Author: Jvadmin

  • নগরকান্দায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রদলের ফুটবল বিতরণ

    নগরকান্দায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রদলের ফুটবল বিতরণ

     

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করতে ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৩১ মে শনিবার বিকেলে উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের ঝাটুরদিয়া বাজারে এক অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের তরুনদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক আবুল হাসান টিটু,
    নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সহ-সভাপতি মাহবুব আলি মিয়া,ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ইসলাম লিখন,ছাত্রদল নেতা সুজনসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা বলেন, যুব সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সবসময় যুব উন্নয়ন ও ক্রীড়া চর্চার প্রতি গুরুত্বারোপ করতেন। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে সুস্থ ও মেধাবী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    অনুষ্ঠান শেষে ইউনিয়নের তরুনদের হাতে ফুটবল তুলে দেওয়া হয় এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আইসোলেশনে-১০৮

    নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, আইসোলেশনে-১০৮

    নোয়াখালী প্রতিনিধি

    নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০৮ শিশু।

    রোববার (৩১ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রাজীব আহমেদ চৌধুরী। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    মৃত শিশুর নাম সাওবান (সাড়ে ৩ বছর)। সে জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার পৌরকড়া গ্রামের মো. ওসমানের ছেলে।

    হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ মে হামের উপসর্গ নিয়ে সাওবানকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার তীব্র জ্বরের পাশাপাশি নিউমোনিয়াও ছিল। চিকিৎসকরা তাকে শিশু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার বিকেল থেকে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় এবং অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

  • ক্যানসার চিকিৎসায় ‘নজিরবিহীন’ ইনজেকশন আবিষ্কার

    ক্যানসার চিকিৎসায় ‘নজিরবিহীন’ ইনজেকশন আবিষ্কার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ক্যানসারবিরোধী নতুন এক ইনজেকশনের পরীক্ষা চালিয়েছেন চিকিৎসকরা, যা রোগীদের শরীরে থাকা সম্পূর্ণ টিউমার নির্মূল করে দিতে পারে। চিকিৎসকরা এই ফলাফলকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করেছেন। গবেষকরা এই পরীক্ষার ফলাফলকে ‘নজিরবিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১১টি দেশে আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় (ট্রায়াল) এমন রোগীদের শরীরে এই ইনজেকশ দেওয়া হয়, যাদের ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছে বা পুনরায় ফিরে এসেছে এবং অন্যান্য চিকিৎসায় যাদের কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।

    ফলাফলে দেখা গেছে, ‘অ্যামিভ্যান্টাম্যাব’ (Amivantamab) নামের এই ইনজেকশন এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি রোগীর টিউমার ছোট করতে পেরেছে। অনেকের ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। চিকিৎসকরা দেখতে পান, তাদের মধ্যে ১৫ জন রোগীর টিউমার সম্পূর্ণভাবে গলে গেছে।

    লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চের (আইসিআর) জৈবিক ক্যানসার চিকিৎসাবিষয়ক অধ্যাপক কেভিন হ্যারিংটন বলেন, ‘যেসব রোগীর ক্যানসার কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি উভয় চিকিৎসারই প্রতিরোধী (রেজিস্ট্যান্ট) হয়ে উঠেছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া।’

    তিনি বলেন, ‘এ ধরনের রোগীদের জন্য চিকিৎসার বিকল্প খুবই সীমিত। তাই এই উপকারিতা দেখা সত্যিই আশাব্যঞ্জক।’

    কেভিন হ্যারিংটন পাশাপাশি রয়্যাল মার্সডেন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের কনসালট্যান্ট অনকোলজিস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, ‘এই চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতি বছর হাজার হাজার ক্যানসার রোগীর উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’

    যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যানসার সম্মেলন ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি’র (অ্যাসকো) বার্ষিক সভায় রেবাবার এই ফলাফল উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

    মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে অভূতপূর্ব সাড়া

    বিশ্বের ষষ্ঠ সর্বাধিক প্রচলিত ক্যানসার মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসার। এই ট্রায়ালে মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ১০২ জন রোগীকে অ্যামিভ্যান্টাম্যাব ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের টিউমার ছোট হয়ে গেছে বা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। আর ২৮ জনের টিউমার উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হয়েছে এবং ১৫ জনের টিউমার পুরোপুরি নির্মূল হয়েছে।

    গবেষকরা বলেছেন, ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও এই ইনজেকশন একই ধরনের ফলাফল দেখিয়েছে। জনসন অ্যান্ড জনসনের আবিষ্কৃত অ্যামিভ্যান্টাম্যাব বর্তমানে প্রায় ৬০টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফুসফুসের ক্যানসারের পাশাপাশি মলাশয় (কোলোরেক্টাল), মস্তিষ্ক ও পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রেও এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    তিন উপায়েইনজেকশনের কর্মপ্রক্রিয়া

    এই ‘স্মার্ট’ ইনজেকশন তিনটি ভিন্ন উপায়ে ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করে প্রথমত, এটি ইজিএফআর (এপিডার্মাল গ্রোথ ফ্যাক্টর রিসেপ্টর) নামের এমন একটি প্রোটিনকে বাধা দেয়, যা টিউমারের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

    দ্বিতীয়ত, এটি এমইটি নামের একটি পথও বন্ধ করে দেয়, যেটি ব্যবহার করে ক্যানসারের কোষগুলো প্রচলিত চিকিৎসাকে ফাঁকি দিতে পারে।

    তৃতীয়ত, এটি রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় করে টিউমারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

    রোগীর অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়া

    এই চিকিৎসায় প্রথম দিকে সুফল পান ৫৬ বছর বয়সী কার্ল ওয়ালশ। ২০২৪ সালের মে মাসে তার জিবে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তিনি রয়্যাল মার্সডেনে ‘অরিগ্যামি-৪’ নামের ওই ট্রায়ালে যোগ দেন।

    কার্ল ওয়ালশ বলেন, ‘শুরুতে আমাকে কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেগুলো সফল হয়নি। পরে আমাকে অরিগ্যামি-৪ ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এখন আমি চিকিৎসার সপ্তদশ চক্রে আছি। এই অগ্রগতিতে আমি খুবই সন্তুষ্ট।’

    অন্যান্য ক্যানসার চিকিৎসার মতো অ্যামিভ্যান্টাম্যাব শিরায় স্যালাইনের মাধ্যমে না দিয়ে ত্বকের নিচে ছোট একটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়। ফলে এর চিকিৎসা দ্রুত, সহজ এবং বহির্বিভাগে পরিচালনা করাও সুবিধাজনক।

    প্রতি তিন সপ্তাহে একবার দেওয়া এই চিকিৎসার বেশির ভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই ছিল মৃদু বা মাঝারি মাত্রার। ১০ জনের মধ্যে একজনেরও কম রোগীকে এই চিকিৎসা বন্ধ করতে হয়েছে।

    ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের বাসিন্দা ওয়াশ বলেন, ‘আমি এখন প্রায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছি। ট্রায়াল শুরু করার আগে ফোলা ও ব্যথার কারণে ঠিকমতো কথা বলতে পারতাম না, খেতেও অনেক কষ্ট হতো। চিকিৎসা শুরুর পর ফোলা অনেক কমে গেছে এবং ব্যথাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কেমোথেরাপির সময় জীভনের ওপর যে প্রভাব বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছিল, এখন আর তা হচ্ছে না।’

    পুরোনো দিনের কথা মনে করে তিনি বলেন, অসুস্থতার সবচেয়ে কঠিন সময়ে তাকে স্যুপ, রাইস পুডিং, ক্যানজাত পাস্তা ও অমলেটের মতো নরম খাবার খেতে হতো। এর সঙ্গে দিনে তিনবার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পুষ্টিকর দুধের পানীয়ও খেতে হতো। এতে তার ওজনও বেশ কমে গিয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘চিকিৎসার মাত্র দুই চক্রের পর থেকেই আমার খাদ্যাভ্যাস স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং ছয় মাসের মধ্যে আমি সব ধরনের খাবার খেতে পারছিলাম। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় ছিল অনেক দিন পর প্রথম বড় স্টেক খাওয়া। আমার কথাবার্তাও এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক এবং কর্মক্ষেত্রে হেডসেট ব্যবহার করে নিয়মিত কথা বলতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’

    ইতিবাচক অগ্রগতি

    গবেষকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায মূলত মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর পরিচালিত হয়েছিল। তবে এ পরীক্ষায় হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) পজিটিভ ওরোফ্যারিন্জিয়াল স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমার রোগীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।

    তারা বলছেন, এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসা করা আরও কঠিন। তাই এই গ্রুপের রোগীদের ক্ষেত্রে এমন অগ্রগতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার পর এই ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বাঁচার সম্ভাবনা যেখানে খুবই কম, সেখানে অ্যামিভান্টাম্যাব নেওয়া রোগীরা চিকিৎসা শুরুর পর গড়ে সাড়ে ১২ মাস বেঁচে ছিলেন।

    আইসিআরের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ক্রিস্টিয়ান হেলিন বলেন, ‘এই গবেষণা দেখিয়েছে যে কীভাবে কঠোর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি করা সম্ভব, যা সীমিত চিকিৎসার সুযোগ থাকা রোগীদের ক্ষেত্রেও অর্থপূর্ণ অগ্রগতি এনে দিতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, ‘যখন এমন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করা অত্যন্ত কঠিন, এর মধ্যে এই মাত্রার প্রতিক্রিয়া এবং বেঁচে থাকার আশাব্যঞ্জক হার অর্জন করা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

    সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

  • হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে ৯৩ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে ৯৩ ব্যাচের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

     

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

    হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৩ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৩০ মে ২০২৬) বিকেলে বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৯৩ ব্যাচের বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ব্যাচের সদস্য বায়েজিদ। সাংবাদিক এস কে শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সৈয়দ রাফিউল আব্দাল। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মহিউদ্দিন আওয়াল, মুসলেউদ্দিন লস্কর, জামাল মিয়া, জয়ন্ত রায়, দীপু রঞ্জন দাস, বিধান রায়, বুরহান উদ্দিন, দুলাল, শাহজাহান, আব্দুল কুদ্দুছ, কাজী ফয়সল ও মারুফ আহমেদসহ অন্যান্যরা।

    অনুষ্ঠানে ব্যাচের প্রয়াত সহপাঠী মোশাহিদ উদ্দিন চৌধুরী মণি, শামসুন্নাহার, আব্দুল বাসির, দীপেশ চন্দ্র দাস, প্রাণগোপাল পৌদ্দার এবং বিদ্যালয়ের প্রয়াত শিক্ষকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    দীর্ঘ ৩৩ বছর পর প্রিয় শিক্ষাঙ্গনে একত্রিত হয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। বক্তারা বলেন, “মনে হচ্ছে আবার সেই কিশোর বয়সে ফিরে গেছি। জীবনের নানা ব্যস্ততা ও দূরত্বের কারণে দীর্ঘদিন পর হলেও বন্ধুদের সঙ্গে এই মিলনমেলা আমাদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    পুনর্মিলনীতে সহপাঠীদের মধ্যে হৃদ্যতাপূর্ণ মতবিনিময়, স্মৃতিচারণ, ছবি তোলা এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘুরে দেখার মধ্য দিয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মৌসুমি ফল ও বিকেলের নাস্তার বিশেষ আয়োজন করা হয়।

    অংশগ্রহণকারী প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার করেন।

  • টেকনাফে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    টেকনাফে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

     

    কক্সবাজার প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

    রবিবার (৩১ মে) দুপুর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে র‍্যাব-১৫ এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দমদমিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন দেলোয়ার হোসাইন (৩৬)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইকং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া (কাছারপাড়া) এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

    র‍্যাব জানায়, দেলোয়ার হোসাইন কক্সবাজারের রামু থানায় ২০১৮ সালে দায়ের হওয়া একটি মাদক মামলায় আদালত কর্তৃক পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হলে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।

    পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • ফরিদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে; বহু হতাহতের শঙ্কা

    ফরিদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে; বহু হতাহতের শঙ্কা

    ফরিদপুর প্রতিনিধি 

    ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ঝাটুরদিয়া বাজার এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার পাশের খাদে পড়ে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আল-বরাক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে মহাসড়ক দিয়ে চলছিল। ঝাটুরদিয়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হন।

    খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন নগরকান্দা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। পরে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ ও স্থানীয় পুলিশ সদস্যরাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

  • সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

    সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আদ-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    শনিবার (৩০ মে) হাসপাতালের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র‍্যাবসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ব্যাপক গণমাধ্যম কাভারেজের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবাকর্মীরা কয়েকদিন ধরে মানসিক চাপে দায়িত্ব পালন করছেন।

    শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনের পর বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিছু সাংবাদিক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে কথা বললে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। কয়েকজন কর্মী উত্তেজিত আচরণ করেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। সাংবাদিকদের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মান প্রদর্শনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে বিবেচনা করেন। আদ-দ্বীন হাসপাতাল সব সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

    সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনভিপ্রেত উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। কোনো কর্মীর আচরণে সাংবাদিকরা কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

  • রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

    রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্যে আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য-প্রমাণ রয়েছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।

    রোববার (৩১ মে) সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ফুটবল ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে পাঁচজন সদস্য চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তারা পরে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে আমাদের অবহিত করেছেন। বর্তমানে আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

    তিনি আরও বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। মাদকের বিরুদ্ধে সমাজের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।

    মন্ত্রী বলেন, সরকার সারাদেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামেলি কার্ড প্রদান করবে। এটি আমাদের প্রতিশ্রুতি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষক কার্ড চালু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম ও মন্দিরের পুরোহিতদের সরকারি ভাতা প্রদানের পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন এবং শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, শৈলকূপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লাসহ অন্যান্যরা।

  • ইরানে আক্রমণ করা উচিত হয়নি: ট্রাম্প

    ইরানে আক্রমণ করা উচিত হয়নি: ট্রাম্প

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্ময়কর মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ করা উচিত হয়নি। তবে একই সঙ্গে তার দাবি, কয়েক মাস আগে মার্কিন বাহিনী বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে হামলা না চালালে ইরান এখন পরমাণু অস্ত্রের মালিক হয়ে যেত। এছাড়া ইরানের সামরিক বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরি লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি বলেও দাবি করেছেন তিনি।

    সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান নিয়ে তার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে (হামলা চালাতে) যাওয়া উচিত হয়নি। ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প একথা বলেন। একই সাক্ষাৎকারে ইরাক যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাগদাদে কিংবা ইরানে মার্কিন বাহিনীর যাওয়া উচিত হয়নি।

    তিনি বলেন, ‘ইরাকে যা ঘটেছিল, তা দেখুন। আমরা খুব খারাপ করেছি। আমরা যা করেছিলাম, তা ছিল অত্যন্ত বোকামি। আসলে প্রথম থেকেই আমাদের সেখানে (হামলা চালাতে) যাওয়া উচিত ছিল না।’

    এরপর তিনি ইরানের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘আমাদের ইরানেও (হামলা চালাতে যাওয়া) উচিত হয়নি। কিন্তু ইরানের সেই সক্ষমতা আছে। যদি আমরা ৯ মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না চালাতাম, তাহলে এই মুহূর্তে তাদের হাতে একটি পরমাণু অস্ত্র থাকত এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।’

    ট্রাম্প আরও বলেন, ‘সম্ভবত তখন ইসরায়েল থাকত না। হয়তো পুরো মধ্যপ্রাচ্যই থাকত না। এরপর পরিস্থিতি কোথায় গড়াত, তা কল্পনা করাও কঠিন’। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবেই ইরানের সামরিক বাহিনীকে পুরোপুরি লক্ষ্যবস্তু করেনি।

    তার ভাষায়, ‘তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা মোটামুটি ছেড়ে দিয়েছি, কারণ আমরা মনে করি তাদের সামরিক বাহিনী কিছুটা মধ্যপন্থি। তবে অন্য কিছু লোক আছে, যারা মধ্যপন্থি নয়। আমরা তাদের সরিয়ে দিয়েছি। নেতৃত্বের বিভিন্ন স্তরের লোকজনকে আমরা লক্ষ্যবস্তু করেছি। কিন্তু সামরিক বাহিনীকে আমরা আসলে ছেড়ে দিয়েছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে এটা শুনে বিস্মিত হতে পারেন। কারণ যুদ্ধে এমন ভুল হয়েছে, যেখানে সবাইকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। তারপর এমন একটি দেশ তৈরি হয়েছে, যা ৪০ বছরেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।’