Author: Jvadmin

  • কুমিল্লা নগর ভবন বর্তমান স্থানেই স্থাপনের পক্ষে নগরবাসীর ঐক্যবদ্ধ মত তদন্ত কমিটিকে

    কুমিল্লা নগর ভবন বর্তমান স্থানেই স্থাপনের পক্ষে নগরবাসীর ঐক্যবদ্ধ মত তদন্ত কমিটিকে

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লা পৌরসভার প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে বর্তমান স্থানেই নতুন নগর ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসীর অধিকাংশ প্রতিনিধি। স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত কমিটির সামনে দেওয়া সুনির্দিষ্ট মতামতে তারা বলেন, ১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর যে স্থানে কুমিল্লা পৌরভবন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই ঐতিহাসিক স্থান থেকেই যুগের পর যুগ ধরে নাগরিক সেবা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই নতুন আধুনিক নগর ভবনটিও একই ঐতিহাসিক স্থানে নির্মাণ করা উচিত।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অতীন্দ্র মোহন রায় সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও তদন্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে তাদের জোরালো মতামত তুলে ধরেন। সভার শুরুতে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম তদন্ত কার্যক্রমের মূল প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে জানান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বর্তমান স্থানেই নতুন নগর ভবন নির্মাণের পক্ষে আবেদন করেছেন। অপরদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী নগরের দক্ষিণাঞ্চলের ছোট ধর্মপুর এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন। এই দুই পক্ষের ভিন্ন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই স্থানীয় সরকার বিভাগ সরেজমিন তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি আরও বলেন, আমি নিরপেক্ষ তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। আপনাদের প্রত্যেকের মতামত শুনব, লিপিবদ্ধ করব এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তা উপস্থাপন করব। সভায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা উপস্থিত ছিলেন।

    ঐতিহাসিক বর্তমান স্থানেই নতুন নগর ভবন নির্মাণের পক্ষে সভায় অত্যন্ত জোরালো বক্তব্য দেন সাবেক মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার, মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শওকত আলী বকুল, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি রায়হান রহমান হেলেন, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রূপালী এবং মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. নাহিদুজ্জামান রানা। এ সময় সুনির্দিষ্টভাবে বর্তমান স্থানের পক্ষে সংহতি জানিয়ে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদল নেতা রনি, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ছুট্রি, রেজাউল হক আঁখি এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান গোলদার। এছাড়া নাগরিক সমাজের পক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লার সভাপতি শাহ মো. আলমগীর খান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জহিরুল হক দুলাল, আবুল হাসনাত বাবুল, মাসুক আলতাফ চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয়, আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ, কুমিল্লা নাগরিক সমাজের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান এবং সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম দুলালসহ অনেকে উপস্থিত থেকে বর্তমান স্থানের পক্ষেই মত দেন।

    অন্যদিকে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে গিয়ে ছোট ধর্মপুর এলাকায় নতুন নগর ভবন নির্মাণের পক্ষে মত দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসাইন এবং সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার। তাদের এই প্রস্তাবের পক্ষে সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ, মো. শাহ আলম মজুমদার ও কাজী মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    গুরুত্বপূর্ণ এই সভা শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সভায় উপস্থিত সবার বক্তব্য ও যুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং লিখিত মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে। এই সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনসহ সব মতামত দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সভা সমাপ্ত হওয়ার পর তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অদূরে ছোট ধর্মপুর এলাকায় নির্মিত আঞ্চলিক নগর ভবনটি পরিদর্শনে যান, যেখানে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী নতুন নগর ভবন নির্মাণের মূল প্রস্তাব দিয়েছেন। মূলত সংসদ সদস্যের ওই আবেদনের কারণে নতুন নগর ভবন নির্মাণসংক্রান্ত দরপত্র কার্যক্রম, টেন্ডার সিডিউল বিক্রি ও জমা গ্রহণ বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। সভায় অংশগ্রহণকারী নগরীর অধিকাংশ প্রতিনিধি ক্ষোভ প্রকাশ করে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এই স্থগিত টেন্ডার প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর জন্য জোর দাবি জানান।

  • প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু

    প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ) শীর্ষক প্রকল্পের চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুম এই প্রশিক্ষণ শুরু হয় যা চলবে আগামী ২২ জুন পর্যন্ত।

    উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গার আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন, মোঃ আব্দুল হামিদ উপপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর, আগারগাঁও ঢাকা, বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ আইনাল হক, সহকারী পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গা।

    ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী অফেরতযোগ্য ২৮ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন।

    অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন।

  • বিজয়নগরে সোয়া কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ কভার্ড ভ্যান জব্দ

    বিজয়নগরে সোয়া কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ কভার্ড ভ্যান জব্দ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ৬ হাজার কেজি ভারতীয় জিরাসহ একটি কভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টায় সরাইল-২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫টার দিকে বিজয়নগর উপজেলার আমতলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি সন্দেহভাজন কভার্ড ভ্যান আটক করা হয়।

    পরে ভ্যানটি তল্লাশি করে ৬ হাজার কেজি ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়। বিজিবির তথ্যমতে, জব্দকৃত জিরার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

    সরাইল-২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জব্বার আহমেদ জানান, উদ্ধারকৃত জিরা ও জব্দকৃত কভার্ড ভ্যান পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য আখাউড়া কাস্টমস কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

    সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

  • বাজেটে বাড়ছে না সিগারেটের দাম

    বাজেটে বাড়ছে না সিগারেটের দাম

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন অর্থবছরে সিগারেটের দামে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

    রাশেদা বেগম হীরা প্রশ্ন করেছিলেন, তামাকের ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি যেমন সিগারেটের খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখিয়া ২০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য আরও বৃদ্ধি করে অধিক সম্পূরক শুল্ক এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করবেন কি না?

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে সিগারেটের ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার আগের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • বগুড়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের অবস্থান কর্মসুচী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    বগুড়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের অবস্থান কর্মসুচী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    বগুড়া প্রতিনিধি 

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের সুরক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, এস আলম ও ফ্যাসিস্টের দোসরদের বয়কট এবং ঢাকায় গ্রাহকদের উপর নির্মম পুলিশি হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম বগুড়া মহানগরী ব্যাংকের বগুড়া প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসুচী ও মানব বন্ধন কর্মসচী পালন করে।

    অবস্থান ও মানববন্ধন চলাকালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সড়কস্থ ইসলামী ব্যাংক বগুড়া শাখায় সামনে মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন মিয়া, ব্যাংকের ১৯৮৫ সালের প্রথম পর্যায়ের আমানতকারী বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আব্দুল হালিম বেগ, সদস্য সচিব শ্রমিক নেতা আজগর আলী, অধ্যাপক রফিকুল আলম, মাওলানা আব্দুল হামিদ বেগ, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম আকন্দ, অধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন, এনামুল হক মাওলানা আব্দুস সালাম, রবিউল ইসলাম রাজ, সাবেক কাউন্সিলর রুহুল কুদ্দুস ডিলু, বগুড়া মোটর শ্রমি,ক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ইদ্রিস আলী, শ্রমিক নেতা আলিফ মাহমুদ প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ অনুযায়ী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ গঠন হওয়ার বিধান আছে কিন্তু ইসলামী ব্যাংকে সরকার হস্তক্ষেপ করে এস আলমের দোসর ব্যাংক লুটপাটকারী খুরশিদ আলম কে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছে। বক্তারা অবিলম্বে খুরশিদ আলমকে বহিষ্কার করার আহবান জানায়।

    পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার একটি নির্দিষ্ট মহলের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের ব্যাংকিং খাতে যে নজিরবিহীন লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞ চারিয়েছে, দেশের মানুষ তা ভুলে যায়নি। নতুন করে আবার যদি ব্যাংক লুটপাট করার চক্রান্ত করা হয় তাহলে সরকারের পরিনতি ভালো হবে না। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর ও ঋণ খেলাপী। তিনি ব্যাংকে রক্ষা করতে পারবেন না। তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রাখলে ব্যাংকটি আবারও লুটপাটের মুখে পড়বে এবং সাধারণ মানুষের আমানত অনিরাপদ হয়ে পড়বে।

  • কুমিল্লায় মহাসড়কে থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর

    কুমিল্লায় মহাসড়কে থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে পুলিশের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার এলাকায় চলাচল নিষিদ্ধ থ্রি-হুইলার আটককে কেন্দ্র করে হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে নিমসার কাঁচাবাজারের জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও কয়েকটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক উল্টোপথে চলাচল করছিল। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের একটি দল একটি ইজিবাইক থামিয়ে চালককে আটক করে। এ নিয়ে চালক ও পুলিশের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাসড়কের পাশে কাঁচাবাজারে পণ্য পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত অটোরিকশাগুলোর চলাচলে বাধা দিলে চালকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং পুলিশের গাড়ি ব্যাপক ভাঙচুর করে। ঘটনার সময় হাইওয়ে পুলিশের তিন সদস্য ও একজন ইজিবাইক চালক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে দুর্বৃত্তরা ফাঁকা পড়ে থাকা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম বলেন, দায়িত্ব পালনকালে হাইওয়ে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মুমিন বলেন, “মহাসড়কে দায়িত্ব পালনকালে কিছু দুর্বৃত্ত পুলিশের গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

    এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

  • ভয়ের জনপদ থেকে উন্নয়নের পথে জঙ্গল সলিমপুর

    ভয়ের জনপদ থেকে উন্নয়নের পথে জঙ্গল সলিমপুর

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় চারটি সড়কের নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী। সড়কগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে। গতকাল সোমবার সকালে এ কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়।

    জঙ্গল সলিমপুরের আলীগরের তিন কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন সড়কের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. কামরুল আল মাসুদ।

    তিনি জানান, ছিন্নমূল এলাকা থেকে আলীনগর হাইস্কুল পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মাণ করা হবে। আলীনগর থেকে টেক্সটাইল এলাকা হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত আরেকটি সড়ক হবে। আলীনগর থেকে মিলিটারি অ্যাকাডেমির পাশ দিয়ে একটি সড়ক চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এর বাইরে জঙ্গল সলিমপুরে আরও একটি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন র‌্যাবের এক সদস্য। এর পর ৯ মার্চ এলাকায় অপরাধীদের আস্তানা উচ্ছেদ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

    এদিকে গত ২৪ মে গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুরে স্থাপিত একটি যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এর আগে সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্মাণাধীন একটি ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ ঠেকাতে একটি সড়কও কেটে ফেলে।

  • ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূুচী

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূুচী

    নীলফামারী প্রতিনিধি

    ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: খুরশিদ আলমের অপসারণ ও গ্রাহকদের উপর পুলিশী হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১১টার ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়।

    এসময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের যুগ্ন আহবায়ক নুর আলম সিদ্দিকী,সদস্য সচিব আরিফ আল মামুন, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা, নুর মোহাম্মদ প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন ইসলামী ব্যাংকের শতশত গ্রাহক মরতে রাজি আছে, কিš‘ ব্যাংক লুটেরাদের হাতে গ্রাহকদের আমানত তুলে দিতে রাজি নয়। অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দৃর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।

    ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

  • বগুড়ার শেরপুরে বজ্রপাতে শিক্ষার্থী নিহত

    বগুড়ার শেরপুরে বজ্রপাতে শিক্ষার্থী নিহত

    বগুড়া প্রতিনিধি

    বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বজ্রপাতে সাব্বির হোসেন (১৭) নামে এক দাখিল ফলপ্রার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৯ টায় উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের কানাইকান্দর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সাব্বির হোসেন ওই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্থানীয় ফুলতলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে কাজ করার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের শিকার হন সাব্বির।

    পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

    শাহবন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, সাব্বির অত্যন্ত ভদ্র ও মেধাবী একজন শিক্ষার্থী ছিল। বজ্রপাতে তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং মহান আল্লাহর কাছে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

  • একনেকে উঠছে বিতর্কিত ৩৪৪ কোটি টাকার প্রকল্প

    একনেকে উঠছে বিতর্কিত ৩৪৪ কোটি টাকার প্রকল্প

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ৩৪৪ কোটি টাকার বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২ নামের বিতর্কিত একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় উঠছে আজ মঙ্গলবার। শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

    আজ সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের চতুর্থ একনেক সভায় বিবেচ্য বিষয়ের তালিকায় ৭ নম্বরে রয়েছে শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ প্রকল্পটি। একনেক তালিকায় প্রকল্পটিকে নতুন বলা হলেও এ প্রকল্পটি আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের বিতর্কিত ও পুরোনো। শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসা সম্প্রসারণের আড়ালে প্রকল্প ঘিরে সরকারি অর্থ লোপাটের পরিকল্পনা রয়েছে বলে হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত ২৩ মে দৈনিক কালবেলায় ‘অনিয়মে কাবু শিশু হাসপাতাল’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ঘিরে একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিগত সরকারের আমলে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত সি-ব্লক ভবনের ওপর ভিত্তি করেই নতুন এই সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও হাসপাতালের পূর্ববর্তী প্রশাসন প্রকল্পটি বাতিল করেছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিশু হাসপাতালের পুরোনো সেই চক্রটি ফের নতুন প্রকল্প হিসেবে অনুমোদনের পাঁয়তারা করছে। প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন হলে সরকারি শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণের নামে ৩৪৪ কোটি টাকার বড় অংশই হরিলুট হবে।

    সূত্রগুলো বলছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পে ভবন থেকে সীমিত সংখ্যক শয্যা বৃদ্ধি পেলেও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ে। প্রকল্পে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনাকাটার নামে হরিলুটের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভবনের অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে পার্কিংয়ের প্রবেশপথ এতটাই সংকুচিত যে, সেখানে অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রকল্পটি জনস্বার্থে কতটা কার্যকর, নাকি এটি সরকারি অর্থ অপচয়ের একটি নতুন সুযোগ তৈরি করছে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

    গত ২৩ মে কালবেলায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মেগা প্রকল্পের পেছনে অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে কাজ করছেন নেসার উদ্দিন নামে এক কর্মকর্তা, যার মূল পদ ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (ডেভেলপমেন্ট)’, তবে সদ্য বিদায়ী পরিচালককে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাকে ‘ডেপুটি ডিরেক্টরের (ফাইন্যান্স)’ মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে হাসপাতালের সব আর্থিক খাতে নেসার উদ্দিন তার নিজস্ব লোক বসিয়ে একটি শক্তিশালী আর্থিক সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।