Author: Jvadmin

  • প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

    প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য একটি ‘অভিযোগ নিষ্পত্তি ও নিরসন সেল’ গঠন করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সোমবার (১ জুন) মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিষয়টি জানান।
    আদেশ অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব/যুগ্মসচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের এ সেল গঠন করা হয়েছে।
    মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, এ আদেশ আজ মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এই অভিযোগ সেলে প্রবাসীরা তাদের অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
    হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের অভিযোগ জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া যুক্ত করা হবে।
    সেলের অন্য সদস্যরা হলেন- কল্যাণ অধিশাখার যুগ্মসচিব/উপসচিব, আইন শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব, সেবা ও প্রটোকল শাখার উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিব এবং এনফোর্সমেন্ট-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব। এনফোর্সমেন্ট-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
    অফিস আদেশে বলা হয়, minister@probashi.gov.bd এবং minister.expat@gmail.com ই-মেইল ঠিকানায় প্রাপ্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই সেল।
    এছাড়া প্রাপ্ত আবেদন ও অভিযোগ এবং সেগুলোর বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা দৈনিক বা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
  • জাজিরায় অগ্নিকাণ্ডে ভ্যানচালকের একমাত্র বসতঘর পুড়ে ছাই

    জাজিরায় অগ্নিকাণ্ডে ভ্যানচালকের একমাত্র বসতঘর পুড়ে ছাই

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি

    শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জাজিরা ইউনিয়নের জব্বার আলী আকন কান্দি এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভ্যানচালক শুক্কুর আকনের একমাত্র বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পরিবারের বহু বছরের সঞ্চয় মুহূর্তেই ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায় এই ভ্যানচালক।

    মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে উপজেলার জাজিরা ইউনিয়নের জব্বার আলী আকন কান্দি এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন শুক্কুর আকন। এ সময় হঠাৎ তার বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রতিবেশীরা আগুন ও ধোঁয়া দেখতে পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে ঘরটি দাহ্য উপকরণে নির্মিত হওয়ায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নিজের একমাত্র আশ্রয়স্থল আগুনে ধ্বংস হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন শুক্কুর আকন। বহু কষ্টে গড়ে তোলা ঘরটি মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

    পেশায় ভ্যানচালক শুক্কুর আকন দিন এনে দিন খাওয়া একজন শ্রমজীবী মানুষ। দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থে নির্মাণ করেছিলেন ছোট্ট একটি বসতঘর। সেই ঘরেই স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। তার দুই মেয়ে স্থানীয় বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে এবং ছোট ছেলে এখনও বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি।

    কান্নাজড়িত কণ্ঠে শুক্কুর আকন বলেন, “আমার সব শেষ হয়ে গেছে। অনেক কষ্ট করে ঘরটা বানিয়েছিলাম। এখন মাথা গোঁজার কোনো জায়গা নেই। তিনটা সন্তান নিয়ে কোথায় থাকবো, কীভাবে থাকবো জানি না। আল্লাহ ছাড়া আমার আর কেউ নেই। মানুষের সহযোগিতা ছাড়া এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব না।

    প্রতিবেশী রাসেল আকন বলেন, শুক্কুর খুবই গরিব মানুষ। ভ্যান চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়েই সংসার চলে। তার একমাত্র বসতঘরটি আজ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

    অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “ঘটনাটি জানার পর আমি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ নিতে সেখানে গিয়েছি। শুক্কুর আকন অত্যন্ত অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তার একমাত্র বসতঘরটি পুড়ে যাওয়ায় পরিবারটি মানবেতর পরিস্থিতিতে পড়েছে। ব্যক্তিগতভাবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি সরকারি সহায়তা পাওয়ার বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

    স্থানীয়দের দাবি, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পাশে সরকার, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন এবং সমাজের বিত্তবান মানুষদের দ্রুত এগিয়ে আসা জরুরি। কারণ এক নিমিষেই মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে ভ্যানচালক শুক্কুর আকনের পাঁচ সদস্যের পরিবার।

  • ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

     

    নীলফামারী প্রতিনিধি

    ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১২টার ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য সচিব আরিফ আল মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহবায়ক মোস্তাকিমুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা,ময়নুল ইসলাম, এনামুল হক প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দৃর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।

    ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

  • কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোবাইল ফোন জব্দ

    কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোবাইল ফোন জব্দ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার মাদক ও ভারতীয় পুরাতন মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বিজিবি। যার আনুমানিক দাম এক কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ জুন) ভোররাত প্রায় ২টার দিকে কুমিল্লার গোলাবাড়ী এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৩১ হাজার ৫০০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পুরাতন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ১০ বিজিবি অধিনায়ক মীর আলী এজাজ জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের সময় কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব না হলেও মাদক ও চোরাচালানি পণ্য আটক করা হয়েছে।

    জব্দকৃত মাদক ও চোরাচালানি পণ্য বিধি মোতাবেক কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • দীপেন দেওয়ান পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ

    দীপেন দেওয়ান পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ

     

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ পত্র প্রজ্ঞাপনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে গৃহীত হলে বা জমা দিলে তা পুনঃবহালের দাবি জানান বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি। তিনি পদত্যাগ করতে পারেন না বলেও এমন তীব্র প্রতিবাদও জানান তারা । মঙ্গলবার ( ২ জুন) সকাল ১০ টায় বাজার প্রাঙ্গণে এই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক ধনমনি চাকমা এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কর্ণধার শান্তি রায় চাকমা ( রায়ধন)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক দীলিপ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মামুন,তাঁতী দলের সভাপতি মো. কামাল, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিলন চাকমা এবং বিএনপির ইমন চাকমাসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

    বক্তৃরা বলেন,দীপেন দেওয়ান একজন সৎ,সাহসী, শিক্ষিত এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তি। অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। বিগত ১২ ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।বাংলাদেশের ইতিহাসে ,যা স্মরণীয়। জনসমর্থন থেকে শুরু করে দলমত নির্বিশেষে সকলের জনপ্রিয় ও প্রিয় পাত্র ছিলেন। কিন্তু কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র ও ভুল সিদ্ধান্ত এবং ভুল ম্যাসেজের কারণে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থতা দেখিয়ে নিজেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।যা ছিলো ইচ্ছার বাইরে। এত বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় উপজেলা বিএনপি কোনো ভাবে মানতে পারছে না।তাই সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • ভূমিহীনের নামে বরাদ্দ খাসজমি কৌশলে দখল বিএনপি নেতার

    ভূমিহীনের নামে বরাদ্দ খাসজমি কৌশলে দখল বিএনপি নেতার

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি

    ভূমিহীনকে পুনর্বাসন ও কৃষিকাজের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া খাসজমি কৌশলে দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।

    অভিযোগ উঠেছে, ভূমিহীন মাসুদ আলমের নামে বরাদ্দ দেওয়া সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাশেম। বর্তমানে সে জমিতে স্থায়ী বহুতল ভবন নির্মাণের কার্যক্রম চলছে। ভুক্তভোগী মাসুদ আলম দাউদকান্দির গৌরীপুর পেন্নাই এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত আবুল হাশেম তার চাচাতো ভাই।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী ভূমিহীন হিসেবে মাসুদ আলমকে ১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে সরকার ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত দেয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার পরও মাসুদ আলম ওই জমি ব্যবহার করার সুযোগ পাননি। কাগজে-কলমে তার নাম থাকলেও জমির নিয়ন্ত্রণ ছিল হাশেমের হাতে। এক পর্যায়ে পুরো জমির মালিকানা নিজের নামে করে নেন হাশেম।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে জমিটি ভোগদখলে রাখার পর বর্তমানে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। হাশেমের ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাবে প্রকাশ্যে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের চাপে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের মধ্যেও এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

    দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ ভুইয়া বলেন, আবুল হাশেম খাসজমি নিজের নামে নিয়ে দখলে রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অনৈতিক। যদি তদন্তে কোনো অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অবৈধ দখলের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বলেন, সরকারিভাবে ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি থেকে মাসুদ আলমের নামে ১০ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে জমিটি আমার নামে ট্রান্সফার করি। এরপর থেকেই জমিটি আমার দখলে রয়েছে এবং সেটি ভোগ করে আসছি।

    ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হাশেম অভিযোগটি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, সেখানে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন, আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী যদি লিখিত অভিযোগ দেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান বলেন, ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি অন্য কোনো ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার আইনগত সুযোগ নেই। অন্য কারো নামে হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন সম্পূর্ণ অবৈধ। সরকারি অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের জমিতে কোনো ব্যক্তি বহুতল ভবন বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেন না। যদি কারো বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে।

  • পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, আবেদন ৮ জুন পর্যন্ত

    পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, আবেদন ৮ জুন পর্যন্ত

    চাকরি 

    জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানটি ১৩ থেকে  ২০তম গ্রেডে ৪ পদে ৩৭ কর্মী নিয়োগে ১২ মে প্রকাশ করেছে এ বিজ্ঞপ্তি। আবেদন ১৯ মে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে ৮ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৮ জুনের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

    প্রতিষ্ঠানের নাম: পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়;

    ১. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর

    পদসংখ্যা: ১০টি

    বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

    *সাঁটলিপিতে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ৪৫ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ হতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ হতে হবে

    ২. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

    পদসংখ্যা: ২টি

    বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দ হতে হবে

    ৩. পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক;

    পদসংখ্যা: ৯টি

    বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

    আবেদনের যোগ্যতা

    *উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

    *কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ হতে হবে

    ৪. পদের নাম: অফিস সহায়ক

    পদসংখ্যা: ১৬টি

    বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,১০০ টাকা (গ্রেড-২০)

    আবেদনের যোগ্যতা: মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

    প্রার্থীর বয়স: ১৮-৩২ বছর (১ মে ২০২৬ তারিখে)

    আবেদন যেভাবে

    আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারবেন

    আবেদনের শেষ সময়: আগামী ৮ জুন ২০২৬, বিকেল ৫টা

    আবেদনপদ্ধতিসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

     

    সূত্রঃ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করল ইরান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

    লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান।

    সোমবার (১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

    তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত অপরাধ ও যুদ্ধবিরতির শর্ত বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের আলোচক দল মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনা ও খসড়া বিনিময় স্থগিত করেছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লেবানন ইস্যু ছিল তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অন্যতম শর্ত। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে পুরোপুরি ভঙ্গ হয়েছে।

    রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। কারণ শান্তি আলোচনা চলার মধ্যেই ইরানের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার চালানোর কথা বলেছে ইরানও।

    এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়াটা অন্যতম প্রধান শর্ত। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে কোনো প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতেও হিজবুল্লাহকে সমর্থন দেবে ইরান।

    সোমবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি লেখেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষ্য করুন: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিঃসন্দেহে সব ফ্রন্টে কার্যকর, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।’

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কোনো একটি ফ্রন্টে ভঙ্গ করা হলে সেটি সব ফ্রন্টে ‍যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে ওই পোস্টে জানান তিনি।

  • শিগগিরই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে

    শিগগিরই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে খুব শিগগিরই মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন মুখ। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের কাজের চাপ কমাতে দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্তও আসছে একইসঙ্গে।

    সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রগুলো বলছে, তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের একজন তরুণ এমপির নাম বেশ আলোচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে।

    পাশাপাশি নরসিংদী থেকে আরও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। এছাড়া নেত্রকোনা থেকে একজন এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন নারী এমপির নাম মন্ত্রী হিসেবে বেশ আলোচনা রয়েছে।

    বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার একজন সিনিয়র বিএনপি নেতাকেও তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় শিগগিরই দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, খুলনা, ঢাকা ও বৃহত্তর পাবনা জেলা থেকেও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন কয়েকজন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

    সেসঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে।

    এদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

    দীপেন দেওয়ান সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে সরকার ও প্রশাসনে।

    দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    উল্লেখ্য, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৫০ সদস্যের। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

    প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায়

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাগ্রহনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জুনের তৃতীয় সপ্তাহে কুয়ালালামপুর সফরের প্রস্তুতি চলছে। এর পরপরই ভারত কিংবা চীন সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে, যদিও ওই সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সফরে তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। তিনি মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। এ ছাড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠকেও বসবেন সরকারপ্রধান।

    নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন বোঝার ক্ষেত্রে এই দুই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, প্রথম সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়; এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর কূটনৈতিক বার্তাও।

    কূটনৈতিক মহল বলছে, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকা সময়ে একটি মধ্যম শক্তির দেশের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ শুরু করা বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক ও ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এতে কোনো নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক বলয়ের প্রতি ঝুঁকে পড়ার ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে।

    বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি শ্রমবাজার। দীর্ঘদিন ধরে দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন খাতে কর্মরত আছেন। নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং সেবা খাতে তাঁদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সফরে শ্রম অভিবাসন, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং শ্রমিকদের কল্যাণসংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশ্লেষকেরা মনে করেন, মালয়েশিয়া সফরের পর চীন সফর আয়োজনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। একদিকে মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, অন্যদিকে এশিয়ার বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দুই ক্ষেত্রেই সক্রিয় থাকার বার্তা দিতে চায় ঢাকা।

    নতুন সরকারের ঘোষিত অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোর মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়গুলো রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আসন্ন সফরগুলোকে কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।