Author: Jvadmin

  • নিম্নমানের সামগ্রি দেয়ায় ববিতে বন্ধ হলো রাস্তা কাজ, ল্যাবে পাঠানো হলো পাথর

    নিম্নমানের সামগ্রি দেয়ায় ববিতে বন্ধ হলো রাস্তা কাজ, ল্যাবে পাঠানো হলো পাথর

    ববি প্রতিনিধি 

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) রাস্তার কাজে  নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। গতকাল রোববার (২৪ই মে) অভিযোগ ওঠে নিম্নমানের পাথর দিয়ে সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-০১ এর সম্মুখের  রাস্তা ঢালাই দেয়া হবে। এরপরে শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিল্যান্স টিম এর প্রতিবাদ জানালে ভেস্তে যায় কাজ, পরে পাথর টেস্টের জন্য পাঠানো হয় ল্যাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাস্তাটির কাজের শুরু থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং রুল ফলো করা হয়নি। এস্টিমেট অনুযায়ী  কাজ না করে এলোমেলোভাবে কাজ করা হয়েছে। এস্টিমেট অনুযায়ী রাস্তার আগের নষ্ট ইট ফেলে দিয়ে নতুন ইট দেয়ার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়নি। এছাড়াও ইট তুলে বালু দিয়ে তারপরে নতুন ইট বসিয়ে রড দিয়ে ঢালাই করার কথা কিন্তু করা হয়েছে ঠিক তার উল্টো।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী দপ্তর সিদ্ধান্ত নেয়, পাথর পরীক্ষা পরে করা হবে ঢালাইয়ের কাজ। সেই উদ্দেশ্য সোমবার বরিশাল সড়ক ও জনপদের মাঠ পর্যায়ের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারে পাথরের সেম্পল পাঠানো হয় টেস্টের জন্য। সেম্পল হিসেবে এর আগে যে পাথর দিয়ে কাজ করা হয়েছে তা নেয়া হয় এক বস্তা এবং বর্তমান যে পাথর দিয়ে কাজ করা হবে সেগুলো নেয়া হয় এক বস্তা। সড়ক ও জনপদের বরিশালের সহকারী প্রকৌশলী আলী আকবর পাথরের দুটো সেম্পল টেস্ট করেন। টেস্টে বর্তমান ব্যবহৃত পাথরের সাইজ ১৬.৪০ এবং আর এর আগে রাস্তাটির দুপাশের ড্রেনের কাজে ব্যবহৃত পাথরের সাইজ ৯.২০।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মধ্যরাতে ঢালাইয়ের জন্য রড প্রস্তুতের কাজ চলমান অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজমাইন সাকিবসহ কিছু শিক্ষার্থী ঠিকাদারের কাছে জিজ্ঞাসা করেন নিম্নমানের পাথরের বিষয়ে। এসময় আমেনা কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার আওলাদ হোসেন মনুর সাথে তাদের বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার পরে আজ সকালে ঢালাইয়ের কাজ বন্ধ রেখে পাথরের সেম্পল টেস্ট করা হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী দপ্তর সূত্রে জানা গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুর্শিদ আবেদীনের যোগসাজশে নিম্নমানের পাথর দিয়ে ঢালাই দেয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। কথা ছিলো আজকে সকাল সাতটা থেকে শুরু হবে ঢালাইয়ের কাজ তবে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে তা ভেস্তে গেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিসূত্র বলছে, রিপোর্ট পজিটিভ দেখানো হবে শিক্ষার্থীরা বাঁধা দিয়েছে এজন্য জাস্ট চোখো ধুলা দেয়ার জন্য পাথর নামেমাত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে। বরিশাল সড়ক ওজনপদ ববি উপপ্রধান প্রকৌশলী মুর্শিদ আবেদীনের দখলে, উনার সুবিধা ও চাহিদামতো কাজ হবে।

    ভিজিল্যান্স টিমের কোনো সদস্য বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ খুলতে রাজি হননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সদস্য বলেন, আগে যে পাথর দিয়ে ঢালাই দেয়া হয়েছে তার থেকে নিম্নমানের পাথর এবার নিয়ে আসা হয়েছে। উপপ্রধান প্রকৌশল আবেদিন এর মূল ওর নেতৃত্বে এগুলো হয়। মোটামুটি মানের একটি পাথর দিয়ে ঢালাই করা হবে আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম’

    কাজের এস্টিমেট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ঢালাইয়ে এ-গ্রেড কোয়ালিটি পাথর দেয়ার কথা। কিন্তু যে পাথর নিয়ে আসা হয়েছে তা দিয়ে ঢালাই করা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে প্রকৌশল দপ্তর ও ঢালাইয়ের কাজ তদারকি করার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই পাথর দিয়ে কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুর্শিদ আবেদীনের যোগসাজশে ঢালাই দিয়ে দেয়া হচ্ছে নিম্নমানের গ্রেডহীন পাথর দিয়ে।

    খোঁজ নিয়ো জানগেছে, ” প্রকৌশল দপ্তরের প্রকৌশলীরা নিম্নমানের পাথর দিয়ে কাজ করতে রাজি না থাকলেও মুর্শিদ আবেদীন এই পাথর দিয়ে কাজ করাতে চাপ দিচ্ছেন।

    ছাত্রদল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  আজমাইন সাকিব বলেন, ” এর আগেও এই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রি দিয়ে কাজ করার অভিযোগ ওঠে। তখন প্রতিবাদ করি এবারও নিম্নমানের পাথর দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবাদ জানিয়েছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আীও শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। এখন বাকিটা দেখা যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি ব্যবস্থা নেয়, তবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে ঢালাইয়ের কাজ করলে শিক্ষার্থীরা মেনে নিবে না।

    এ বিষয়ে উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুর্শিদ আবেদিন বলেন, “টেন্ডার অনুযায়ী মানসম্পন্ন পাথর দিয়েই ঢালাইয়ের মিক্সিং তৈরি করা হবে। নিম্নমানের পাথর নয়, এসব পাথর দিয়ে ক্যান্টনমেন্টেও কাজ চলছে। কাজের  গুনগত মান বজায় রাখবে বলে ঠিকাদার আমাকে নিশ্চিত করেছেন। আমি সকালে নিজে সেখানে উপস্থিত থাকবো।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা কোনো কাজে বাঁধা দেয়নি। পাথরের মান নিয়ে ভিজিল্যান্স টিমের অভিযোগ ছিলো পরে আমি নির্দেশ দেয় ল্যাব টেস্ট করাতে। টেস্টের ফলাফল পজেটিভ এই পাথর দিয়ে ঢালাই দেয়া যাবে।  ফলাফল আসতে বিকেল হয়ো যাওয়ায় মিস্ত্রি সব চলে গেছে এজন্য বলেছি ঈদের পরে ঢালাইয়ের কাজ করার জন্য।”

  • রাতে ঘুমের মধ্যে ঘামা ক্যানসারের লক্ষণ নয় তো

    রাতে ঘুমের মধ্যে ঘামা ক্যানসারের লক্ষণ নয় তো

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সাধারণত ঘামের মাধ্যমেই মানুষের শরীর নিজের তাপমাত্রা ঠিক রাখে। তাই শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে প্রাকৃতিকভাবেই আমরা ঘামি। এছাড়া অন্যান্য শারীরিক সমস্যা, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও অন্যান্য আরও অনেক বিষয়েও মানুষের ঘামার সঙ্গে জড়িত।

    তবে ঘামের এই সাধারণ প্রক্রিয়াই আপনার শরীরের ক্যানসার বাসা বেঁধেছে কি না তার বড় একটি লক্ষণ হতে পারে। রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে ঘামা মূলত ক্যানসারের একটি প্রাথমিক লক্ষণ।

    তবে মনে রাখবেন, যদিও রাতে ঘাম হওয়া ক্যানসারের একটি সাধারণ লক্ষণ, তবে ক্যানসার হওয়ার পেছনে আরও বেশ কিছু কারণ দায়ী থাকতে পারে। এছাড়াও রাতের ঘামার পেছনে রয়েছে কার্সিনয়েড টিউমার, লিউকেমিয়া, ফিস্ফোমা, হাড়ের ক্যানসার, লিভার ক্যানসার ও মেসোথেলিওমার মতো আরও অনেক সমস্যা।

    ক্যানসারের কারণেই যে রাতে ঘুমের মধ্যে ঘাম হয়, কোনো গবেষণায় এমন কোনো প্রমাণ স্পষ্ট নয়। হতে পারে শরীর ক্যানসার বা অন্য যে কোনো সমস্যার সঙ্গে লড়াই করার চেষ্টা করছে। এছাড়া শরীরের হরমোন পরিবর্তনের কারণেও রাতে ঘাম হতে পারে।

    গবেষণা বলে, ক্যানসার অনেক সময় জ্বর সৃষ্টি করে। আর এ সময় শরীর অতিরিক্ত ঘেমে সেই তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করে। কারণ তখন শরীর ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করে। কখনো কেমোথেরাপি, হরমোন পরবর্তনকারী ওষুধ এবং মরফিনের মতো ক্যানসার চিকিৎসাও রাতে অতিরিক্ত ঘামের কারণ হতে পারে।

    তবে মনে রাখবেন, ক্যানসারের কারণে যদি রাতে ঘাম হয়, সেক্ষেত্রে ক্যানসারের অন্যান্য লক্ষণগুলো অনুভব করবেন আপনি। আর সেই অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর আসা ও হঠাৎ ওজন কমা।

    ক্যানসার ছাড়াও অন্যান্য কিছু কারণে রাতে ঘুমের মধ্যে ঘাম হতে পারে। যেমন, মেয়েদের পেরিমেনোপজ ও মেনোপজের সময় হরমোনের মাত্রার পরিবর্তন হলে রাতে ঘামের সমস্যা হতে পারে। অন্যদিকে, নারীদের গর্ভাবস্থায় হরমোন এবং শরীরের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। আর শরীরে কিছু ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের (যেমন যক্ষ্মা ও এন্ডোকার্ডাইটিস) ক্ষেত্রেও রাতে ঘামার সমস্যা হতে পারে।

    রাতে অতিরিক্ত ঘামার ক্ষেত্রে, ইডিওপ্যাথিক হাইপারহাইড্রোসিসও একটি কারণ হতে পারে। এটি মূলত এমন একটি অবস্থা যা শরীরে ঘন ঘন মাত্রাতিরিক্ত ঘাম তৈরি করে। আবার অতি সক্রিয় থাইরয়েড বা হাইপারথাইরয়েডিজম, মানসিক চাপ, উদ্বেগের কারণেও রাতে ঘুমের মধ্যে ঘাম হতে পারে।

    অন্যান্য কারণের মধ্যে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম পানীয় পান করা, মদ্যপান, মসলাদার খাবার খাওয়া ইত্যাদি কারণেও ঘুমের মধ্যে ঘাম হতে পারে। তবে নিয়মিত মাত্রাতিরিক্ত ঘাম হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না।

    মনে রাখবেন, বেশিরভাগ মানুষই কখনও না কখনও রাতে ঘাম হওয়ার সমস্যা অনুভব করেন। তবে সাধারণত এতে কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয় না। যদি আপনার নিয়মিত রাতে ঘাম হয়, তবে এর পরিণতি নির্ভর করে মূলত এর কারণের ওপর। ক্রমাগত রাতে ঘাম হওয়া হলো আপনার শরীরের একটি সংকেত, যা আপনাকে জানিয়ে দেয় যে বড় কোনো সমস্যা হতে পারে।

    যদি নিয়মিত আপনার রাতে ঘামার সমস্যা দেখা দেয় তবে উপসর্গগুলো নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে আপনার রাতে ঘাম হওয়ার কারণ নির্ণয় করতে পারলে এটির চিকিৎসা করা সহজ হবে।

     

    সূত্র :  হেলথ লাইন

  • কালশীতে আগুন নেভাতে ১৩ ইউনিট, দেখা দিয়েছে পানিস্বল্পতা

    কালশীতে আগুন নেভাতে ১৩ ইউনিট, দেখা দিয়েছে পানিস্বল্পতা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর কালশীর বস্তিতে লাগা ভয়াবহ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। পানির সংকটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের। আগুন নেভাতে সবশেষ ১৩ ইউনিট যোগ দিয়েছে।

    সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে এখন ১৩টি ইউনিট কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের বেগ পেতে হচ্ছে। কারণ সেখানে পানির স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে পানির জন্য ওয়াসাকে জানানো হয়েছে। তারা পানি নিয়ে আসছে।

    এর আগে সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা শিহাব সরকার নিশ্চিত করেছেন। তখন তিনি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি।

    খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়লে সাতটি ইউনিট যোগ দেয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ধাপে ধাপে ১৩টি ইউনিট যুক্ত হয়েছে।

    এদিকে বস্তি এলাকায় আগুনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন যাতে পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোয় ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

  • ইরান যুদ্ধ শেষে ইসরায়েলের সঙ্গে মুসলিম দেশগুলোকে মিত্রতার আহ্বান ট্রাম্পের

    ইরান যুদ্ধ শেষে ইসরায়েলের সঙ্গে মুসলিম দেশগুলোকে মিত্রতার আহ্বান ট্রাম্পের

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ অবসানের পর আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি বা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    গত শনিবার বেশ কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক যৌথ ফোনালাপে তিনি এই বিশেষ অনুরোধ জানান। দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। ফোনালাপে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার পর তার পরবর্তী বড় পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে ইসরায়েল ও বিভিন্ন মুসলিম দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা, যা মূলত ঐতিহাসিক আব্রাহাম চুক্তিরই একটি বর্ধিত রূপ। বিশেষ করে একটি সৌদি-ইসরায়েল শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, যদিও বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনের কারণে এই পথে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে।

    এই গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিসর, জর্ডান এবং বাহরাইনের নেতারা যুক্ত ছিলেন। মার্কিন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদসহ অন্য নেতারা এই শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের সংহতি প্রকাশ করেছেন। ওই কর্মকর্তার ভাষ্যমতে নেতারা ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘তারা সবাই বলেছেন, এই চুক্তিতে আমরা আপনার সঙ্গে আছি। আর যদি এটি কাজ না-ও করে, তবুও আমরা আপনার সঙ্গেই থাকব।’ ফোনালাপ চলাকালীন ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন যে, ইরান সংকট মিটে যাওয়ার পর তিনি আশা করেন যারা এখনও ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেননি, তারা দ্রুতই এই প্রক্রিয়ায় শামিল হবেন। তবে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও কাতারের মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে এই অনুরোধটি এতটাই অভাবিত ছিল যে, আলোচনার মাঝে এক পর্যায়ে স্তব্ধতা নেমে আসে। ওই মুহূর্তের

    বর্ণনা দিয়ে একজন কর্মকর্তা জানান, ‘অনুরোধের পর লাইনে সম্পূর্ণ নীরবতা নেমে এসেছিল এবং ট্রাম্প রসিকতা করে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তারা এখনও লাইনে আছেন কি না।’ এই প্রক্রিয়ার পরবর্তী তদারকির দায়িত্ব জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

    পরদিন রবিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে লিখেন, ‘আমি মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশকে এ পর্যন্ত তাদের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই, যা ঐতিহাসিক আব্রাহাম চুক্তিতে তাদের যোগদানের মাধ্যমে আরও বৃদ্ধি ও শক্তিশালী হবে।’ তিনি এমনকি সুদূর ভবিষ্যতে ইরানকেও এই শান্তি প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করার একটি ক্ষীণ সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন, যদিও তার পূর্বশর্ত হিসেবে তেহরানকে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে হবে। এদিকে মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে আরব নেতাদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ না করা হবে একটি ঐতিহাসিক ভুল এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সৌদি আরব এখনো ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থি সরকারের নীতি নিয়ে সন্দিহান এবং তারা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়ে অনড় প্রতিশ্রুতি দাবি করে আসছে।

  • কন্যার নিরাপত্তার জন্য শর্টগান চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন

    কন্যার নিরাপত্তার জন্য শর্টগান চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চার বছর বয়সি নিজ কন্যাসন্তানের নিরাপত্তার জন্য শর্টগান চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন বরগুনার এক বাসিন্দা।

    বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে এ আবেদন করেন মাসুদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

    আবেদনে তিনি বলেন, ‘আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী স্বাধীন বাংলাদেশের একজন বৈধ নাগরিক। আমার কন্যাসন্তান আছে, যার বয়স ৪ বছর। কিছু বছর যাবৎ শিশুদের প্রতি বর্বরতার চিত্র ও তা নিয়ে রাষ্ট্রের উদাসীনতা দেখে আমি আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবন পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছি।’

    আবেদনে মাসুদুল আরও উল্লেখ করেন, ‘বিভিন্ন ঘটনার বিশ্লেষণে দেখলাম সন্তান আমার, রাষ্ট্রের নয়। তাই রাষ্ট্রের কাছে তার নিরাপত্তা চেয়ে মহামান্যদের উপভোগ্য ক্ষমতার মহামূল্যবান সময় নষ্ট করে নিজেকে কলুষিত করব না। আমার নিষ্পাপ সন্তানের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমি নিজেই নিতে চাই বিধায় বৈধ উপায়ে একটি শটগান একান্ত প্রয়োজন।’

    এ অবস্থায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জননিরাপত্তা বিভাগের মাধ্যমে একটি শটগান বরাদ্দে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন আমতলীর এ বাসিন্দা।

  • আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরে আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে, মনে করেন সাবেক উপদেষ্টা

    আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরে আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে, মনে করেন সাবেক উপদেষ্টা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরে আগামী নির্বাচনেই অংশ নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন।

    সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক এমন মন্তব্য করেন।

    তৌহিদ হোসেন বলেন, আমি মনে করি যে আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে যে একেবারে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে, এ রকম থাকবে না। আমাদের মানুষজনের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ না। আমি মনে করি, তারা রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং আমার অনুমান দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

    বারবার দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত আনতে দিল্লিকে চিঠি লিখলেও সেটা যে কোনো কাজে আসবে না, তা তিনি এক প্রশ্ন রাখা হয়।

    এর জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, উত্তর কি আশা করেছিলাম আমরা? আমি আশা করিনি। আমি মনে করি যে আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে যে একেবারে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে, এ রকম থাকবে না। আমাদের মানুষজনের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ না। আমি মনে করি, তারা রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং আমার অনুমান দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

    নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, এ ক্ষেত্রে তাদের কোনো এক্সপার্টিজও নেই। তবু তাদের মতামতকে যথেষ্টকে গুরুত্ব দিতে হতো। কারণ, উচ্চপর্যায়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিত। আমি তিনবার কুইট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তারা রিকোয়েস্ট করেছিল যে এটা খুব এম্বারেসিং (বিব্রতকর) হবে সরকারের জন্য।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ডিপ স্টেট সক্রি ছিল কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ডিপ স্টেট সারা পৃথিবীতে প্রতিটা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে। পৃথিবীতে কিছুই ঘটে না, যেটাতে ডিপ স্টেট কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকে না। ডিপ স্টেট ইনভলভড হয়। কিন্তু স্রোতের বিরুদ্ধে না। তারপর সেটাকে তারা মেনিপুলেট করে।

    ক্ষমতায় থাকাকালে কয়েকজন উপদেষ্টার সমন্বয়ে কিচেন কেবিনেট সব সিদ্ধান্ত নিত দাবি করে তৌহিদ হোসেন বলেন, কোনো এক উপলক্ষে এই কিচেন ক্যাবিনেটের একটা মিটিংয়ে আমাকে যেতে হয়েছিল, যমুনাতেই। এবং আমি পরে জেনেছি যে প্রতি মঙ্গলবারে তারা বসেন। সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ; এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসত। কিন্তু এর বাইরে আসলে আমার জানা ছিল না যে এ রকম একটা গ্রুপ আছে যারা নিয়মিত বসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি হযেছে, তার সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

    এ বিষয়ে তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামান্যতম ইনভলভ ছিল না এটাতে। এটাতে ইনভলভ ছিল কমার্স মিনিস্ট্রি এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার। কোনো কারণ হয়তো ছিল যে আমরা এটা করতে বাধ্য ছিলাম। বাধ্যবাধকতা না থাকলে এটা নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া যথাযথ ছিল।

  • ফরিদপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের উন্নয়নে ও জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান এস. এম বশির

    ফরিদপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের উন্নয়নে ও জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান এস. এম বশির

    শাহ্ জালাল, ফরিদপুর প্রতিনিধি

    আসন্ন ফরিদপুর পৌরসভা / সিটি কর্পোরেশন ৯ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এবারের নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং একটি আধুনিক ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তরুন সমাজসেবক ও জননন্দিত ব্যক্তিত্ব এস. এম বশির।

    ​বিগত দিনগুলোতে যিনি সুখে-দুঃখে সবসময় এলাকার মানুষের পাশে থেকেছেন, তিনি এবার ৯ নং ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ও মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এলাকাবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

    ​উন্নয়নের অঙ্গীকার ও ভিশন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস. এম বশির এক সাক্ষাৎকারে জানান, নির্বাচিত হলে ৯ নং ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো দূর করতে তিনি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করবেন। তার প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
    ​টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ: ওয়ার্ডের ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূরীকরণ এবং পর্যাপ্ত ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে রাতের অন্ধকার দূর করা।

    ​নিরাপত্তা ও মাদকমুক্ত সমাজ: তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
    ​নাগরিক সেবা সহজীকরণ: জন্ম নিবন্ধন, চারিত্রিক সনদপত্রসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

    ​স্বাস্থ্য ও শিক্ষা: ওয়ার্ডের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করা।

    ​পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ওয়ার্ড: নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা অপসারণের মাধ্যমে ওয়ার্ডকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর করে তোলা।

    ​এলাকাবাসীর প্রত্যাশা ৯ নং ওয়ার্ডের একাধিক বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এস. এম বশির একজন সৎ, বিনয়ী ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে এলাকায় পরিচিত। করোনাকালীন সংকট কিংবা যেকোনো দুর্যোগে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এলাকাবাসীর মতে, ওয়ার্ডের সার্বিক রূপান্তরের জন্য এমন একজন কর্মঠ ও সৎ জনপ্রতিনিধিই এখন সময়ের দাবি।

    ​দোয়া ও সমর্থন কামনা ​কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এস. এম বশির ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন:
    ​”আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদেরই ভাই। পদের লোভ বা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং আপনাদের সেবা করার একটি সুনির্দিষ্ট সুযোগ পেতে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাই। ৯ নং ওয়ার্ডকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নত বাসযোগ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার একমাত্র স্বপ্ন। আসন্ন নির্বাচনে আমি আপনাদের মূল্যবান ভোট, আন্তরিক সমর্থন এবং পরম করুণাময়ের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। আপনারা আমার পাশে থাকলে, ইনশাআল্লাহ্ আমরা একসাথে একটি সুন্দর আগামী গড়ে তুলবো।”

    ​নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ৯ নং ওয়ার্ডে এস.এম বশির-এর পক্ষে জনসমর্থন ততই জোরালো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আশা করছেন, যোগ্য প্রার্থীকে জয়ী করে তারা ওয়ার্ডের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।

  • মাগুরায় ১৯ লাখ টাকার ভোজ্যতেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই ও চালক হত্যা রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার-৪

    মাগুরায় ১৯ লাখ টাকার ভোজ্যতেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই ও চালক হত্যা রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার-৪

    বিকাশ বাছাড়, মাগুরা প্রতিনিধি

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ট্রাকচালকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে মাগুরা জেলা পুলিশ। ১৯ লাখ টাকা মূল্যের ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই ও চালক হত্যার ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ভোজ্যতেল ও নগদ অর্থ।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারের “মেসার্স মহামায়া ট্রেডার্স”-এর মালিক গোপাল সাহা ঢাকার মৌলভীবাজার এলাকার “এ এফ ট্রেডার্স” থেকে ৬০ ব্যারেল ভোজ্যতেলের অর্ডার দেন। পরে ১৮ মে রাতে যশোরের কোতয়ালী থানার রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা ট্রাকচালক আব্দুর রহমান (৫৮) নারায়ণগঞ্জ থেকে তেল ভর্তি ট্রাক নিয়ে মাগুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

    তবে নির্ধারিত গন্তব্যে না পৌঁছালে ব্যবসায়ী গোপাল সাহা চালকের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গত ২০ মে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজার-গাজীর বাজার সড়কের খেদপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকের ভেতর থেকে চালক আব্দুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে।

    এ ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়।
    পরবর্তীতে গত ২৩ মে ব্যবসায়ী গোপাল সাহা মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বিষয়টি অবহিত করলে পুলিশ সুপার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

    তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মাগুরা জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে। এরপর ২৪ মে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও মাগুরা সদর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আজাদ হোসেন হিটলার (২৭) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ড ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত অন্যদের নাম প্রকাশ করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিকাশ সাহা (৩০), আব্দুল কুদ্দুস (৫০) ও হারুন অর রশীদ (৪৮) কে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের দেখানো মতে বিভিন্ন স্থান থেকে ৪৫ দশমিক ৫ ব্যারেল ভোজ্যতেল, ৭টি খালি ব্যারেল এবং নগদ ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তেলের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
    পুলিশের দাবি, এটি একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের কাজ। ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

    টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।

    সোমবার (২৫ মে) সকালে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রডসহ যাত্রীবোঝাই করে একটি ট্রাক উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটি ভোর ৪টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায় ।

    ট্রাকটিতে কয়েকজন যাত্রীও অবস্থান করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাকটি খাদে পড়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই অনেকের মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস, যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং আহত ৬ জনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    এদিকে উদ্ধার কাজের কারণে ভোর ৪টা ২৫ মিনিট থেকে ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ ছিল। পরে সেতু পূর্ব ভূঞাপুর লিংক রোড দিয়ে ঢাকাগামী এবং পুরাতন সড়ক ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এতে বড় ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়নি বলে জানা গেছে।

    যমুনা সেতু পূর্ব থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানি জানান, বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল আগের তুলনায় স্বাভাবিক রয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

  • মিনায় পৌঁছেছেন হজযাত্রীরা, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ

    মিনায় পৌঁছেছেন হজযাত্রীরা, হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে আজ। সেই লক্ষ্যে সারাবিশ্ব থেকে আগত হাজিরা নিজেদের প্রস্তুত করছেন। রোববার (২৪ মে) এশার নামাজের পরই হাজিরা তাবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। মিনায় যাওয়ার আগে মুসল্লিরা ইহরামের কাপড় পরিধান করেন।

    শরীয়তের বিধান অনুসারে, হাজিরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর হতে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি।

    খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন হাজিরা। ৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন হাজিরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজিরা এবং শুধু বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কুরবানি দেবেন ও মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোটো করবেন।

    ১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজিরা।

    চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ লাখ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করতে সৌদি আরব গেছেন।

    এদিকে হজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল মনসুর বিন নাসের আল-ফায়েজ হজের পবিত্র স্থানগুলোতে নিয়োজিত বাহিনীর কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি জানান, হাজিদের সেবায় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

    কমান্ডার আরও উল্লেখ করেন, এ বছর বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সেবামূলক সংস্থাগুলোর মধ্যে চমৎকার সমন্বয় রয়েছে। এর ফলে আল্লাহর মেহমানরা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সর্বমোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৩২০ জন ধর্মপ্রাণ মুসলিম হজ পালন করেছিলেন। এর মধ্যে সৌদি আরবের বাইরে থেকে আসা হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ জন। এ বছর হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই সেই সংখ্যা পার হয়ে যাওয়ায় এবারের হজ গত বছরের তুলনায় হতে যাচ্ছে আরও বড় পরিসরে।