Author: Jvadmin

  • জনবান্ধব প্রশাসক থেকে রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান

    জনবান্ধব প্রশাসক থেকে রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান

     

    নীলফামারী প্রতিনিধি

    দক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা আর কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনবান্ধব জেলা প্রশাসক হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।

    এরই ধারাবাহিকতায় জেলার গন্ডি পেড়িয়ে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক কার্যক্রমে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ “প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬” এ রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।এই অর্জনের খবরে জেলার শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক সমাজ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি কেবল একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং নীলফামারী জেলার প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

    জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের নিবিড় তদারকির মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা তৈরি করেন তিনি।এছাড়া বিদ্যালয়ভিত্তিক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সময়ে মতবিনিময় সভা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আগ্রহী করে তুলতে বিভিন্ন উৎসাহমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। প্রত্যক্ষ তদারকিতে জেলার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাঠদানের পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন বলে মনে করছেন সুধিসমাজ।

    পশ্চিম পঞ্চপুকুর জামতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কায়কোবাদ জানান, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।একই সঙ্গে বিদ্যালয়মুখী শিক্ষার্থী সংখ্যাও। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কার্যকর পদক্ষেপ এর ফলে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়েছে।

    এদিকে, নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হওয়ায় জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    স্থানীয়রা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টা ও নেতৃত্ব আগামী দিনেও জেলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, আধুনিক ও ফলপ্রসূ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।জানতে চাইলে, নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, আমি নীলফামারী জেলায় যোগদান করার পর থেকেই প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন, ঝরেপড়া রোধ আর শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সর্বদাই চেষ্টা করেছি। শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

  • চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) ব্যারাক থেকে আজিজুর রহমান নামের এক বিজিবি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ব্যারাকের একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত আজিজুর রহমান ওই ব্যাটালিয়নে ‘নায়েক’ পদে কর্মরত ছিলেন।

    ৬ বিজিবির পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

    চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ব্যারাকের কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় ঝুলন্ত রশি পাওয়া গেছে। সম্ভবত শুক্রবার রাতের কোনো এক সময়ে ঘটনাটি ঘটেছে। বিজিবির পক্ষ থেকে তার মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও সুষ্ঠু তদন্তের পর মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে।

    পুলিশ জানায়, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

  • মাগুরার শ্রীপুরে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৩

    মাগুরার শ্রীপুরে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৩

     

    মাগুরা প্রতিনিধি

    মাগুরার শ্রীপুরে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার সাচিলাপুর বাজারে এ সংর্ষের ঘটে। পরে তারাউজিয়াল ও দারিয়াপুর গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।এ ঘটনায় দারিয়াপুর গ্রামের শরীফ শেখ (৩৫), তারাউজিয়াল গ্রামের প্রবল (৪০) ও শাহজাহান (৩৫) নামে ৩ জন মারাত্মক আহত হয়। আহতরা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় সাচিলাপুর বাজারের হৃদয় টেলিকম, মেঘা সুইটস দুটি দোকান ও আলম মোল্যার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় সাচিলাপুর বাজারে হৃদয় টেলিকমে দ্বারিয়াপুর গ্রামের শরীফ শেখ মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে যায়। এ সময় হৃদয় টেলিকমের মালিক তারাউজিয়াল গ্রামের প্রবল ভূলক্রমে এমবি রিচার্জের টাকা মিনিট ঢুকিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সুত্রপাত হয়ে সেটা সংঘর্ষে রুপ নেয়। এ ঘটনায় মুহুর্তেই সাচিলাপুর বাজার এলাকায় বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় মারপিট ভাংচুর।

    শনিবার সকালে পুনরায় সাচিলাপুর বাজারের দারিয়াপুর ব্রীজ ও তারাউজিয়াল স্ব-মিল এলাকায় দুটি গ্রুপ অবস্থান নেয় সংঘর্ষের জন্য। পরে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল নাহিয়ান, শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ওলি মিয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান হাসান ইমাম সুজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফুল আলম, সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুল আলম হিরো, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্বাস উদ্দিন, মুন্সি রেজাউল করিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষের ৩ জন করে দ্বায়িত্ব দিয়ে শান্তি বজায় রাখা ও আগামীকাল রবিবার সকালে মিমাংশার সিদ্ধান্তে সবাইকে যার বাড়িতে চলে যেতে বলা হয়।

    এ ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া বলেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে দু-পক্ষের মধ্যে বিরাজমান সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চুরির হিড়িক; গ্রাম থেকে শহর, স্বস্তি নেই কোথাও

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চুরির হিড়িক; গ্রাম থেকে শহর, স্বস্তি নেই কোথাও

     

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গ্রাম থেকে জেলা শহর কোথাও যেন স্বস্তি নেই। বিদ্যুতের তার, এসির কপার পাইপ, পানির মোটর, জানালা, থাই গ্লাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বাসিন্দারা।

    সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে ঈদের আগে ও পরে একাধিকবার বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র এক সপ্তাহে কয়েকটি বাড়ি ও দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়েছে। একইভাবে নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামেও গত দুই মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি বাড়ির বিদ্যুতের তার চুরি হয়েছে।

    স্থানীয়দের দাবি, মাদকাসক্তদের একটি চক্র এসব চুরির সঙ্গে জড়িত। জালশুকা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু চিহ্নিত মাদকসেবী এসব চুরির ঘটনায় জড়িত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    অন্যদিকে জেলা শহরেও চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দাতিয়ারা এলাকায় অবস্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের আগে ও পরে দুই দফা চুরির ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসির আউটডোর ইউনিট, জানালার থাই গ্লাস এবং অন্যান্য সরঞ্জাম চুরি হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    এছাড়া জেলা পরিষদ কার্যালয়, পরিবার পরিকল্পনা অফিস, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়, শিল্পকলা একাডেমি, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

    শহরের মৌলভীপাড়া এলাকায় জেলা জজ আদালতের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দ আমিনা ফারহিনের ভাড়া বাসায়ও চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা ফ্ল্যাটে ঢুকে আলমারিতে থাকা মালামাল নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

    ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার বিভিন্ন স্থানে থাকা ভাঙারির দোকানে প্রকাশ্যে চোরাই তামার তার, এসির কপার পাইপ ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। তবে এসব ব্যবসার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অভিযান না থাকায় চুরি বেড়েই চলেছে বলে মনে করছেন তারা।

    এদিকে টানবাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা চুরি ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে ছিঁচকে চুরির ঘটনা বেড়েছে। মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অর্থের অভাবে এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রতিদিনই অভিযানে চোর ও মাদকসেবীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। পাশাপাশি চোরাই মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ভাঙারি ব্যবসায়ীদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

    জেলার সর্বত্র চুরির ক্রমবর্ধমান ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

  • কুমিল্লায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

    কুমিল্লায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবি ১০।

    শনিবার (৬ জুন) সকাল আনুমানিক ৮টা ৩৫ মিনিটে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধীনস্থ আমানগন্ডা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

    অভিযানের সময় সীমান্ত থেকে প্রায় ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাবুর্চি পাড়া এলাকা থেকে মো. খলিলুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে ১৯ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

    আটক খলিলুর রহমান চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাবুর্চি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার, চোরাচালান এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বেতন ৫০ হাজার

    নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বেতন ৫০ হাজার

    চাকরি 

    বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফিন্যান্স অফিসার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আবেদন শুরু হয়েছে ০৪ জুন থেকে। আবেদনের শেষ সময় ১৩ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।

    পদের বিবরণ ও যোগ্যতা

    পদের নাম: ফিন্যান্স অফিসার

    পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

    বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪৫ বছর

    শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা:

    *ফিন্যান্স/অ্যাকাউন্টিংয়ে স্নাতকোত্তর/এমবিএ/বিবিএ সম্পন্ন হতে হবে

    *কম্পিউটারের খুঁটিনাটি সম্পর্কে উন্নত ধারনা, ম্যানুয়াল অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম ব্যবহারে সক্ষমতা। (কমপক্ষে ৩ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতাসহ)

    বেতন: ৫০ হাজার টাকা

    অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী

    নারী-পুরুষ উভয় প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন

    চাকরির ধরন: ফুলটাইম

    কর্মস্থল: কক্সবাজার

    আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন

  • বিএনপি দেশ পরিচালনার কোন অভিজ্ঞাই নেই; আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া

    বিএনপি দেশ পরিচালনার কোন অভিজ্ঞাই নেই; আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    দেশে গ্যাস, তৈল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কারনে দেশের মানুষ অস্বস্থিতে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

    শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে কুমিল্লা জেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজনে একটি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত ঈদ পূর্ণ মিলনী ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এই সময় তিনি আরও বলেন বিএনপি’র এডমিনিস্টেশন ও দেশ পরিচালনার কোন অভিজ্ঞতা নেই, শেখ হাসিনার আমলে গত ১৭ বছরে যা দাম বেড়েছিলো তিন মাসে ততটুকু গ্যাসের দাম বাড়াতে তারা সক্ষম হয়েছে। সবমিলিয়ে বিএনপি একটি অজনপ্রিয় সরকারে পরিনত হয়েছে।

    তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম মব বন্ধ করার ঘোষণা দিলেও মব বাড়ার সাথে সাথে সর্বক্ষেত্রে সরকার দলীয় লোকজনের সেখানে সংশ্লিষ্টতা দেখা যাচ্ছে।
    বিএনপি সরকার কখনোই দেশ পরিচালনায় ভালো ছিলো না।

    এছাড়াও তিনি আরো বলেন, যারা একটা ছায়া বাজেট দিতে পারে তারা বাজেটও প্রনয়ন করতে পারে। এই সক্ষমতা এনসিপির তৈরি হয়েছে।সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলার কোন ব্যাক্তি বা দল নেই। দেশের মানুষের পক্ষে কথা বলার একমাত্র বিরোধী দলের ভূমিকায় আছে এনসিপিই।

    তিনি বলেন,যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন জনগনকে দেখিয়েছি সেটা বাস্তবায়ন করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে এবং আগামীতে বাংলাদেশে এনসিপির রোল মডেল জেলা হিসেবে কুমিল্লাকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন তিনি।

    এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্‘র উদ্যোগে ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু রায়হানের উপস্থাপনায় এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন ‘জাতীয় যুবশক্তি’র সভাপতি এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী এডভোকেট তারিকুল ইসলাম, জাতীয় যুবশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব হলেন সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন শিশিরসহ কেন্দ্রিয় ও জেলার নেতৃবৃন্দরা।

  • নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আটক-২৪

    নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আটক-২৪

     

    নোয়াখালী প্রতিনিধি

    নোয়াখালীর সদর উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৪ নেতাকর্মিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও পুলিশের দাবি, তাদের মধ্যে নয়জন যুবলীগ এবং ১৫ জন ছাত্রলীগ নেতা রয়েছে।

    শনিবার (৬ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.তৌহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার এওজবালিয়া, কালাদরাপ ও নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার বাঁধেরহাট বাজার এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মিরা একটি বড় বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মব সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল চলাকালে বাজার এলাকায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও মিছিলকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ঘটনাটি জেলায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

    স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলের কর্মসূচির আগে দুপুর থেকেই সংগঠনটির প্রায় হাজার খানেক নেতাকর্মি বাঁধেরহাট বাজার এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন।

    ওসি মো.তৌহিদুল ইসলাম আরও বলেন, মিছিলের সম্ভাব্য তথ্য পাওয়ার পর আগেই বাঁধেরহাট বাজারে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। নির্ধারিত স্থানে কর্মসূচি পালন করতে না পেরে পরে তারা বাজারের বাইরে মিছিল করে। ঘটনার পরপরই রাতভর অভিযান চালিয়ে ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।

    শনিবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বগুড়ায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ র‍্যালি

    বগুড়ায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের আনন্দ র‍্যালি

     

    বগুড়া প্রতিনিধি 

    ফুটবলকে ঘিরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন কিছু নয়। তবে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও সৌহার্দ্য ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ দেখা গেছে বগুড়ায়।

    উভয় দলের সমর্থকরা একে অপকে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে আনন্দ-উল্লাস করেন। এসময় আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা ব্রাজিল ভক্তদের হাতে কোমল পানীয় সেভেন-আপ এর বোতল তুলে দেন। হাসি-আনন্দে ভরা এই দৃশ্য মুহূর্তেই উপস্থিত মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

    আসন্ন ২০২৬ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এদিন দুপুর থেকে খেলার মাঠে জড়ো হন দুই দলের সমর্থকরা। সেখানে তারা সৌহার্দ্য ও ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের মধ্যদিয়ে আনন্দ-উল্লাস করেন।

    এরপর উভয় দলের সমর্থকরা দুই দেশের জার্সি পড়ে একসাথে আনন্দ র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যলিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা, ঘোড়ার গাড়ি, বিভিন্ন ফেস্টুন প্রদর্শন করা হয়। পুরো র‌্যালিজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দুই দলের সমর্থকেরা পরস্পরের সঙ্গে হাস্যরস, শুভেচ্ছা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে অংশ নেন।

    এদিকে স্থানীয়রা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ফুটবল কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার নয়। বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যেরও নাম। সমর্থকদের এমন ইতিবাচক আচরণ ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।