মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী
পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বরাবরই প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে আমরা এ অঞ্চলের (উপকূলের) লোকজন বসবাস করি আসছি। তাই নদীর পাড়ে আমরা যারা থাকি আমরা সবসময় ভাঙন,প্লাবন ও বন্যাসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলা করে বসবাস করতে হয়। এসব মাথায় রেখে ইতোমধ্যে বর্ষাকালকে সামনে রেখে ভাঙন রোধে ইমারজেন্সি (জরুরি) কাজ শুরু করেছি।তবে আরও কিছু জায়গায় নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হবে।
আগামী অর্থবছরে নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
রোববার দুপুরবেলা নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কাটাখালি ঘাটে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, এদিকে হাতিয়া,উড়িরচর,স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচরসহ নদী ভাঙন এলাকায় সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।এছাড়া অনেকগুলো প্রকল্পও আমাদের রয়েছে। এর বাইরে মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা নদী ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে কিছু কাজ করা। সে অনুযায়ী এ এলাকায় যেখানে কাজ করা বেশি জরুরি,সেখানে স্থায়ীভাবে আমরা কিছু কাজ করবো। স্টাডি রিপোর্ট শেষ হওয়ার পর আগামী অর্থবছরেই আমরা এ কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করবো।
এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান বলেন,আমরা যে কোন কিছুর বিনিময়ে হোক নদী ভাঙ্গন রোধ করবো।
এর আগে মন্ত্রীকে নদী ভাঙনকৃত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখান স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুন উর রশিদ আজাদ, সদস্য শহীদুল ইসলাম কিরণ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছাবের আহমেদ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিলসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংঠনসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

