Author: Jvadmin

  • নগরকান্দায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের খেলোয়াড়দের ভাতা বিতরণ করলেন ইউএনও সাইফুল ইসলাম

    নগরকান্দায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের খেলোয়াড়দের ভাতা বিতরণ করলেন ইউএনও সাইফুল ইসলাম

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের নগরকান্দায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মাঝে সরকারের প্রদত্ত সম্মানী ভাতা বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (৯ জুন) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খেলোয়াড়দের হাতে সম্মানী ভাতার অর্থ তুলে দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সামচুল হুদা হুদু, নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন, ইউনুস আলী খানসহ স্থানীয় ক্রীড়া ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তারা খেলোয়াড়দের নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের আহ্বান জানান।

    সম্মানী ভাতা পেয়ে খেলোয়াড়রা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার এএসপি মুহম্মদ আল ফাহাদ

    ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার এএসপি মুহম্মদ আল ফাহাদ

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহম্মদ আল ফাহাদ। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তিতে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি এ স্বীকৃতি অর্জন করেন।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মো. নজরুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সম্মাননা গ্রহণ করে এএসপি মুহম্মদ আল ফাহাদ বলেন, এ অর্জন সার্কেলের সব পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সেবার মান উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল মনে করছে, তার নেতৃত্বে নগরকান্দা সার্কেলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম নতুন গতি পাবে।

  • ইবির আল-ফিকহ বিভাগ: মানা হচ্ছে না মাদ্রাসা-কলেজ সমান ভর্তির শর্ত

    ইবির আল-ফিকহ বিভাগ: মানা হচ্ছে না মাদ্রাসা-কলেজ সমান ভর্তির শর্ত

    ইবি প্রতিনিধি

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে মাদ্রাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৫০:৫০ অনুসারে ভর্তিনীতি বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনুমোদিত নীতিমালায় সমান হারে শিক্ষার্থী ভর্তির বিধান থাকলেও চলমান গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমে সেই শর্ত অনুসরণ করা হচ্ছে না।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে মাদ্রাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০:৫০ অনুপাতে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত হয়। তবে চলমান ভর্তি কার্যক্রমে ওই নীতির বাস্তবায়ন হয়নি। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভর্তির জন্য টাকা জমা দেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের। ফলে অনুমোদিত নীতিমালার সঙ্গে বাস্তব চিত্রের বড় ধরনের অমিল দেখা দিয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল কমিটি জানায়, আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে এ ইউনিট থেকে ৩২ জন, বি ইউনিট থেকে ৪০ জন এবং সি ইউনিট থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা ও কলেজ শিক্ষার্থীদের সমান বণ্টনের কথা উল্লেখ থাকলেও ইউনিটভিত্তিক আসন বণ্টনের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় হিসাব নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে পরবর্তী মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া থেকে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে।

    এ বিষয়ে বিজ্ঞান ইউনিট থেকে বিভাগটিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, “ভর্তি নির্দেশিকায় মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ শতাংশ হারে আসন বরাদ্দের বিষয়টি দেখেছিলাম। যদি পরে সেই শর্ত পরিবর্তন হয়ে থাকে, তবে তা শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যায় হবে। ভর্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত দেখিয়ে পরে তা বাস্তবায়ন না করা প্রতারণার শামিল। কারণ শিক্ষার্থীরা নির্দেশিকায় উল্লেখিত শর্তের ভিত্তিতেই সাবজেক্ট চয়েস দিয়েছে।”

    গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য এবং ইবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-এর অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দিন খান বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবগত করা হয়েছে। পরবর্তী মাইগ্রেশনে সমন্বয়ের সুযোগ আছে।”

    অন্যদিকে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্বে থাকা ইউএফটিবি-এর রুবেল শেখ বলেন, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরাই এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মাকসুদুল হক তালুকদার বলেন, “যদি কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়ে থাকে তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের আগেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল। আমি বর্তমানে এখানে রুটিন দায়িত্বে আছি। ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো সরাসরি তদারকি করেছেন শিক্ষা শাখার কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।”

    এ বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার শহীদুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসা-কলেজ ভারসাম্য নীতি অনুযায়ী ভর্তি করানো হবে। প্রথম মেরিটে হয়তোবা এরকম পাওয়া যায়নি কিন্তু আগামী ম্যারিট থেকে এ শর্ত অনুযায়ী ভর্তি করানো হবে।

    বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ও প্রচলিত আইনের সমন্বয়ে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে আইন ও শরিয়াহ অনুষদের অধীনে আল-ফিকহ্ বিভাগ চালু হয়। শুরুতে আরবিতে দক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে ভর্তি পদ্ধতিতে একাধিক পরিবর্তন আনা হয়। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে মাদ্রাসা ও কলেজ পটভূমির শিক্ষার্থীদের সমানসংখ্যক ভর্তির ব্যবস্থা চালু করা হলেও পরে গুচ্ছভিত্তিক উন্মুক্ত ভর্তি নীতির আওতায় সেই ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

    বিভাগের শিক্ষকদের দাবি, অনার্স ও মাস্টার্স মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার নম্বরের আরবি ও ফিকহভিত্তিক কোর্স রয়েছে। আরবিতে তুলনামূলক দুর্বল শিক্ষার্থীরা এসব কোর্সে পিছিয়ে পড়ায় ফলাফল খারাপ হওয়া, রিটেক পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সেশনজটের মতো সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ৪০ জন মাদ্রাসা ও ৪০ জন কলেজ পটভূমির শিক্ষার্থীর জন্য আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বলেন, “বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ শর্ত যুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ভর্তি কার্যক্রমে কেন তা অনুসরণ করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।”

    উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে -এর নির্দেশে গঠিত -এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ধারা ১.২.১ ও ৫.১৪-এ ভর্তির ক্ষেত্রে জেনারেল ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সমানসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির বিধান রাখা হয়েছিল। ১৯৮৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশ মাদ্রাসা থেকে নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। পাশাপাশি দুই ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথকভাবে ১০০ নম্বরের ইংরেজি অথবা আরবি ও ইসলামিয়াত পরীক্ষাও আবশ্যিক ছিল।

    তবে সময়ের সঙ্গে সেই ভারসাম্য নীতি বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ধর্মতত্ত্ব অনুষদেও জেনারেল ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ শতাংশ ভারসাম্য নীতি নেই। এমন পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে নীতিটি পুনরায় কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও চলমান ভর্তি কার্যক্রমে তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি’র সঙ্গে  বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Mr. Brent T Christensen সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।  তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ মঙ্গলবার (০৯ জুন) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    ​প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এ সময় বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ১১-বিজিবি অধিনায়কের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে রোগীর আবেগঘন মন্তব্য

    ১১-বিজিবি অধিনায়কের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়ে রোগীর আবেগঘন মন্তব্য

    এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    “১১ বিজিবি অধিনায়কের আল্লাহ মঙ্গল করুক। গরিব মানুষের জন্য তিনি যে সেবা চালু করেছেন, তা আমাদের মতো অসহায় মানুষের জন্য অনেক বড় উপকার।”

    কথাগুলো বলছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) পরিচালিত চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করা এক হতদরিদ্র রোগী। তাঁর এই আবেগঘন মন্তব্য যেন সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের মনের কথাই তুলে ধরেছে।

    সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মানবিক দায়িত্ব পালনে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে ১১ বিজিবি। অধিনায়কের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন এলাকার অসংখ্য হতদরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ।

    চিকিৎসা নিতে আসা মুসলিম, বৌদ্ধ, হিন্দুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিজিবির এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অনেকেই জানান, অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করতে না পারলেও ১১ বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগ তাদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

    একাধিক সেবাগ্রহীতা বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে বিজিবির এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে দুর্গম এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য এই চিকিৎসা সেবা আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

    স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও ১১ বিজিবি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। অধিনায়কের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়নের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড দিন দিন আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

    স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও ১১ বিজিবির এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

  • কুমিল্লা নগর ভবন বর্তমান স্থানেই স্থাপনের পক্ষে নগরবাসীর ঐক্যবদ্ধ মত তদন্ত কমিটিকে

    কুমিল্লা নগর ভবন বর্তমান স্থানেই স্থাপনের পক্ষে নগরবাসীর ঐক্যবদ্ধ মত তদন্ত কমিটিকে

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লা পৌরসভার প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে বর্তমান স্থানেই নতুন নগর ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসীর অধিকাংশ প্রতিনিধি। স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত কমিটির সামনে দেওয়া সুনির্দিষ্ট মতামতে তারা বলেন, ১৮৬৪ সালের ৩০ নভেম্বর যে স্থানে কুমিল্লা পৌরভবন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেই ঐতিহাসিক স্থান থেকেই যুগের পর যুগ ধরে নাগরিক সেবা পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই নতুন আধুনিক নগর ভবনটিও একই ঐতিহাসিক স্থানে নির্মাণ করা উচিত।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের অতীন্দ্র মোহন রায় সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও তদন্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে তাদের জোরালো মতামত তুলে ধরেন। সভার শুরুতে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম তদন্ত কার্যক্রমের মূল প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে জানান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বর্তমান স্থানেই নতুন নগর ভবন নির্মাণের পক্ষে আবেদন করেছেন। অপরদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী নগরের দক্ষিণাঞ্চলের ছোট ধর্মপুর এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন। এই দুই পক্ষের ভিন্ন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই স্থানীয় সরকার বিভাগ সরেজমিন তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি আরও বলেন, আমি নিরপেক্ষ তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। আপনাদের প্রত্যেকের মতামত শুনব, লিপিবদ্ধ করব এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তা উপস্থাপন করব। সভায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা উপস্থিত ছিলেন।

    ঐতিহাসিক বর্তমান স্থানেই নতুন নগর ভবন নির্মাণের পক্ষে সভায় অত্যন্ত জোরালো বক্তব্য দেন সাবেক মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার, মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শওকত আলী বকুল, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি রায়হান রহমান হেলেন, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রূপালী এবং মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. নাহিদুজ্জামান রানা। এ সময় সুনির্দিষ্টভাবে বর্তমান স্থানের পক্ষে সংহতি জানিয়ে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ারুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদল নেতা রনি, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ছুট্রি, রেজাউল হক আঁখি এবং ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান গোলদার। এছাড়া নাগরিক সমাজের পক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লার সভাপতি শাহ মো. আলমগীর খান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জহিরুল হক দুলাল, আবুল হাসনাত বাবুল, মাসুক আলতাফ চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম হৃদয়, আমার শহর পত্রিকার সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ, কুমিল্লা নাগরিক সমাজের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা টাউন হলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল কবীর, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান এবং সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম দুলালসহ অনেকে উপস্থিত থেকে বর্তমান স্থানের পক্ষেই মত দেন।

    অন্যদিকে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে গিয়ে ছোট ধর্মপুর এলাকায় নতুন নগর ভবন নির্মাণের পক্ষে মত দেন সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার হোসাইন এবং সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার। তাদের এই প্রস্তাবের পক্ষে সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ, মো. শাহ আলম মজুমদার ও কাজী মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

    গুরুত্বপূর্ণ এই সভা শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সভায় উপস্থিত সবার বক্তব্য ও যুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং লিখিত মতামতও গ্রহণ করা হয়েছে। এই সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনসহ সব মতামত দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সভা সমাপ্ত হওয়ার পর তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অদূরে ছোট ধর্মপুর এলাকায় নির্মিত আঞ্চলিক নগর ভবনটি পরিদর্শনে যান, যেখানে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী নতুন নগর ভবন নির্মাণের মূল প্রস্তাব দিয়েছেন। মূলত সংসদ সদস্যের ওই আবেদনের কারণে নতুন নগর ভবন নির্মাণসংক্রান্ত দরপত্র কার্যক্রম, টেন্ডার সিডিউল বিক্রি ও জমা গ্রহণ বর্তমানে সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। সভায় অংশগ্রহণকারী নগরীর অধিকাংশ প্রতিনিধি ক্ষোভ প্রকাশ করে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত এই স্থগিত টেন্ডার প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর জন্য জোর দাবি জানান।

  • প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু

    প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ) শীর্ষক প্রকল্পের চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুম এই প্রশিক্ষণ শুরু হয় যা চলবে আগামী ২২ জুন পর্যন্ত।

    উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গার আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন, মোঃ আব্দুল হামিদ উপপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর, আগারগাঁও ঢাকা, বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ আইনাল হক, সহকারী পরিচালক, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, চুয়াডাঙ্গা।

    ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী অফেরতযোগ্য ২৮ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন।

    অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন।

  • বিজয়নগরে সোয়া কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ কভার্ড ভ্যান জব্দ

    বিজয়নগরে সোয়া কোটি টাকার ভারতীয় জিরাসহ কভার্ড ভ্যান জব্দ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ৬ হাজার কেজি ভারতীয় জিরাসহ একটি কভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টায় সরাইল-২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫টার দিকে বিজয়নগর উপজেলার আমতলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রানজিট ক্যাম্পের একটি বিশেষ টহল দল। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ২০০১/এমপি থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি সন্দেহভাজন কভার্ড ভ্যান আটক করা হয়।

    পরে ভ্যানটি তল্লাশি করে ৬ হাজার কেজি ভারতীয় জিরা উদ্ধার করা হয়। বিজিবির তথ্যমতে, জব্দকৃত জিরার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

    সরাইল-২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জব্বার আহমেদ জানান, উদ্ধারকৃত জিরা ও জব্দকৃত কভার্ড ভ্যান পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য আখাউড়া কাস্টমস কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।

    সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

  • বাজেটে বাড়ছে না সিগারেটের দাম

    বাজেটে বাড়ছে না সিগারেটের দাম

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের দাম ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন অর্থবছরে সিগারেটের দামে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

    রাশেদা বেগম হীরা প্রশ্ন করেছিলেন, তামাকের ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি যেমন সিগারেটের খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখিয়া ২০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য আরও বৃদ্ধি করে অধিক সম্পূরক শুল্ক এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করবেন কি না?

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে সিগারেটের ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার আগের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • বগুড়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের অবস্থান কর্মসুচী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    বগুড়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের অবস্থান কর্মসুচী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    বগুড়া প্রতিনিধি 

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের সুরক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, এস আলম ও ফ্যাসিস্টের দোসরদের বয়কট এবং ঢাকায় গ্রাহকদের উপর নির্মম পুলিশি হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম বগুড়া মহানগরী ব্যাংকের বগুড়া প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসুচী ও মানব বন্ধন কর্মসচী পালন করে।

    অবস্থান ও মানববন্ধন চলাকালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম সড়কস্থ ইসলামী ব্যাংক বগুড়া শাখায় সামনে মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহীন মিয়া, ব্যাংকের ১৯৮৫ সালের প্রথম পর্যায়ের আমানতকারী বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আব্দুল হালিম বেগ, সদস্য সচিব শ্রমিক নেতা আজগর আলী, অধ্যাপক রফিকুল আলম, মাওলানা আব্দুল হামিদ বেগ, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম আকন্দ, অধ্যক্ষ ইকবাল হোসেন, এনামুল হক মাওলানা আব্দুস সালাম, রবিউল ইসলাম রাজ, সাবেক কাউন্সিলর রুহুল কুদ্দুস ডিলু, বগুড়া মোটর শ্রমি,ক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ইদ্রিস আলী, শ্রমিক নেতা আলিফ মাহমুদ প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ অনুযায়ী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ গঠন হওয়ার বিধান আছে কিন্তু ইসলামী ব্যাংকে সরকার হস্তক্ষেপ করে এস আলমের দোসর ব্যাংক লুটপাটকারী খুরশিদ আলম কে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছে। বক্তারা অবিলম্বে খুরশিদ আলমকে বহিষ্কার করার আহবান জানায়।

    পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার একটি নির্দিষ্ট মহলের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের ব্যাংকিং খাতে যে নজিরবিহীন লুটপাট ও ধ্বংসযজ্ঞ চারিয়েছে, দেশের মানুষ তা ভুলে যায়নি। নতুন করে আবার যদি ব্যাংক লুটপাট করার চক্রান্ত করা হয় তাহলে সরকারের পরিনতি ভালো হবে না। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর ও ঋণ খেলাপী। তিনি ব্যাংকে রক্ষা করতে পারবেন না। তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রাখলে ব্যাংকটি আবারও লুটপাটের মুখে পড়বে এবং সাধারণ মানুষের আমানত অনিরাপদ হয়ে পড়বে।