Author: Jvadmin

  • খোকসা সরকারি কলেজে বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি!

    খোকসা সরকারি কলেজে বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি!

    ফাহিম শাওন

    খোকসা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব মোঃ নজরূল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন অনিবন্ধিত একটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত অনিয়ম ও কলেজের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর” বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব মোঃ নজরূল ইসলাম বলেন, কলেজের উন্নয়ন কাজের সময় অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অপসারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে কোনো মালামাল বিক্রি বা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

    কলেজ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের জন্য কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কাজগুলো নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। কলেজের কোনো সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসনিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    অধ্যক্ষ জনাব প্রফেসর শিশির কুমার রায় বলেন, “কলেজে চলমান সকল উন্নয়ন কাজ সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করেই পরিচালিত হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে। তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করা দুঃখজনক।”

    এদিকে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, অভ্যন্তরীণ কিছু মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয় এমন অপপ্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকা।

  • ঈদুল আজহা উপলক্ষে নোয়াখালীতে র‍্যাবের টহল ও নজরদারি জোরদার

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে নোয়াখালীতে র‍্যাবের টহল ও নজরদারি জোরদার


    মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নোয়াখালী জেলাজুড়ে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পশুর হাটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র‌্যাব। অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও তল্লাশি অভিযানের পাশাপাশি বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে এলিট ফোর্সটি।

    ​মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর বাজারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর।

    ​প্রেস ব্রিফিংয়ে কোম্পানি কমান্ডার জানান, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে। বিশেষ করে পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি, ছিনতাই, পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে র‌্যাবের বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

    ​তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “পবিত্র ঈদের আনন্দ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। পশুর হাটসহ জেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে র‌্যাবের তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করা হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    ​যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বা সন্দেহজনক কার্যক্রম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে র‌্যাবকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য জেলার সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান এই কর্মকর্তা।

  • নতুন বন্ধুদের ছেড়ে প্রথমবারের মতো ঈদের ছুটিতে কুবির নবীনরা

    নতুন বন্ধুদের ছেড়ে প্রথমবারের মতো ঈদের ছুটিতে কুবির নবীনরা

    সানাজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি 

    মাত্র দেড় মাস আগেও যাদের জীবনের বড়ো অংশ জুড়ে ছিল স্কুল, কলেজ আর পরিচিত শহরের চেনা পরিবেশ, তারা এখন জীবনের নতুন এক অধ্যায়ে যাত্রা শুরু করেছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই পেয়েছে নতুন বন্ধু, নতুন ক্লাসরুম, নতুন আড্ডা আর নতুন নতুন সব গল্প।

    সকল প্রথম কিছুর অভিজ্ঞতা অর্জন শেষে অবশিষ্ট থাকা প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছেড়ে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছে তারা। তাই বাড়ি ফেরার আনন্দের পাশাপাশি কাজ করছে এক ধরনের অদ্ভুত শূন্যতাও–মাত্র দেড় মাসেই যে ক্যাম্পাস আর মানুষগুলো যেন নিজেদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে, তাদের ছেড়ে যাওয়ার অনুভূতিটাও এখন বিশেষ মাত্রায় রূপ নিয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুটা সাধারণত অনেক অচেনা মানুষের ভিড়ে নিজের মানুষ খোঁজার গল্প। শুরুতে নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে দ্বিধা, সংকোচ কিংবা অস্বস্তি থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটিই হয়ে ওঠে প্রতিদিনের অভ্যাস। ক্লাস শেষে টং দোকানের আড্ডা, একসঙ্গে ক্যাম্পাসে ঘুরে–বেড়ানো, বিভাগের নতুন বন্ধুদের সঙ্গে গল্প-আড্ডা; সব মিলিয়ে কয়েক মাসেই গড়ে ওঠে অন্যরকম এক সম্পর্ক।

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য এবারের ঈদ শুধু পরিবারে ফেরার আনন্দ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রথমবার বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে রেখে যাওয়ার অনুভূতি। অনেকের কাছে বাড়ি ফেরার উত্তেজনা থাকলেও ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার আগে মন খারাপও কাজ করছে। কেউ বন্ধুদের মিস করার কথা বলছে, কেউ আবার ভাবছে ঈদের পর ক্যাম্পাসে ফিরে আবার সবাইকে একসঙ্গে পাওয়ার মুহূর্ত নিয়ে, আবার কেউ বলেছেন ক্যাম্পাসের সুন্দর প্রকৃতির কথা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুতেই তৈরি হওয়া এই আবেগগুলো হয়ত ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু পরবর্তীতে এগুলোই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে। প্রথমবার ক্যাম্পাস ছাড়ার অনুভূতি, প্রথম ঈদের ছুটি আর ফিরে আসার অপেক্ষা–সব মিলিয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি এক নতুন আবেগের গল্প।

    মার্কেটিং বিভাগের মাহজাবিন আফরিন বলেন, ‘ওরিয়েন্টেশনের পর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এটাই আমাদের প্রথম ছুটি। তাই বাড়ি ফেরাকে ঘিরে অনেক উৎসাহ কাজ করছে। পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা হবে–এই আনন্দ যেমন আছে, তেমনি প্রিয় ক্যাম্পাস আর প্রিয় বন্ধুদের ছেড়ে যাওয়ার কারণে মন খারাপও লাগছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসের প্রতিটি আঙিনা যেন নিজের হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি মিস করবো নতুন বন্ধুদের এবং গাছে গাছে ফুটে থাকা অসংখ্য ফুলকে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ক্লাস শুরুর পর প্রতিদিন নতুন নতুন বন্ধু বানানোর অভিজ্ঞতাটাও ছিল দারুণ। এখন তাদের সঙ্গে এতটাই মিশে গেছি যে কিছুদিন আগেও যে, তাদের চিনতাম না, সেটাই অবিশ্বাস্য মনে হয়। তারা এখন আমার দ্বিতীয় পরিবার হয়ে উঠেছে। ঈদের পর আবার ক্যাম্পাসে ফিরে বন্ধুদের সঙ্গে আগের মতো আড্ডা দিতে এবং কৃষ্ণচূড়া, জারুল ও সোনালু ফুলে সাজানো ক্যাম্পাসটিকে আবার দেখতে মুখিয়ে থাকবো।’

    একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাইনুল হোসেন সারুফ বলেন, ‘বাড়ি ফেরার অনুভূতি আসলে সবসময়ই অন্যরকম। যারা দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে কাটিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে, তারা এই অনুভূতিটা ভালোভাবে বুঝতে পারে। এটি সবসময়ই আনন্দের। তবে বাড়িতে আসার পর ক্যাম্পাসের কোলাহল, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর ঘুরাঘুরি, এসব অনেক বেশি মিস করছি। বিশেষ করে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং সিনিয়রদের সঙ্গে আড্ডার মুহূর্তগুলো সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সবার সঙ্গে অনেক ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে; এখন মনে হয় যেন সবাই একটা পরিবারের অংশ। তাই সবাইকে খুব মিস করছি।’

    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আয়েশা আক্তার পাখি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম ঈদে বাড়ি ফেরা আমার কাছে এক অন্যরকম অনুভূতি। অনেকদিন পর পরিবারের মানুষদের কাছে ফিরে এসে খুব ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকার কারণে পরিবারের গুরুত্ব আরও গভীরভাবে অনুভব করতে পারছি। শুরুতে বাড়ি যেতে পারব কি না, তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। তবে যখন নিশ্চিত হলাম যে আমিও বাড়ি ফিরতে পারব, তখন সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বেশি যেটা মিস করব, সেটা হলো আমার বন্ধুরা। অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আমরা একে অপরের পাশে থাকি, তাই সবাইকে এখন খুব মিস করছি। ঈদের পর ক্যাম্পাসে ফিরে আবার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়া, আড্ডা আর ক্যাম্পাসের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো উপভোগ করার অপেক্ষায় থাকব।’

    আইন বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম ঈদে বাড়ি ফেরার অনুভূতি সত্যিই অনেক বিশেষ ও আনন্দের। স্কুল-কলেজ জীবনে সবসময় পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। তাই ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার মুহূর্তটা অনেক বেশি আবেগের হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি থাকলেও পরিবারের সবার সঙ্গে আবার দেখা হবে, এই ভাবনাটাই সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়। বিশেষ করে মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানো, ছোট ভাই-বোনদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া এবং নিজের পরিচিত পরিবেশে ফিরে যাওয়ার অনুভূতিটা অনেক স্বস্তির।

    তিনি আরো বলেন, ‘বাড়ি ফেরার আনন্দটাই সবচেয়ে বেশি কাজ করছে, তবে ক্যাম্পাস ছেড়ে আসার সময় কিছুটা মন খারাপও হয়েছে। কারণ দেড় মাসের মধ্যেই নতুন বন্ধুদের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে ক্লাস করা, আড্ডা দেওয়া, ক্যাম্পাসে সময় কাটানো, এসব খুব দ্রুতই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে গেছে। তাই কিছুদিনের জন্য বন্ধুদের ছেড়ে আসার বিষয়টাও খারাপ লাগছে। আবার ঈদের পর ক্যাম্পাসে ফিরে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, সবাই মিলে ঈদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করা এবং আগের মতো ব্যস্ত জীবনে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

  • জার্মানিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন ইবির দুই অধ্যাপক

    জার্মানিতে আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন ইবির দুই অধ্যাপক

    নাফীজ আহমেদ ,ইবি

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে জার্মানিতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক গবেষণা ও শিক্ষা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের দুই শিক্ষক। আমন্ত্রিত শিক্ষকরা হলেন, অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. মোহাঃ জসিম উদ্দিন।

    আগামী ৮ থেকে ১২ জুন পর্যন্ত জার্মানির গিসেন শহরে অবস্থিত ‘টেকনিশে হখশুলে মিটেলহেসেন’ (THM) ইউনিভার্সিটিতে “International Research & Teaching Days 2026” শীর্ষক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মর্যাদাপূর্ণ ‘Erasmus+ KA171’ সহযোগিতা প্রকল্পের আওতায় সম্পূর্ণ স্কলারশিপে এই শিক্ষকদ্বয় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং জার্মানির THM ইউনিভার্সিটির মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক একাডেমিক ও গবেষণা চুক্তির ধারাবাহিকতায় এই বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিশ্বমানের এই আয়োজনে বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী, গবেষক ও অধ্যাপকরা অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত কয়েকজন শীর্ষ গবেষকের সঙ্গে ইবির এই দুই অধ্যাপকও যোগ দিচ্ছেন।

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকালে অধ্যাপক ড. মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. মোহাঃ জসিম উদ্দিন তাঁদের নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রম, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বক্তব্য রাখবেন। কর্মসূচিতে তাঁদের গবেষণা উপস্থাপনা এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল সেশনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁরা THM-এর শিক্ষার্থী ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মতবিনিময় ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন বলে জানা গেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং বৈশ্বিক র্যাংকিংয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মূল সম্মেলন শেষে দুই অধ্যাপক জার্মানির পাশাপাশি ফ্রান্স ও ইতালি সফর করবেন। এই সফরের মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মপদ্ধতি পর্যবেক্ষণ এবং নতুন আন্তর্জাতিক একাডেমিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একইসাথে এই সফর বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুনামকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করেন সকলেই।

    এ নিয়ে অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে আমরা দুজন সম্পূর্ণ ফুল ফান্ডিংয়ে এই সেমিনারে সুযোগ পেয়েছি। এটা অবশ্যই গর্বের। আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তজার্তিক অঙ্গনে পরিচিত করার সুযোগ পাবো। এছাড়া অর্জিত জ্ঞান আমাদের এখানে ছড়িয়ে দিতে পারবো।

    এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে ড. মোহাঃ জসিম উদ্দিন বলেন, ইউরোপের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হওয়ার এই সুযোগ আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। সেখানে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের আরও আধুনিক ও কার্যকর শিক্ষা প্রদানে কাজে লাগাতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি।

  • চৌমুহনী পৌর গনিপুর ৬নং ওয়ার্ডবাসীকে জসিম উদ্দিনের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

    চৌমুহনী পৌর গনিপুর ৬নং ওয়ার্ডবাসীকে জসিম উদ্দিনের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

    মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী গনিপুর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আগামী পৌর নির্বাচনে অত্র ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন।

    ​এক শুভেচ্ছা বার্তায় তরুণ এই সমাজসেবক বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই সহমর্মিতা ও ত্যাগের মহিমা। পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে একতাই ও ত্যাগের যে শিক্ষা দেয়, তা যেন আমরা আমাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ফুটিয়ে তুলতে পারি। ৬ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি ঘরে ঘরে আনন্দের বার্তা বয়ে আনুক এই ঈদ। সকলের জীবনে আসুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।”

    ​উল্লেখ্য, মো. জসিম উদ্দিন বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্যতম যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
    রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি একজন নিবেদিতপ্রাণ তরুণ সমাজসেবক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অত্র এলাকার সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অসহায়-দরিদ্র পরিবারের বিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংকটে সবসময়ই তিনি সাধ্যমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে আসছেন।

    ​এদিকে, ৬ নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মো. জসিম উদ্দিনের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাব্য ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।

    স্থানীয়দের মতে, ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন, তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখা এবং একটি আধুনিক-ন্যায়পরায়ণ ওয়ার্ড গঠনে জসিম উদ্দিনের মতো তরুণ ও মানবিক নেতৃত্বের বিকল্প নেই। সাধারণ মানুষের এই বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থনকে সঙ্গে নিয়ে আগামী দিনে ওয়ার্ডবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

  • সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডাঃ সালেহ্ আহম্মদ সোহেল

    সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডাঃ সালেহ্ আহম্মদ সোহেল

     

    মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী ও বেগমগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডাঃ মোঃ সালেহ্ আহম্মেদ সোহেল।
    ​ডাঃ সালেহ্ আহম্মদ সোহেল সোনাইমুড়ী উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

    তিনি একাধারে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোবারক উল্ল্যাহ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (RMO) এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ‘স্ক্যাবিস মুক্ত আবাসিক শিক্ষা’ চালুকরণের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা।

    ​সরকারি চাকুরির পাশাপাশি তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠিত
    ‘হাজী মোবারক উল্ল্যাহ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়মিত মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের চর্মরোগ (স্ক্যাবিস) মুক্ত রাখতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে লোশন বিতরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিয়ে তিনি এলাকায় “মানবিক ডাক্তার” হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।

    এছাড়াও তিনি নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারেও দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন এবং একাধিক সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

    ​ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বার্তায় ডাঃ সালেহ্ আহম্মদ সোহেল বলেন, “ঈদ আমাদের মাঝে ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে আসে। আনন্দের এই মুহূর্তে আমাদের চারপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের অন্যতম দায়িত্ব।”

    ​শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতি বিশেষ তাগিদ দিয়ে তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্থ-সবলভাবে গড়ে তুলতে ‘স্ক্যাবিস মুক্ত আবাসিক শিক্ষা ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন হতে হবে এবং যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে।”

    ​তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং একটি আনন্দময় ও নিরাপদ ঈদ কামনা করেন।

  • দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ

    দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    কালবৈশাখী ঝড়, বৈরী আবহাওয়া এবং পদ্মা নদীতে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে সাময়িকভাবে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে ঈদে ঘরমুখো মানুষ, চালক, পশুবাহী ট্রাক ও খামারিরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।

    মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টা ১৫ মিনিট থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। এর আগে এ নৌরুটে ১৫টি ফেরি চলাচল করছিল।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, হঠাৎ শুরু হওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও প্রবল বৃষ্টিতে ঘাট এলাকায় আটকা পড়া যাত্রীদের ভিজতে হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে বিপাকে পড়েন পরিবারগুলো। অন্যদিকে পশুবাহী ট্রাকের গবাদিপশু এবং খামারিদের বৃষ্টির মধ্যে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এতে চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গেছে, দৌলতদিয়া প্রান্তে বর্তমানে ৪টি ফেরি আটকে রয়েছে। এছাড়া দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের নদীর মধ্যে আরও ৩টি ফেরি যানবাহনসহ নোঙর করে রাখা হয়েছে।

    বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক, মো. সালাহউদ্দিন বলেন, বৈরী আবহাওয়া, কালবৈশাখী ঝড় এবং নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু করা হবে।

    অন্যদিকে একইদিন সকাল ১১টা থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচলও বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। লঞ্চ চলাচল বন্ধের আগে এ নৌপথে ২০টি লঞ্চ চলাচল করছিল।

    বিআইডব্লিউটিএ দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম লঞ্চ চলাচল বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নদীতে তীব্র স্রোত ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে পুনরায় লঞ্চ চলাচল শুরু করা হবে।

    ঈদযাত্রার ব্যস্ত সময়ে আকস্মিকভাবে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘরমুখো মানুষদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ উৎসব: ছাত্রশিবিরের মধ্যাহ্নভোজ, ছাত্রদলের নৈশভোজ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ উৎসব: ছাত্রশিবিরের মধ্যাহ্নভোজ, ছাত্রদলের নৈশভোজ

     

    ববি প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে পৃথক প্রীতিভোজের আয়োজন করেছে দুই রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং ইসলামী ছাত্রশিবির। পবিত্র ঈদের দিন দুপুর ও রাতে আয়োজন করা হবে এসব কর্মসূচি যেখানে সকল ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী ও নারী শিক্ষার্থীদের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    ঈদের দিন দুপুর ২টা১৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে(টিএসসি)’ভ্রাতিত্বের দস্তরখান’ শিরোনামে ভোজের আয়োজন করেছে ছাত্রশিবির বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এই আয়োজনে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এখানে, যেখানে নাম, মোবাইল নম্বর, বিভাগ ও ব্যস উল্লেখ করতে হবে।

    অন্যদিকে একই দিন রাত ৮টা৩০মিনিটে ‘বিজয়-২৪’ ফলের ডাইনিংয়ে এ ছেলেদের জন্য ‘সম্প্রীতির নৈশভোজ’ আয়োজন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ছাত্রীদের জন্য নিজ নিজ হলে পৃথক অবস্থার মাধ্যমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    উভয় সংগঠনের আয়োজনে অংশ নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফ্রি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

    ববি শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বলেন,
    ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির কর্তৃক এই প্রীতিভোজ আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি বলেন নানা কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে বাসায় যেতে পারবো না আমি অবশ্যই এই আয়োজনে যুক্ত হব।

    ছাত্রদলের সিনিয়র জুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ইত্তেসাফ-আর-রাফি বলেন, ‘ত্যাগ, সহমর্মিতা, ভ্রাতিত্ব ও সম্প্রীতির মহান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত পবিত্র ঈদুল আযহা। এই আনন্দ ও সৌহার্দ্যকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ভাগাভাগি করে নিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘‘সম্প্রীতির নৈশভোজ”। ঈদের দিন বিজয়-২৪ হলের ডাইনিংয়ে এই আয়োজন করা হয়েছে। এখানে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে। এছাড়াও ছাত্রীদের জন্য তাদের নিজ নিজ পৃথক ব্যবস্থার মাধ্যমে অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।’

    ছাত্রশিবির বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন,’আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আযদিনের আপনাদের সম্মানে কোরবানির আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য দুপুরে একটি ছোট্ট সৌহার্দ্যপূর্ণ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আন্তরিকভাবে আপনাদের সবাইকে এই আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য উদার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আসুন, ভ্রাতিত্বের বন্ধনে ঈদের আনন্দকে একসাথে ভাগাভাগি করে আবারও বেশি অথবা আনন্দময় করে তুলি।’

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের 85 তম সিন্ডিকেট সভায় সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে কাগজে-কলমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানা গেছে, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

    ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীসহ দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪২ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

    ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬। এর উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।

    বিস্তারিত আসছে…

  • পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪.৮০ কোটি টাকা টোল আদায়

    পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪.৮০ কোটি টাকা টোল আদায়

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ, যার ফলে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতুতে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এটি পদ্মা সেতুর ইতিহাসে এ যাবৎকালের চতুর্থ সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড। এই সময়ে সেতুর উভয় প্রান্ত দিয়ে মোট ৪৩ হাজার ৩৫১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে বলে সেতু কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

    বিস্তারিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সবচেয়ে বেশি যানবাহন পার হয়েছে। এই প্রান্ত দিয়ে গত এক দিনে ২৮ হাজার ৬৭টি গাড়ি পারাপার হওয়ায় ২ কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা টোল সংগৃহীত হয়েছে। অন্যদিকে, জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১৫ হাজার ২৮৪টি গাড়ি সেতু পার হয়েছে এবং সেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা। গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় এবার এক দিনে যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ডটি ছিল ২০২৫ সালের ৬ জুন, যখন এক দিনে ৫ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার ১০০ টাকা আদায় হয়েছিল। এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড দুটিও ছিল যথাক্রমে ২০২৫ ও ২০২৪ সালের ঈদকেন্দ্রিক। এবারের বাড়তি চাপ সামাল দিতে এবং ঘরমুখো মানুষের যাত্রা আরামদায়ক করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

    ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সেতুর দুই প্রান্তে মোট ১৯টি টোল বুথ সার্বক্ষণিক সচল রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্তে মূল ৭টি এবং মোটরসাইকেলের জন্য ৩টিসহ মোট ১০টি বুথ কাজ করছে। জাজিরা প্রান্তে ৭টি মূল ও ২টি মোটরসাইকেল বুথসহ মোট ৯টি বুথ চালু আছে। এছাড়া মোটরসাইকেলের বাড়তি ভিড় সামলাতে মাওয়া প্রান্তে অতিরিক্ত অস্থায়ী বুথের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে টোল প্লাজায় কোনো দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি না হয়।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবারের ঈদযাত্রায় বাড়তি গতি যোগ করেছে। মাওয়া ও জাজিরা উভয় প্লাজায় ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) এবং আরএফআইডি কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় ব্যবস্থা চালু থাকায় যানবাহনগুলোকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পদ্মা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়াদ জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ে টোল সংগ্রহ নিশ্চিত করায় যাতায়াত আরও সহজ ও আরামদায়ক হয়েছে। এর ফলে ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রীরা তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।