Author: Jvadmin

  • পাংশায়‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত

    পাংশায়‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত

    মাসুদ রেজা শিশির, রাজবাড়ী 

    “মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের বিজ্ঞান ভিত্তিক উদ্ভাবনী প্রকল্প, স্টার্টআপ ধারণা ও সৃজনশীল উদ্ভাবন উপস্থাপন করে।

    পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন চান। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ভিত্তিক উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নিতে হবে, যাতে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।” তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহমেদ, পাংশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ মো: রফিকুল ইসলাম, পাংশা কলেজের সাবেক ভিপি হাবিবুর রহমান রাজা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবি এম আব্দুল হান্নান।

    শোকেসিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমী, নূরজ্জামান মিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, পাংশা মহিলা কলেজ, পাংশা সরকারি কলেজ, পাংশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, কসবামাজাইল আতাহার হোসেন হাইস্কুল, এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ, হাবাসপুর কাসিমবাজার রাজ হাইস্কুল, পাংশা শাহজুই কামিল মাদরাসা, পাংশা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা এবং পাংশা জর্জ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

    প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ও আইডিয়া মূল্যায়ন শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে এয়াকুব আলী চৌধুরী বিদ্যাপীঠ তৃতীয় স্থান, পাংশা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা দ্বিতীয় স্থান এবং কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমী প্রথম স্থান অর্জন করে।

    পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ ও জনসভাসহ ব্যস্ত কর্মসূচি

    প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরে উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ ও জনসভাসহ ব্যস্ত কর্মসূচি

    এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১৩ জুন কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন, পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচি, রাজনৈতিক জনসভা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শনকে ঘিরে সাজানো হয়েছে তাঁর দিনব্যাপী কর্মসূচি।

    সফরের শুরুতে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাতিলী-মাছুয়াখালী খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন এবং সেখানে আয়োজিত পথসভায় অংশ নেবেন। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এরপর প্রধানমন্ত্রী ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করবেন। একইসঙ্গে চকরিয়ার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত ‘দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

    সফরকালে তিনি জুলাই আন্দোলনের শহিদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করবেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খোঁজখবর নেবেন।

    এছাড়া কক্সবাজারের প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় আয়োজিত এক বৃহৎ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি। জনসভাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে কক্সবাজার, চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    সফরের শেষভাগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনার অন্যতম আকর্ষণ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করবেন। পরে শহরের লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো এ সফর কক্সবাজারের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন

  • বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান মারা গেছেন

    বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান মারা গেছেন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান আলী হোসেন মনি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ৮১ বছরের আলী হোসেনকে গত সোমবার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হার্ট, কিডনি, শ্বাস-প্রশ্বাসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা।

    বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর উপপ্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম জানান, আলী হোসেনের সহধর্মিণী এবং একমাত্র ছেলে রাজেন আলী রাজু আগেই মারা গেছেন। দেশে ফিরে বাবার চিকিৎসা করাচ্ছিলেন কানাডা প্রবাসী একমাত্র মেয়ে ফারজানা আলী। শুক্রবার আসর বাদ যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সদরের কাজীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

    আলী হোসেন ১৯৪৫ সালের ১৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের কাজীপুর গ্রামে পৈতৃক বাড়িতে জন্ম নেন। তিনি ষাটের দশকে তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। ৬ দফা, ৬৯ তৎকালীন স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সংগঠক ছিলেন তিনি। পরিবারকে না জানিয়ে ১৯৭১ সালে প্রথম ব্যাচে ভারতের দেরাদুনে যুদ্ধের প্রশিক্ষণে অংশ নেন। ট্রেনিং শেষে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন আলী হোসেন।

    জেলার মুক্তিযোদ্ধারা জানান, তিনি দেশ স্বাধীনের পরে জাসদ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন এবং পরে জেলা জাসদের সভাপতি হন। ১৯৯৭ সালে বিভক্ত জাসদ ঐক্যবদ্ধ হলে আওয়ামী লীগে যুক্ত হন আলী হোসেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের কোনো পদে না থাকলেও সব নির্বাচনে দলটির পক্ষে প্রচারণায় থাকতেন।

  • সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    ‎ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং জোরপূর্বক ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ‘পুশইন’ (অনুপ্রবেশ) করানোর অভিযোগের প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট কুমিল্লা জেলা ও মহানগর।

    ‎শুক্রবার বিকেলে ৫টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত পূর্বসমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে বক্তারা সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    ‎বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মতিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর নায়েবে আমীর মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মোবারক হোসেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, এবি পার্টি কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক এবং খেলাফত মজলিস কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদের জামাল।

    ‎কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগরীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল এবং কাউন্সিলর মোশাররফ হোসাইন।

    ‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপি কুমিল্লা জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট নাছির আহম্মেদ মোল্লা, কাউন্সিলর কাজী গোলাম কিবরিয়া, এবি পার্টি কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি জি এম সামদানি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম এবং দক্ষিণ জেলা সভাপতি খাইরুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    ‎সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং জোরপূর্বক পুশইনের ঘটনা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকদের এভাবে হত্যা ও হয়রানি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারকে কার্যকর ও দৃঢ় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

    ‎তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের অধিকার রক্ষার পক্ষে সোচ্চার। সীমান্তে নিরীহ মানুষ হত্যার পরিবর্তে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পরিচালিত হওয়া উচিত।

    ‎কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের মতো অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি দেশের স্বার্থ রক্ষায় সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

  • রাজবাড়ীতে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত-৫

    রাজবাড়ীতে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইক সংঘর্ষে শিশুর মৃত্যু, আহত-৫

    রাজবাড়ী প্রতিনিধি

    রাজবাড়ীর পাংশা কলেজ মোড়ের পাশে মাইক্রোবাস ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আদভিক (২) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের কলেজ মোড় ইটভাটার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আদভিক প্রাইভেটকারে থাকা যাত্রীদের একজন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মাইক্রোবাস কুষ্টিয়ার দিক থেকে রাজবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে ইজিবাইকটি রাজবাড়ী থেকে পাংশার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে কলেজ মোড় ইটভাটা এলাকার সামনে পৌঁছালে দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।

    পাংশা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আল মামুন বলেন, “দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন

    পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন

    গাইবান্ধা প্রতিনিধি

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে ৮০ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    ১২ জুন শুক্রবার বাদজুম্মা পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়ে প্রায় ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

    পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ছাদেকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ইমাম ওলামা পরিষদ পলাশবাড়ীর সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামী পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাহ আলম ফয়েজি,জামায়াত নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব মাস্টার, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ও খাইরুল ইসলাম চানসহ একাধিক ইসলামি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    বক্তরা বলেন স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পলাশবাড়ীতে সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের কোন অবনতি হয় নি।কার উস্কানিতে বিশ্বের বৃহত্তর এই রাম মুর্তি নির্মান করা হলো আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বৃহত্তর রাম মুর্তি অপসারণ ও মুর্তি নির্মানের প্রকৃত কারন উদঘাটন করা না হলে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।

    এদিকে রাম মুর্তি অপসারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সকাল থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যথাক্রমে পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়,কোমড়পুর মোড় ও হাসবাড়ী এলাকায় বিপুল সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

    তিনটি স্থানে ৩ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেট, ২ প্লাটুন বিজিবি, ১ প্লাটুন আমর্স ব্যাটালিয়ান ছাড়া ও র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাবসহ কয়েকশ পুলিশ -ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুরো উপজেলায় যেন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিলো।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিলেন রংপুরে রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মো: তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অর্থ শরিফ আল রাজীব পিপিএম, পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান।

    পৃথক তিনটি স্থানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদার, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহাঙ্গীর আলম বাবু, সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাইফুর রহমান।

    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটেনি। পুরো পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

  • তারেক রহমানের আগমন ঘিরে রামুতে বিএনপির ঐক্যের বার্তা

    তারেক রহমানের আগমন ঘিরে রামুতে বিএনপির ঐক্যের বার্তা

    এস. এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে রামু উপজেলা বিএনপিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন পর দলের শীর্ষ নেতার আগমন উপলক্ষে রামুতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

    গত ১১ জুন বিকেলে রামু চৌমুহনীস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল স্বাগত মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এক সমাবেশে মিলিত হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, এটি ছিল রামু উপজেলা বিএনপির সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শোডাউন।

    উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোক্তার আহমদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আবুল বশর বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে এবং তাঁর কক্সবাজার সফর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে।

    বিশেষভাবে আলোচনায় আসে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোক্তার আহমদ ও সদস্য সচিব আবুল বশর বাবুর নেতৃত্বের বিষয়টি। নেতাকর্মীরা বলেন, তাঁদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্বের ফলে রামু উপজেলার ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে উঠেছে। ফলে তারেক রহমানের সফরকে সফল করতে সবাই এক কাতারে কাজ করছেন।
    এদিকে সকালে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহির আলম ও সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগেও পৃথক স্বাগত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    আগামী ১৩ জুন তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে আসবেন। সফরকালে তিনি কক্সবাজার সদরের পিএমখালী এলাকার ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখনন কার্যক্রম এবং পেকুয়া ও চকরিয়ার নবগঠিত উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।

    কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, “দীর্ঘ সময় পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে আসছেন। তাঁকে বরণ করতে জেলার সর্বস্তরের মানুষ ও নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।”

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে রামু উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোক্তার আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর বাবুর নেতৃত্বে দলের সকল স্তরে ঐক্য সুদৃঢ় হয়েছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ, আর পুরো রামু জুড়ে বইছে রাজনৈতিক উচ্ছ্বাসের বন্যা।

  • ফরিদপুরের নগরকান্দায় মেধার উৎসব, প্রযুক্তির ভাষায় কথা বলল নতুন প্রজন্ম

    ফরিদপুরের নগরকান্দায় মেধার উৎসব, প্রযুক্তির ভাষায় কথা বলল নতুন প্রজন্ম

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয়ে ফরিদপুরের নগরকান্দায় অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা পর্যায়ের “স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচি”। তরুণদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা তুলে ধরার এ আয়োজন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মেধা উৎসবে।

    শুক্রবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প, স্টার্টআপ ধারণা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপন করে। কৃষি, পরিবেশ, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা সমাধানভিত্তিক প্রকল্পগুলো দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

    “মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি। তিনি বলেন, “স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান প্রজন্মের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।”

    বিশেষ অতিথি ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচর্চা তরুণদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ বাড়াবে।”

    নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া, সহকারী পুলিশ সুপার মো. আল ফাহাদ, ওসি রাসুল সামদানী আজাদ, নগরকান্দা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সুধীজন।

    প্রদর্শনী শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্য থেকে সেরা প্রকল্প নির্বাচন করে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    উল্লেখ্য, এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), এসইডিপি-এর উদ্যোগে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

  • “ভবিষ্যতে বিদেশ থেকে প্রযুক্তি আনতে হবে না, তোমরাই যথেষ্ট” এমপি মনিরুল

    “ভবিষ্যতে বিদেশ থেকে প্রযুক্তি আনতে হবে না, তোমরাই যথেষ্ট” এমপি মনিরুল

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লা উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের মেধা, বিজ্ঞানচর্চা, উদ্যোক্তা মনোভাব ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারার বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত “Startup, Science Project and Innovation Idea Showcasing Programme” মেলা শুক্রবার সকালে নগরীর ইউসুফ হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়। Educational Excellence Support Scheme (EESS)-ACDP এর উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলা পরিদর্শন করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।

    পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের স্থাপিত স্টল ঘুরে দেখেন এবং তাদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট, উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও গবেষণামূলক কাজ দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন।

    এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, “তোমাদের এই আয়োজন ও উদ্যোগ দেখে আমার মনে হচ্ছে, আমাদের দেশ বেঁচে থাকবে, সার্বভৌমত্ব অটুট থাকবে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। ভবিষ্যতে বিদেশ থেকে কোনো প্রযুক্তি হায়ার করতে হবে না, তোমরাই যথেষ্ট। তোমাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিই দেশের ভবিষ্যৎ।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার মাধ্যমে দেশের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো বাছাই করে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব।”

    পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, ইউসুফ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র বীর, কুমিল্লা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুজাহিদ চৌধুরী সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করে।

    মেলায় প্রদর্শিত বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • চালুর ৫ দিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩য় ইউনিট

    চালুর ৫ দিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩য় ইউনিট

    দিনাজপুর প্রতিনিধি

    বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩য় ইউনিট টি চালুর ৫ দিনের মধ্যে আবার বন্ধ হয়ে গেছে।

    ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে জেনারেল ওভারহলিং করে চালুর পাঁচ দিনের মাথায় আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিট। ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে আরও অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে, ওভারহলিংয়ের নামে পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘষামাজা করে পুনঃস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে।জানা গেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিটটি জেনারেল ওভারহলিংয়ের জন্য বন্ধ করা হয়। টানা প্রায় সাত মাস ওভারহলিং শেষে গত ২০ মে বিকেল ৫টা ৪৬ মিনিটে ইউনিটটি চালু করা হয়। এ কাজে ব্যয় হয় ৪ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৫১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা)। দীর্ঘ সময় ও বিপুল অর্থ ব্যয়ে ওভারহলিংয়ের পর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, ২৫ মে দুটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে ইউনিটটি আবারও বন্ধ হয়ে যায়।

    এ নিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একাধিক প্রকৌশলী ও কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ওভারহলিংয়ের সময় পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘষামাজা করে পুনরায় ব্যবহার করা হয়েছে। এ খাতে মোটা অঙ্কের অর্থ লুটপাট হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন। তাদের মতে, তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই এ জন্য দায়ী।বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে ভোরের কাগজকে বলেন, “৩ নম্বর ইউনিটটি ওভারহলিং করে চালুর পাঁচ দিনের মাথায় দুটি বড় ধরনের যন্ত্র নষ্ট হয়ে ২৫ মে বন্ধ হয়ে যায়। চীন থেকে যন্ত্রাংশ আনা হচ্ছে। এজন্য আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগতে এবারহলিং ব্যয় সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পূর্বে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ওভারহলিংয়ের জন্য ৪ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।” তবে পুরোনো যন্ত্রাংশ ঘষামাজা করে লাগানোর অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে ১ নম্বর ইউনিট চালু রয়েছে এবং সেখান থেকে ৪৫ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ১ ও ২ নম্বর ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট এবং ৩ নম্বর ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট। ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে ২ নম্বর ইউনিটটি পুরোপুরি বিকল হয়ে পড়ে আছে।

    বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা ব্যবহার করে কেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল। অভিযোগ রয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী উৎপাদন সচল রাখতে প্রয়োজনীয় ছোটখাটো মেরামত ও যন্ত্রাংশ সরবরাহের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি তা করেনি। ফলে বারবার বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।