জেভি২৪ ডেস্ক
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেরও প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন বা ইসি। এই নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচনী বিধিমালায়ও কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বুধবার সেই বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ইসি।
দলীয় প্রতীক ছাড়া এই নির্বাচন আয়োজনে ইসির পক্ষ থেকে যে বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে, সেখানে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য হলে যে কেউ অংশ নিতে পারবে এই নির্বাচনে।
এই বিধিমালা পাশ হলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যে কোন দলের কর্মী সমর্থকরা অংশ নিতে পারবে নির্বাচনে।
এই বিধিমালা প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেছেন, কোনো দল বাদ দেওয়ার মতো কোনো বিধান আচরণবিধিতে রাখা হয়নি। প্রার্থী হওয়ার যোগ্য যে কেউ অংশ নিতে পারবেন নির্বাচনে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সংসদে আইন পাশের পর প্রথমেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালায় পরিবর্তন আনতে বেশ কিছু নতুন প্রস্তাবনা আনা হয়েছিল।
সেখানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই, এই মর্মে ইসির তৈরি করা অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর দেওয়ার বিধানও প্রস্তাবনায় রাখা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের পর পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন নির্বাচনেরও বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে নতুন আইন অনুযায়ী। সেক্ষেত্রে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতায় একই বিধান বহাল রাখা হবে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার এ নিয়ে সচিবালয়ে একটি ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানান, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শর্ত মানলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

