Author: Jvadmin

  • বিলাইছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন বিষয়ক প্রদর্শনী ও সভা অনুষ্ঠিত

    বিলাইছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন বিষয়ক প্রদর্শনী ও সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

    বিলাইছড়িতে নতুন উদ্যোগ, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ধারণা বিষয়ক সভা ( বিজ্ঞান মেলা ) ও স্থল প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ১২ ই জুন ) সকাল ১০ টায় এডুকেশন এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম, এসইডিসি এর আয়োজনে এবং উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এর সহযোগিতায় এ মেলা করা হয়। পরে হলরুমে এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার বিভীষণ চাকমা, বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদয়ালয়ের সিনিয়র শিক্ষক প্রণব কুমার নাথ, নকিব হোসেন, মান্না বিশ্বাস, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এডিসন চাকমা, রিবেং চাকমা, বিশ্ব বাবু চাকমা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অজয় কুমার বড়ুয়া, শিক্ষার্থী তীর্থ ঘোষ প্রমূখ।

    পরিকল্পিত ফ্লোটিং ভেজিটেবল ফার্মিং, ডিএসি, পরিকল্পিত গ্রাম প্রদর্শনী করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মেধাবী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সন্মাননা ক্রেস ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বক্তারা, স্টার্ট আপ, বিজ্ঞান, ইনোভেশন আইডিয়া এবং শোকেসিং বিষয়ে কথা বলেন।

  • নাশকতা মামলায় জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি গ্রেফতার

    নাশকতা মামলায় জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি গ্রেফতার

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জেলা শহরের মধ্যপাড়া এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    আব্দুল মালেক চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আব্দুল মালেক চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি নাশকতা মামলায় তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে তার বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আব্দুল মালেক চৌধুরীকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পন্ন করা হবে।

    এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

  • আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস, সতর্ক থাকার পরামর্শ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশের আট বিভাগেই অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

    আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

    এ সময় দেশের কয়েকটি স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    পরবর্তী দিনের পূর্বাভাসেও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সময় তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ফেনীতে, যেখানে ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রামগতি ও মোংলায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টাঙ্গাইলে, ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

  • না ফেরার দেশে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার

    না ফেরার দেশে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্ব ফুটবলকে কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিলেন ব্রাজিলের ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম মহানায়ক ও কিংবদন্তি ডিফেন্ডার ব্রিতো। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা এই সেন্টার ব্যাকের মৃত্যুর খবরটি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। তবে ব্রিতোর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সিবিএফের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। 

    ১৯৬৪ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সিতে ৬১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ব্রিতো। ১৯৭০ সালে মেক্সিকোর মাটিতে পেলের নেতৃত্বাধীন ব্রাজিলের যে দলটি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, সেই দলের রক্ষণভাগের মূল ভরসা ছিলেন তিনি। রক্ষণভাগে উইলসন পিয়াজার সঙ্গে গড়ে তুলেছিলেন দুর্ভেদ্য এক জুটি। ১৯৭০ সালের অবিস্মরণীয় সেই বিশ্বকাপ ছাড়াও ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপেও ব্রাজিলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন এই তারকা।

    ব্রিতোর মতো এক মহান ফুটবলারকে হারিয়ে শোকগ্রস্ত ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশন। সিবিএফ সভাপতি সামির জাউদ এক আবেগঘন বিবৃতিতে বলেন, ‘ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে ব্রিতো আমাদের ছেড়ে গেলেন। ১৯৭০ বিশ্বকাপ জয়ে তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

    বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ব্রাজিলের হয়ে ১৯৭১ সালে কোপা রোকা এবং ১৯৭২ সালে তাসা ইন্ডিপেনদেন্সিয়াও জিতেছিলেন ব্রিতো। এই তারকার অবদান উল্লেখ করে সামির জাউদ আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের এই মহান তারকাকে আমি শ্রদ্ধা জানাই। তার লড়াকু মানসিকতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।’

    পেলে, তোস্তাও, রিভেলিনোদের সতীর্থ ব্রিতোর বিদায়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের একটি গৌরবোজ্জ্বল সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল। ফুটবল মাঠের এই লড়াকু সৈনিক ট্রফি জয়ে যেমন অবদান রেখেছিলেন, তেমনি রেখে গেলেন কোটি ভক্তের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

  • অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ বাজেট সরকারের বড় সুযোগ: সিপিডি

    অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ বাজেট সরকারের বড় সুযোগ: সিপিডি

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে নতুন সরকারের জন্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রথম বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটি মনে করে, টেকসই কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে এই বাজেট বাস্তবায়ন করা গেলে সংকটে থাকা অর্থনীতি পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

    শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

    সংবাদ সম্মেলনে ফাহমিদা খাতুন বলেন, “নতুন সরকারের এই প্রথম বাজেটটি এমন এক সময় পেশ করা হয়েছে, যখন দেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানহীনতা এবং ব্যাংকিং খাতের নাজুক অবস্থার মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই ক্রিটিক্যাল সময়ে বাজেটকে মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার যে দর্শন নেওয়া হয়েছে, তা ইতিবাচক।”

    সিপিডির মতে, প্রস্তাবিত বাজেটের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অনেক মিল রয়েছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে বাজেটের সাফল্য এর বিশাল আকারের ওপর নয়, বরং বাস্তবায়নের দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

    ফাহমিদা খাতুন আরও উল্লেখ করেন, বাজেটের লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই। উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য থাকলেও যদি বাস্তবায়ন দুর্বল হয়, তবে সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে না।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন, তাতে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থা ও বৈদেশিক ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরশীলতা বাড়তে পারে, যা অর্থনীতির জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    সিপিডির পর্যালোচনায় আরও উঠে আসে যে, আগামী অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে উন্নীত করার যে লক্ষ্য ধরা হয়েছে, তা অর্জন করা বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে সরকার যদি কাঠামোগত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনবে।

    সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী তামিম আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভারতের নতুন হাইকমিশনার ঢাকায় পৌঁছেছেন

    ভারতের নতুন হাইকমিশনার ঢাকায় পৌঁছেছেন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে পৌঁছেছেন।

    শুক্রবার (১২ জুন) সকালে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন তিনি।

    স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে তার।

    দীনেশ ত্রিবেদী বিদায়ি হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। প্রণয় ভার্মা এরই মধ্যে ব্রাসেলসে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

    গত এপ্রিলে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (৭৫) বাংলাদেশে দেশটির নতুন হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    গত ৫৫ বছরে দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠাচ্ছে দিল্লি।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর ধারণার কারণে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠিয়েছে ভারত সরকার।

  • সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রদবদল

    সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রদবদল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সরকারি আবাসন পরিদপ্তর, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর, রাজশাহী ওয়াসা ও ঢাকা ওয়াসাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার।

    এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    একই সঙ্গে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দুই বছরের জন্য এ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন।

    অবসরে যাওয়ার সুবিধার্থে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ফারুক আহম্মেদকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

    ঢাকা ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুল হককে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এরশাদ হোসেন খানকে ঢাকা ওয়াসার নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জহিরুল ইসলাম খানকে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার চাকরিও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে। এ জন্য তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে। এ জন্য তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ জুনের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে, অন্যথায় তিনি সেদিন থেকেই তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।

    রাজশাহী কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহানা আখতার জাহানকে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগের ন্যস্ত করা হয়েছে। তাকেও ১৭ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় তিনি তাৎক্ষণিক অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।

    অন্যদিকে, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (যুগ্ম সচিব) এস এম তুহিনুর আলমকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    তাকে আগামী ১৬ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তিনিও স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য হবেন।

  • এনসিপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী কমিটিতে জায়গা পেলেন ৬ নেতা

    এনসিপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী কমিটিতে জায়গা পেলেন ৬ নেতা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদে (পলিটিকাল কাউন্সিল-পিসি) নতুন করে যুক্ত হলেন ছয়জন নেতা। এনিয়ে এই কমিটির সদস্য সংখ্যা ১৮ জনে গিয়ে ঠেকল। পিসি কমিটিকে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

    নতুন পিসি সদস্য হয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হুসাইন সিএফ, যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে উক্ত ছয় কেন্দ্রীয় সদস্য রাজনৈতিক পর্ষদে যুক্ত হলেন।

    সম্প্রতি দুই সংসদ সদস্য যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ ও যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিনকে পিসিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের আগে যে ১০ জন পিসি সদস্য ছিলেন তারা হলেন আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরান্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণান্চল) ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।

  • ৩ লাল কার্ডের উত্তেজনাকর ম্যাচে জয় দিয়ে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ শুরু

    ৩ লাল কার্ডের উত্তেজনাকর ম্যাচে জয় দিয়ে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ শুরু

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ জিতে অভিযান শুরু করল দলটি। তবে এই ঐতিহাসিক জয় ও গোলের পাশাপাশি পুরো ম্যাচে ছড়িয়েছিল তুমুল উত্তেজনা; যেখানে দুই দলের খেলোয়াড়দের আচরণের কারণে রেফারিকে মোট তিনটি লাল কার্ড ব্যবহার করতে হয়েছে।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেক্সিকো প্রথমার্ধেই বেশ কয়েকটি গোল করার মতো সুযোগ তৈরি করে। খেলার তৃতীয় মিনিটে রাউল হিমিনেজের একটি জোরালো শট দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রোনেন উইলিয়ামস ঠেকিয়ে দেন। তবে গোল পেতে মেক্সিকোকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি; ৯ম মিনিটে হুলিয়ান কিনিয়োনেসের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। ১৯তম মিনিটে কিনিয়োনেস এবং প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ব্রায়ান গুটিয়েরেজ ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ মিস করলে ১-০ গোলের ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হয়।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের দৃশ্যপটে নাটকীয় বদল আসে এবং ৫০তম মিনিটে পেনাল্টি বক্সের মাথায় ফাউল করে আসরের প্রথম লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে। দশ জনের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে থাকা মেক্সিকো ৬৬তম মিনিটে মাঠে নামায় গিলবার্তো মোরাকে, যিনি মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামার রেকর্ড গড়েন। এর ঠিক এক মিনিট পরেই অর্থাৎ ৬৭তম মিনিটে রাউল হিমিনেজ গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন।

    ম্যাচের শেষ দিকে খেলোয়াড়দের মধ্যে ফাউল করার প্রবণতা ও উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। ৮৪তম মিনিটে মেক্সিকোর খেলোয়াড়কে আক্রমণ করতে গিয়ে ফাউল করে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক মিডফিল্ডার থেম্বা জেওয়ানে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। তবে মেক্সিকোও সম্পূর্ণ ম্যাচটি ১১ জন নিয়ে শেষ করতে পারেনি; ম্যাচের যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে ফাউল করে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার সেজার মন্তেস লাল কার্ড দেখলে শেষ পর্যন্ত তিন লাল কার্ডের নাটকীয় এই ম্যাচের সমাপ্তি ঘটে।
  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    মিরপুরে লেখা হলো বাংলাদেশের ক্রিকেটের আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতিতে পাওয়া ১৯২ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। এই জয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

    প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে জয় মানেই সিরিজ নিশ্চিত। সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি মেহেদী হাসান মিরাজের দল। বৃষ্টি, ভেজা আউটফিল্ড, ডিএলএসের নতুন লক্ষ্য, মাঝপথে উইকেট হারানোর চাপ সব সামলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।

    মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শুরু হয়েছিল ধ্বংসস্তূপ দিয়ে। স্কোরবোর্ডে কোনো রান ওঠার আগেই ৩ উইকেট নেই। সেই জায়গা থেকে মার্নাস লাবুশেন ও জেভিয়ার বার্টলেট অস্ট্রেলিয়াকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেও শেষ হাসি বাংলাদেশেরই। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে নির্ধারিত ৪১ ওভারে ১৯২ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ পেরিয়ে যায় ৩৫ ওভারেই। অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

    এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের জন্য এটি বড় এক অর্জন। ঘরের মাঠে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বোলিং, ব্যাটিং ও ম্যাচ শেষ করার দক্ষতা তিন জায়গাতেই নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

    টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ওভারেই ম্যাথু শর্টকে বোল্ড করেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান ফেরান কুপার কনোলিকে। একই ওভারে ম্যাট রেনশকেও আউট করেন বাঁহাতি পেসার। কোনো রান তোলার আগেই ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

    ৭.৩ ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিও ফেরেন মোস্তাফিজের বলে। তখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ৪ উইকেটে ২৫। শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় বাংলাদেশের হাতে। পরে অধিনায়ক জশ ইংলিস কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ৩৮ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩৪ রান। তাঁকে ফিরিয়ে দেন তানভীর ইসলাম।

    এরপর ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে ইনিংস গুছানোর চেষ্টা করেন লাবুশেন। গ্রিন ৫০ বলে ২৫ করে তানভীরের বলে ফিরলেও অস্ট্রেলিয়ার আসল লড়াই শুরু হয় সপ্তম উইকেটে। লাবুশেনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন বার্টলেট। দুজন মিলে ১০০ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলেন।

    লাবুশেন ৮৫ বলে ৩ চারে অপরাজিত থাকেন ৫৫ রানে। বার্টলেট খেলেন পাল্টা আক্রমণের ইনিংস। ৪৮ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৫২ রান। শেষ দিকে তাসকিন বার্টলেট ও অ্যাডাম জাম্পাকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রান আটকে দেন। বৃষ্টির কারণে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থামে ৪২ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রানে।

    বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ৭ ওভারে ২ মেডেনসহ ২৭ রানে নেন ৩ উইকেট। তাসকিন আহমেদ ৮ ওভারে ৩৩ রানে নেন ৩ উইকেট। তানভীর ইসলাম নেন ২ উইকেট।

    বৃষ্টি বিরতির পর বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪১ ওভারে ১৯২। রান তাড়ায় শুরুটা বাংলাদেশেরও ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই তানজিদ হাসান ফিরে যান কোনো রান না করে। তবে এরপর সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ রানের ভিত গড়ে দেন।

    সৌম্য ৪৭ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪২ রান। শান্তর ব্যাট থেকেও আসে ৫৩ বলে ৪২ রান। দুজনের জুটিতে চাপ কমে যায় বাংলাদেশের। তবে ৮৬ থেকে ১২২ রানের মধ্যে সৌম্য, শান্ত ও লিটন দাস ফিরে গেলে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফেরে। লিটন ১৮ বলে ২১ রান করেন।

    মোসাদ্দেক হোসেন ১৪ বলে ১৫ রানের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেলেন। তবে শেষ কাজটা করেন তাওহিদ হৃদয় ও অধিনায়ক মিরাজ। হৃদয় এক প্রান্ত ধরে রাখেন, মিরাজ অন্য প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ম্যাচ শেষ করে আসেন। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৫১ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

    হৃদয় ৫৫ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। মিরাজ ২২ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৩৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৫ রানে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বার্টলেট, ম্যাট রেনশ, রাইলি মেরেডিথ, অ্যাডাম জাম্পা ও ক্যামেরন গ্রিন একটি করে উইকেট নেন।

    ম্যাচসেরা হন মোস্তাফিজুর রহমান। নতুন বলে তাঁর দুই ওভারই অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচের শুরুতে ছিটকে দেয়। তাসকিনের সঙ্গে তাঁর পেস আক্রমণই তৈরি করে দেয় বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি। ব্যাট হাতে সেই কাজ শেষ করেন সৌম্য, শান্ত, হৃদয় ও মিরাজ।