Author: Jvadmin

  • খানজাহান আলীর দিঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল কুমির

    খানজাহান আলীর দিঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল কুমির

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করার সময় রাবেয়া (৮) নামের এক কন্যাশিশুকে কুমির টেনে নিয়ে গেছে।

    সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা শুরু করেছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে শিশুটি মাজারের দিঘির ঘাটে গোসল করতে নামে। এ সময় হঠাৎ একটি বিশাল আকৃতির কুমির শিশুটির ওপর আক্রমণ করে এবং তাকে টেনে দিঘির গভীর পানিতে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

    খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি দিঘির পানিতে নামার পরপরই কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দিঘির বিশাল আয়তন এবং রাতের অন্ধকারের কারণে উদ্ধার অভিযানে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে নিখোঁজ শিশুটিকে খুঁজে বের করতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও উদ্ধারকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনার পর মাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা গেছে।

  • ফুলবাড়ী বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক

    ফুলবাড়ী বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক

    দিনাজপুর প্রতিনিধি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কতৃক মালিক বিহীন ভারতীয় নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য আটক ০১ জুন সন্ধ্যায় ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ অচিন্তপুর বিওপি কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশর অভ্যন্তরে চাপড়া গ্রামের চেয়ারম্যান পাড়ার মধ্য হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৫০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক করে।

    আটককৃত চোরাচালানী মালামালের সিজার মূল্য- ১২,০০০/-(বারো হাজার) টাকা।

    এবিষয়ে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) সুএ জানান,ভবিষ্যতেও বিজিবি কর্তৃক চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল আটক এবং আসামী আটকের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।

  • গোপালগঞ্জের দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর আহত-২০

    গোপালগঞ্জের দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর আহত-২০

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাংচুর ও নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত হয়েছে।

    সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা- বেপারীপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    গুরুতর আহত ওহাব গাজী(৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০) জলিল গাজী (৪৬) ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), জাহিদুল বরকতউল্লাহ (৩৮) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানাগেছে, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারী চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন  মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে আটক করে বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয়ে আটকে রাখে।

    এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন এসে মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয়  ভাঙচুর করে ৩ চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুলাহ এই ৩জন মিলে ব্যাটারী চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা এই ৩ চোরকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেই।

    পরবর্তীতে কাঠিগা-চিতশীর লোকজন এসে আমাদের উপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই ৩জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    কোটালীপাড়া থানার ওসি মোঃ রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

  • রামিসা হত্যা মামলা নতুন করে আলোচনায় আসা কে এই ‘ডলার’?

    রামিসা হত্যা মামলা নতুন করে আলোচনায় আসা কে এই ‘ডলার’?

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যা মামলার চার্জ গঠনের শুনানিতে নতুন মোড় এসেছে। আদালতে তোলার সময় আসামি সোহেল রানা নিজের স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি করে ‘ডলার’ নামে এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে মূল অপরাধী হিসেবে দাবি করেছেন।

    চার্জগঠন শুনানির দিন আদালতে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এ দাবি করেন। তবে এই ‘ডলার’ কে তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে মামলায় নতুন রহস্য তৈরি হয়েছে।

    সোমবার (১ জুন) চার্জ গঠনের শুনানির জন্য কারাগার থেকে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল থেকেই তাদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর বিচারকের এজলাসে তাদের উপস্থিত করা হয়।

    আদালতে আনার সময় সাংবাদিকদের সামনে সোহেল দাবি করে বলেন, আমি একা দোষী না, আমার স্ত্রীর দোষ নেই। সব দোষ ডলারের। আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার। ডলার দুই লাখ টাকা দিছে।

    নতুন নাম আসা ডলারের পরিচয় জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, মিরপুর ১১ নম্বর বাড়ি, অনেক টাকাওয়ালা। তিনি ওই ব্যক্তির পূর্ণ পরিচয় বা অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু না জানালেও সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, মেইন আসামি ডলারকে ধরেন, সে-ই রামিসাকে হত্যা করেছে।

    এই বক্তব্যের পর মামলায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে ‘ডলার’ নামটি। তবে, তদন্ত সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এদিকে ‘ডলার’ সম্পর্কিত বক্তব্যকে ‘ম্যাটার অব ট্রায়াল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (স্পেশাল পিপি) আজিজুর রহমান দুলু।

    তার ভাষায়, ম্যাটার অব ট্রায়াল নিয়ে কোনো মামলার ডিসচার্জ হয় না। পুলিশ রিপোর্টে যেটা আমরা পাইনি, সে বিষয়ে প্রসিকিউশনের কিছু বলার নেই। আর ডিফেন্স থেকে যা বলা হয়, সেগুলো ম্যাটার অব এভিডেন্স, যা প্রমাণের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, মামলার নথিপত্র, তদন্ত প্রতিবেদন এবং আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছে। আমরা সম্পূর্ণ আশাবাদী যে এই মামলায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে।

    স্পেশাল পিপি জানান, আসামির বক্তব্য বিচার চলাকালীন সময়ের বিষয়, যা সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

    তদন্ত–সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মামলার তদন্ত শেষে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। আদালত চার্জগঠন শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেছিলেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আইনগতভাবে যা যা করণীয়, তা করা হবে। তবে বিচারিক প্রক্রিয়ার গতি ও সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

    আইনজীবীরা বলছেন, নিম্ন আদালতে বিচারকাজ দ্রুত এগোলেও চূড়ান্ত রায় কার্যকরের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে বিচার দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি রায় কার্যকর হওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    এর আগে, গত ১৯ মে পল্লবীতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার দুই আসামিই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

  • শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলা

    শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    কুষ্টিয়া থেকে জীবননগরে শ্বশুরবাড়ি আসার পথে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ জুন) আসরের নামাজের পর জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

    হামলায় আহত হয়েছেন আমির হামজার শালা ও দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি আবু বক্কর ও তার গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন। হামলাকারীরা হলেন হাসাদাহ বাজারের বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, তার ছেলে শাহরিয়ার ও রিমন।

    আমির হামজার শ্যালক আবু বক্কর বলেন, কুষ্টিয়া থেকে দুলাভাই আমির হামজা একটি গাড়িতে এবং আমি আর বোনসহ কয়েকজন আরেকটি গাড়িতে জীবননগর আসছিলাম। আমরা হাসাদাহ বাজারে পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক আমাদের গতিরোধ করে। বার বার হর্ণ দিলেও গাড়ি না সরানোয় আমাদের গাড়িচালক নিচে নেমে কথা বলেন। তখন ওই ইজিবাইক চালক দুঃখ প্রকাশ করেন।

    আবু বক্কর আরও বলেন, এ সময় হঠাৎ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে কয়েকজন এসে আমার ওপর হামলা করে। আমি এমপি আমির হামজার শ্যালক বলায় তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে মুখে আঘাত করে। আমার বোন গাড়ি থেকে বের হলে তাকে এবং দুলাভাই আমির হামজাকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তারা।

    এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখসহ থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে এমপি আমির হামজা ও তার পরিবারের সদস্যরা জীবননগর থানায় রয়েছেন।

    এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বর্তমানে এমপি সাহেবসহ তার পরিবারের সদস্যরা থানায় রয়েছেন।

  • জনস্বার্থের দাবিতে সরব পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক, ইতিবাচক সাড়া ইউএনও’র

    জনস্বার্থের দাবিতে সরব পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক, ইতিবাচক সাড়া ইউএনও’র

    কক্সবাজার প্রতিনিধি 

    রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়া সড়কে দীর্ঘদিনের পরিবহন ভাড়া নৈরাজ্যের অবসান ঘটেছে। এ লক্ষ্যে রামু উপজেলা প্রশাসন, পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক এবং রামু সিএনজি সমিতির মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১ জুন) সকাল ১১টায় রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    সিএনজি সমিতির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক ভূট্টু, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম সুমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মাঈনুদ্দিন খালেদ, সাধারণ সম্পাদক এস.এম হুমায়ুন কবির , সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন টুক্কু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আনোয়ার, অর্থ সম্পাদক সাইদুজ্জামান, আবুল শাহমা, নুরুল হাকিম, দেলোয়ার হোসেন এবং এস. এম. লুৎফুর কবির।

    সভায় পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অর্ধডজনেরও বেশি দাবি উত্থাপন করা হয়।

    এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া ও আশপাশের চার ইউনিয়ন নিয়ে নতুন উপজেলা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ, গর্জনিয়া বাজার-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের উন্নয়ন, পরিবহন ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধ, গর্জনিয়া বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধ এবং গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির জরাজীর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়ন।

    ইউএনও মো. জিল্লুর রহমান ধৈর্যসহকারে দাবিগুলো শুনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়গুলো যথাযথভাবে উপস্থাপনের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে সিএনজি ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে সমিতির নেতাদের মাধ্যমে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

    এতে সন্তোষ প্রকাশ করে পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের নেতৃবৃন্দ ইউএনও’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    পরে একই দিন দুপুরে পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের নেতৃবৃন্দ রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ওসি সমাজের কল্যাণ ও জনস্বার্থে পরিচালিত গঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

  • তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা ধানমন্ডিতে, দাফন মঙ্গলবার

    তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা ধানমন্ডিতে, দাফন মঙ্গলবার

    জেভি২৪ ডেস্ক

    উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা রাজধানীর ধানমন্ডিতে তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরিবারসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    এর আগে আজ সোমবার (১ জুন) বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

    বিকালে স্কয়ার হাসপাতালে তোফায়েল আহমেদের স্বজনরা জানান, মরদেহ কিছুক্ষণের মধ্যে ধানমন্ডির ১২/এ-তে তাকওয়া মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানেই মরদেহের গোসল করানো হবে এবং বাদ মাগরিব প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল মঙ্গলবার তার নিজ জেলা ভোলায় আবার জানাজা শেষে দাফন করা হবে।

    বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

  • তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

    তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন।

    সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

    তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ।

    প্রবীন এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

     

  • আশুগঞ্জে ১২ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার আটক, গ্রেফতার-৩

    আশুগঞ্জে ১২ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার আটক, গ্রেফতার-৩

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ কেজি গাঁজাসহ একটি প্রাইভেটকার জব্দসহ তিনজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (১ জুন ) সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্দেহভাজন একটি প্রাইভেটকার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে গাড়ির ভেতর থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা তিনজনকে আটক করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ১. গাজীপুরের নাদিম মোল্লা ২.ময়মনসিংহের বাছেদ মিয়া ৩. শেরপুরের মনির সরদার।

    পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত বাছেদ মিয়া ও মনির সরকারের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।

    উদ্ধারকৃত গাঁজা ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • রাজশাহীতে শুরু হয়েছে ফিরতি যাত্রা; স্টেশন ও টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

    রাজশাহীতে শুরু হয়েছে ফিরতি যাত্রা; স্টেশন ও টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

     

    রাজশাহী প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে ফিরতে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। ছুটি শেষ হওয়ায় রাজশাহী থেকে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফিরছেন চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। ফলে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এবং আন্তঃজেলা পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়।

    সোমবার সকাল থেকেই ট্রেন ও বাসে উঠতে স্টেশন এবং টার্মিনালে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। তবে যাত্রীচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি, যানজট বা পরিবহন সংকটের খবর পাওয়া যায়নি। সময়মতো অধিকাংশ ট্রেন ও বাস ছেড়ে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

    ফিরতি যাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। যাত্রীদের নিরাপদ চলাচল, টিকিট ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন রেলওয়ে কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও।

    রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার জিয়াউল আহসান জানান, এবারের ঈদযাত্রা ছিল অত্যন্ত সফল ও নিরাপদ। গত ২৩ মে থেকে শুরু হওয়া ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ট্রেন পরিচালনার কর্মসূচি আগামী ৩ জুন পর্যন্ত চলবে।

    তিনি আরও বলেন,”এবারের ঈদে ট্রেন চলাচলে কোনো বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় বা দুর্ঘটনা ঘটেনি। কিছু ট্রেন ১০ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত বিলম্বিত হলেও পরবর্তীতে সময় সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে। ফলে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পেরেছেন।”

    অতিরিক্ত কোচ সংযোজনে বেড়েছে আসনসংখ্যা
    প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদে ট্রেনে যাত্রীচাপ ছিল উল্লেখযোগ্য। এ চাপ সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে। ঈদের আগ পর্যন্ত ট্রেনগুলোর নিয়মিত সাপ্তাহিক ‘অফ ডে’ বহাল রাখা হয় এবং ঈদের পর যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলায় প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে একটি এসি ও একটি শোভন চেয়ার কোচসহ মোট দুটি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হয়েছে।

    রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, অতিরিক্ত কোচ যুক্ত হওয়ায় প্রতিটি ট্রেনের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে এবং টিকিট সংকটও কিছুটা কমেছে।

    সময়মতো ছাড়ছে অধিকাংশ ট্রেন ও বাস
    সোমবার সকাল থেকে রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া অধিকাংশ ট্রেন ও বাস নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। শুধুমাত্র সিল্কসিটি এক্সপ্রেস সামান্য বিলম্বে ছাড়লেও অন্যান্য ট্রেন সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করেছে। একইভাবে দূরপাল্লার বাসগুলোও নির্ধারিত সময়ে যাত্রা শুরু করায় যাত্রীদের মধ্যে সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।

    যাত্রীরা জানান, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ট্রেন ও বাসের ব্যবস্থাপনা অনেক ভালো। স্টেশনে অতিরিক্ত ভিড় থাকলেও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সন্তোষজনক। ফলে দীর্ঘ ঈদ ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার যাত্রা অনেকটাই স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টদের আশা, আগামী কয়েকদিন যাত্রীচাপ অব্যাহত থাকলেও অতিরিক্ত কোচ, বিশেষ ট্রেন পরিচালনা এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে ফিরতি ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নভাবেই সম্পন্ন হবে।