Author: Jvadmin

  • আট বছরের প্রতীক্ষা ও অনিশ্চিত গন্তব্য: গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ প্রকল্প

    আট বছরের প্রতীক্ষা ও অনিশ্চিত গন্তব্য: গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ প্রকল্প

    এম টি রহমান মাহমুদ, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

    গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত দাঁতের চিকিৎসা পাওয়া এখন এক দীর্ঘ বিড়ম্বনার নাম। আধুনিক বিশেষায়িত চিকিৎসার আশায় ২০১৮ সালে শুরু হওয়া ‘গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল’ নির্মাণকাজ আট বছর পেরিয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি। দফায় দফায় সময় বৃদ্ধি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ঝুলে আছে জেলার এই গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের ভাগ্য। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা স্থবির হয়ে পড়ায় জনমনে চরম ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।

    সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে প্রায় ৭.৫ একর জমির ওপর বাস্তবায়িত হচ্ছে এই বিশাল প্রকল্প। ১৩টি পৃথক অবকাঠামো নিয়ে গঠিত এই কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ও একাডেমিক ভবনসহ প্রায় সব কাঠামোর কাজই দৃশ্যমান। তবে পরিসংখ্যান বলছে, এই দীর্ঘ সময়ে প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বেড়েছে কয়েক গুণ: দেখার কেউ নেই..?

    শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯৩ কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

    • প্রথম দফায় ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ১১২ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এবং একনেকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় সংশোধন করে প্রকল্পের ব্যয় বর্তমানে ১৩৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

    • ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ছিল প্রায় ৭২% এবং আর্থিক অগ্রগতি ছিল ৫৯%।

    জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও প্রশাসনিক রদবদলের কারণে বর্তমানে প্রকল্পের ফান্ড বা অর্থ বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও তা উদ্বোধনের মুখ দেখছে না। গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের মেয়াদ পুনরায় ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং বকেয়া বরাদ্দ পাসের জন্য মন্ত্রণালয়ে নতুন করে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ে বাকি ২৮% কাজ শেষ করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি।

    একটি পূর্ণাঙ্গ ডেন্টাল হাসপাতাল না থাকায় জেলার রোগীদের দাঁতের জটিল সমস্যার জন্য ঢাকা বা পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ছুটতে হচ্ছে। এতে যেমন সময়ের অপচয় হচ্ছে, তেমনি চিকিৎসার ব্যয়ভার সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অথচ এই কলেজটি চালু হলে প্রতি বছর কয়েকশ শিক্ষার্থী ডেন্টাল সার্জারিতে (BDS) পড়ার সুযোগ পেত এবং হাজার হাজার মানুষ স্বল্পমূল্যে আধুনিক চিকিৎসা সেবা পেত।

    গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল শুধু একটি ইটের দালান নয়, এটি এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বপ্ন। অবকাঠামো তৈরি হয়ে পড়ে থাকা মানে রাষ্ট্রের বড় অঙ্কের বিনিয়োগের অপচয়। বর্তমান সরকারের কাছে জেলাবাসীর দাবি, জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত অর্থ অবমুক্ত করা হোক। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে যেন এই হাসপাতালের দুয়ার রোগীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়, সেটিই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। গোপালগঞ্জ বাসী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর কাছে জোর দাবী জানান যেন দক্ষিণ বাংলার জনগণ যেমন বাগেরহাট, পিরোজপুর, নড়াইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ জেলা সকল জেলার সাধারণ মানুষ এই সেবা পাবে আপনার ভালবাসায়। এই প্রত্যাশা সাধারণ জনগণের।

  • ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত যুবকের লাশ উদ্ধার

    ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত যুবকের লাশ উদ্ধার

    স্টাফ রিপোর্টার

    কুষ্টিয়ায় ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরুল আবসার (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন কোর্ট স্টেশনে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ট্রেনের ছাদ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পোড়াদহ রেলওয়ে পুলিশ।

    নিহত নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার সাধনপুর এলাকার বজল আহমেদের ছেলে।

    পুলিশ বলছে, লাশের পকেটে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি যাচাই করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুষ্টিয়া শহরের মিললাইন রেলগেট ক্রস করার সময় নির্মাণশ্রমিকেরা ট্রেনের ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরুল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখে।

    এ সময় রেলগেট ক্রসিংয়ে অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিরা স্থানীয় সাংবাদিক রবিউল ইসলাম হৃদয়কে ঘটনাটি জানান। ট্রেনটি রেলগেট ক্রস করলে সাংবাদিক হৃদয় ও কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল তাৎক্ষণিক কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে গিয়ে রেলওয়ে পুলিশকে জানান। সংবাদ প্রদান করার পর ট্রেন থামিয়ে ছাদ থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে পোড়াদহ রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বলেন, ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের একটি ফটোকপির মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।  মাথায় আঘাত লেগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্রিজ কিংবা গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মৃত্যু হতে পারে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • শার্শায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

    শার্শায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীতে রামিসা হত্যার ঘটনার উত্তেজনা শেষ না হতেই এবার যশোরের শার্শায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আলম গাজী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে ধর্ষণচেষ্টার এ ঘটনা ঘটে।

    শুক্রবার (২২ মে) রাত ১টার দিকে শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশ আলমকে গ্রেপ্তার করে। আলম শার্শার সরুপদাহ গ্রামের জহুর গাজীর ছেলে।

    শিশুটির পরিবার জানান, কাঠি ভাজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি টং ঘরে নিয়ে নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টা চালায় আলম। পরে শিশুটির চিৎকারে লোকজন এলে অভিযুক্ত আলম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণচেষ্টার সত্যতা পায় এবং অভিযুক্ত আলম গাজীকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    এর আগে গত সপ্তাহ পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে (৭) ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ১৯ মে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ।

    তদন্তের পর পুলিশ জানায়, স্কুলে যাওয়ার সময় রামিসাকে ফুসলিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে অপরাধ ঢাকতে তাকে গলা কেটে হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টা চালায়।

    এ ঘটনায় মূল ঘাতক সোহেল রানা ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও দ্রুত বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

  • নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনছে আইসিসি

    নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনছে আইসিসি

    জেভি২৪ স্পোর্টস ডেস্ক 

    ক্রিকেট বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনার চিন্তা ভাবনা করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী ৩০ মে ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসির বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়ে গেলে শিগগিরই কার্যকর হতে পারে নতুন কিছু নিয়ম।

    ওয়ানডে ম্যাচে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পরপর দুইবার পানিপান বিরতি থাকে। পানি পানের এই বিরতির সময় হেড কোচ মাঠে ঢুকে খেলোয়াড়দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইনিংস বিরতি কমানো হচ্ছে। বর্তমানে দুই ইনিংসের মাঝে ২০ মিনিট বিরতি থাকে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী সেটি কমিয়ে ১৫ মিনিট করা হতে পারে।

    অবৈধ বোলিং অ্যাকশন ধরতে হক-আই প্রযুক্তির ব্যবহারেরও কথা ভাবা হচ্ছে। অন-ফিল্ড আম্পায়ারদের হক-আই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। এর মাধ্যমে ম্যাচ চলাকালেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

    টেস্ট ম্যাচ চলাকালীন প্রয়োজনে লাল বলের বদলে পিঙ্ক বা গোলাপী বল ব্যবহার হতে পারে। আবহাওয়া বা আলোজনিত সমস্যায় দুই দলের সম্মতিতে ডে-নাইট কন্ডিশনে খেলা চালিয়ে যেতেই এই পরিকল্পনা।

  • সর্বশেষ যা জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা; রামিসা হত্যাকাণ্ড

    সর্বশেষ যা জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা; রামিসা হত্যাকাণ্ড

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। আগামীকাল রোববারই (২৪ মে) এ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হবে।

    শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। আজ রিপোর্ট হাতে পেলে মামলার চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হবে। আশা করছি, আগামীকালই আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারব।

    এদিকে এ মামলায় গত বুধবার (২০ মে) গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। ওইদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জবানবন্দিতে সোহেল জানান, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যান। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করেন সোহেল। এর মধ্যে শিশু রামিসার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। তিনি আরও জানান, এ সময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করেন। এরপর দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখেন। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল। এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না। মামলা সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেন। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওইদিন দুপুরে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পৃথক দুটি আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর মধ্যে একটি আবেদন আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার ও অপর আবেদনে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়।

  • এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

    এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মিরপুরের শিশু রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি এক মাসের মধ্যে বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    শনিবার (২৩ মে) বিকেলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ঢাকার মিরপুরে একটি নিষ্পাপ শিশুর নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের মানবিক মূল্যবোধের চূড়ান্ত অবক্ষয়ের প্রমাণ মিলেছে। আপনাদের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে চাই, এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বর্তমান সরকার রামিসার এই হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করবে এবং সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।

    তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটাতে হবে। একইসঙ্গে আমাদের জাতীয় জীবনে পুনরায় বাংলাদেশের আবহমানকাল পর ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনর্জীবন ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রেও কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী ও কর্ম আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক।

    সরকারপ্রধান বলেন, দুই দশক পর ত্রিশালে জাতীয়ভাবে নজরুল জন্মজয়ন্তী পালন করতে পেরে সরকার গৌরব বোধ করছে। ১৯৭৬ সালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় কবির নামাজে জানাজার পর কবির লাশবাহী খাটিয়া যারা কাঁধে করে বহন করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বর ২৫ মে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকার ফার্মগেট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির মাজার পর্যন্ত অনুষ্ঠিত একটি র‌্যালিতেও অংশ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

    তিনি আরও বলেন, ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এভাবে জাতীর কবির প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা এবং সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে কাউকে সম্মান জানালে নিজের সম্মান নষ্ট হয় না। বরং বিনয় মানুষকে মহিমান্বিত করে। আমি মনে করি, এইসব কালজয়ী আদর্শ থেকে দূরে চলে যাওয়ার কারণেই বর্তমানে আমাদের সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় দৃশ্যমান।

    আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অবিস্মরণীয় নাম কাজী নজরুল ইসলাম উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, কবির জীবন ও কর্ম বিশ্ব দরবারে আরও বেশি ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তার জীবনবোধ ও তার জীবনদর্শন প্রজন্মের পর প্রজন্ম পৌঁছে দিতে হবে। এরই অংশ হিসেবে আমাদের জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালকে নজরুল স্মৃতি হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না, এ ব্যাপারে সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য আমি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

    এ সময় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আড়াই মাস পর কুবি শিক্ষক অপহরণ মামলায় গাড়িসহ গ্রেপ্তার-১

    আড়াই মাস পর কুবি শিক্ষক অপহরণ মামলায় গাড়িসহ গ্রেপ্তার-১

    সানজানা তালুকদার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

     

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেলকে অপহরণ ও লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। একইসাথে ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটিও আটক করা হয়েছে।

    শনিবার (২৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই (নিরস্ত্র) টিটু কুমার নাথ।

    আটককৃত ব্যক্তির নাম সাহাবুল শেখ (৩২)। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মধ্য করপাড়ায়। গত ২১ মে রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানানো হয়। এ সময় অপহরণের কাজে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো গ-৩৯১৬৮৬ নম্বরের একটি গাড়িও জব্দ করেছে পুলিশ।

    এর আগে, গত ৪ মার্চ ঢাকায় যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হন প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল। ভুক্তভোগী শিক্ষকের অভিযোগ, তাকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা চালানো হয় এবং তার কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় তিনি পাঁচ মার্চ অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    এবিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক সোহেল বলেন, ‘পুলিশ আসামিকে কোর্টে চালান করেছে। এখনো আরো তিনজন আসামি বাকি রয়েছে। আশা করি শীঘ্রই তারাও গ্রেফতার হবে।’

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) টিটু কুমার নাথ বলেন, ‘আসামিকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে, আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে। আর দুইজন আসামিকে শনাক্ত করতে পেরেছি, তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া গিয়েছে। আর দুইজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। গাড়িটির মালিক থেকে আসামিরা উবারে গাড়ি চালানোর জন্য ভাড়া নিয়েছিল। শীঘ্রই বাকিদেরকেও আটক করা হবে।’

    তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান। মামলাটির আরো অনেককিছু বের করার রয়েছে। চার্জশিট গঠনে আরো সময় লাগবে।’

  • বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিলেন অমিত শাহ

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিলেন অমিত শাহ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তকে ‘অভেদ্য’ করতে এবং অনুপ্রবেশ রোধে নতুন প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার। শিগগিরই ড্রোন, রাডার, স্মার্ট ক্যামেরা ও অন্যান্য আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প চালুর ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    শনিবার (২৩ মে) দিল্লিতে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) ইনভেস্টিচার সেরিমনি এবং রুস্তমজি মেমোরিয়াল লেকচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকাগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন্বিত সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

    শাহ যোগ করেন, ‘সীমান্তকে স্মার্ট বর্ডারে রূপান্তর করতে সরকার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। স্মার্ট বর্ডার ধারণার আওতায় সব ধরনের প্রযুক্তি একত্রিত করে আগামী এক বছরের মধ্যে একটি অভেদ্য সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ এগিয়ে চলছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুব শিগগিরই ড্রোন, রাডার, আধুনিক ক্যামেরা এবং অন্যান্য উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি স্মার্ট বর্ডার প্রকল্প চালু করবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিএসএফের কাজ অনেক সহজ এবং আরও শক্তিশালী হবে।’

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সীমান্তকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং ‘উদ্বেগের কারণ’ হিসেবে উল্লেখ করে শাহ বলেন, এই দুই সীমান্ত প্রচলিত পদ্ধতিতে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বর্তমানে এসব সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ, গবাদিপশু পাচার, জাল ভারতীয় মুদ্রা এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো হুমকি রয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের বিপদ চিহ্নিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সীমান্তের ওপার থেকে কৃত্রিম জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা রোধ করা আমাদের দায়িত্ব। এজন্য আমাদের সর্বদা সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার শুধু অনুপ্রবেশ বন্ধ করতেই নয়, বরং প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে শনাক্ত করে দেশ থেকে বহিষ্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • চার জেলায় সড়কে ঝরল ১০ জনের প্রাণ

    চার জেলায় সড়কে ঝরল ১০ জনের প্রাণ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশের চার জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। শনিবার (২৩ মে) সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।

    কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন। বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের শিমুলিয়া কুঠিপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ জানান, তানহা পরিবহনের একটি বাস রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাসটি খোকসা শিমুলিয়া মসজিদের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি উল্টে খাদে পড়ে ৩ জন নিহত হন।

    দিনাজপুর: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৩ মে) সকাল নয়টার দিকে উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরগামী একটি ট্রাক রানীগঞ্জ বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা তিন আরোহী বহনকারী একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলের আরোহীরা সড়কে ছিটকে পড়েন। এ সময় ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহত অপর দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক অপর একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

    যশোর: যশোর-খুলনা মহাসড়কের রূপদিয়া তেলপাম্পের সামনে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৩ মে) দুপুর ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেলপাম্পের সামনে বাস-মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১ জন নিহত হন। আহত অন্য দুইজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    জয়পুরহাট: জয়পুরহাটে ট্রাকের চাপায় মাহফুজুল ইসলাম মাফু (৪৫) নামে এক এনজিও কর্মী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৩ মে) সকাল ৭টার দিকে শহরের শিল্পকলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত মাফু জয়পুরহাট সদর উপজেলার পালি গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে কর্মরত ছিলেন।

    জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • কুষ্টিয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫

    কুষ্টিয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫

     

    কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

    কুষ্টিয়ার খোকসায় যাত্রীবাহী বাস ও ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। তাদের খোকসা ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খোকসার শিমুলিয়া দক্ষিণ কুঠিপাড়া মসজিদের সামনে কুষ্টিয়া রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক এই ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ।

    নিহত হয়েছেন ফরিদপুর জেলার মুন্সি বাজার এলাকার জুনায়েদ এর ছেলে নাদিল (২০) সহ আরো দু’জন।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী ড্রামট্রাকের সঙ্গে (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস উল্টে পুকুরে পড়ে যায়। এসময় স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা আহতের উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুজন নিহত হন এবং পরবর্তীতে আশংকাজনক অবস্থায় একাধিক আহত ব্যক্তিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরো একজন নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি ১১ জনের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।