Author: Jvadmin

  • বগুড়া মহানগরকে পরিচ্ছন্ন রাখনে ফল ব্যবসায়ী সমিতির সিসি ক্যামেরা, ড্রাম ও ভ্যান গাড়ির উদ্বোধন

    বগুড়া মহানগরকে পরিচ্ছন্ন রাখনে ফল ব্যবসায়ী সমিতির সিসি ক্যামেরা, ড্রাম ও ভ্যান গাড়ির উদ্বোধন

     

    বগুড়া প্রতিনিধি 

    বগুড়া মহানগরের স্টেশন সড়কে দেশি-বিদেশি ফলের বাজারকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও আধুনিক করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ফল ব্যবসায়ী সমিতি। এ লক্ষ্যে সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ১৪টি সিসি ক্যামেরা, ২৫টি ময়লার ড্রাম, ৪টি পরিচ্ছন্নতা ভ্যান গাড়ির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বগুড়া ফল ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি আধুনিক, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ ফলের বাজার গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীদের সচেতনতার পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বগুড়া ফল ব্যবসায়ী সমিতির এ উদ্যোগ বাজারের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়ন, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    বগুড়া ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ সেকেন্দার কাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পাপন, সাবেক কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম বিটু, জেলা লেদ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি লিটন শেখ বাঘা, সমিতির সাবেক সভাপতি মাহমুদ শরীফ মিঠু এবং সিনিয়র সদস্য আলহাজ মুকুল হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল মোত্তালেব শেখ, শামীম আহম্মেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মামুন শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সোহাগ, কোষাধ্যক্ষ মতিউর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক লিটন চন্দ্র দাস, সদস্য আব্দুর রহমান আতিক, মোঃ ওয়াসিম প্রামানিক ও তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ।

    আয়োজকরা জানান, ফলের বাজারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে ২৫টি ময়লার ড্রাম সরবরাহ এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৪টি ভ্যান গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • কুবিতে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখাতে প্রশাসনের কাছে ছাত্রদলের আবেদন

    কুবিতে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখাতে প্রশাসনের কাছে ছাত্রদলের আবেদন

    কুবি প্রতিনিধি

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মুক্তমঞ্চে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড়ো পর্দায় ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সকল খেলা প্রদর্শনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

    আজ সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়।

    আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে একসঙ্গে আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিশ্বকাপের খেলা উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদল এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। এই আয়োজন সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ, স্থান ব্যবহারের অনুমতি, নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

    এছাড়াও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল পরিবেশের নিশ্চয়তা দিয়ে আবেদনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত সকল বিধি-বিধান ও প্রশাসনিক নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে সম্পূর্ণ শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই আয়োজন পরিচালনা করা হবে।

    এই বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট আবেদন করেছি, যাতে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো বড়ো পর্দায় প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারবে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় হবে এবং ক্যাম্পাসে একটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে। আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলা বিভেদ নয়, ঐক্যের বার্তা দেয়। তাই শিক্ষার্থীদের বিনোদন, সম্প্রীতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ” এরকম আয়োজন আগেও হয়েছিল। বিষয়টি আমি মাননীয় উপাচার্যের নিকট পেশ করেছি। তিনি এখনো চূড়ান্ত কিছু জানায়নি।”

  • ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

    ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

     

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 

    ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের উদ্যোগে একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) ভোরে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল ইমরানের নেতৃত্বে শহরের পায়রা চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলটি পায়রা চত্বর, এইচএসএস সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে পুনরায় পায়রা চত্বরে এসে শেষ হয়।

    মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল, শেখ হাসিনা বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে এবং শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা স্বল্প সময় অবস্থান করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরবেলায় অনুষ্ঠিত হওয়ায় মিছিলটি অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ করা হয়। এ সময় শহরের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা দেখা যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

    এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর ঝিনাইদহে সংগঠনটির প্রকাশ্য কর্মসূচি খুব একটা দেখা যায়নি। এর মধ্যেই ভোরবেলায় অনুষ্ঠিত এই ঝটিকা মিছিলটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা

  • সরাইলের বাস দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

    সরাইলের বাস দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

     

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বৈশামোড়া এলাকায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

    সোমবার (৮ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

    শোকবার্তায় রুমিন ফারহানা বলেন, “সরাইলে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সকল নিহতের প্রতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাই। এই মর্মান্তিক ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন, তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”

    তিনি আরও বলেন, “একটি দুর্ঘটনা শুধু কয়েকটি প্রাণই কেড়ে নেয় না, বরং অসংখ্য পরিবারকে অসহনীয় শোক ও বেদনার মধ্যে নিমজ্জিত করে। আজকের এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত।”

    নিহতদের জন্য দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ তাআলা নিহতদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি ধৈর্য ও শক্তি দান করুন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের তাওফিক দান করুন।”

    পোস্টের শেষে তিনি “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” উল্লেখ করেন।

    উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বৈশামোড়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গেলে অন্তত চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

  • সরাইলে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত-৪, আহত-১০

    সরাইলে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত-৪, আহত-১০

     

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

    সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বৈশামোড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি লোকাল যাত্রীবাহী বাস ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে চলাচলের সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটি সড়কের পাশের গভীর খাদে উল্টে পড়ে যায়।

    দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

    খবর পেয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার মো. আব্দুল বাতেন বলেন, “বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে চারজন নিহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পরও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

  • রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান

    রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বেগবান করতে আজ সোমবার (৮ জুন) মস্কোতে বৈঠকে বসছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের আমন্ত্রণে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

    ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে। সফরসূচিতে রাশিয়ান ফেডারেশনের ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ফেডারেশন কাউন্সিলের নেতৃত্বের সঙ্গেও একটি বৈঠক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    রাশিয়া ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদার। ১৯৭২ সালে রাশিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি ছিল। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা থেকে ডুবে যাওয়া জাহাজ ও মাইন অপসারণেও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা ছিল।

    বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ ও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে। গত বছর চীনের বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ায় রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও মুহাম্মদ ইউনূস এর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি। রাশিয়া বাংলাদেশে প্রধানত শিল্প সরঞ্জাম, গম ও খনিজ সার রপ্তানি করে, আর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও সামুদ্রিক পণ্য আমদানি করে।

    সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। এর প্রথম ইউনিট ইতোমধ্যে উৎপাদনে এসেছে এবং দ্বিতীয় ইউনিট চলতি বছরের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এছাড়া জ্বালানি খাতে গ্যাজপ্রমের প্রকল্প, গ্যাস অনুসন্ধান এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে রাশিয়া ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ১৮৫টি বৃত্তি বরাদ্দ করেছে।

  • ১১ জেলার সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

    ১১ জেলার সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় বিজিবি সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যরা।

    সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক (গণসংযোগ) মো. আশিকউজ্জামান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সঙ্গে ২০২৫ সালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় সীমান্ত এলাকায় আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

    এর ফলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকর হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন ও নিরাপত্তাগত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।

    বর্তমানে সীমান্তবর্তী ১১টি জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, সিলেট, জামালপুর ও খাগড়াছড়িতে উপজেলা, থানা আনসার এবং ভিডিপি-টিডিপি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

    এছাড়া উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবল সরবরাহের লক্ষ্যে আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদেরও প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

    আনসার-ভিডিপির এই সম্পৃক্ততা জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিজিবির কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

    একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধ এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে উঠছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

  • বিশ্বকাপে খেলতে মরিয়া নেইমার, চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার

    বিশ্বকাপে খেলতে মরিয়া নেইমার, চোট সারাতে নাসার প্রযুক্তি ব্যবহার

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সময়ের সঙ্গে দৌড়াচ্ছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। ডান পায়ের কাফ ইনজুরি থেকে দ্রুত সেরে উঠতে এবার তিনি ব্যবহার করছেন নাসার প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত বিশেষ এক যন্ত্র। এই আধুনিক পুনর্বাসন পদ্ধতিই তার বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে।

    ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো এসপোর্তে জানিয়েছে, নেইমারের পুনর্বাসনে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি ট্রেডমিল’। গত শনিবার তিনি এই বিশেষ ট্রেডমিলে অনুশীলনও করেছেন। নাসার প্রযুক্তি থেকে তৈরি এই যন্ত্র শরীরের আংশিক ওজন কমিয়ে দেয়। ফলে দৌড়ানোর সময় ইনজুরিগ্রস্ত পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে না এবং খেলোয়াড় তুলনামূলক নিরাপদভাবে অনুশীলন করতে পারেন।

    এই ধরনের প্রযুক্তি গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে ক্রীড়াবিদদের পুনর্বাসনে ব্যবহার হচ্ছে। ব্রাজিলের কিছু ক্লাবও এখন তাদের মেডিকেল সেন্টারে এই প্রযুক্তি যুক্ত করেছে।

    নেইমারের ফিটনেস নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো চলমান মেডিকেল পরীক্ষা। সোমবার (৮ জুন) তার শরীরের ইমেজিং পরীক্ষা আবার করা হবে। এই পরীক্ষার ফলের ওপরই নির্ভর করছে তার পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা এবং বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার মাঠে নামার সম্ভাবনা।

    চিকিৎসকরা সবুজ সংকেত দিলে তাকে ধাপে ধাপে বল নিয়ে অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না যে তিনি মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না।

    ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, তিনি নেইমারের পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী। তবে দলের মেডিকেল স্টাফ এখনো তাকে পুরোপুরি ফিট ঘোষণা করেনি। ফলে ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তার অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

    ব্রাজিল দল ও সমর্থকদের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা এখন নেইমারের ফিটনেস। হেক্সা মিশনে নামার আগে তার সুস্থতা নিশ্চিত করতেই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেলেসাও ম্যানেজমেন্ট। পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর এখন তার মেডিকেল রিপোর্টের দিকে শেষ পর্যন্ত কি নেইমার মাঠে ফিরতে পারবেন, সেই উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই।

  • মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সহকারী একান্ত সচিবদের (এপিএস) বেতন বাড়িয়েছে সরকার। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদার নিয়োগকৃতদের এপিএসরাও এই বাড়তি বেতন পাবেন।

    এপিএসদের নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    চিঠিতে জানানো হয়েছে, সরকারি চাকরির বাইরে থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদারসহ) এপিএস এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের অভিপ্রায়ে নিযুক্ত তাদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে অর্থাৎ ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসরা এত দিন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা মূল বেতনে নিয়োগ পেতেন। অনেক সময় কোনো কোনো এপিএসের বেতন নবম গ্রেডে বেশ কয়েকটি ইনক্রিমেন্ট যোগ করে নির্ধারণ করা হতো।

    বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় উপদেষ্টাদের এপিএসদের নিয়োগ বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে তাদের বেতন নবম গ্রেডের সর্বোচ্চ ধাপে অর্থাৎ ৫৩ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছিল।

    মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসদের বেতন গ্রেড নির্ধারণের বিষয়ের মতামত চেয়ে গত ৩১ মার্চ অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এপিএসদের নতুন বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ বলেছে, এপিএসদের মূল বেতন ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারিত। কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। তারা বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতা পাবেন। কোনো প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

    এই মূল বেতন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএস নিয়োগ দেওয়া হয়। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। কোনো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এপিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিলে তিনি এই বেতন গ্রেডের আওতাভুক্ত হবেন না।

  • বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ

    বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (৮ জুন)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের আমলে এটাই প্রথম সীমান্ত সম্মেলন।

    ডিজি পর্যায়ের এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডাই থাকবে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হবে

    সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ‘পুশ-ইন’ ইস্যু। কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নারী-শিশুসহ বহু মানুষকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় একের পর এক পুশ-ইনের অবৈধ চেষ্টা ব্যর্থ হলেও ঘটনাগুলো দুদেশের সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সীমান্তে ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহারের কারণে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এবারের সীমান্ত সম্মেলন থেকে নয়াদিল্লিকে কড়া বার্তা দিতে চায় বিজিবি।

    বিজিবি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের ঘটনা ও অপরাধমূলক কার্যক্রমের ফিরিস্তি তুলে ধরা হবে এবারের সীমান্ত সম্মেলনে।

    এ ব্যাপারে বিজিবি সদর দপ্তরের উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম বলেন, ডিজি পর্যায়ের এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডাই থাকবে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হবে।

    তিনি বলেন, এছাড়াও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারতের ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহার, মাদকসহ চোরাচালান, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন, স্থায়ী সীমান্ত পিলার স্থাপন এবং আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধসহ গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বৈঠকে তুলে ধরবে বিজিবি। থাকবে ভারতীয় গণমাধ্যমে সীমান্তকেন্দ্রিক উসকানিমূলক মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদও।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, পুশ-ইন ইস্যু এখন শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয় নয়; এটি মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। আর সেই কারণেই সীমান্তের জিরো লাইনে আটকে থাকা কয়েকশ মানুষের গল্প এখন দুদেশের সম্পর্কের একটি বড় পরীক্ষায় রূপ নিয়েছে।