Author: Jvadmin

  • বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান

    বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীনে অধস্তন আদালতে আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। শুক্রবার (১২ জুন) রাতে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সাফল্যের খবর নিশ্চিত করেছেন।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের স্টোরিতে জাইমা রহমান লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আপনাদের কাছে ছোট একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা শেয়ার করতে চাই। আমার দেশে আইন প্র্যাকটিসের জন্য আজ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। আল্লাহর রহমতে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।’

    জানা গেছে, শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত ১০০ নম্বরের এই এমসিকিউ পরীক্ষায় জাইমা রহমান রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ কেন্দ্রে অংশ নেন। একই দিন রাতে বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

    বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, এবারের এমসিকিউ পরীক্ষায় মোট ৩৭ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে জাইমা রহমানসহ মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথম ধাপে এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের এখন দ্বিতীয় ধাপে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় পাসের পর সর্বশেষ ধাপে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই তারা আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার চূড়ান্ত সনদ পাবেন।

    ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের এই সাফল্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তার এই অর্জন আইনজীবী হিসেবে দেশের বিচার ব্যবস্থায় অবদান রাখার পথে প্রথম বড় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেসরকারি বিমান ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা ঐতিহাসিক পাতলীখাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং সেখানে আয়োজিত একটি পথসভায় অংশ নেবেন।

    দুপুর ১২টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং পার্কটি পরিদর্শন করবেন।

    প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুপুর ১টায় পেকুয়া উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন।

    দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে রাজনৈতিক জনসভায় যোগ দেবেন। জনসভা শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    এরপর রাত ৮টায় কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেল মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে রাত ১০টায় বেসরকারি বিমান ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন তিনি।

  • পাঁচ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

    পাঁচ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ৫ জেলায় মহাসড়কে সব ধরনের থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিসহ তিন দফা দাবিতে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন।

    ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।

    শুক্রবার (১২ জুন) রাতে বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

    বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠকের পরও তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় রোববার থেকে তারা ধর্মঘট শুরু করবেন।

    বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক বেশি চলে। এছাড়া মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি হুইলার অবাধে চলাচল করছে। তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় সভা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও কোনো সমাধান হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এ বিষয়ে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, বাস মালিক সমিতির তিন দফা দাবির বিষয়ে আমরা অবগত আছি। মহাসড়কে পরিবহণ ধর্মঘট যেনো না হয় সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের ৩ দফা দাবিগুলো হল-

    ১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা।

    ২. আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার, মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশার চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।

    ৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।

  • প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর আজ, উৎসবমুখর পরিবেশ

    প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর আজ, উৎসবমুখর পরিবেশ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো পর্যটন সমৃদ্ধ জেলা কক্সবাজারে সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সপরিবারে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গন, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে আকাশসম প্রত্যাশা। কক্সবাজারবাসী মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর জেলার উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে।

    জেলা বিএনপির সভাপতি ও কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার করে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কয়েকটি দাবি উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে- কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা, কক্সবাজার সদর হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা, কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু নির্মাণ, পিএমখালীর পাতলী খালকে শহীদ জিয়া স্মৃতি খাল নামকরণ এবং কক্সবাজার স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা।

    কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. ইউসুফ বদরী বলেন, ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতকে বিশ্ব পর্যটনের জন্য আরও উন্মুক্ত ও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা, মহেশখালী-কক্সবাজার সহজ যোগাযোগের জন্য সেতু নির্মাণ, বাঁকখালী নদীতে ড্রেজিং, সোনাদিয়া দ্বীপকে বিদেশি পর্যটকদের জন্য এক্সক্লুসিভ জোন হিসেবে গড়ে তোলা এবং মহেশখালী-মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।

    গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কক্সবাজার কেন্দ্রিক জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে।

    দাবির মধ্যে রয়েছে- লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা এবং কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্সভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

    প্রসঙ্গত কক্সবাজার নেমে সড়কপথে চকরিয়ায় পিএমখালীতে পাতলী খাল পুনঃখনন, মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তি প্রস্তরস্থাপন অনুষ্ঠান এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমুদ্রের সৌন্দর্য অবলোকনে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন এবং রাতের ফ্লাইটেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

    গুরুত্বপূর্ণ এই সফরকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন, নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের ৫০০ সদস্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আরও ২ হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

  • পাংশায়‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত

    পাংশায়‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত

    মাসুদ রেজা শিশির, রাজবাড়ী 

    “মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের বিজ্ঞান ভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রকল্প, স্টার্টআপ ধারণা ও সৃজনশীল উদ্ভাবন উপস্থাপন করে।

    পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন চান। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ভিত্তিক উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নিতে হবে, যাতে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।” তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহমেদ, পাংশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ মো: রফিকুল ইসলাম, পাংশা কলেজের সাবেক ভিপি হাবিবুর রহমান রাজা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবি এম আব্দুল হান্নান।

    শোকেসিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমী, নূরজ্জামান মিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, পাংশা মহিলা কলেজ, পাংশা সরকারি কলেজ, পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, কসবামাজাইল আতাহার হোসেন হাইস্কুল, এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ, হাবাসপুর কাসিমবাজার রাজ হাইস্কুল, পাংশা শাহজুই কামিল মাদরাসা, পাংশা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা এবং পাংশা জর্জ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

    প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও আইডিয়া মূল্যায়ন শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ তৃতীয় স্থান, পাংশা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা দ্বিতীয় স্থান এবং কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমী প্রথম স্থান অর্জন করে।

    পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ ও জনসভাসহ ব্যস্ত কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ ও জনসভাসহ ব্যস্ত কর্মসূচি

    এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১৩ জুন কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন, পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচি, রাজনৈতিক জনসভা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনকে ঘিরে সাজানো হয়েছে তাঁর দিনব্যাপী কর্মসূচি।

    সফরের শুরুতে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাতিলী-মাছুয়াখালী খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন এবং সেখানে আয়োজিত পথসভায় অংশ নেবেন। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এরপর প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন। একইসঙ্গে চকরিয়ার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত ‘দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

    সফরকালে তিনি জুলাই আন্দোলনের শহিদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খোঁজখবর নেবেন।

    এছাড়া কক্সবাজারের প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত এক বৃহৎ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি। জনসভাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে কক্সবাজার, চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    সফরের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনার অন্যতম আকর্ষণ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করবেন। পরে শহরের লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো এ সফর কক্সবাজারের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন

  • বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান মারা গেছেন

    বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান মারা গেছেন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান আলী হোসেন মনি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ৮১ বছরের আলী হোসেনকে গত সোমবার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হার্ট, কিডনি, শ্বাস-প্রশ্বাসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা।

    বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর উপপ্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম জানান, আলী হোসেনের সহধর্মিণী এবং একমাত্র ছেলে রাজেন আলী রাজু আগেই মারা গেছেন। দেশে ফিরে বাবার চিকিৎসা করাচ্ছিলেন কানাডা প্রবাসী একমাত্র মেয়ে ফারজানা আলী। শুক্রবার আসর বাদ যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সদরের কাজীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

    আলী হোসেন ১৯৪৫ সালের ১৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের কাজীপুর গ্রামে পৈতৃক বাড়িতে জন্ম নেন। তিনি ষাটের দশকে তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। ৬ দফা, ৬৯ তৎকালীন স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সংগঠক ছিলেন তিনি। পরিবারকে না জানিয়ে ১৯৭১ সালে প্রথম ব্যাচে ভারতের দেরাদুনে যুদ্ধের প্রশিক্ষণে অংশ নেন। ট্রেনিং শেষে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন আলী হোসেন।

    জেলার মুক্তিযোদ্ধারা জানান, তিনি দেশ স্বাধীনের পরে জাসদ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন এবং পরে জেলা জাসদের সভাপতি হন। ১৯৯৭ সালে বিভক্ত জাসদ ঐক্যবদ্ধ হলে আওয়ামী লীগে যুক্ত হন আলী হোসেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের কোনো পদে না থাকলেও সব নির্বাচনে দলটির পক্ষে প্রচারণায় থাকতেন।

  • সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    ‎ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং জোরপূর্বক ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ‘পুশইন’ (অনুপ্রবেশ) করানোর অভিযোগের প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট কুমিল্লা জেলা ও মহানগর।

    ‎শুক্রবার বিকেলে ৫টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত পূর্বসমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে বক্তারা সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    ‎বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর নায়েবে আমীর মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মোবারক হোসেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, এবি পার্টি কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক এবং খেলাফত মজলিস কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদের জামাল।

    ‎কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগরীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল এবং কাউন্সিলর মোশাররফ হোসাইন।

    ‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপি কুমিল্লা জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া, এবি পার্টি কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি জি এম সামদানি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এবং দক্ষিণ জেলা সভাপতি খাইরুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    ‎সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং জোরপূর্বক পুশইনের ঘটনা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকদের এভাবে হত্যা ও হয়রানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারকে কার্যকর ও দৃঢ় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

    ‎তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের অধিকার রক্ষার পক্ষে সোচ্চার। সীমান্তে নিরীহ মানুষ হত্যার পরিবর্তে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পরিচালিত হওয়া উচিত।

    ‎কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের মতো অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি দেশের স্বার্থ রক্ষায় সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

  • রাজবাড়ীতে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত-৫

    রাজবাড়ীতে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত-৫

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি

    রাজবাড়ীর পাংশা কলেজ মোড়ের পাশে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আদভিক (২) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের কলেজ মোড় ইটভাটার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আদভিক প্রাইভেটকারে থাকা যাত্রীদের একজন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মাইক্রোবাস কুষ্টিয়ার দিক থেকে রাজবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে ইজিবাইকটি রাজবাড়ী থেকে পাংশার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে কলেজ মোড় ইটভাটা এলাকার সামনে পৌঁছালে দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।

    পাংশা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আল মামুন বলেন, “দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন

    পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে ৮০ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    ১২ জুন শুক্রবার বাদজুম্মা পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়ে প্রায় ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

    পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ছাদেকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ইমাম ওলামা পরিষদ পলাশবাড়ীর সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামী পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাহ আলম ফয়েজি,জামায়াত নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব মাস্টার, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ও খাইরুল ইসলাম চানসহ একাধিক ইসলামি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    বক্তরা বলেন স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পলাশবাড়ীতে সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের কোন অবনতি হয় নি।কার উস্কানিতে বিশ্বের বৃহত্তর এই রাম মুর্তি নির্মান করা হলো আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বৃহত্তর রাম মুর্তি অপসারণ ও মুর্তি নির্মানের প্রকৃত কারন উদঘাটন করা না হলে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।

    এদিকে রাম মুর্তি অপসারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সকাল থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যথাক্রমে পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়,কোমড়পুর মোড় ও হাসবাড়ী এলাকায় বিপুল সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

    তিনটি স্থানে ৩ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেট, ২ প্লাটুন বিজিবি, ১ প্লাটুন আমর্স ব্যাটালিয়ান ছাড়া ও র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাবসহ কয়েকশ পুলিশ -ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুরো উপজেলায় যেন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিলো।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিলেন রংপুরে রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মো: তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অর্থ শরিফ আল রাজীব পিপিএম, পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান।

    পৃথক তিনটি স্থানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদার, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বাবু, সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাইফুর রহমান।

    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটেনি। পুরো পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।