Author: Jvadmin

  • মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যবণ্টন ইসি’র

    মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যবণ্টন ইসি’র

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যবণ্টন করা হয়েছে।

    রোববার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (সংস্থাপন) মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সহকারী উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যবণ্টন সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হলো।

    অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সহকারী উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যবণ্টন তালিকায় রয়েছে- প্রশাসনিক কার্যাবলি, আর্থিক কার্যাবলি, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও হালনাগাদকরণসংক্রান্ত, নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যাবলি, জাতীয় পরিচয়পত্রসংক্রান্ত, লজিস্টিক সংগ্রহ, বিতরণ ও সংরক্ষণ এবং অন্যান্য।

  • খুলনায় নারী পথচারী গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় নারী পথচারী গুলিবিদ্ধ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    খুলনা মহানগরীর গল্লামারী ব্রিজের সামনে সন্ত্রাসীদের ছোড়া লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে আছিয়া বেগম নামে এক নারী পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) রাত ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন সন্ত্রাসী রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এ সময় রাসেল দৌড়ে একটি গলির ভেতরে পালিয়ে গেলে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পথচারী আছিয়া বেগমের হাতের আঙুলে লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা আছিয়া বেগমকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রাসেল নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাকে লক্ষ্য করেই দুর্বৃত্তরা গুলি চালায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে কোনও গুলির আলামত পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তে কাজ করছে পুলিশ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • আইপিএলের প্লে-অফ চূড়ান্ত, কবে কার ম্যাচ

    আইপিএলের প্লে-অফ চূড়ান্ত, কবে কার ম্যাচ

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্লে-অফের সূচি নিশ্চিত হলো। আজ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করে রাজস্থান রয়েলস। আগেই শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গুজরাট টাইটান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

    কবে থেকে শুরু প্লে-অফের খেলা? জেনে নিন

    আইপিএলের চলতি আসরে গ্রুপপর্বে প্রতিটি দল ১৪টি করে ম্যাচ খেলেছে। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বিরাট কোহলিদের বেঙ্গালুরু। সমান পয়েন্ট নিয়েও নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট টাইটান্স। একই কারণে ১৮ পয়েন্ট নিয়েও তিনে রয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ রাজস্থান রয়েলস।

    কোয়ালিফায়ার ১

    লিগ টেবিলের প্রথম দুটি দল খেলবে প্রথম কোয়ালিফায়ার।

    ২৬ মে ধর্মশালায় কোহলিদের বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে খেলবে শুবমান গিলের গুজরাট টাইটান্স। এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারা সরাসরি ফাইনালে চলে যাবে। তবে যারা হেরে যাবে তারা আরও একটি সুযোগ পাবে। কোয়ালিফায়ার ২ ম্যাচে খেলে ফাইনালে যেতে পারবে।

    এলিমিনেটর

    লিগ টেবিলের তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দল খেলবে এলিমিনেটর ম্যাচে। সেই হিসেবে প্যাট কামিন্সের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ মুখোমুখ হবে রাজস্থান রয়েছের। ২৭ মে মুল্লানপুরে হবে সেই ম্যাচ।

    এলিমিটেনর ম্যাচে যারা হেরে যাবে তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। আর যারা জিতবে তারা খেলবে কোয়ালিফায়ার ২।

    কোয়ালিফায়ার ২

    ২৯ মে মুল্লানপুরে হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে যাওয়া দল এবং এলিমিনেটরে জয়ী টিম মুখোমুখি হবে কোয়ালিফায়ার ২-তে। এই ম্যাচে জয়ী দল পৌঁছে যাবে ফাইনালে।

    ৩১ মে গুজরাটের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে ফাইনাল।

  • নিজের দিকে তাকাতেও লজ্জা পেতেন বিদ্যা

    নিজের দিকে তাকাতেও লজ্জা পেতেন বিদ্যা

    বিনোদন ডেস্ক 

    বলিউড চলচ্চিত্র জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার আগে অভিনেত্রী বিদ্যা বালানকে তার কর্মজীবনের শুরুতে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। একটা সময় ছিল যখন চলচ্চিত্র নির্মাতারা একজন অভিনেত্রীকে ‘অশুভ’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন। নীরবে একের পর এক সিনেমা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বিদ্যা বালান। 

    তিনি বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে ১৩টি প্রজেক্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এবং কিছু সিনেমা মুক্তির পর অনেক নির্মাতা বিশ্বাস করেন যে, বিদ্যা বালান ছিলেন বলে তাদের প্রজেক্ট খারাপ হয়েছে। ক্রমাগত প্রত্যাখ্যান আর খারাপ আচরণ তার আত্মবিশ্বাসকে এতটাই আঘাত করেছিল যে, আয়নায় নিজের দিকে তাকাতেও তার লজ্জা লাগত।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে তার শুরুর দিনগুলোয় তাকে ‘অলক্ষুণে’ বলে ডাকা হতো। যে কারণে তিনি প্রতি রাতে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমাতে যেতেন। তবে অভিনেত্রী হাল ছেড়ে দেননি। তিনি ধীরে ধীরে তার ক্যারিয়ার তৈরি করেন এবং পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে নিয়ে আসেন। পরে তিনি বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন। আজও তিনি তার কাজের জন্য প্রশংসিত হন বলে জানান।

    খুব অল্প বয়সে জনপ্রিয় সিটকম ‘হাম পাঁচ’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন, যা বিনোদন জগতে তার জন্য দরজা খুলে দেয় এবং অবশেষে তাকে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ করে দেয়। তবে তার ক্যারিয়ারের প্রাথমিক পর্যায়টি খুব সহজ ছিল না। চলচ্চিত্রে নিজের জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টায় বারবার ব্যর্থতা ও প্রত্যাখ্যানের মুখোমুখি হওয়ার কথা অভিনেত্রীও প্রায়শই বলেন।

    একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের জন্য দক্ষিণে গিয়েছিলেন বিদ্যা বালান। যেখানে সিনেমাটির প্রযোজকরা অডিশন নিচ্ছিলেন। তাকেও সেই প্রজেক্টের জন্য অডিশন দিতে বলা হয়। তার মাও সঙ্গে যান। কারণ তিনি মোহনলালের অনেক বড় ভক্ত ছিলেন। অডিশনের কিছুক্ষণ পরেই পরিচালক তার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি তার মা ও বোনের সঙ্গে সেখানে যান।

    বিদ্যা বালান বলেন, আমি নিজেকে একটা সময়ে তারকা ভাবতাম। আমার কোনো ধারণাই ছিল না যে মোহনলালের ‘চাক্রম’ সিনেমাটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সিনেমাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমাকে দেওয়া ৮-৯টি সিনেমার প্রস্তাবও হাতছাড়া হয়ে যায়। সবাই ভেবেছিলেন যে অভিনেতা ও পরিচালক একসঙ্গে আটটি হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন এবং এখন নবম সিনেমাটি করছেন। আমি যাওয়ায় জোর চর্চা হয়েছিল।

    ২০১০ সালের পর অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের ক্যারিয়ারে এক বড় পরিবর্তন আসে। সেই সময়ে তিনি একের পর এক হিট ও কাল্ট সিনেমা উপহার দেন। ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’ এবং ‘কাহানি’র মতো সিনেমার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মন জয় করে নেন। কিন্তু ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ সিনেমা জগতে তার ভাবমূর্তি পুরোপুরি বদলে দেয়। সিল্ক স্মিতার জীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এ সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে। সেই সাফল্য বিদ্যা বালানকে এমন একজন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে, যিনি একাই একটি পুরো সিনেমাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম।

    ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ সিনেমার সাফল্যের পর অভিনেত্রী তার অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছেন এবং একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে তারকাখ্যাতি অর্জন করেছেন। বিগত বছরগুলোয় তিনি ‘তুমহারি সুলু’, ‘শকুন্তলাদেবী’ এবং ‘শেরনি’-র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং ধারাবাহিকভাবে আকর্ষণীয় চরিত্র বেছে নিয়েছেন।

    ২০২৪ সালে তিনি কার্তিক আরিয়ান ও মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’-তে অভিনয় করেন, যা বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছিল।

  • ঢাকায় আবারও শিশু ধর্ষণের অভিযোগ

    ঢাকায় আবারও শিশু ধর্ষণের অভিযোগ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর ভাষানটেকে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত শনিবার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনায় ভাষানটেক থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা।

    গ্রেপ্তার মো. হোসেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ডুমুরিয়া এলাকার মৃত সাহেব আলী ফকিরের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার ভাষানটেক এলাকায় বসবাস করছিলেন।

    মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত দুই থেকে তিন দিন ধরে শিশুটি তার গোপনঅঙ্গে ব্যথার কথা বলে পরিবারের কাছে কান্নাকাটি করছিল। একপর্যায়ে গত শনিবার রাত ৮টার দিকে সে তার পরিবারকে ঘটনার কথা জানায়।

    শিশুটি জানায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সে তাদের ঘরের সামনে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী হোসেন তাকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর ঘরের দরজা বন্ধ করে এবং মুখ চেপে ধরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

    ঘটনাটি জানার পরপরই শিশুটির বাবা গত শনিবার রাতে ভাষানটেক থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

    ভাষানটেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত শনিবার রাতে ধর্ষণের মামলা দায়েরের পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সকালে তাকে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

  • চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

    চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চুক্তি সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে, ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

    এই চুক্তি যুদ্ধের আরও বিস্তার ঠেকাবে এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহের ওপর চাপ কমাবে। তবে, এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পারমাণবিক দাবিগুলোকে পূরণ করে এমন একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির দিকে নিয়ে যাবে কিনা তা এখনো অস্পষ্ট। ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারীরা উভয়েই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চুক্তিটি শিগগিরই ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং শেষ মুহূর্তে ভেস্তেও যেতে পারে।

    মার্কিন ওই কর্মকর্তা বর্তমানে খসড়া চুক্তিতে যা রয়েছে তার একটি বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন, যার অনেকটাই আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অন্যান্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই বিষয়গুলো এখনো ইরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে তেহরানও ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে।

    চুক্তিতে কী রয়েছে

    উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করবে, যা ৬০ দিন কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতিতে এর মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এই ৬০ দিনের সময়ে হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে এবং সেখানে কোনো ধরনের শুল্ক নেওয়া হবে না। পাশাপাশি ইরান প্রণালিতে স্থাপন করা মাইন সরিয়ে ফেলতে সম্মত হবে, যাতে জাহাজগুলো অবাধে চলাচল করতে পারে।

    এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে এবং কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যাতে ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, এটি ইরানের অর্থনীতির জন্য বড় সুবিধা হবে। তবে তিনি বলেন, এতে বৈশ্বিক তেলের বাজারও উল্লেখযোগ্য স্বস্তি পাবে।

    মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ইরান যত দ্রুত মাইন সরিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে, তত দ্রুত অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এই চুক্তিতে ট্রাম্পের মূল নীতি হলো‘কাজের বিনিময়ে স্বস্তি’।

    ইরান চেয়েছিল অবিলম্বে জব্দ অর্থ ছাড় এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। কিন্তু মার্কিন পক্ষ জানিয়েছে, বাস্তব ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত তা সম্ভব হবে না।

    পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে এখনো আলোচনা বাকি

    খসড়া সমঝোতা স্মারকে ইরানের পক্ষ থেকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা না করার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করা এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় বসার কথাও রয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তা জানান।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে মৌখিকভাবে জানিয়েছে যে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং পারমাণবিক উপাদান ত্যাগের বিষয়ে কতটা ছাড় দিতে প্রস্তুত।

    যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের সময়কালে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের জব্দ অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হবে। তবে এসব পদক্ষেপ কেবল একটি চূড়ান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর কার্যকর হবে।

    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনী ৬০ দিনের এই সময়জুড়ে অঞ্চলে অবস্থান করবে এবং কেবল চূড়ান্ত চুক্তি হলে সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে। চমকপ্রদ বিষয় হলো, খসড়া সমঝোতা স্মারকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ শেষ হবে।

    শনিবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি চুক্তির আরও কিছু বিষয় নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক ও সংযতভাবে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

    মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এটি কোনো ‘একতরফা যুদ্ধবিরতি’ হবে না। যদি হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ বা হামলার চেষ্টা করে, তাহলে ইসরায়েলকে তা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহ শান্ত থাকলে ইসরায়েলও শান্ত থাকবে।’

    নেতানিয়াহুকে তার ডাকনাম ধরে উল্লেখ করে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিবির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় রয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থও বিবেচনা করতে হয়।’

    কীভাবে এই অগ্রগতি হলো

    শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েকজন আরব ও মুসলিম নেতার সঙ্গে ফোনালাপে এই চুক্তির বিষয়ে মতামত নেন এবং সবাই এতে সমর্থন জানিয়েছেন বলে কলটির বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্র জানিয়েছে।

    মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কড়া অবস্থানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদও ছিলেন। এছাড়া সৌদি আরব, কাতার, মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের নেতারাও ওই আলোচনায় অংশ নেন। এই দেশগুলো মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় জড়িত রয়েছে।

    পাকিস্তানিরাই প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। এ প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, যিনি শুক্রবার ও শনিবার তেহরানে ছিলেন চুক্তিটি সম্পন্ন করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে।

    সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প একদিকে চুক্তি এগিয়ে নেওয়া এবং অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা চালানোর মধ্যে দোদুল্যমান অবস্থায় ছিলেন। তবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি কূটনৈতিক সমাধানের দিকেই বেশি ঝুঁকেছিলেন।

  • রামিসা হত্যার বিচার: ঈদের ছুটিতেও খোলা থাকবে সংশ্লিষ্ট আদালত

    রামিসা হত্যার বিচার: ঈদের ছুটিতেও খোলা থাকবে সংশ্লিষ্ট আদালত

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের জন্য ঈদের ছুটিতেও সংশ্লিষ্ট আদালত খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই এই বিচারপ্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপগুলো শেষ হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    আজ রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচারকাজ এগিয়ে নিতে ঈদের ছুটিতে সংশ্লিষ্ট আদালত খোলা রাখার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে শিশুধের ওপর বর্বরতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি আসলে একটি সামাজিক অবক্ষয়। সামাজিক সংস্কার প্রয়োজন। কিছু অপসংস্কৃতি আমাদের সমাজে প্রভাব ফেলেছে। ধর্ষণের মাত্রা, তীব্রতা ও ধরন আমাদের সহ্যসীমার বাইরে।

    রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সাত ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার এক দিনের মাথায় তার স্ত্রীকেও সহযোগী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে আমরা খুব দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষাও সম্পন্ন করেছি।

    তিনি বলেন, শুধু এই মামলা পরিচালনার জন্য আমরা একজন বিশেষ পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) নিয়োগ দিয়েছি। সার্বিক দিক বিবেচনা করে আশা করছি, আজই অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হবে। আর আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ইসলামী ব্যাংকের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে” নোয়াখালীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    ইসলামী ব্যাংকের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে” নোয়াখালীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি

     

    ইসলামী ব্যাংকের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে” নোয়াখালীর চৌমুহনীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বরিবার দুপুরে চৌমুহনী ইসলামী ব্যাংকের সামনে ডিবি রোড়ে ঘন্টাব্যাপী নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আয়োজনে এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লুটেরা এস আলমের প্ররোচনায় ইসলামী ব্যাংকের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপে একটি স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উপর পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী গ্রাহক ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে ইসলামী ব্যাংককে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা অবিলম্বে এ ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

    এ সময় বক্তারা আরও বলেন, সাধারণ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখতে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    মানববন্ধন শেষে ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক হারুনুর রশিদের মাধ্যমে স্বারক লিপি পেশ করে আয়োজকরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।

  • জাল সনদে ১১৭ শিক্ষকের এমপিও বাতিল, মামলার নির্দেশ

    জাল সনদে ১১৭ শিক্ষকের এমপিও বাতিল, মামলার নির্দেশ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় ১১৭ শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে এ জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    রোববার (২৪ মে) দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ১৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক তাদের এমপিও বাতিল করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    একই দিন জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় ২৪ জন কলেজ পর্যায়ের শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

    অধিদপ্তরের বেসরকারি কলেজ শাখা-৩-এর সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা হতে ৮৫ জন জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের তালিকাসহ একটি পত্র প্রেরণ করা হয়েছে (কপি সংযুক্ত)। এতে এনটিআরসিএ কর্তৃক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট ৮৫ (কলেজ পর্যায় ২৪ + স্কুল পর্যায় ৬১) জন শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র যাচাই শেষে জাল মর্মে প্রমাণিত হয়েছে।

    তালিকায় উল্লিখিত জাল ও ভুয়া প্রত্যয়নপত্রধারীদের এমপিও (অনুদান ও বেতন ভাতা বাবদ সহায়তা) বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা (গৃহীত অর্থ আদায় ও মামলা দায়ের) গ্রহণপূর্বক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ এর ১৮.১(ঙ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক কেন তাদের এমপিও বাতিল বা স্থগিত করা হবে না এবং গভর্নিং বডি কর্তৃক তার নিয়োগ কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নোটিশ পাওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে এই জবাব দাখিল করার জন্য তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • নোয়াখালীতে র‍্যাব ও জেলা প্রসাশনের যৌথ অভিযানে ৪ জনকে অর্থদন্ড

    নোয়াখালীতে র‍্যাব ও জেলা প্রসাশনের যৌথ অভিযানে ৪ জনকে অর্থদন্ড

    মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী প্রতিনিধি 

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও ভোগান্তি মুক্ত করতে নোয়াখালীতে মাঠে নেমেছে র‌্যাব ও জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানোর অপরাধে সোনাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যৌথ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪ ব্যক্তিকে সর্বমোট ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (২৪ মে ২০২৬) দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার সোনাপুর বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযুক্ত ও কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন,মনজু (৩২), পিতা- আব্দুল মালেক, সাং- সোনাপুর, মোঃ এজাজ (৩৩), পিতা- জামাল উদ্দিন, সাং- সোনাপুর, মোঃ রুবেল (৩৭), পিতা- আব্দুল কাদের, সাং- সোনাপুর,

    ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত যানবাহন চালানোর অপরাধে রাশেদ (২৬), পিতা- আব্দুর রহমান, সাং- মধ্যম করিমপুর, থানা- সুধারাম।

    ​আদালত সূত্র জানায়, র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সেজান আহমেদ এবং সহকারী কমিশনার জনাব মোসাদ্দেক হোসেন।

    ​অভিযান চলাকালে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে নিম্নোক্ত ব্যক্তিবর্গকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    ​র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুহিত কবীর জানান, র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সমাজের বিভিন্ন অপরাধের উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতার এবং আইন-শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আসন্ন ঈদ-উল-আজহায় মানুষের বাড়ি ফেরার যাত্রা যেন নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও আনন্দময় হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। জনস্বার্থে র‌্যাবের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।