Author: Jvadmin

  • নাসিরনগরের গোয়ালনগরে তিন খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুইজন রিমান্ডে

    নাসিরনগরের গোয়ালনগরে তিন খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুইজন রিমান্ডে


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ৪নং গোয়ালনগর ইউনিয়নে আলোচিত সংঘর্ষ ও তিন খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান দুই আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

    রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আজহারুল হক চৌধুরী এবং গোয়ালনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাসেম মিয়া।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোয়ালনগরে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় উভয় পক্ষ পৃথক মামলা দায়ের করে। তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে শনিবার (১৬ মে) দুই আসামিকে নাসিরনগর থানায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

    এর আগে চেয়ারম্যান মো. আজহারুল হক চৌধুরীকে নাসিরনগর উপজেলা সদর এলাকা থেকে বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি হত্যা মামলারও প্রধান আসামি বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    অন্যদিকে, কাসেম মিয়াকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর এলাকা থেকে আটক করা হয়।

    পুলিশ জানায়, রিমান্ডে এনে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উল্লেখ্য, গোয়ালনগর ইউনিয়নের এ সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।

  • হামলার মধ্যেও ৩ নবজাতককে যেভাবে বাঁচালেন ইরানি নার্স

    হামলার মধ্যেও ৩ নবজাতককে যেভাবে বাঁচালেন ইরানি নার্স

    জেভি২৪ ডেস্ক

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় কেঁপে উঠছিল তেহরানের খাতাম আল-আনবিয়া হাসপাতাল। চারদিকে ধোঁয়া আর আতঙ্কে ছুটোছুটি করছিল মানুষ। সেই ভয়াবহ মুহূর্তে নিজের জীবনের কথা না ভেবে ৩ নবজাতককে বুকে জড়িয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যান ইরানি নার্স নেদা সালিমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া সেই ভিডিও এখন সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

    গত ১ মার্চ সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালের পাশের একটি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বোমা হামলায় প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে হাসপাতালের জানালার কাচ ভেতরে ঢুকে পড়ে, ছাদের অংশ ভেঙে পড়ে ধুলার মেঘ তৈরি হয়। আতঙ্কিত রোগীরা ধোঁয়াভরা করিডোর দিয়ে দৌড়ে পালাতে থাকেন।

    হাসপাতালের পঞ্চম তলার নবজাতক ওয়ার্ডে তখন তিনটি শিশু শুয়ে ছিল। জন্মের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পেরিয়েছে তাদের। বিস্ফোরণের মুহূর্তে শিশুদের পাশেই বসে প্রতিবেদন লিখছিলেন নার্স নেদা সালিমি।

    তিনি বলেন, ভাবার সময় ছিল না। মাথায় শুধু একটাই চিন্তা ছিল শিশুগুলোকে নিরাপদ জায়গায় নিতে হবে।

    নিরাপত্তা ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা যায়, বিস্ফোরণের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিন নবজাতককে বুকে তুলে নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন তিনি। চারদিকে তখন ধ্বংসাবশেষ ঝরছে।

    সাত সেকেন্ডের সেই ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওতে ধরা পড়েনি পরের পরিস্থিতি। করিডোরে পৌঁছে দুই নবজাতককে সহকর্মীদের হাতে তুলে দেন তিনি। আরেক শিশুকে বুকে চেপে ধরে হাসপাতালের আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটতে থাকেন।

    নেদা বলেন, আমরা শিশুদের পুরো সময় কোলে রেখেছিলাম, যাতে তারা আঘাত না পায়। আশ্রয়কেন্দ্রে তখন শুধু ভয় আর মানুষের একে অন্যকে সাহায্য করার চেষ্টা।

    তিন শিশুর মধ্যে দুইজন ছেলে ও একজন মেয়ে। হামলার এক ঘণ্টারও কম সময় আগে তাদের জন্ম হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের পর মায়েরা তখনো শয্যায়। বিস্ফোরণের পর অনেকে ভেবেছিলেন, তাদের সন্তান হয়তো বেঁচে নেই।

    নেদা বলেন, অবশেষে যখন মায়েদের খুঁজে পেলাম এবং শিশুদের তাদের হাতে ফিরিয়ে দিলাম, সেটাই ছিল সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। কয়েক মিনিটের জন্য আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম যে বাইরে যুদ্ধ চলছে।

    ৩৬ বছর বয়সী নেদা সালিমি কেরমানশাহর বাসিন্দা। ইরান ইউনিভার্সিটি অব মেডিকেল সায়েন্সেসে নার্সিংয়ে পিএইচডির শেষ সেমিস্টারে পড়ছেন তিনি। প্রায় ১২ বছর ধরে নার্স হিসেবে কাজ করছেন। শিশু ও নবজাতক পরিচর্যায় রয়েছে এক দশকের অভিজ্ঞতা। তিনি এক ছয় বছর বয়সী সন্তানের মা।

    তিনি বলেন, নবজাতকদের সঙ্গে প্রতিদিন কাজ করতে করতে তাদের প্রতি এক ধরনের দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। মা হওয়ায় সেই অনুভূতি আরও গভীর হয়েছে।

    নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে নেদা বলেন, এক মুহূর্তে হয়তো কোনো শিশুকে বাঁচানো যায় না, আর কিছুক্ষণ পর আরেক মাকে হাসিমুখে বুকের দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দিতে হয়। এখানে শোক আর আশার মধ্যে প্রতিনিয়ত চলাফেরা করতে হয় আমাদের।

    যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যেও হাসপাতালের কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। মার্চের হামলার আগে ২০২৫ সালের জুনের ১২ দিনের যুদ্ধেও নবজাতকদের সরিয়ে নেওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিল নেদার।

    তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে বসে আমি আল্লাহর কাছে কয়েক মিনিট সময় চেয়েছিলাম। শুধু এতটুকু, যাতে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারি। এরপর যদি মৃত্যু আসে, তাতেও আপত্তি ছিল না।

    ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাতারাতি আলোচনায় চলে আসেন নেদা। প্রতিবেশীরা বাড়িতে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন। হাসপাতালেও ফোনের পর ফোন এসেছে।

    তবে নেদা মনে করেন, এটি কোনো একার সাহসিকতা নয়। সেদিন আমার সব সহকর্মী সাহসিকতার সঙ্গে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

    এখনও তিনি তিন শিশুর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তার জানা মতে, তিনজনই সুস্থ আছে। নেদা বলেন, এটাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ। তিনটি ছোট হৃদস্পন্দন এখনও চলছে।

    যুদ্ধের পরও নার্সদের ওপর মানসিক চাপ ও সংকট রয়ে গেছে বলে জানান তিনি। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, জনবল সংকট, অর্থনৈতিক চাপ এবং যুদ্ধের মানসিক ক্ষত বয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাদের।

    নেদা বলেন, যখন চারদিকে বোমা পড়ে আর কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসে না, তখন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আশার আলো জ্বালানোই আসল দায়িত্ব। একজন ভালো নার্সের শুধু দক্ষতা নয়, মানবিক হৃদয়ও থাকতে হয়।

    ভবিষ্যতে বড় হয়ে যদি সেই শিশুরা একদিন জানতে পারে জন্মের প্রথম ঘণ্টায় কী ঘটেছিল। তিনি চান তারা বুঝুক, তাদের জীবন এক অলৌকিক উপহার।

    মৃদু হাসি দিয়ে নেদা বলেন, আমি চাই তারা শক্ত ও মানবিক মানুষ হয়ে উঠুক। তাহলেই মনে হবে, সবকিছু সার্থক ছিল।

    সূত্র : প্রেস টিভি

  • সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

    সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

    জেভি২৪ ডেস্ক

    টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন, সংসদীয় ককাস গঠন, মানসম্পন্ন শিক্ষা, সুশাসন এবং সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিশ্চিতের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

    তিনি বলেছেন, ‘সংসদ-সদস্য হওয়ার আগেও সংখ্যালঘু, মানবাধিকার, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নিয়ে আমি কাজ করেছি। যার ফলশ্রুতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গারো ও হাজং সম্প্রদায় দ্ব্যর্থহীনভাবে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে। এ সম্প্রদায়গুলোকে মূলধারার সঙ্গে সংযুক্ত করার মাধ্যমে তাদের দুর্দশা লাঘবের জন্যে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    রোববার (১৭ মে) জাতীয় সংসদ ভবনে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ‘ওয়েস্টমিনিস্টার পদ্ধতির সংসদে সংসদীয় ককাস খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসডিজির লক্ষ্যসমূহ অর্জনে আগ্রহী সংসদ-সদস্যদের সমন্বয়ে ককাস গঠনের মাধ্যমে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। বর্তমান সংসদের তরুণ এমপিরা উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সর্বদা কাজ করছেন।’

    নাগরিক প্লাটফর্মের প্রতিনিধিদল জানায়, এই প্ল্যাটফর্মটি দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেমন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি প্রমুখের কল্যাণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করে থাকে এবং একটি স্বাধীন সংসদীয় ককাস গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    সাক্ষাৎকালে উভয়পক্ষ মানসম্পন্ন শিক্ষা, জনসেবা, সুশাসন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।

    এসময় অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, কোর গ্রুপ সদস্য, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও সম্মাননীয় ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি); ড. ইফতেখারুজ্জামান, কোর গ্রুপ সদস্য, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও নির্বাহী পরিচালক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি); সঞ্জীব দ্রং, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম; হাসিন জাহান, কান্ট্রি ডিরেক্টর, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ; জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ; আশরাফুন নাহার মিষ্টি, নির্বাহী পরিচালক, উইম্যান উইথ ডিজএ্যাবিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডব্লিউডিডিএফ), তারান্নুম জিনান, নেটওয়ার্ক ফোকাল পয়েন্ট, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নোয়াখালীতে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বেলায়েত গ্রেফতার

    নোয়াখালীতে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বেলায়েত গ্রেফতার

    ​মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী

    নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ মো: বেলায়েত (৫৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

    ​শনিবার (১৬ মে) রাতে সুধারাম মডেল থানাধীন লক্ষ্মীনারায়নপুর এলাকার সুজা মিয়া সারেং বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়।

    ​গ্রেফতারকৃত বেলায়েত ওই এলাকার মৃত মোঃ আবুল হেসেনের ছেলে।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, নোয়াখালী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক মোঃ আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম লক্ষ্মীনারায়নপুর ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বেলায়েতের বসতঘরে অভিযান চালায়। এ সময় তার নিজ দখলীয় টিনের ঘর তল্লাশি করে ১৭ গ্রাম ওজনের ১৮০ পিস অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    ​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) ধারার সারনির ক্রমিক ১০(ক) অনুযায়ী সুধারাম মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স অনুযায়ী এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য নোয়াখালী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভুর নেতৃত্বে জেলা মাধক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদক বিরোধী অভিযান ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে উঠেছে।

  • আগামী অর্থবছরে মেঘনার ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে- পানি সম্পদ মন্ত্রী

    আগামী অর্থবছরে মেঘনার ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে- পানি সম্পদ মন্ত্রী

    মুহাম্মদ সুমন ভূঁইয়া, নোয়াখালী

    পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বরাবরই প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে আমরা এ অঞ্চলের (উপকূলের) লোকজন বসবাস করি আসছি। তাই নদীর পাড়ে আমরা যারা থাকি আমরা সবসময় ভাঙন,প্লাবন ও বন্যাসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলা করে বসবাস করতে হয়। এসব মাথায় রেখে ইতোমধ্যে বর্ষাকালকে সামনে রেখে ভাঙন রোধে ইমারজেন্সি (জরুরি) কাজ শুরু করেছি।তবে আরও কিছু জায়গায় নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হবে।

    আগামী অর্থবছরে নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

    রোববার দুপুরবেলা নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের কাটাখালি ঘাটে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, এদিকে হাতিয়া,উড়িরচর,স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচরসহ নদী ভাঙন এলাকায় সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।এছাড়া অনেকগুলো প্রকল্পও আমাদের রয়েছে। এর বাইরে মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা নদী ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে কিছু কাজ করা। সে অনুযায়ী এ এলাকায় যেখানে কাজ করা বেশি জরুরি,সেখানে স্থায়ীভাবে আমরা কিছু কাজ করবো। স্টাডি রিপোর্ট শেষ হওয়ার পর আগামী অর্থবছরেই আমরা এ কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করবো।

    এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান বলেন,আমরা যে কোন কিছুর বিনিময়ে হোক নদী ভাঙ্গন রোধ করবো।
    এর আগে মন্ত্রীকে নদী ভাঙনকৃত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখান স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুন উর রশিদ আজাদ, সদস্য শহীদুল ইসলাম কিরণ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছাবের আহমেদ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেফাত জামিলসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংঠনসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

  • ডোমারে হাটে পশু বিক্রির রশিদে অতিরিক্ত টাকা তোলার অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় মোবাইল ভাঙচুর

    ডোমারে হাটে পশু বিক্রির রশিদে অতিরিক্ত টাকা তোলার অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় মোবাইল ভাঙচুর

    নীলফামারী প্রতিনিধি

    নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বসুনিয়া হাটে পশু বিক্রির রশিদে নির্ধারিত ইজারা মূল্য উল্লেখ না করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে হাট ইজারাদারদের বিরুদ্ধে। এছাড়া মসজিদের নামে চাঁদা তুললেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। প্রতিবাদ করায় এক যুবককে মারধর ও তার মোবাইল ফোন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা তোলা হলেও সেই টাকা মসজিদে দেওয়া হয় না। হাটে কোথাও নির্ধারিত ইজারা মূল্যের তালিকা টাঙানো নেই। অনেক বিক্রেতার কাছ থেকে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি নেওয়া হলেও রশিদে তা উল্লেখ করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইজারাদারদের পক্ষ থেকে হুমকি ও মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

    বসুনিয়া হাট জামে মসজিদের সহকারী সেক্রেটারি মো. আহেদ আলী বলেন, “প্রতি হাটে মসজিদের নামে অতিরিক্ত চাঁদা নেওয়া হলেও মসজিদে কোনো টাকা দেওয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেও কোনো সমাধান হয়নি।”

    রশিদে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় মমিনুর নামে স্থানীয় এক যুবক মারধরের শিকার হন। এ সময় মোবাইলে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে তার মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ফুলবাড়ি থেকে আসা গরু বিক্রেতা রহিদুল ইসলাম বলেন, “গরু বিক্রির পর আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পারি নির্ধারিত ইজারা ৬০০ টাকা।”

    ডোমারের পাঙ্গা মটকপুর থেকে আসা আরেক বিক্রেতা জিয়ারুল অভিযোগ করেন, “আমার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু রশিদে সেই টাকার পরিমান উল্লেখ নেই।”

    এ বিষয়ে বসুনিয়া হাটের ইজারাদার জাহিরুল ইসলাম বলেন, “রশিদ অনুযায়ী ৬০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন খরচের কারণে বর্তমানে অতিরিক্ত ১০০ থেকে ২০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঈদ হাট উপলক্ষে সামনে ১ হাজার টাকা করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য হাটে কোনো চার্ট টাঙানো হয়নি।”

    ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী জানান, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিলোনা। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।”