়া ঝালকাঠিতে একদল দুর্বৃত্ত এক সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম করে। চট্টগ্রামে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৩ সাংবাদিক আইনজীবীদের হামলার শিকার হন।

    ময়মনসিংহে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার দলবল ৩ জন সাংবাদিককে মারধর করে। এছাড়া পটুয়াখালীর পীরগাছায় ২ শিক্ষকের হামলায় একজন এবং রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হামলার শিকার হন অন্তত ৫ সাংবাদিক।

    কালিহাতী ও ফরিদপুরে অনিয়মের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারদের হাতে ২ জন এবং মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে একজন সাংবাদিক আক্রান্ত হন। মোট দশ সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন।

    টেকনাফে মাদক ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা দায়ের করেন। এসময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পুলিশ খাগড়াছড়িতে একজন এবং র‍্যাব ময়মনসিংহে এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। হুমকি ও পেশাগত কাজে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন ৮ সাংবাদিক।

    সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকের আক্রান্ত হওয়ার এই দীর্ঘ তালিকা কেবল সংখ্যার হিসাব নয়। বরং এটি দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতায় ওপর এক বড় আঘাত। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় না আনা হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তাই বিএজে সাংবাদিকদের ওপর চলমান এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

  • নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আইসোলেশনে-১০৮

    নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আইসোলেশনে-১০৮

    নোয়াখালী প্রতিনিধি

    নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০৮ শিশু।

    রোববার (৩১ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রাজীব আহমেদ চৌধুরী। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    মৃত শিশুর নাম সাওবান (সাড়ে ৩ বছর)। সে জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার পৌরকড়া গ্রামের মো. ওসমানের ছেলে।

    হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ মে হামের উপসর্গ নিয়ে সাওবানকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার তীব্র জ্বরের পাশাপাশি নিউমোনিয়াও ছিল। চিকিৎসকরা তাকে শিশু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার বিকেল থেকে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় এবং অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

  • ক্যানসার চিকিৎসায় ‘নজিরবিহীন’ ইনজেকশন আবিষ্কার

    ক্যানসার চিকিৎসায় ‘নজিরবিহীন’ ইনজেকশন আবিষ্কার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ক্যানসারবিরোধী নতুন এক ইনজেকশনের পরীক্ষা চালিয়েছেন চিকিৎসকরা, যা রোগীদের শরীরে থাকা সম্পূর্ণ টিউমার নির্মূল করে দিতে পারে। চিকিৎসকরা এই ফলাফলকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করেছেন। গবেষকরা এই পরীক্ষার ফলাফলকে ‘নজিরবিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১১টি দেশে আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় (ট্রায়াল) এমন রোগীদের শরীরে এই ইনজেকশ দেওয়া হয়, যাদের ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছে বা পুনরায় ফিরে এসেছে এবং অন্যান্য চিকিৎসায় যাদের কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।

    ফলাফলে দেখা গেছে, ‘অ্যামিভ্যান্টাম্যাব’ (Amivantamab) নামের এই ইনজেকশন এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি রোগীর টিউমার ছোট করতে পেরেছে। অনেকের ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। চিকিৎসকরা দেখতে পান, তাদের মধ্যে ১৫ জন রোগীর টিউমার সম্পূর্ণভাবে গলে গেছে।

    লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চের (আইসিআর) জৈবিক ক্যানসার চিকিৎসাবিষয়ক অধ্যাপক কেভিন হ্যারিংটন বলেন, ‘যেসব রোগীর ক্যানসার কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি উভয় চিকিৎসারই প্রতিরোধী (রেজিস্ট্যান্ট) হয়ে উঠেছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া।’

    তিনি বলেন, ‘এ ধরনের রোগীদের জন্য চিকিৎসার বিকল্প খুবই সীমিত। তাই এই উপকারিতা দেখা সত্যিই আশাব্যঞ্জক।’

    কেভিন হ্যারিংটন পাশাপাশি রয়্যাল মার্সডেন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের কনসালট্যান্ট অনকোলজিস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, ‘এই চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতি বছর হাজার হাজার ক্যানসার রোগীর উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’

    যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যানসার সম্মেলন ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি’র (অ্যাসকো) বার্ষিক সভায় রেবাবার এই ফলাফল উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

    মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে অভূতপূর্ব সাড়া

    বিশ্বের ষষ্ঠ সর্বাধিক প্রচলিত ক্যানসার মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার। এই ট্রায়ালে মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ১০২ জন রোগীকে অ্যামিভ্যান্টাম্যাব ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের টিউমার ছোট হয়ে গেছে বা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। আর ২৮ জনের টিউমার উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হয়েছে এবং ১৫ জনের টিউমার পুরোপুরি নির্মূল হয়েছে।

    গবেষকরা বলেছেন, ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও এই ইনজেকশন একই ধরনের ফলাফল দেখিয়েছে। জনসন অ্যান্ড জনসনের আবিষ্কৃত অ্যামিভ্যান্টাম্যাব বর্তমানে প্রায় ৬০টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফুসফুসের ক্যানসারের পাশাপাশি মলাশয় (কোলোরেক্টাল), মস্তিষ্ক ও পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রেও এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    তিন উপায়েইনজেকশনের কর্মপ্রক্রিয়া

    এই ‘স্মার্ট’ ইনজেকশন তিনটি ভিন্ন উপায়ে ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করে প্রথমত, এটি ইজিএফআর (এপিডার্মাল গ্রোথ ফ্যাক্টর রিসেপ্টর) নামের এমন একটি প্রোটিনকে বাধা দেয়, যা টিউমারের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

    দ্বিতীয়ত, এটি এমইটি নামের একটি পথও বন্ধ করে দেয়, যেটি ব্যবহার করে ক্যানসারের কোষগুলো প্রচলিত চিকিৎসাকে ফাঁকি দিতে পারে।

    তৃতীয়ত, এটি রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় করে টিউমারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

    রোগীর অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়া

    এই চিকিৎসায় প্রথম দিকে সুফল পান ৫৬ বছর বয়সী কার্ল ওয়ালশ। ২০২৪ সালের মে মাসে তার জিবে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তিনি রয়্যাল মার্সডেনে ‘অরিগ্যামি-৪’ নামের ওই ট্রায়ালে যোগ দেন।

    কার্ল ওয়ালশ বলেন, ‘শুরুতে আমাকে কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেগুলো সফল হয়নি। পরে আমাকে অরিগ্যামি-৪ ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এখন আমি চিকিৎসার সপ্তদশ চক্রে আছি। এই অগ্রগতিতে আমি খুবই সন্তুষ্ট।’

    অন্যান্য ক্যানসার চিকিৎসার মতো অ্যামিভ্যান্টাম্যাব শিরায় স্যালাইনের মাধ্যমে না দিয়ে ত্বকের নিচে ছোট একটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়। ফলে এর চিকিৎসা দ্রুত, সহজ এবং বহির্বিভাগে পরিচালনা করাও সুবিধাজনক।

    প্রতি তিন সপ্তাহে একবার দেওয়া এই চিকিৎসার বেশির ভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই ছিল মৃদু বা মাঝারি মাত্রার। ১০ জনের মধ্যে একজনেরও কম রোগীকে এই চিকিৎসা বন্ধ করতে হয়েছে।

    ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের বাসিন্দা ওয়াশ বলেন, ‘আমি এখন প্রায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছি। ট্রায়াল শুরু করার আগে ফোলা ও ব্যথার কারণে ঠিকমতো কথা বলতে পারতাম না, খেতেও অনেক কষ্ট হতো। চিকিৎসা শুরুর পর ফোলা অনেক কমে গেছে এবং ব্যথাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কেমোথেরাপির সময় জীভনের ওপর যে প্রভাব বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছিল, এখন আর তা হচ্ছে না।’

    পুরোনো দিনের কথা মনে করে তিনি বলেন, অসুস্থতার সবচেয়ে কঠিন সময়ে তাকে স্যুপ, রাইস পুডিং, ক্যানজাত পাস্তা ও অমলেটের মতো নরম খাবার খেতে হতো। এর সঙ্গে দিনে তিনবার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পুষ্টিকর দুধের পানীয়ও খেতে হতো। এতে তার ওজনও বেশ কমে গিয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘চিকিৎসার মাত্র দুই চক্রের পর থেকেই আমার খাদ্যাভ্যাস স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং ছয় মাসের মধ্যে আমি সব ধরনের খাবার খেতে পারছিলাম। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল অনেক দিন পর প্রথম বড় স্টেক খাওয়া। আমার কথাবার্তাও এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক এবং কর্মক্ষেত্রে হেডসেট ব্যবহার করে নিয়মিত কথা বলতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’

    ইতিবাচক অগ্রগতি

    গবেষকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায মূলত মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর পরিচালিত হয়েছিল। তবে এ পরীক্ষায় হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) পজিটিভ ওরোফ্যারিন্জিয়াল স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমার রোগীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

    তারা বলছেন, এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসা করা আরও কঠিন। তাই এই গ্রুপের রোগীদের ক্ষেত্রে এমন অগ্রগতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার পর এই ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বাঁচার সম্ভাবনা যেখানে খুবই কম, সেখানে অ্যামিভান্টাম্যাব নেওয়া রোগীরা চিকিৎসা শুরুর পর গড়ে সাড়ে ১২ মাস বেঁচে ছিলেন।

    আইসিআরের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ক্রিস্টিয়ান হেলিন বলেন, ‘এই গবেষণা দেখিয়েছে যে কীভাবে কঠোর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি করা সম্ভব, যা সীমিত চিকিৎসার সুযোগ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রেও অর্থপূর্ণ অগ্রগতি এনে দিতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, ‘যখন এমন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করা অত্যন্ত কঠিন, এর মধ্যে এই মাত্রার প্রতিক্রিয়া এবং বেঁচে থাকার আশাব্যঞ্জক হার অর্জন করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

    সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

  • সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

    সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    শনিবার (৩০ মে) হাসপাতালের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র‍্যাবসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ব্যাপক গণমাধ্যম কাভারেজের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবাকর্মীরা কয়েকদিন ধরে মানসিক চাপে দায়িত্ব পালন করছেন।

    শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনের পর বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিছু সাংবাদিক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে কথা বললে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। কয়েকজন কর্মী উত্তেজিত আচরণ করেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। সাংবাদিকদের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মান প্রদর্শনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে বিবেচনা করেন। আদ-দ্বীন হাসপাতাল সব সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনভিপ্রেত উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। কোনো কর্মীর আচরণে সাংবাদিকরা কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

  • খাদ্য মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, আবেদন এসএসসি-এইচএসসি পাসে

    খাদ্য মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, আবেদন এসএসসি-এইচএসসি পাসে

    চাকরি 

    জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানটি ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে ৩ পদে ১৮ কর্মী নিয়োগে ২৪ মে প্রকাশ করেছে এ বিজ্ঞপ্তি। আবেদন ৪ জুন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৮ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। 

    প্রতিষ্ঠানের নাম: খাদ্য মন্ত্রণালয়;

    ১. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর

    পদসংখ্যা: ২টি

    বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩);

    আবেদনের যোগ্যতা

    *স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

    *সাঁটলিপিতে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ৪৫ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ থাকতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ থাকতে হবে

    ২. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

    পদসংখ্যা: ১টি

    বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *এইচএসসি পাস হতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ থাকতে হবে

    ৩. পদের নাম: অফিস সহয়ক

    পদসংখ্যা: ১৫টি

    বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)

    আবেদনের যোগ্যতা: অন্যূন এসএসসি পাস হতে হবে

    চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন (অস্থায়ী)

    প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন

    কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে

    প্রার্থীর বয়স: ১৮-৩২ বছর (১ জুন ২০২৬ তারিখে)। তবে ১ ও ২ নম্বর পদের বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য

    আবেদন যেভাবে

    আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন

    আবেদন ফি

    টেলিটক প্রি-পেইড নম্বর থেকে আবেদন ফি বাবদ ১-২ নম্বর পদের জন্য ১১২ টাকা, ৩ নম্বর পদের জন্য ৫৬ টাকা অনলাইনে ফরম পূরণের অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে

    আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ২৮ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা

    আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

  • সিভিতে যে ৭ ভুল চাকরির সুযোগ নষ্ট করে

    সিভিতে যে ৭ ভুল চাকরির সুযোগ নষ্ট করে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ২০২৬ সালের বর্তমান চাকরির বাজার এক নতুন ও অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক যুগে প্রবেশ করেছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অটোমেশনের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে এখন কেবল যোগ্যতা থাকাই শেষ কথা নয়, বরং সেই যোগ্যতাকে সঠিক উপায়ে উপস্থাপন করাও সমভাবে জরুরি হয়ে পড়েছে। নিয়োগকর্তারা এখন আর ম্যানুয়ালি সব আবেদন যাচাই করেন না; বরং তারা ‘অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম’ (ATS) বা আধুনিক ফিল্টারিং প্রযুক্তির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

    এই আধুনিক ডিজিটাল যুগে আপনার সিভি-ই হতে পারে ইন্টারভিউ বোর্ডে পৌঁছানোর প্রথম এবং একমাত্র শক্তিশালী মাধ্যম। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, অনেক যোগ্য প্রার্থীও কেবল সিভির কিছু সাধারণ কিন্তু মারাত্মক ভুলের কারণে নিয়োগকর্তাদের নজরে আসার আগেই বাছাই প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছেন। তাই ২০২৬ সালের এই বৈশ্বিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর নিয়োগ ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে আপনার সিভিতে নিচের ৭টি ভুল এড়িয়ে চলা অপরিহার্য:

    ১. সব পদের জন্য একই ‘জেনেরিক’ সিভি ব্যবহার করা: অনেকেই একটি সাধারণ সিভি তৈরি করে সব জায়গায় পাঠান। ২০২৬ সালের নিয়োগ পদ্ধতি এখন অনেক বেশি কি-ওয়ার্ড নির্ভর। আপনি যে পদের জন্য আবেদন করছেন, সেই জব ডেসক্রিপশনের সাথে মিল রেখে সিভি তৈরি না করলে তা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    ২. দুর্বল বা অস্পষ্ট পার্সোনাল প্রোফাইল: ‘আমি একজন কঠোর পরিশ্রমী ব্যক্তি’’ এ ধরনের সাধারণ কথা এখন আর চলে না। নিয়োগকর্তারা এখন প্রথম কয়েক লাইনের মধ্যেই আপনার অভিজ্ঞতা, বিশেষ দক্ষতা এবং সাফল্যের সংক্ষিপ্ত ও গোছানো বর্ণনা আশা করেন।

    ৩. অপ্টিমাইজেশনকে গুরুত্ব না দেওয়া: বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান মানুষের আগে সফটওয়্যার বা ‘অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম’ দিয়ে সিভি যাচাই করে। আপনার সিভিতে যদি সঠিক কি-ওয়ার্ড, সাধারণ ফরম্যাটিং বা স্পষ্ট কাঠামো না থাকে, তবে এই সিস্টেম আপনার আবেদনটি শুরুতেই বাতিল করে দিতে পারে।

    ৪. অপ্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতার বোঝা: জীবনের সব ছোট-বড় কাজের অভিজ্ঞতা সিভিতে যোগ করলে সিভির মূল গুরুত্ব হারিয়ে যায়। নিয়োগকর্তারা কেবল সেই অভিজ্ঞতাগুলোই দেখতে চান যা বর্তমান পদের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অপ্রাসঙ্গিক তথ্য সিভির মান কমিয়ে দেয়।

    ৫. জটিল ফরম্যাটিং ও পড়ার অযোগ্যতা: অতিরিক্ত গ্রাফিক্স, অনেক ধরনের ফন্ট বা খুব জটিল ডিজাইন সিভির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আধুনিক ডিজিটাল সিস্টেমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে একটি পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন এবং সহজ কাঠামোর লেআউট বেছে নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর।

    ৬. পরিমাপযোগ্য অর্জনের অভাব: আপনি অতীতে কী কী দায়িত্ব পালন করেছেন, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি সেখানে কী ফলাফল দেখিয়েছেন। সংখ্যা বা শতাংশের মাধ্যমে (যেমন কত শতাংশ রাজস্ব বাড়িয়েছেন বা কতটুকু কাজের উন্নতি করেছেন) আপনার সাফল্যগুলো ফুটিয়ে না তুললে আপনি অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে পড়বেন।

    ৭. বানান ও ব্যাকরণগত ভুল: খুব সামান্য বানান ভুল বা ব্যাকরণগত ত্রুটি নিয়োগকর্তার কাছে আপনার অসাবধানতা ও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়। বর্তমানের উচ্চ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এ ধরনের ভুল দেখা মাত্রই অনেক সময় সিভি প্রত্যাখ্যান করা হয়।

    চাকরির বাজারের এই নতুন চ্যালেঞ্জগুলো মাথায় রেখে আপনার সিভিতে এই পরিবর্তনগুলো আনলে কাঙ্ক্ষিত ইন্টারভিউ কল পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

     

    তথ্যসূত্র: টাইমস ম্যাগাজিন, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এমএসএন ডটকম

  • ইবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    ইবিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি

     

    নাফীজ আহমেদ ,ইবি

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে শোকর‍্যালি ও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

    শনিবার (৩০ মে) দুপুর ১২টায় প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে শোক র‍্যালি বের করে সংগঠনটি। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক উন্মোচিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিত্তিপ্রস্তরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

    এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব, রোকন উদ্দিন ও আনারুল ইসলাম, সদস্য সাব্বির হোসেন, রাফিজ আহমেদ, সাক্ষরসহ প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে ভাইস চ্যান্সেলরের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম এ ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি শোক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিত্তিপ্রস্তরের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

    পরে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রনায়কের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এসময় অডিও বার্তার মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. একেএম এম মতিনুর রহমান।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মসূচির মধ্যে ছিল শোক র‍্যালি, কালো ব্যাজ ধারণ, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত।