Author: Jvadmin

  • বালিয়াকান্দিতে ব্যবসায়ীকে মারধর করে লাখ টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনতাই: অভিযুক্ত গ্রেফতার

    বালিয়াকান্দিতে ব্যবসায়ীকে মারধর করে লাখ টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনতাই: অভিযুক্ত গ্রেফতার

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি 

    রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানাধীন নারুয়া ইউনিয়নে এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে পথরোধ করে বেদম মারধর, নগদ অর্থ ও ব্যবহৃত দামী মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।

    পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৯ জুন দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটায় নারুয়া ইউনিয়নের বিলটাকাপোড়া গ্রামের মনসুর আলী কলেজের সামনের পাকা রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে ১৬ জুন (মঙ্গলবার) দুপুরে অভিযুক্ত প্রধান আসামি মিঠু শেখ (৩০)-কে গ্রেফতার করেছে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ।

    পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ রুহুল আমিন (৩৪) বিলটাকাপোড়া গ্রামের মৃত কালাম খানের পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের ব্যবসা করে আসছেন। ঘটনার দিন তিনি বাড়ি থেকে নিজের মালিকানাধীন একটি লাল রঙের ‘ণধসধযধ ঋত ঠ৩’ মোটরসাইকেল যোগে পেঁয়াজ কেনার উদ্দেশ্যে স্থানীয় নাকুয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মনসুর আলী কলেজের সামনে পৌঁছালে, পূর্ব শত্রুতা ও বিরোধের জেরে একই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী শেখের পুত্র মিঠু শেখ তার পথরোধ করে। মিতু শেখ ভুক্তভোগী রুহুল আমিনকে মোটরসাইকেল থেকে জোরপূর্বক টেনে-হেঁচড়ে রাস্তায় নামিয়ে দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় আসামি ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর প্যান্টের পকেটে থাকা পেঁয়াজ ক্রয়ের নগদ ১,৪৫,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। শুধু তাই নয়, জোরপূর্বক মোটরসাইকেলের চাবিসহ ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। যাওয়ার সময় বিষয়টি পুলিশ বা থানাকে জানালে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করা হয়।

    পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বালিয়াকান্দি থানায় হাজির হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

    মামলা দায়েরের পর তদন্তে নামে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ কাঞ্চন মিয়া আজ ১৬ জুন দুপুর ২ টার দিকে সঙ্গীয় ফোর্সসহ বালিয়াকান্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি মিঠু শেখকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে আসামির প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    আজ বিকালেই গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বালিয়াকান্দি আমলী আদালত, রাজবাড়ীতে প্রেরণ করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন নামুনজুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

  • রাজবাড়ীতে জামায়াত কর্মী হত্যার পর মরদেহ আগুনের ঘটনায় গ্রপ্তার-৩

    রাজবাড়ীতে জামায়াত কর্মী হত্যার পর মরদেহ আগুনের ঘটনায় গ্রপ্তার-৩

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি 

    রাজবাড়ীর কালুখালীত হাওলাতি টাকা দিত না পারায় জামায়াত ইসলামীর কর্মী আশাদুল ইসলাম (২২) কে হত্যার পর মরদহ আগুন ধরিয়ে হয়। এ মামলার রহস্য উদঘাটন ও ৩ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আশাদুল কালুখালী উপজলার বিল মানুষমারী গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন , কালুখালী উপজলার মদাপুর গ্রামের কাউসার শেখের ছেলে মো: মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মন্ডলের ছেলে মো: আনোয়ার মন্ডল (৪৪), সুর্য্যদিয়া গ্রামর শাহাজউদ্দিনের ছেলে আব্দুল করিম মাল্লা (৩৫)।

    গত সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড় ৭ টার সময় কালুখালী থানার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্য্যদিয়া মাদ্রাসার পিছনের পাট খেত থেকে আশাদুল ইসলামের (২২) অগ্নিদগ্ধ মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আশাদুল ইসলামর বাবা শাহজাহান মন্ডল বাদী হয় সোমবার কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রক্ষিত কালুখালী থানা পুলিশ ও রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা শাখা নিবিড়ভাবে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রাখে।

    তদন্তকালে জানা যায়, আসামী মিজান শেখের কাছ থেকে আশাদুল ইসলাম ৪ মাস আগে ৬৮ হাজার টাকা ধার নেয়। সময়মত ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় পূর্ব থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলমান ছিল। এরই প্রক্ষিত পূর্বপরিকল্পিতভাব আসামী মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা মিলে আশাদুল কে হত্যা করাসহ মরদেহে আগুন লাগিয় দেয়।

    রাজবাড়ীর সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কল) দেবব্রত সরকারের নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চকস টিম মঙ্গলবার (১৬ জুন) যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় মো: মিজান শখ, মো: আনায়ার মন্ডল ও মো: আব্দুল করিম মোল্লা কে গ্রপ্তার করা হয়।

    রাজবাড়ী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মো: শামসুল হক বলন, মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন আসামীক আদালত প্ররণ করা হয়েছে। অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামীদর সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।গ্রেফতারকৃত আসামিরা ১৬৪ ধারা মাতাবেক স্বীকারাক্তিমূলক জবানবদি প্রদান করছন। এসময় হত্যাকান্ডের ঘটনায় ব্যবহৃত ১টি মাটরসাইকল, ১টি রক্তমাখা হেলমট, ১টি এসএস পাইপ (রড) ও ১টি লাহার ফাল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    চুয়াডাঙ্গায় মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    মাদককে না বলি, সুস্থ জীবন গড়ে তুলি। এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের দৌলতদিয়াড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় “ওপেন হাউজ ডে” উপলক্ষে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সদর থানার উদ্যোগে মাদকের ভয়াবহতা ও কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে এই মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার রুহুল কবির খান বলেন, মাদক যুবসমাজ তথা আমাদের সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি সকলের প্রতি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

    সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, যুবসমাজকে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও বিভিন্ন ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে নিজেদেরকে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত রাখতে হবে।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মিনহাজ-উল-ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।

    সমাবেশে জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    মাদককে “না” বলে সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ সমাজ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

  • ঘটা করে সাংবাদিক মাঈনুদ্দীন খালেদের জন্মদিন পালন করল পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক

    ঘটা করে সাংবাদিক মাঈনুদ্দীন খালেদের জন্মদিন পালন করল পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক

    এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি, কচ্ছপিয়া কে.জি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা,পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের সভাপতি, দৈনিক আজকের পত্রিকা ও দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক এবং বিশিষ্ট মানবাধিকার নেতা মাঈনুদ্দীন খালেদ-এর ঘটাকরে শুভ জন্মদিন পালন করেছে পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্ক। যে টি ককসবাজার ও বান্দরবানের সীমান্তবর্তী কর্মরত সাংবাদিকদের সমাজ উন্নয়নধর্মী সংগঠন।

    সোমবার ( ১৫ জুন) প্রবীণ এই সাংবাদিকের জন্মদিন উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখা হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন সামাজিক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক, শিক্ষাবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমজুড়েও শুভেচ্ছার বন্যা বইতে থাকে।

    সন্ধ্যায় পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এক আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, সমাজসেবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নানা শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে জন্মদিনের কেক কেটে শুভ জন্মদিন উদযাপন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাঈনুদ্দীন খালেদ শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও মানবাধিকার কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সংবাদপত্রে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন এবং দুর্নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান অনুকরণীয়।

    বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। সীমান্ত জনপদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি বরাবরই সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।

    জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের ধারাবাহিকতা কামনা করেন। এ সময় আবেগঘন পরিবেশে অনেকেই তাঁর কর্মজীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অবদানের কথা তুলে ধরেন।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে মাঈনুদ্দীন খালেদ উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সাংবাদিকতা, শিক্ষা ও মানবকল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”

    দিনব্যাপী নানা আয়োজনে উদযাপিত এই জন্মদিন অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। প্রবীণ সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার নেতা মাঈনুদ্দীন খালেদের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সম্মানের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এ আয়োজন উপস্থিত সকলের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নেয়। তাঁর জন্মদিন ঘিরে রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি অঞ্চলে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের মিলন মেলায় পরিণত হয় পুরো আয়োজনটি।

  • রং মিশিয়ে লাল তিল কে কালো করায় দুই ব্যবসায়ী কে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

    রং মিশিয়ে লাল তিল কে কালো করায় দুই ব্যবসায়ী কে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি 

    রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে কালো রং মিশিয়ে লাল তিলকে কালো তিল করার দায়ে দুই ব্যবসায়ী কে ৩ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। টাকা পরিশোধ না করায় অভিযুক্তদের আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের আলোকদিয়ায় অভিযুক্তদের বসত বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।এ সময় রং মেশানো ২২ বস্তা কালো তিল ও কৌটার রং জব্দ বিনষ্ট করা হয়।

    অভিযুক্তরা হলেন আব্দুল হাই বিশ্বাস ও শহিদুল বিশ্বাস।তারা উভয়ই তিল ব্যবসায়ী। অভিযোগ রয়েছে তারা দীর্ঘদিন ধরে রং মিশ্রিত করে ভেজাল তিল তৈরি করে আসছিলো।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিচালনা করেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: আবুবক্কর সিদ্দিক, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো: আসিফুর রহমান,উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক জনাব মো: পনিরুজ্জামান।অভিযানে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল।

  • মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, জানা গেল আশুরা কবে

    মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, জানা গেল আশুরা কবে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশের আকাশে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে বুধবার (১৭ জুন) থেকে পবিত্র মহররম মাস গণনা করা শুরু হবে। হিসাব অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুন পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্ব) মো. ফজলুর রহমান।

    ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) হতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

    সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মাহবুব আলম, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার অধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. খোরশেদ আলম খান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মো. মহিউদ্দিন, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শেখ নাঈম রেজওয়ান, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ নিয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস

    জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হলেন আফরোজা আব্বাস

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস। মঙ্গলবার (১৬ জুন) জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১-এর ধারা ৮(১) ও ৮(২) অনুযায়ী যোগদানের তারিখ থেকে তাকে এ পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চেয়ারম্যান হিসেবে তার কার্যকাল যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সরকার প্রয়োজনবোধে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। একইভাবে আফরোজা আব্বাসও সরকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে যে কোনো সময় পদত্যাগ করতে পারবেন।

    এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে তার এ নিয়োগ অবৈতনিক হবে।

    আফরোজা আব্বাস হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতি উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের (এমপি) স্ত্রী। বর্তমানে মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

  • ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনেই ২২০১ মামলা ডিএমপির

    ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনেই ২২০১ মামলা ডিএমপির

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানী বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এক দিনেই ২,২০১টি মামলা দায়ের করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) ডিএমপি নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর আটটি ট্রাফিক বিভাগ একযোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে মামলা দায়েরের পাশাপাশি মোট ৪৩৩টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩১৩টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

    গতকালকের অভিযানে ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৯টি বাস, ১টি ট্রাক, ১টি কাভার্ডভ্যান, ৫টি সিএনজি ও ১৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৭১টি মামলা এবং ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ৮টি ট্রাক, ৮টি সিএনজি ও ১১২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৭টি মামলা করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৪৪৬টি মামলা হয়েছে ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে, যার মধ্যে রয়েছে ১১টি বাস, ২টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ১০৩টি সিএনজি ও ২৪৪টি মোটরসাইকেল। এছাড়া ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৬টি বাস, ২০টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি ও ৯৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪২টি মামলা দায়ের করা হয়।

    অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৯টি বাস, ৩টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ৯১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২০০টি মামলা এবং ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৮টি বাস, ১৩টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ডভ্যান, ৫৯টি সিএনজি এবং ২৪১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৪টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৩টি বাস, ১টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ৮৪টি সিএনজি ও ১৮৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৩৪টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২৯টি বাস, ১টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ডভ্যান, ৩০টি সিএনজি ও ৮০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ডিএমপির এই চিরুনি অভিযান ও আইনি তৎপরতা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে: মির্জা ফখরুল

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে: মির্জা ফখরুল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের অষ্টম দিনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। লিখিত প্রশ্নে সংসদ সদস্য মো: মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জানতে চান, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কী?

    জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘চলতি বছরের বর্ষা মৌসুম শেষে সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। আগামী এক বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

    মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাজেটের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন হবে। নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনও একই সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আয়োজনের আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চলতি জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন আয়োজনের বিস্তারিত ব্যয় নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। নতুন অর্থবছর শুরু হলে নির্বাচনের চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ শুরু করবে।’

  • দুই ঘণ্টার নাটকীয়তার পর আদালতে শিবির নেতা জিসান, জামিন নামঞ্জুর; কারাগারে প্রেরণ

    দুই ঘণ্টার নাটকীয়তার পর আদালতে শিবির নেতা জিসান, জামিন নামঞ্জুর; কারাগারে প্রেরণ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি

    ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়াকে (২৮) দুই ঘণ্টার নাটকীয়তার পর আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ জামিন আবেদন শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন এবং জিসানকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

    এর আগে জিসান মিয়া সুস্থ না অসুস্থ এ নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে। বোর্ড বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে সুস্থ বলে মতামত দেয়। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান জানান, মেডিকেল বোর্ডের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফলে জিসানকে সুস্থ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে।

    হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেলেও দুপুরে আদালতে হাজির করার কথা থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতে নিয়ে আসেন। পুলিশ ও ডিবির কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয় তাকে।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, “পুলিশ যেভাবে আসামিকে আদালতে নিয়ে এসেছে, তা সঠিক প্রক্রিয়ায় হয়নি। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে হাসপাতাল থেকে আদালতে আনার বিষয়টি নিয়ে নাটকীয়তা করা হয়েছে। পরে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে তাকে সরাসরি বিচারকের কক্ষে নেওয়া হয়। আমরা জামিন আবেদন করেছিলাম, কিন্তু আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।”

    উল্লেখ্য যে, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগের মামলায় গত শুক্রবার রাতে জিসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু ওই ছাত্রশিবির নেতা নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এত দিন। এ জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলেও আদালতে প্রেরণ করেনি পুলিশ। এর আগে দাউদকান্দি থেকে কথিত নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করে পরিবার। পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলন করে জানান , জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।