গুচ্ছের ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা: ইবিতে বৈছাআ’র ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম 

 

ইবি প্রতিনিধি 

গুচ্ছভুক্ত ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত চলমান কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। একই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাবজেক্ট চয়েজের ফলাফল প্রকাশ করে দ্রুত প্রাথমিক ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আলটিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পংকজ রায় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন হেয়ালি ও দায়িত্বহীন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৩ মে সাবজেক্ট চয়েজের সময়সীমা শেষ হলেও আজ ৪ জুন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ ফলাফল প্রকাশ করেনি। অথচ আগামী ৮ জুন থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলাফল প্রকাশে এই দীর্ঘসূত্রতা এবং ভর্তি প্রক্রিয়ার অব্যবস্থাপনার কারণে হাজার হাজার শিক্ষার্থী চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এতে আরও বলা হয়, সাবজেক্ট চয়েজের ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় প্রাথমিক ভর্তি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে চূড়ান্ত ভর্তির জন্য পর্যাপ্ত সময় না পাওয়া, মাইগ্রেশন তালিকা নিয়ে জটিলতা এবং ভর্তি-সংক্রান্ত আর্থিক ও যাতায়াতজনিত সমস্যার মতো নানা চাপ শিক্ষার্থীদের ওপর সৃষ্টি হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির মুখে ঠেলে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

এ পরিস্থিতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইবি শাখার পক্ষ থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাবজেক্ট চয়েজের ফলাফল প্রকাশ, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে প্রতিটি ধাপের জন্য পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করা এবং ফলাফল ও মাইগ্রেশন তালিকাসহ ভর্তি কার্যক্রমের সব ধাপ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার দাবি জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, অনতিবিলম্বে এই জটিলতা নিরসন করে ভর্তি প্রক্রিয়াকে গতিশীল করা না হলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ভর্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার সকল দায় সংশ্লিষ্ট ভর্তি পরীক্ষা কমিটিকে বহন করতে হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।