Author: Jvadmin

  • ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    ৬ দফা দাবিতে বগুড়ায় ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

    বগুড়া প্রতিনিধি

    ৬দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। রবিবার (৭ জুন) সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হয়। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তারা।

    মানববন্ধনে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টর’স অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) সভাপতি নিয়ামুল বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি অঘোষিত নোটিশের বিরুদ্ধে আজকের এই কর্মবিরতি। ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশের সকল মেডিকেলের ইন্টার্ন একসাথে কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

    আমাদের ভাতা ৩০ হাজার টাকায় এবং মিড লেভেল ট্রেইনি ডাক্তারদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বিসিপিএস-এর পরীক্ষার ফি কমানো এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক এবং আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এগুলো বাস্তবায়ন করুক। এসময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাফিউন জান্নাত ও ইন্টার্ন চিকিৎসক উপমাসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।

    মানববন্ধনে ৬দফা দাবির তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো-স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের নীতিমালা সংক্রান্ত কমিটির প্রস্তাবনা বাতিল, বিএমইউ ও বিসিপিএস-এর ভর্তি পরীক্ষার ফি কমিয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে আনা, নতুন পে-স্কেলের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৯ম গ্রেডের সমপর্যায়ে উন্নীতকরণ এবং প্রতি মাসে তা যথাসময়ে প্রদান, অবিলম্বে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সাধারণ প্রার্থীদের চেয়ে ২ বছর বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা এবং শ্রম আইন ২০০৬-এর যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা।

    মানবন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বলেন, আমাদের পেশাটি মূলত সেবামূলক। আমরাও চাই না বারবার রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলতে। হাসপাতালে যেকোনো রোগীর ক্ষেত্রে ফার্স্ট ডিফেন্স হিসেবে আমরাই প্রথম চিকিৎসাসেবা দিই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে প্রতিনিয়ত দেশের কোনো না কোনো মেডিকেল কলেজে আমরাই হামলার শিকার হচ্ছি। চিকিৎসকদের সুরক্ষায় এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর নিরাপত্তা আইন করা হয়নি।

    তারা বলেন, যদি মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবিগুলো মেনে না নেয়। তবে দেশব্যাপী সমন্বিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • কুবি রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে সাকিব-নাঈমুর

    কুবি রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে সাকিব-নাঈমুর

     

    কুবি প্রতিনিধি

    রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোটা বর্ষ ২০২৬-২৭ এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফার্মেসী বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান।

    শনিবার (৬ জুন) ক্লাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রোটার‍্যাক্ট (পিপি) মো. মাসুম বিল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্য রোটার‍্যাক্ট (পিপি) মো. আবিদুর রহমান ও রোটার‍্যাক্ট (পিপি) শেখ শাকিল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নাঈমুর রহমান বলেন, “রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির সেক্রেটারি নির্বাচিত করায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। এটিকে পদ নয়, বড় দায়িত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক মনে করি। আমার মূল লক্ষ্য ক্লাবের কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করা এবং সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সবার সহযোগিতায় আগামী রোটা ইয়ারে নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে আমরা ক্লাবকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।”

    নব নির্বাচিত সভাপতি নাজমুস সাকিব বলেন, ​”রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অফ কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সেবা ও নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত রোটা বর্ষে আমরা রোটাক্যাম্প, ক্যারিয়ার বিফর ডিগ্রি, ফ্রিল্যান্সিং বুটক্যাম্প -এর মতো ক্যারিয়ার ভিত্তিক প্রোগ্রাম এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা প্রকল্প ‘পুষ্পায়ন’, শীতবস্ত্র বিতরণ ও বৃক্ষরোপণের মতো মানবিক উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি।”

    তিনি আরে বলেন, “​অতীতের এই অভিজ্ঞতা আমাদের আগামী দিনের পথচলার অনুপ্রেরণা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় চলমান রোটা বর্ষে আমরা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারব এবং সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করব।”

    আগামী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রদান করা হবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ১১ জুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী

    ১১ জুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন।

    রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    এর আগে সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৭ মে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেন।

    আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলা, ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি, সুদ পরিশোধের চাপ এবং সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের কারণে ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।

    মূলত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড ঘাটতি বাজেটের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। আগামী অর্থবছর মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হচ্ছে।

  • বগুড়ায় পৃথক ডাকাতির ঘটনায় চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

    বগুড়ায় পৃথক ডাকাতির ঘটনায় চক্রের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

     

    বগুড়া প্রতিনিধি 

    বগুড়ার নন্দীগ্রাম ও শিবগঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার (৬ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় বগুড়া জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া শাবলা এলাকার আসলাম সাকিদার (২৭), তালোড়া ভেলুরচক এলাকার জিয়ারুল ইসলাম (৪৬), তালোড়া নওদাপাড়া এলাকার জুয়েল প্রামানিক (২৪), শিবগঞ্জের রহবল পশ্চিমপাড়া এলাকার সাইদুর মন্ডল (৩৬) এবং কাহালুর প্রতাপপুর এলাকার আঃ ওহাব (২৮)।

    জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে আসলাম ও জুয়েল পেশাদার ডাকাত। গত বছরের ১৭ অক্টোবর দুপচাঁচিয়ার তালোড়া বাজারে এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা ও ডাকাতির ঘটনার মূল হোতা ছিলেন এই জুয়েল ও আসলাম। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন তাঁরা। মাত্র ৪ মাস পর জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও তাঁরা ডাকাতি চক্র গড়ে তোলেন।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, গত ১২ মে রাত ২টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার বীরপলি ফকিরপাড়া গ্রামের মোঃ রশিদুল আলমের বাড়িতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল প্রবেশ করে। তারা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে একটি মোটরসাইকেল, স্বর্ণালংকার, টেলিভিশন, মোবাইল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় মামলা হলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় ছায়াতদন্ত শুরু করে ডিবি পুলিশ।

    শুক্রবার (৫ জুন) ডিবি পুলিশ কাহালু, দুপচাঁচিয়া ও সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসলাম সাকিদার, জিয়ারুল ইসলাম ও সাইদুর মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মোটরসাইকেল, একটি বাটন মোবাইল ও নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও জানান, গত ৩১ মে রাত ২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ দহপাড়া গ্রামের জিয়াউল হকের বাড়িতে একই কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতেরা গৃহকর্তাকে মারধর ও রক্তাক্ত জখম করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও স্মার্টফোনসহ মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে। এঘটনায় শুক্রবার (৫ জুন) ডিবির একই দল শিবগঞ্জ ও কাহালু থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়েল প্রামানিক ও আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাঁদের কাছে থেকে লুণ্ঠিত সাড়ে ৭ আনা স্বর্ণালংকার এবং কিছু ইমিটেশনের গহনা উদ্ধার করা হয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে জুয়েল প্রামানিকের বিরুদ্ধে ১০টি, আসলাম সাকিদারের বিরুদ্ধে ৫টি, সাইদুর মন্ডলের বিরুদ্ধে ২টি এবং জিয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১টি মামলা রয়েছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অন্যান্য মালামাল উদ্ধারে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে দোকানের জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

    রোববার (৭ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী (ছোট গোষ্ঠী) পক্ষের জুবায়েরের সঙ্গে বাদৈর বাড়ির (বড় গোষ্ঠী) জয়নাল মিয়ার একটি দোকানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দোকানটি ছোট গোষ্ঠীর শিরো মিয়া পরিচালনা করে আসছিলেন।

    স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ চারদিন আগে অনুষ্ঠিত এক গ্রাম্য সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

    এরই জের ধরে রোববার সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হলে টেঁটা, বল্লম ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন টেঁটাবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন।

    খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

    আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামি শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

    সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একই ধরনের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

    সভায় উপস্থিত সদস্যরা এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

    শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

    আজ রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের মতে, এই রায় দেশের বিদ্যমান বিচারিক ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় আনীত অভিযোগসমূহ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় অপরাধীদের সর্বোচ্চ এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

    মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আদালতের নির্দেশনায় মূল আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং সহযোগী হিসেবে তার স্ত্রী স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিচারিক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জরিমানার এই অর্থ প্রয়াত শিশু রামিসার বৈধ উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া অপরাধীরা এই অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের মালিকানাধীন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ নিহতের পরিবারকে প্রদানের সুনির্দিষ্ট আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    আলোচিত এই রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদু্স কাজল গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। দ্রুততম সময়ে বিচার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার নেপথ্যে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রের সব যন্ত্র অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে ও সমন্বিত উপায়ে কাজ করেছে। আর সে কারণেই এত দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।”

    অ্যাটর্নি জেনারেল আরও উল্লেখ করেন যে, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এই বিচারিক কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তার সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “এত কম সময়ের মধ্যে এই মামলার বিচার সম্পন্ন করার মাধ্যমে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে।” এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে অপরাধের প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং অপরাধীদের কাছে একটি জোরালো সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে। মূলত রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগের কারণেই এই নজিরবিহীন দ্রুত বিচার সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • হামে কুমিল্লায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু

    হামে কুমিল্লায় আরও ১ শিশুর মৃত্যু

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুর নাম সিমরান (৬ মাস)। সে কুমিল্লা নগরীর নুরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শিমুল মিয়ার কন্যা। এই সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জুন হামের উপসর্গ নিয়ে সিমরানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিয়া মঞ্জুর আহমেদ।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের নিয়মিত ও সময়মতো টিকা গ্রহণ না করানো এবং অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণেই মূলত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আশার কথা হলো, আগের তুলনায় বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৩০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    সিভিল সার্জন কার্যালয় ও চিকিৎসকরা শিশুদের সময়মতো হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। পাশাপাশি শিশুদের শরীরে তীব্র জ্বর, ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ, কাশি কিংবা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • টেকনাফে র‍‍্যাব-১৫ এর অভিযানে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

    টেকনাফে র‍‍্যাব-১৫ এর অভিযানে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

     

    কক্সবাজার প্রতিনিধি 

    কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫।

    রবিবার (৭ জুন) র‌্যাব-১৫ এর পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি মো. আফছার (২৭)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার বদিউর রহমানের ছেলে।

    র‌্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৬ জুন রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আফছার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানায় ২০১৫ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় আদালত আফছারকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাব-১৫ জানিয়েছে, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি এবং আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে চালকদের মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

    বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে চালকদের মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ

     

    বগুড়া প্রতিনিধি

    বগুড়ার কুন্দারহাট হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে অটোরিকশা রেখে চালকেরা বিক্ষোভ করেন।

    আজ রবিবার বেলা ১০ টা থেকে বেলা ১২ টা পযন্ত বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার জামাদারপুকুরে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন স্থানীয় অটোরিকশাচালকেরা।

    তবে কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজ উদ্দিন বলেন, কোনো সিএনজি থেকে হাইওয়ে পুলিশের চাঁদা নেওয়া সত্যতা নেই।তবে কোন পুলিশ এ কাজে জড়িত থাকে তাহলে আমারা প্রমাণ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।