Author: Jvadmin

  • সাংবাদিকদের প্রতি ইসলামী আন্দোলনের বিশেষ আহ্বান

    সাংবাদিকদের প্রতি ইসলামী আন্দোলনের বিশেষ আহ্বান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সংবাদ প্রকাশে ইসলামী আন্দোলন (আইএবি) বাংলাদেশের লোগো ব্যবহারের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ বিভাগ। সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমের উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় আইএবির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এ আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জামায়াতে ইসলামীসহ একটি নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছিল। সেই সমঝোতা যখন ১১ দলীয় ঐক্যে রূপ নেয়, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই এগারো দলীয় ঐক্যে ছিল না। ততদিনে সমঝোতা ভেঙ্গে গেছে। এটা সংবাদকর্মী হিসেবে আপনারা সবাই জানেন।’

    ‘কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, এখনো এগারো দলীয় কোনো কোনো সংবাদে ইসলামী আন্দোলনের লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে জনসাধারণ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আপনার প্রতিষ্ঠানের সুনামহানী হচ্ছে।’

    শেখ ফজলুল করীম মারুফ সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘১১ দলীয় ঐক্য সম্পর্কিত কোনো সংবাদে দয়া করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো ব্যবহার করবেন না।’

    তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সঠিক ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের স্বার্থে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

  • গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস

    গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে আগামী ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    সম্প্রতি এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

    প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গত ১১ জুন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব গণপরিবহনে জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত করতে হবে এবং তা সার্বক্ষণিকভাবে সচল রাখতে হবে। জিপিএস সংযুক্তির কারিগরি বিবরণ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) স্থানীয় অফিস থেকে সরাসরি অথবা সংস্থাটির ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd থেকে পাওয়া যাবে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্তকরণ নিশ্চিত করার পরই রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে।

  • তিন বাস টার্মিনাল যাচ্ছে ঢাকার বাইরে, কোনটি কোথায়

    তিন বাস টার্মিনাল যাচ্ছে ঢাকার বাইরে, কোনটি কোথায়

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন বিষয়ক তৃতীয় দফার সভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক।

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যানজট পরিস্থিতি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    এ সময় উল্লেখ করা হয়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত সায়েদাবাদ, গুলিস্তান এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকার অভ্যন্তরীণ যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। এই সংকট দূর করতে নগরীর ভেতর থেকে এসব টার্মিনাল পর্যায়ক্রমে সরিয়ে ঢাকার বাইরে বা উপযুক্ত প্রান্তিক স্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, যানজট নিরসনে হকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান এবং ফুটপাত জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে এবং জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এখন এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলে সেটি নেতিবাচক উদাহরণ হবে। তাই প্রকল্পটি কীভাবে উন্নত করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট করিডোর হিসেবে ব্যবহার করা যায় এবং জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেন। আগামী সাত দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    ড. হাদিউজ্জামান আরও বলেন, ঢাকা শহরের টার্মিনালকেন্দ্রিক যানজট কমাতে মহাখালী টার্মিনালের বাসগুলোর ডিপোর জন্য অস্থায়ীভাবে পূর্বাচলে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাসগুলো শুধু যাত্রী নেওয়ার সময় টার্মিনালে আসবে।

    একইভাবে সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালের জন্যও অস্থায়ী বিকল্প স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধান নিয়েও কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে শাহবাগ এলাকায় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হবে বলেও তিনি জানান।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, গুলিস্তান থেকে টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। হকারদের উচ্ছেদ না করে আবার বিশৃঙ্খল অবস্থায়ও না রেখে কীভাবে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মহাখালী এলাকায় রাস্তার ওপর যাতে বাস দাঁড়িয়ে না থাকে, সে জন্য প্রাথমিকভাবে পূর্বাচলে বাস ডিপো স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কাজে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

    রাজধানীর যানজট নিরসনে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে মহাখালী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে বাস টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    সভায় আরও ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পরিপত্রে ৩১ সদস্যের ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ নতুনভাবে গঠন করা হয়। সোমবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
    পুনর্গঠিত কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীকে সভাপতি এবং প্রতিমন্ত্রীকে সহসভাপতি করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের।
    কমিটিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, গৃহায়ণ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা, রেলপথ ও বেসামরিক বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া ওয়াসা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এনজিও-বিষয়ক ব্যুরো এবং দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও কমিটিতে রাখা হয়েছে।
    বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং নিপসমের এন্টোমলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিবকে কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
    কমিটির প্রধান দায়িত্ব
    পরিপত্র অনুযায়ী কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে একটি সারাদেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান;
    গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, তদারকি ও সমন্বয়;
    প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা এবং জাতীয় নীতিমালা ও কৌশলপত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ;
    প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কার্যক্রম গ্রহণ। বছরে অন্তত চারটি সভা আয়োজন। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
    সমন্বিত উদ্যোগে গুরুত্ব 
    স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি কর্পোরেশন নয়, বরং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের এ কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
  • আরও ২৫০০ কোটি টাকা ধার পেল ইসলামী ব্যাংক

    আরও ২৫০০ কোটি টাকা ধার পেল ইসলামী ব্যাংক

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তা হিসেবে আরো ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পেয়েছে ইসলামী ব্যাংক। তবে পাওয়া অর্থের পুরোটা এখনো ব্যবহার করতে হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন।

    সোমবার ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, গতকালও আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পেয়েছি।

    সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটি ঘিরে গ্রাহকদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে কমে আসছে বলেও জানান আলতাফ হুসাইন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আতঙ্কে যারা আমানত তুলে নিয়েছেন, তারা আবারও ব্যাংকের ওপর আস্থা রেখে ফিরে আসবেন।

    গ্রাহকদের আস্থা ফেরার ইতিবাচক লক্ষণও দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন ভারপ্রাপ্ত এমডি। তিনি জানান, দেশের একটি বড় শাখা থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, আগের তুলনায় হিসাব বন্ধের (অ্যাকাউন্ট ক্লোজড) সংখ্যা প্রায় ৭৫ শতাংশ কমে গেছে।

    আলতাফ হুসাইন বলেন, এই প্রবণতা গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত বহন করে। নতুন পরিস্থিতিতে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ব্যবস্থাপনা কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আলতাফ হুসাইন বলেন, ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সাবেক চেয়ারম্যান একটি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করেন। সাবেক চেয়ারম্যানকে অপসারণের চিঠি হস্তান্তরের সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িটি ফেরত নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, গ্রাহকদের স্বাভাবিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকের প্রতি আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ লক্ষ্যেই ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করে যাচ্ছে।

    এদিকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেছেন, এখন পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। আমানতকারীদের নির্বিঘ্নে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি ব্যাংকের প্রতি আস্থা রাখার অনুরোধ করেন।

    একই সঙ্গে তিনি জানান, যোগ্য ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনে যাচাই-বাছাই চলছে।

    ইসলামী ব্যাংকের নিরপেক্ষ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রসঙ্গে মোহাম্মদ জহির হোসেন জানান, পূর্ণাঙ্গ বোর্ড হিসেবে পাঁচ সদস্যের একটি বোর্ড গঠন হচ্ছে। যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন আছে। আমরা এখানে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ লোক দিতে চাই, যারা এই ব্যাংকটিকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারবেন। আশা করি, খুব শিগগিরই আপনারা একটি সুন্দর ও নিরপেক্ষ বোর্ড পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তিনি সীমিত সময়ের জন্য এক সদস্য বোর্ডের দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে ব্যাংকের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে।

    আমানতকারীদের উদ্দেশে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। নির্বিঘ্নে লেনদেন চালিয়ে যান। ব্যাংকের প্রতি আস্থা রাখুন।

  • দল নয়, দেশের জন্য কাজ করুন সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী

    দল নয়, দেশের জন্য কাজ করুন সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, ‘কোনো সাংবাদিককে বিএনপি বা দলের পক্ষ হয়ে কাজ করার দরকার নেই। দেশের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য, সামগ্রিক গণ মানুষের উন্নয়নের জন্য ফোকাস করতে হবে।’

    সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, দলীয় অবস্থান বা সরকারের তোষামোদ নয়, সত্যকে সত্য হিসেবেই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দেশটাকে লন্ডন, সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না। কিন্তু গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যে অন্যায় হয়েছে, অবিচার হয়েছে সেই আবর্জনা মুক্ত করে ধীরে ধীরে কিছুটা ভালোর পথে এগিয়ে নিতে চাই।

  • ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব, ঢাকার কড়া প্রতিবাদ

    ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব, ঢাকার কড়া প্রতিবাদ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ভারতের নয়াদিল্লির বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাঁঢ়েকে তলব করে ব্যাখ্যা চেয়েছে সরকার। এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আজ সোমবার তাকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তলব করা হয়। সেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানান।

    এর আগে এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। দুঃখজনকও বটে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। দিন শেষে আমরা এ বিষয়ে জানাব।’

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে গেলেও ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে অনেকটা সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত সোমবার দুপুর নাগাদ ঢাকায় ফিরে এসেছেন।

    উল্লেখ্য, গেল ১৪ জুন সন্ধ্যায় জাহেদ উর রহমান দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তবে ইমিগ্রেশন জটিলতার কারণে দিল্লিতে ঢুকেননি তিনি। পরে অনেকটা সময় দিল্লি বিমানবন্দরে বসে থাকার পর শেষ পর্যন্ত সোমবার দুপুর নাগাদ ঢাকায় ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

  • তিন মামলায় শিল্পী মমতাজের জামিন

    তিন মামলায় শিল্পী মমতাজের জামিন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মিরপুর থানায় করা সাগর হত্যা মামলাসহ তিন মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম।

    সোমবার (১৫ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এবিএম রবিউল হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। গত বছরের ১২ মে রাত পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনে একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন মমতাজ।

    আদালতে মমতাজের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট খায়রুন নেছা।

    এর আগে রাজধানীর মিরপুর থানায় করা সাগর হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মমতাজ বেগমকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

    সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে লড়েন। আওয়ামী লীগের হয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি। তবে মমতাজ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর শেষ হাসি হাসতে পারেননি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দেওয়ান জাহিদ আহমেদের (টুলু) কাছে হেরে যান মমতাজ বেগম।

  • ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

    ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি

    যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

    ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করা হয়।

    স্মারকলিপিতে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের স্বার্থে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যমুনার দুই চ্যানেলে পৃথক দুটি সেতু নির্মাণ এবং মাঝখানের স্থায়ী চরে আধুনিক কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন, চরাঞ্চলের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃষিভিত্তিক ইপিজেড প্রতিষ্ঠা এবং যমুনার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত ‘চর ট্যুরিজম’ গড়ে তোলা।

    স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু।

    সমাবেশে বক্তব্য দেন সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মণ্ডল, ফুলছড়ির গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু ও জাহাঙ্গীর আলম।

    এছাড়া সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর সরকার, সমাজসেবক ওহিদুল ইসলাম জয়, সামছুল হক, কচুয়াহাট ছিন্নমূল সমিতির প্রতিনিধি দুলু মিয়া এবং প্যানেল চেয়ারম্যান জিহাদুর রহমান মওলা। এ সময় চরাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ যোগাযোগ রুট পুনরায় চালু করা সময়ের দাবি। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে এবং যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপও কমবে। তাই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

  • দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা কত, জানালেন সড়কমন্ত্রী

    দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা কত, জানালেন সড়কমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। সোমবার (১৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর প্রশ্ন ছিল, বর্তমানে দেশে বৈধ মোটরসাইকেলের সংখ্যা কত এবং অবৈধভাবে চলাচলকারী মোটরসাইকেল বৈধ করা হবে কি না?

    জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেম অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯০টি। সড়ক, মহাসড়কে অবৈধভাবে চলাচলকারী মোটরসাইকেল বন্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিআরটিএ থেকে নিবন্ধন গ্রহণ করেনি এরূপ কোনো মোটরসাইকেল মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদিসহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন দাখিল করলে বিআরটিএ কর্তৃক সেগুলোকে বৈধতা প্রদান তথা রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’