Author: Jvadmin

  • নগরকান্দায় ডাঙ্গী ইউনিয়নে ঈদের ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

    নগরকান্দায় ডাঙ্গী ইউনিয়নে ঈদের ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ৮ নং ডাঙ্গী ইউনিয়ন পরিষদে ঈদ উপলক্ষে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

    শনিবার (২৩ মে) ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ চাল বিতরণ করা হয়।

    সরকারের পক্ষ থেকে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও অনেক সুবিধাভোগী অভিযোগ করেন, তাদের কম ওজনের চাল দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, ইউনিয়নে মোট ৫৫৫ জন সুবিধাভোগীর মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।

    চাল বিতরণের সময় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালামকে পরিষদে পাওয়া যায়নি।

    এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি দাওয়াত খাইতে একজায়গায় আইছি। ট্যাগ অফিসারের প্রতিনিধি আছে, তারা থাইকা দিতেছে। তারা ১০ কেজি দিবে না ১১ কেজি দিবে তারা ভালো জানে।”

    তবে পরিষদে মহিলা ইউপি সদস্য সালমা জাহানকে উপস্থিত থেকে প্রতিটি স্লিপে স্বাক্ষর করতে দেখা যায়।

    স্থানীয়রা জানান, বালতি ভরে ওজন করে চাল বিতরণ করা হচ্ছিল। সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, ১০ কেজির পরিবর্তে ৯ কেজি ৫০০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হচ্ছে।

    ট্যাগ অফিসারের প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “আমি এসে দেখি ১০ কেজির জায়গায় ৪০০ গ্রাম কম। পরে বলছি ওজন করে ঠিক করে দিতে। আমি একটু বাহিরে গেছি, এসময় একটু অনিয়ম হতে পারে।”

    এদিকে চেয়ারম্যান পরিষদে উপস্থিত না থাকায় সুবিধাভোগীদের স্লিপে স্বাক্ষর নিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।

    পরিষদ থেকে চাল নেওয়ার পর শ্রীরামদিয়া গ্রামের জয়ন্তী রানী,(স্বামী-পরিমল মন্ডল) তার চাল ডিজিটাল পাল্লায় ওজন করে দেখেন, ১০ কেজির পরিবর্তে ব্যাগে রয়েছে মাত্র ৯ কেজি ৩৯৬ গ্রাম চাল।

    উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদ উপলক্ষে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সরকার ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়। স্থানীয়দের দাবি, সঠিক ওজন নিশ্চিত করে স্বচ্ছতার মাধ্যমে চাল বিতরণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

  • শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় বিশেষ পিপি নিয়োগ দিলো সরকার

    শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় বিশেষ পিপি নিয়োগ দিলো সরকার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার (২৩ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

    আইন ও বিচার বিভাগ শাখার ডেপুটি সলিসিটর (জিপি-পিপি) মো. রফিকুল ইসলামের সই করা ওই আদেশে বলা হয়, দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ এর ৪৯২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পল্লবী থানার মামলা নম্বর ৩৫, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ২০১ পেনাল কোডে রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    এদিকে শনিবার শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল জোরপূর্বক তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাথরুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এতে শিশু রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর মধ্যেই তার মা রামিসার খোঁজে তাদের দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন।

    ওই সময় গ্রেপ্তার সোহেল রানা ছোট্ট রামিসাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে শরীর থেকে আলাদা করেন। সেই সঙ্গে দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। একই সময় শিশুটির সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই রুমে ছিল। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল।

    আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে করা ‎পুলিশের আবেদনে বলা হয়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

    একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

    আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে কাটা মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

    অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • নগরকান্দায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    নগরকান্দায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

     

    শাহ্ জালাল, ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬ উপলক্ষে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ ও কাবিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৩ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন-এ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

    প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদের অভিনন্দন জানান।

    বক্তারা বলেন, প্রাথমিক স্তরে সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমন প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মাঝে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি করার পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করে।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আনন্দ-উৎসবমুখর পরিবেশে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

  • আট বছরের প্রতীক্ষা ও অনিশ্চিত গন্তব্য: গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ প্রকল্প

    আট বছরের প্রতীক্ষা ও অনিশ্চিত গন্তব্য: গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ প্রকল্প

    এম টি রহমান মাহমুদ, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

    গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত দাঁতের চিকিৎসা পাওয়া এখন এক দীর্ঘ বিড়ম্বনার নাম। আধুনিক বিশেষায়িত চিকিৎসার আশায় ২০১৮ সালে শুরু হওয়া ‘গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল’ নির্মাণকাজ আট বছর পেরিয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি। দফায় দফায় সময় বৃদ্ধি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ঝুলে আছে জেলার এই গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের ভাগ্য। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা স্থবির হয়ে পড়ায় জনমনে চরম ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।

    সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে প্রায় ৭.৫ একর জমির ওপর বাস্তবায়িত হচ্ছে এই বিশাল প্রকল্প। ১৩টি পৃথক অবকাঠামো নিয়ে গঠিত এই কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ও একাডেমিক ভবনসহ প্রায় সব কাঠামোর কাজই দৃশ্যমান। তবে পরিসংখ্যান বলছে, এই দীর্ঘ সময়ে প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বেড়েছে কয়েক গুণ: দেখার কেউ নেই..?

    শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯৩ কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

    • প্রথম দফায় ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ১১২ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এবং একনেকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় সংশোধন করে প্রকল্পের ব্যয় বর্তমানে ১৩৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

    • ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ছিল প্রায় ৭২% এবং আর্থিক অগ্রগতি ছিল ৫৯%।

    জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও প্রশাসনিক রদবদলের কারণে বর্তমানে প্রকল্পের ফান্ড বা অর্থ বরাদ্দ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও তা উদ্বোধনের মুখ দেখছে না। গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের মেয়াদ পুনরায় ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি এবং বকেয়া বরাদ্দ পাসের জন্য মন্ত্রণালয়ে নতুন করে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ে বাকি ২৮% কাজ শেষ করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি।

    একটি পূর্ণাঙ্গ ডেন্টাল হাসপাতাল না থাকায় জেলার রোগীদের দাঁতের জটিল সমস্যার জন্য ঢাকা বা পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ছুটতে হচ্ছে। এতে যেমন সময়ের অপচয় হচ্ছে, তেমনি চিকিৎসার ব্যয়ভার সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অথচ এই কলেজটি চালু হলে প্রতি বছর কয়েকশ শিক্ষার্থী ডেন্টাল সার্জারিতে (BDS) পড়ার সুযোগ পেত এবং হাজার হাজার মানুষ স্বল্পমূল্যে আধুনিক চিকিৎসা সেবা পেত।

    গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল শুধু একটি ইটের দালান নয়, এটি এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বপ্ন। অবকাঠামো তৈরি হয়ে পড়ে থাকা মানে রাষ্ট্রের বড় অঙ্কের বিনিয়োগের অপচয়। বর্তমান সরকারের কাছে জেলাবাসীর দাবি, জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত অর্থ অবমুক্ত করা হোক। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে যেন এই হাসপাতালের দুয়ার রোগীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়, সেটিই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। গোপালগঞ্জ বাসী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এর কাছে জোর দাবী জানান যেন দক্ষিণ বাংলার জনগণ যেমন বাগেরহাট, পিরোজপুর, নড়াইল, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ জেলা সকল জেলার সাধারণ মানুষ এই সেবা পাবে আপনার ভালবাসায়। এই প্রত্যাশা সাধারণ জনগণের।

  • ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত যুবকের লাশ উদ্ধার

    ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত যুবকের লাশ উদ্ধার

    স্টাফ রিপোর্টার

    কুষ্টিয়ায় ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরুল আবসার (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেন কোর্ট স্টেশনে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ট্রেনের ছাদ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পোড়াদহ রেলওয়ে পুলিশ।

    নিহত নুরুল ইসলাম চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার সাধনপুর এলাকার বজল আহমেদের ছেলে।

    পুলিশ বলছে, লাশের পকেটে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি যাচাই করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুষ্টিয়া শহরের মিললাইন রেলগেট ক্রস করার সময় নির্মাণশ্রমিকেরা ট্রেনের ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরুল ইসলামকে পড়ে থাকতে দেখে।

    এ সময় রেলগেট ক্রসিংয়ে অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিরা স্থানীয় সাংবাদিক রবিউল ইসলাম হৃদয়কে ঘটনাটি জানান। ট্রেনটি রেলগেট ক্রস করলে সাংবাদিক হৃদয় ও কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল তাৎক্ষণিক কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে গিয়ে রেলওয়ে পুলিশকে জানান। সংবাদ প্রদান করার পর ট্রেন থামিয়ে ছাদ থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে পোড়াদহ রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম বলেন, ট্রেনের ছাদ থেকে রক্তাক্ত একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের একটি ফটোকপির মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।  মাথায় আঘাত লেগেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্রিজ কিংবা গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মৃত্যু হতে পারে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • শার্শায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

    শার্শায় তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীতে রামিসা হত্যার ঘটনার উত্তেজনা শেষ না হতেই এবার যশোরের শার্শায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আলম গাজী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে ধর্ষণচেষ্টার এ ঘটনা ঘটে।

    শুক্রবার (২২ মে) রাত ১টার দিকে শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে শার্শা থানা পুলিশ আলমকে গ্রেপ্তার করে। আলম শার্শার সরুপদাহ গ্রামের জহুর গাজীর ছেলে।

    শিশুটির পরিবার জানান, কাঠি ভাজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি টং ঘরে নিয়ে নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টা চালায় আলম। পরে শিশুটির চিৎকারে লোকজন এলে অভিযুক্ত আলম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণচেষ্টার সত্যতা পায় এবং অভিযুক্ত আলম গাজীকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    এর আগে গত সপ্তাহ পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে (৭) ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ১৯ মে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ।

    তদন্তের পর পুলিশ জানায়, স্কুলে যাওয়ার সময় রামিসাকে ফুসলিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে অপরাধ ঢাকতে তাকে গলা কেটে হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টা চালায়।

    এ ঘটনায় মূল ঘাতক সোহেল রানা ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও দ্রুত বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

  • নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনছে আইসিসি

    নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনছে আইসিসি

    জেভি২৪ স্পোর্টস ডেস্ক 

    ক্রিকেট বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনার চিন্তা ভাবনা করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী ৩০ মে ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসির বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়ে গেলে শিগগিরই কার্যকর হতে পারে নতুন কিছু নিয়ম।

    ওয়ানডে ম্যাচে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পরপর দুইবার পানিপান বিরতি থাকে। পানি পানের এই বিরতির সময় হেড কোচ মাঠে ঢুকে খেলোয়াড়দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইনিংস বিরতি কমানো হচ্ছে। বর্তমানে দুই ইনিংসের মাঝে ২০ মিনিট বিরতি থাকে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী সেটি কমিয়ে ১৫ মিনিট করা হতে পারে।

    অবৈধ বোলিং অ্যাকশন ধরতে হক-আই প্রযুক্তির ব্যবহারেরও কথা ভাবা হচ্ছে। অন-ফিল্ড আম্পায়ারদের হক-আই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। এর মাধ্যমে ম্যাচ চলাকালেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

    টেস্ট ম্যাচ চলাকালীন প্রয়োজনে লাল বলের বদলে পিঙ্ক বা গোলাপী বল ব্যবহার হতে পারে। আবহাওয়া বা আলোজনিত সমস্যায় দুই দলের সম্মতিতে ডে-নাইট কন্ডিশনে খেলা চালিয়ে যেতেই এই পরিকল্পনা।

  • সর্বশেষ যা জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা; রামিসা হত্যাকাণ্ড

    সর্বশেষ যা জানালেন তদন্ত কর্মকর্তা; রামিসা হত্যাকাণ্ড

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। আগামীকাল রোববারই (২৪ মে) এ মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হবে।

    শনিবার (২৩ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। আজ রিপোর্ট হাতে পেলে মামলার চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হবে। আশা করছি, আগামীকালই আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারব।

    এদিকে এ মামলায় গত বুধবার (২০ মে) গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন। ওইদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। জবানবন্দিতে সোহেল জানান, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যান। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করেন সোহেল। এর মধ্যে শিশু রামিসার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। তিনি আরও জানান, এ সময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করেন। এরপর দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখেন। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল। এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না। মামলা সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেন। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওইদিন দুপুরে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পৃথক দুটি আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর মধ্যে একটি আবেদন আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার ও অপর আবেদনে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়।

  • এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

    এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীর মিরপুরের শিশু রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি এক মাসের মধ্যে বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    শনিবার (২৩ মে) বিকেলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ঢাকার মিরপুরে একটি নিষ্পাপ শিশুর নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের মানবিক মূল্যবোধের চূড়ান্ত অবক্ষয়ের প্রমাণ মিলেছে। আপনাদের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে চাই, এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বর্তমান সরকার রামিসার এই হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করবে এবং সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।

    তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটাতে হবে। একইসঙ্গে আমাদের জাতীয় জীবনে পুনরায় বাংলাদেশের আবহমানকাল পর ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনর্জীবন ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রেও কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনী ও কর্ম আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক।

    সরকারপ্রধান বলেন, দুই দশক পর ত্রিশালে জাতীয়ভাবে নজরুল জন্মজয়ন্তী পালন করতে পেরে সরকার গৌরব বোধ করছে। ১৯৭৬ সালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় কবির নামাজে জানাজার পর কবির লাশবাহী খাটিয়া যারা কাঁধে করে বহন করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭৯ সালের সেপ্টেম্বর ২৫ মে জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকার ফার্মগেট থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির মাজার পর্যন্ত অনুষ্ঠিত একটি র‌্যালিতেও অংশ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

    তিনি আরও বলেন, ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এভাবে জাতীর কবির প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা এবং সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে কাউকে সম্মান জানালে নিজের সম্মান নষ্ট হয় না। বরং বিনয় মানুষকে মহিমান্বিত করে। আমি মনে করি, এইসব কালজয়ী আদর্শ থেকে দূরে চলে যাওয়ার কারণেই বর্তমানে আমাদের সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় দৃশ্যমান।

    আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অবিস্মরণীয় নাম কাজী নজরুল ইসলাম উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, কবির জীবন ও কর্ম বিশ্ব দরবারে আরও বেশি ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। তার জীবনবোধ ও তার জীবনদর্শন প্রজন্মের পর প্রজন্ম পৌঁছে দিতে হবে। এরই অংশ হিসেবে আমাদের জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালকে নজরুল স্মৃতি হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না, এ ব্যাপারে সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য আমি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

    এ সময় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • আড়াই মাস পর কুবি শিক্ষক অপহরণ মামলায় গাড়িসহ গ্রেপ্তার-১

    আড়াই মাস পর কুবি শিক্ষক অপহরণ মামলায় গাড়িসহ গ্রেপ্তার-১

    সানজানা তালুকদার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

     

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেলকে অপহরণ ও লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। একইসাথে ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটিও আটক করা হয়েছে।

    শনিবার (২৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই (নিরস্ত্র) টিটু কুমার নাথ।

    আটককৃত ব্যক্তির নাম সাহাবুল শেখ (৩২)। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মধ্য করপাড়ায়। গত ২১ মে রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানানো হয়। এ সময় অপহরণের কাজে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো গ-৩৯১৬৮৬ নম্বরের একটি গাড়িও জব্দ করেছে পুলিশ।

    এর আগে, গত ৪ মার্চ ঢাকায় যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হন প্রভাষক আবদুর রাজ্জাক সোহেল। ভুক্তভোগী শিক্ষকের অভিযোগ, তাকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা চালানো হয় এবং তার কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় তিনি পাঁচ মার্চ অজ্ঞাতনামা চারজনকে আসামি করে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    এবিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক সোহেল বলেন, ‘পুলিশ আসামিকে কোর্টে চালান করেছে। এখনো আরো তিনজন আসামি বাকি রয়েছে। আশা করি শীঘ্রই তারাও গ্রেফতার হবে।’

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) টিটু কুমার নাথ বলেন, ‘আসামিকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে, আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে। আর দুইজন আসামিকে শনাক্ত করতে পেরেছি, তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া গিয়েছে। আর দুইজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। গাড়িটির মালিক থেকে আসামিরা উবারে গাড়ি চালানোর জন্য ভাড়া নিয়েছিল। শীঘ্রই বাকিদেরকেও আটক করা হবে।’

    তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান। মামলাটির আরো অনেককিছু বের করার রয়েছে। চার্জশিট গঠনে আরো সময় লাগবে।’