Author: Jvadmin

  • প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় বাস্তবায়নে বগুড়া শহর এড়িয়ে নতুন রেলপথের প্রস্তাব

    প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় বাস্তবায়নে বগুড়া শহর এড়িয়ে নতুন রেলপথের প্রস্তাব

    বগুড়া প্রতিনিধি

    বগুড়া শহরের দীর্ঘদিনের ভয়াবহ যানজট নিরসন, নিরাপদ রেল যোগাযোগ নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শহরকে বাইপাস করে নতুন রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের রাণীরহাট জংশন থেকে বগুড়া শহরে প্রবেশের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে সরাসরি গাবতলী পর্যন্ত নতুন রেল সংযোগ স্থাপন করা হবে।

    এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর এ উদ্যোগ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে।

    পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী কাহালু থেকে বগুড়া শহর হয়ে গাবতলী পর্যন্ত বিদ্যমান রেলপথটি শহরের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকাগুলোর মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রুটে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ রেলক্রসিং রয়েছে। প্রতিদিন ট্রেন চলাচলের সময় এসব ক্রসিং দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত থাকে।

    এর ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জরুরি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নগরায়নের বর্তমান বাস্তবতায় এই রেলপথকে বগুড়া শহরের অন্যতম বড় অবকাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এ পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী রাণীরহাট জংশনকে কেন্দ্র করে রাণীরহাট-গাবতলী নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে কাহালু থেকে বগুড়া শহর হয়ে গাবতলী পর্যন্ত বিদ্যমান রেলপথ অপসারণ করে কাহালু-রাণীরহাট-গাবতলী রুটে আধুনিক ও যুগোপযোগী রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

    পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বগুড়া শহরের অভ্যন্তরে রেলক্রসিংজনিত যানজটের স্থায়ী সমাধান হবে। একই সঙ্গে রেল যোগাযোগ আরও নিরাপদ, দ্রুত, নিরবচ্ছিন্ন ও জনবান্ধব হবে। ভবিষ্যৎ নগর সম্প্রসারণ এবং পরিকল্পিত উন্নয়নেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এছাড়াও বগুড়া শহরের মধ্যে থেকে অপসারিত রেল পথটি গাবতলী থেকে বগুড়া হয়ে কাহালু পর্যন্ত ফোর লেন রাস্তা হিসেবে উন্নতি করার পরিকল্পনা রয়েছে ।এছাড়াও বগুড়ার বিদ্যমান রেলস্টেশন কে সংস্কার করে দুর পাল্লার পরিবহন গুলির বাসস্ট্যান্ড করারও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে ।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিমন্ত্রীর ডিও পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে রেলপথ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ বিষয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বগুড়া শহরকে রেলক্রসিংভিত্তিক যানজট থেকে মুক্ত করার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বগুড়ার সচেতন নাগরিকদের মতে, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে এটি হবে শহরের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত পরিবর্তন, যা কয়েক দশকের পুরোনো যানজট সমস্যার টেকসই সমাধান এনে দেবে।

  • বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা নামাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের

    বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা নামাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের

    রাজশাহী প্রতিনিধি

    রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে থাকা ঘুঘু পাখির বাচ্চা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাজ্জাদ (১৪) নামে এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর তেরোখাদিয়া বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সামনে ফ্লাইওভারের পূর্ব পাশে অবস্থিত একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ওঠে সাজ্জাদ। এ সময় ঘুঘু পাখির বাসা থেকে বাচ্চা নামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

    নিহত সাজ্জাদ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সাজু মিয়ার ছেলে। পরিবারের সঙ্গে তিনি রাজপাড়া থানার গ্রেটার রোড এলাকার বন্ধগেই মসজিদের পেছনের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

    ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সকাল প্রায় পৌনে ১১টার দিকে তারা এ সংক্রান্ত একটি ফোনকল পায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বিদ্যুৎ বিভাগের সহায়তায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। সে সময় সাজ্জাদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অবস্থায় একটি বাড়ির টিন ও বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিলেন।

    উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা

    সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মামলা ফাইলিংয়ের সুবিধার্থে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন শাখা এবং অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের একটি শাখা শনিবার (৬ জুন) খোলা রয়েছে।

    বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে পৃথক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

    সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের স্ট্যাম্প রিপোর্টার, ফাইলিং ও এফিডেভিট শাখা ৬ জুন (শনিবার) অফিস চলাকালীন সময়ে খোলা রাখা হবে।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনজীবীদের মামলার নোটিশের কপি জমা দেওয়ার সুবিধার্থে নোটিশ কপি গ্রহণ শাখা ৬ জুন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

  • ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।

    বৈঠকে তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন। এসময় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে কর্মপর্যায়ভিত্তিক জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

  • ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ শেষ, স্কুল-কলেজ খুলছে রোববার

    ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ শেষ, স্কুল-কলেজ খুলছে রোববার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আগামী রোববার থেকে দেশের স্কুল ও কলেজগুলোতে আবারও পাঠদান শুরু হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরবে লাখো শিক্ষার্থী। একই সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরবে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

    শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, প্রাথমিক, নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গত ২৪ মে থেকে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়। পরে ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা টানা ১৬ দিনের অবকাশ উপভোগের সুযোগ পায়।

    নির্ধারিত ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৫ ও ৬ জুন যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আগামী রোববার থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত পাঠদান শুরু হবে। এদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরবে এবং স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু হবে।

    তবে স্কুল ও কলেজের তুলনায় দেশের মাদরাসাগুলোতে ছুটির মেয়াদ আরও কিছুটা দীর্ঘ হচ্ছে। মাদরাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৪ মে থেকে শুরু হওয়া ছুটি চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত।

    এরপর ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মাদরাসাগুলোতে পাঠদান পুনরায় শুরু হবে ১৪ জুন, রোববার। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যেখানে চলতি সপ্তাহেই শ্রেণিকক্ষে ফিরছে, সেখানে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।

    শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। রোববার থেকে সারা দেশে আবারও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে।

  • ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

    ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে। 

    তিনি বলেন, আমাদের জরিপে এসেছে ডেঙ্গুর জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৩টি ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ২৮টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
    জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ হলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব বলেও জানান প্রশাসক আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিনদিন পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
    তিনি বলেন, ডেঙ্গু মশার লার্ভা যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিনদিন পরপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
    এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের রক্তক্ষরণেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ। যার নাম হেমোরোজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। সুতরাং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।
  • মাদকবিরোধী কর্মসূচি ও বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের মাসব্যাপী কার্যক্রমের উদ্বোধন

    মাদকবিরোধী কর্মসূচি ও বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের মাসব্যাপী কার্যক্রমের উদ্বোধন

     

    এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    কক্সবাজারের রামু ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করে পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও পালন করা হয়েছে।

    শুক্রবার (৫ জুন) জুমার নামাজ শেষে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তিতারপাড়া বাইতুন নূর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থানীয় মুসল্লি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাইতুন নূর জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুরুল আমিন কোম্পানি।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের সভাপতি সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এস. এম. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি আবু তালেব সিকদার, সহ-সভাপতি শামসুল আলম শাহীন, অর্থ সম্পাদক সাইদুজ্জামান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নুরুল হাকিম হিরো এবং নির্বাহী সদস্য দেলোয়ার হোসেন সাইদি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ ইদ্রিস প্রমূখসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণে মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

    সভায় বক্তারা বলেন, মাদক ও জুয়া সমাজ ধ্বংসের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন। তারা মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের এসব কর্মকাণ্ড পরিহার করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা দীর্ঘদিন ধরেই অনুভূত হচ্ছিল। সাংবাদিকদের উদ্যোগে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, “মাদক আমাদের সমাজের জন্য বড় হুমকি। পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

    অভিভাবক নূরজাহান বেগম বলেন, “আমাদের সন্তানদের মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধির এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।”

    কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, “যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের এই উদ্যোগ আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।”
    স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি হাজী আবদুল করিম বলেন, “রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ির সাংবাদিকরা এক প্ল্যাটফর্মে এসে সমাজ উন্নয়নে কাজ করছেন, এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। মাদকবিরোধী কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও সময়োপযোগী উদ্যোগ।”

    স্থানীয়দের মতে, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সীমান্ত অঞ্চলকে মাদক ও জুয়ার ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

    মাদকমুক্ত, সবুজ ও সচেতন সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের মাসব্যাপী এ কর্মসূচি ইতোমধ্যে সীমান্ত জনপদে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

  • নোয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্য আটক

    নোয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্য আটক

     

    নোয়াখালী প্রতিনিধি

    নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

    শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর পৌরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, মাইজদী শহরের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। কয়েক দিন আগে জেলা শহরে একটি কিশোর গ্যাং প্রকাশ্যে বড় ধরনের শোডাউন করে। এসব গোষ্ঠীর সদস্যরা নানা ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে আটক করে পুলিশ।

    সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কেপিজি (KPG) নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের পরিচয়, বয়স ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্ত শেষে শনিবার সকালে আটককৃতদের নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • জাতিসংঘের মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

    জাতিসংঘের মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে (ইউএনআইএসএফএ) দায়িত্ব পালনকালে জীবন উৎসর্গকারী ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মর্যাদাপূর্ণ মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদকে ভূষিত করা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    আজ শনিবার নিউইয়র্কের জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে জানানো হয়েছে যে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিহত এই বীর যোদ্ধাদের সাহসিকতা, আত্মত্যাগ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক প্রদান করেন। নিহত শান্তিরক্ষীদের পক্ষে পদকগুলো গ্রহণ করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী। সম্মাননাপ্রাপ্ত এই শান্তিরক্ষীরা হলেন কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মণ্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর দায়িত্ব পালনকালে এক আকস্মিক ড্রোন হামলায় শাহাদাত বরণ করেন।
    অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব ১৯৪৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রায় চার হাজার ৫০০ শান্তিরক্ষীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। তিনি বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশে কর্মরত ৫০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ বছর ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে এই মরণোত্তর পদকে ভূষিত করা হয়েছে।
    পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী শোক বইতে স্বাক্ষর করে নিহতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। উল্লেখ্য যে, ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকটি ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি সর্বোচ্চ মরণোত্তর সম্মাননা। এটি মূলত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ বিসর্জনকারী সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অসামান্য অবদান ও নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়।
  • একাদশে ৪ পরিবর্তন নিয়ে মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশ ঘোষণা

    একাদশে ৪ পরিবর্তন নিয়ে মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশ ঘোষণা

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    আসন্ন বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে শুরুর একাদশ ঘোষণা করেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। একাদশ চূড়ান্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের মাস্টারমাইন্ড কোচ কার্লো আনচেলত্তি। শুক্রবার নিউ জার্সিতে গরম আবহাওয়ার মধ্যে হালকা অনুশীলনও করেছে দলটি। পরে সন্ধ্যার দিকে ক্লিভল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা টিম ব্রাজিল। শনিবার মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল।

    জানা গেছে, চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকা তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার পুরো দলের সঙ্গে ভ্রমণই করেননি। পায়ের পেশির (কাফ) ইনজুরি থেকে তিনি এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। তার দ্বিতীয়বারের মতো মেডিকেল পরীক্ষা আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।

    অনুশীলনটি সাংবাদিকদের জন্য প্রথম ১৫ মিনিট খোলা ছিল। জানা গেছে, কোচ আনচেলত্তি ছোট মাঠে মিশ্র অনুশীলন করিয়েছেন এবং আক্রমণভাগের বিভিন্ন কৌশল অনুশীলন করিয়েছেন।

    শনিবার মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশ হবে আলিসন, ওয়েসলি, মারকিনিওস, লিও পেরেইরা এবং ডগলাস সান্তোস; কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস, লুকাস পাকেতা এবং রাফিনিয়া; ইগর থিয়াগো এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

    এই একাদশে গত সপ্তাহে পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শুরু করা একাদশের তুলনায় চারটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। মারকিনিওস দলে এসেছেন ব্রেমারের জায়গায়, ডগলাস সান্তোস খেলবেন অ্যালেক্স সান্দ্রোর পরিবর্তে। পাশাপাশি লুকাস পাকেতা এবং ইগর থিয়াগোকে আক্রমণভাগে পরীক্ষা করা হচ্ছে, যেখানে লুইজ হেনরিক এবং মাতেউস কুনহার পরিবর্তে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের পর ক্লান্তির কথা জানিয়ে গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়ায়েসকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি বিশ্বকাপে প্রস্তুত থাকতে পারেন। ব্রাজিল তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ১৭ জুন মরক্কোর বিপক্ষে, নিউ জার্সিতে।

    কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, বল দখলে থাকা অবস্থায় ব্রাজিল বিভিন্ন ফর্মেশনে খেললেও, প্রতিরক্ষার সময় দল মূলত ৪-৪-২ ফর্মেশনে থাকে, যেটিকে তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। আক্রমণে দল সাধারণত ৩-২-৫ কাঠামোতে খেলছে।

    শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায়, ক্লিভল্যান্ড ব্রাউনস স্টেডিয়ামে দুই দল মুখোমুখি হবে । এই প্রীতি ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে TV Globo, SporTV এবং ge tv।