Author: Jvadmin

  • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের বৈঠক চলছে

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের বৈঠক চলছে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।

  • ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দের জার্সি নির্মাতা বাংলাদেশ

    ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দের জার্সি নির্মাতা বাংলাদেশ

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ফুটবল বিশ্বকাপে স্পেনের মতো শক্তিশালী দলকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কেপ ভার্দে। তবে মাঠের এই চমকের আড়ালে রয়েছে বাংলাদেশের একটি নীরব সাফল্যের গল্পও। সেটা আর কিছুই নয়, বাংলাদেশের তৈরি জার্সি।

    সোমবার (১৫ জুন) বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ইতিহাস গড়ে আফ্রিকার ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র কেপ ভার্দে। শিরোপার অন্যতম দাবিদার স্পেনের বিপক্ষে ড্র করে তারা ফুটবলপ্রেমীদের বিস্মিত করেছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কেপ ভার্দে জাতীয় দলের জার্সির কাপড় সরবরাহ করেছে দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইয়ঙ্গান কর্পোরেশন। আর জার্সিগুলোর উৎপাদন হয়েছে ঢাকায় অবস্থিত স্পোর্টসওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কাপেলি স্পোর্টের কারখানায়।

    বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশের উপস্থিতি সাধারণত মাঠে দেখা যায় না। তবে পোশাক ও ক্রীড়া সামগ্রী উৎপাদনের মাধ্যমে দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত। কেপ ভার্দের এই আলোচিত ম্যাচ সেই অবদানকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে আগেই শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পোর্টসওয়্যার উৎপাদনেও দেশের সক্ষমতা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

    ফুটবলের মাঠে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দে যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছে, তেমনি তাদের জার্সি তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশের উৎপাদনশিল্পও পেয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন এক পরিচিতি। ম্যাচের স্কোরলাইন হয়তো সময়ের সঙ্গে বদলে যাবে, কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের এই নীরব উপস্থিতি দেশের শিল্পখাতের সক্ষমতার আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।

  • নেইমারকে নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল

    নেইমারকে নিয়ে আরও বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জন্য দুঃসংবাদ যেন পিছুই ছাড়ছে না। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর এবার চোটগ্রস্ত তারকা ফরোয়ার্ড নেইমারকে নিয়ে আরও হতাশাজনক খবর পেল সেলেসাও শিবির। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচেও মাঠে নামতে পারবেন না ব্রাজিলের এই সুপারস্টার।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী নেইমার এখনো পুরোপুরি অনুশীলনে ফিরতে পারেননি। গত ১৭ মে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলতে গিয়ে কাফ মাংসপেশিতে গ্রেড-২ ইনজুরিতে পড়েন তিনি। সেই চোট থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।

    বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ব্রাজিল দলে জায়গা পেলেও এখন পর্যন্ত মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তিনি বেঞ্চে থাকলেও ম্যাচে খেলতে পারেননি। সোমবারও দলের অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।

    ব্রাজিল দলের মেডিকেল বিভাগ নেইমারের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার মূল্যায়নে নতুন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ দুটি তিনি মিস করবেন। দলের চিকিৎসকরা তাকে নকআউট পর্বের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা করছেন।

    বিষয়টি নিয়ে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেছেন, ‘নেইমার দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। আমরা চাই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে দলে ফিরুক। তার অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব তরুণদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

    বিশ্বকাপের আগে নেইমারের ফিটনেস নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, সেটিই এখন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। ফলে হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

    নেইমারের অনুপস্থিতি ব্রাজিলের আক্রমণভাগে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে সমর্থকদের আশা, গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউট রাউন্ডে দলের সবচেয়ে বড় তারকা ফিরে এসে আবারও নেতৃত্ব দেবেন শিরোপা জয়ের অভিযানে।

  • একদিনে ৪ ম্যাচ ড্র, ভাঙ্গল ৬৮ বছরের রেকর্ড

    একদিনে ৪ ম্যাচ ড্র, ভাঙ্গল ৬৮ বছরের রেকর্ড

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্বকাপে ফুটবলপ্রেমীরা এক ঐতিহাসিক ও অবিশ্বাস্য দিন প্রত্যক্ষ করলেন। সোমবার বিশ্বমঞ্চে মাঠে নেমেছিল মোট আটটি দল। সাধারণত ফুটবল ম্যাচে হার-জিতের রোমাঞ্চ দেখতেই দর্শক মাঠে আসেন, কিন্তু এই দিনটি ফুটবল ইতিহাসকে রাঙাল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক গল্পে। এদিন অনুষ্ঠিত চারটি ম্যাচের প্রতিটিই শেষ হয়েছে ড্রয়ের মাধ্যমে। আর এই অদ্ভুত সমতার মধ্য দিয়ে ভেঙে গেছে দীর্ঘ ৬৮ বছরের পুরোনো এক ঐতিহাসিক রেকর্ড। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ইরান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ২-২ গোলের ড্র ম্যাচটি দিয়ে শেষ পর্যন্ত এই বিরল রেকর্ডের জন্ম হলো।

    রেকর্ড ভাঙার এই মহাকাব্যে অবশ্য শুধু ইরান ও নিউজিল্যান্ডের একার অবদান ছিল না। সোমবারের অন্য তিনটি ম্যাচও সমতায় শেষ হয়েছিল। দিনের প্রথম ম্যাচে স্পেন ও কেপ ভার্দে গোলশূন্য (০-০) ড্র করে। এরপর বেলজিয়াম ও মিশর মুখোমুখি হয়ে ১-১ গোলে মাঠ ছাড়ে। দিনের তৃতীয় ম্যাচে সৌদি আরব ও উরুগুয়েও ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নেয়। সবশেষে ইরান ও নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ২-২ গোলে শেষ হলে পূর্ণতা পায় এই ঐতিহাসিক দিন।

    একই দিনে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ ড্র হওয়ার ঘটনা ফুটবল বিশ্বে সর্বশেষ ঘটেছিল ৬৮ বছর আগে। ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে এমন একটি দিনের দেখা মিলেছিল। কাকতালীয়ভাবে, ১৯৫৮ সালের সেই দিনটিও ছিল ১৫ জুন। তবে ২০২৬ সালের ১৫ জুনের এই দিনটি এক দিক থেকে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সম্পূর্ণ অনন্য ও একক রেকর্ডের জন্ম দিয়েছে।

    ৬৮ বছর আগের সেই দিনেও ৪টি ম্যাচ ড্র হয়েছিল, তবে সেদিন আরও ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই ৪টি ম্যাচের স্পষ্ট ফলাফল এসেছিল। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক দিনে অনুষ্ঠিত হওয়া সবকটি ম্যাচই ড্র হওয়ার কোনো নজির আগে ছিল না। ফলে ২০২৬ সালের ১৫ জুনে এসে ফুটবল বিশ্ব দেখল ‘এক দিনে সব ম্যাচ ড্রয়ের নজির নেই কোনো বিশ্বকাপেই।’ এর মাধ্যমে আগের সব ইতিহাস ভেঙে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল চলতি বিশ্বকাপ।

    ইতিহাস গড়ার এই ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। ম্যাচের শুরুতেই ইরানকে চমকে দিয়ে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। খেলার মাত্র ৭ মিনিটে দলের পক্ষে প্রথম গোল করেন এলিজাহ জাস্ট। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ক্রিস উডের একটি দারুণ পাস থেকে বল পেয়ে তিনি ঠান্ডা মাথায় ইরানের জালে বল পাঠান।

    ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ইরান ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি, বরং তারা দুর্দান্তভাবে আক্রমণ চালাতে থাকে। ফলশ্রুতিতে ৩২ মিনিটে রামিন রেজাইয়ান বক্সের খুব কাছ থেকে নিখুঁত এক শটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। সমতাসূচক এই গোলের পর পুরো লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে উপস্থিত ইরানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। প্রথমার্ধের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়।

    বিরতির পর মাঠের লড়াই আরও জমে ওঠে। ৫৪ মিনিটে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় নিউজিল্যান্ড। অধিনায়ক ক্রিস উডের আরেকটি চমৎকার সহায়তায় নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন এলিজাহ জাস্ট। ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দকে একা পেয়ে অত্যন্ত শান্তভাবে তিনি বল জালে জড়িয়ে দেন।

    নিউজিল্যান্ড ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর ইরান আবারও গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তারা একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে নিউজিল্যান্ডের রক্ষণভাগে। ম্যাচের ৬৪ মিনিটে মোহাম্মদ মুহিবি দারুণ এক হেডে প্রতিপক্ষের বল জালে জড়িয়ে দেন। ফলে ম্যাচ আবার ২-২ গোলের সমতায় ফেরে।

    শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত দুই দলের কেউই আর কোনো গোল করতে পারেনি। ফলে দুই দলই এক পয়েন্ট করে নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তবে এই ম্যাচটি শুধু মাঠের লড়াই বা পয়েন্ট ভাগাভাগির জন্য নয়, ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে ৬৮ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন এক কীর্তি স্থাপন করার জন্য।

  • রাজধানীতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

    রাজধানীতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানী ঢাকার মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ করেছেন গার্মেন্ট শ্রমিকরা।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকে শ্রমিকদের এই অবস্থানের কারণে সড়কটির দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে ওই এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    সড়ক অবরোধের ফলে বিপাকে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

    তবে তাৎক্ষণিকভাবে শ্রমিকদের এই আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

     

  • বিবাহ নিবন্ধনে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডিজিটাল জন্মসনদ

    বিবাহ নিবন্ধনে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডিজিটাল জন্মসনদ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল বা কাগজের জন্মসনদের পরিবর্তে অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন রেকর্ড ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে সরকার ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

    জাতীয় সংসদে সোমবার (১৫ জুন) কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান।

    ইউনিসেফ এবং ইউএনএফপিএ-এর কারিগরি সহায়তায় বর্তমানে এই নতুন আইনের খসড়া তৈরির কাজ চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিদ্যমান আইনের বিশেষ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাল্যবিবাহ দেওয়ার আইনি ফাঁকফোকরগুলো বন্ধ করা হবে। এই সংশোধনীর মূল বৈশিষ্ট্য হবে, বিবাহ নিবন্ধনের জন্য সনাতন পদ্ধতির কাগজের সনদের বদলে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন রেকর্ড ব্যবহার করা। মূলত জালিয়াতির মাধ্যমে জন্মসনদ তৈরি করে অপ্রাপ্তবয়স্ক বর-কনের আসল বয়স লুকানোর প্রবণতা বন্ধ করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন ছাড়াই অনেক বিবাহ সম্পন্ন হওয়ায় মাঠপর্যায়ে এর সঠিক নজরদারি ও আইন প্রয়োগ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই, বাল্যবিবাহ পুরোপুরি নির্মূল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

  • সাংবাদিকদের প্রতি ইসলামী আন্দোলনের বিশেষ আহ্বান

    সাংবাদিকদের প্রতি ইসলামী আন্দোলনের বিশেষ আহ্বান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সংবাদ প্রকাশে ইসলামী আন্দোলন (আইএবি) বাংলাদেশের লোগো ব্যবহারের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ বিভাগ। সোমবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমের উদ্দেশে পাঠানো এক বার্তায় আইএবির কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এ আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জামায়াতে ইসলামীসহ একটি নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছিল। সেই সমঝোতা যখন ১১ দলীয় ঐক্যে রূপ নেয়, তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই এগারো দলীয় ঐক্যে ছিল না। ততদিনে সমঝোতা ভেঙ্গে গেছে। এটা সংবাদকর্মী হিসেবে আপনারা সবাই জানেন।’

    ‘কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, এখনো এগারো দলীয় কোনো কোনো সংবাদে ইসলামী আন্দোলনের লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে জনসাধারণ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আপনার প্রতিষ্ঠানের সুনামহানী হচ্ছে।’

    শেখ ফজলুল করীম মারুফ সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘১১ দলীয় ঐক্য সম্পর্কিত কোনো সংবাদে দয়া করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো ব্যবহার করবেন না।’

    তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সঠিক ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের স্বার্থে এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

  • গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস

    গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে আগামী ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    সম্প্রতি এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

    প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গত ১১ জুন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব গণপরিবহনে জিপিএস ডিভাইস সংযুক্ত করতে হবে এবং তা সার্বক্ষণিকভাবে সচল রাখতে হবে। জিপিএস সংযুক্তির কারিগরি বিবরণ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) স্থানীয় অফিস থেকে সরাসরি অথবা সংস্থাটির ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd থেকে পাওয়া যাবে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্তকরণ নিশ্চিত করার পরই রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে।

  • তিন বাস টার্মিনাল যাচ্ছে ঢাকার বাইরে, কোনটি কোথায়

    তিন বাস টার্মিনাল যাচ্ছে ঢাকার বাইরে, কোনটি কোথায়

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন বিষয়ক তৃতীয় দফার সভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক।

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যানজট পরিস্থিতি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    এ সময় উল্লেখ করা হয়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত সায়েদাবাদ, গুলিস্তান এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকার অভ্যন্তরীণ যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। এই সংকট দূর করতে নগরীর ভেতর থেকে এসব টার্মিনাল পর্যায়ক্রমে সরিয়ে ঢাকার বাইরে বা উপযুক্ত প্রান্তিক স্থানে স্থানান্তরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, যানজট নিরসনে হকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান এবং ফুটপাত জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে এবং জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এখন এটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলে সেটি নেতিবাচক উদাহরণ হবে। তাই প্রকল্পটি কীভাবে উন্নত করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট করিডোর হিসেবে ব্যবহার করা যায় এবং জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেন। আগামী সাত দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    ড. হাদিউজ্জামান আরও বলেন, ঢাকা শহরের টার্মিনালকেন্দ্রিক যানজট কমাতে মহাখালী টার্মিনালের বাসগুলোর ডিপোর জন্য অস্থায়ীভাবে পূর্বাচলে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাসগুলো শুধু যাত্রী নেওয়ার সময় টার্মিনালে আসবে।

    একইভাবে সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালের জন্যও অস্থায়ী বিকল্প স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধান নিয়েও কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে শাহবাগ এলাকায় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হবে বলেও তিনি জানান।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, গুলিস্তান থেকে টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। হকারদের উচ্ছেদ না করে আবার বিশৃঙ্খল অবস্থায়ও না রেখে কীভাবে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মহাখালী এলাকায় রাস্তার ওপর যাতে বাস দাঁড়িয়ে না থাকে, সে জন্য প্রাথমিকভাবে পূর্বাচলে বাস ডিপো স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ কাজে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

    রাজধানীর যানজট নিরসনে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে মহাখালী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে বাস টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    সভায় আরও ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গত ২৭ মে ২০২৫ তারিখে জারি করা এক পরিপত্রে ৩১ সদস্যের ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ নতুনভাবে গঠন করা হয়। সোমবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
    পুনর্গঠিত কমিটিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীকে সভাপতি এবং প্রতিমন্ত্রীকে সহসভাপতি করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের।
    কমিটিতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ, গৃহায়ণ, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা, রেলপথ ও বেসামরিক বিমান পরিবহনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিবরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া ওয়াসা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এনজিও-বিষয়ক ব্যুরো এবং দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরও কমিটিতে রাখা হয়েছে।
    বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং নিপসমের এন্টোমলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বা সচিবকে কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
    কমিটির প্রধান দায়িত্ব
    পরিপত্র অনুযায়ী কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে একটি সারাদেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান;
    গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা, মূল্যায়ন, তদারকি ও সমন্বয়;
    প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা এবং জাতীয় নীতিমালা ও কৌশলপত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ;
    প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কার্যক্রম গ্রহণ। বছরে অন্তত চারটি সভা আয়োজন। এ ছাড়া প্রয়োজন হলে কমিটিতে অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
    সমন্বিত উদ্যোগে গুরুত্ব 
    স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি কর্পোরেশন নয়, বরং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জাতীয় পর্যায়ের এ কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।