এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার
“১১ বিজিবি অধিনায়কের আল্লাহ মঙ্গল করুক। গরিব মানুষের জন্য তিনি যে সেবা চালু করেছেন, তা আমাদের মতো অসহায় মানুষের জন্য অনেক বড় উপকার।”
কথাগুলো বলছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) পরিচালিত চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করা এক হতদরিদ্র রোগী। তাঁর এই আবেগঘন মন্তব্য যেন সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের মনের কথাই তুলে ধরেছে।
সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ব পালনে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে ১১ বিজিবি। অধিনায়কের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন এলাকার অসংখ্য হতদরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ।
চিকিৎসা নিতে আসা মুসলিম, বৌদ্ধ, হিন্দুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিজিবির এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অনেকেই জানান, অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করতে না পারলেও ১১ বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগ তাদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে বিজিবির এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে দুর্গম এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য এই চিকিৎসা সেবা আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও ১১ বিজিবি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। অধিনায়কের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়নের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড দিন দিন আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও ১১ বিজিবির এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

