Category: জাতীয়

  • বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ

    বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু আজ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (৮ জুন)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিএনপি সরকারের আমলে এটাই প্রথম সীমান্ত সম্মেলন।

    ডিজি পর্যায়ের এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডাই থাকবে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হবে

    সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ‘পুশ-ইন’ ইস্যু। কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নারী-শিশুসহ বহু মানুষকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় একের পর এক পুশ-ইনের অবৈধ চেষ্টা ব্যর্থ হলেও ঘটনাগুলো দুদেশের সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা, পুশ-ইন ও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সীমান্তে ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহারের কারণে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এবারের সীমান্ত সম্মেলন থেকে নয়াদিল্লিকে কড়া বার্তা দিতে চায় বিজিবি।

    বিজিবি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের ঘটনা ও অপরাধমূলক কার্যক্রমের ফিরিস্তি তুলে ধরা হবে এবারের সীমান্ত সম্মেলনে।

    এ ব্যাপারে বিজিবি সদর দপ্তরের উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম বলেন, ডিজি পর্যায়ের এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডাই থাকবে সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হবে।

    তিনি বলেন, এছাড়াও আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারতের ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহার, মাদকসহ চোরাচালান, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন, স্থায়ী সীমান্ত পিলার স্থাপন এবং আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধসহ গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বৈঠকে তুলে ধরবে বিজিবি। থাকবে ভারতীয় গণমাধ্যমে সীমান্তকেন্দ্রিক উসকানিমূলক মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদও।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, পুশ-ইন ইস্যু এখন শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয় নয়; এটি মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। আর সেই কারণেই সীমান্তের জিরো লাইনে আটকে থাকা কয়েকশ মানুষের গল্প এখন দুদেশের সম্পর্কের একটি বড় পরীক্ষায় রূপ নিয়েছে।

  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ কম্পন অনুভূত হয়।

    বিস্তারিত আসছে…

  • দেশে চার মাসে ১১৪২ খুন: বিসিআরএস

    দেশে চার মাসে ১১৪২ খুন: বিসিআরএস

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ইউনুস সরকারের বিদায় ও বিএনপি সরকারের শুরু থেকে এপর্যন্ত দেশে খুন, অপহরণ, ছিনতাই, ডাকাতি, চুরি এবং নারী-শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস্ সোসাইটি (বিসিআরএস)। সংগঠনটির মতে, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    রোববার (৭ জুন) এক সংবাদ বিবৃতিতে বিসিআরএসের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন এবং নির্বাহী পরিচালক শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ তথ্য তুলে ধরেন। তারা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শেষ সময় ও বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের চিত্র বিশ্লেষণ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বেশ কিছু উদ্বেগজনক দিক স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    সংগঠনটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ১৪২টি খুন হয়েছে। একই সময়ে ৩৪৭টি অপহরণ, ১৮৪টি ছিনতাই এবং ৫৯১টি ডাকাতির ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা ছিল ৫,৯৯৮টি। জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত অন্তত ১১৮ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছে বিসিআরএস।

    সংগঠনটি জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কিশোর গ্যাং তৎপরতা, মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রবণতাও বাড়ছে। এসব কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও অপরাধের বিস্তার ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    বিসিআরএসের নেতারা বলেন, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। তাদের দাবি, প্রকৃত অপরাধের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে, কারণ অনেক ঘটনা সামাজিক, পারিবারিক কিংবা প্রশাসনিক কারণে প্রকাশ্যে আসে না অথবা থানায় অভিযোগ হিসেবে নথিভুক্ত হয় না।

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই ভারত থেকে বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিসিআরএস মনে করে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনিয়মিত অনুপ্রবেশ বা জোরপূর্বক পুশইনের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকারের প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সমন্বয় প্রয়োজন বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ, মাদক নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নারী-শিশু সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি অপহরণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।

    নেতৃদ্বয় বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় সামাজিক অস্থিরতা, ভীতি এবং অপরাধপ্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বিসিআরএস দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মানবাধিকার সংগঠন, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটি মনে করে, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গঠনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের সব অংশীজনকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

  • তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত

    তোফায়েল আহমেদসহ সাবেক ১৬ এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনের শুরুতে সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্র্রহণ করা হয়েছে।

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের প্রথম কার্য দিবসে এ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

    যাদের নামে শোক প্রস্তাব গৃহীত

    জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ-সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, বিএনপির সাবেক সংসদ-সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নান, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জি এম ফজলুল হক, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম আনোয়ারুল হক, সাবেক টেকনোক্রেট মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সামসুদ্দোহা, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন, ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. দবিরুল ইসলাম, ভোলা-১ সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন ও ঢাকা ১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ প্রমুখ।

    পাশাপাশি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জাতীয় সংসদ। এ ছাড়া জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সন্‌জীদা খাতুন, প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুল সংগীত শিল্পী ডালিয়া নওশীন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির, সাংবাদিক গাজী রুহুল আমিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে জাতীয় সংসদ।

    সংসদের রীতি অনুযায়ী, প্রয়াত মন্ত্রী, এমপি ও দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে অধিবেশনের প্রথম দিন শোক প্রকাশ করা হয়।

  • ১১ জুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী

    ১১ জুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন।

    রোববার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    এর আগে সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৭ মে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেন।

    আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলা, ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি, সুদ পরিশোধের চাপ এবং সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ আংশিক বাস্তবায়নের কারণে ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।

    মূলত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড ঘাটতি বাজেটের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। আগামী অর্থবছর মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হচ্ছে।

  • আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

    আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামি শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    রোববার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন।

    সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একই ধরনের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

    সভায় উপস্থিত সদস্যরা এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে রাশিয়ার মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। রোববার (৭ জুন) সকালে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রওনা হন। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূইয়া গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সফর শেষে আগামী ৯ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

    জানা গেছে, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো খাতে চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

    বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সহযোগিতার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ও আর্থিক দিকগুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

    সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), জাতিসংঘের সংস্কার এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে দুই দেশের অবস্থান ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানের নতুন দায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ভূমিকা নিয়েও মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রায় সাত বছর বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি মস্কো সফর। এর আগে ২০১৯ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন দ্বিপক্ষীয় সফরে রাশিয়া গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ঢাকা সফর করেন।

  • আজ সংসদের বাজেট অধিবেশন বসছে

    আজ সংসদের বাজেট অধিবেশন বসছে

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ (রোববার) থেকে শুরু হচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের ক্ষমতায় আসার পর বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন এটি।

    রোববার (৭ জুন) বেলা ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে।

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৭ মে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদের এ অধিবেশন আহ্বান করেন।

    আগামী ১১ জুন সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যা এমপিদের আলোচনা শেষে ৩০ জুন পাস হওয়ার কথা রয়েছে।

    বাজেট অধিবেশন সাধারণত দীর্ঘ হয়। অধিবেশন কত দিন চলবে, তা অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় সংসদের কার্য–উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, চলতি অধিবেশনে বাজেট পাস ছাড়াও সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এদিকে বাজেট অধিবেশন ঘিরে ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদ অধিবেশন আহ্বানের পর থেকে এই প্রস্তুতি শুরু হয়।

    চলতি জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ১২ মার্চ থেকে ২৫ কার্যদিবস অধিবেশন চলার পর ৩০ এপ্রিল শেষ হয়। এই অধিবেশনে মোট বৈঠক দিবস ছিল ২৫টি। অধিবেশনে মোট ৯৪টি বিল পাস হয়। আইন প্রণয়ন কার্যাবলি ছাড়াও প্রথম অধিবেশনে পাঁচটি স্থায়ী কমিটি এবং দুটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়।