Category: রাজনীতি

  • তারেক রহমান যেন হাসিনার পথ অনুসরণ না করেন; চুয়াডাঙ্গায় মামুনুল হক

    তারেক রহমান যেন হাসিনার পথ অনুসরণ না করেন; চুয়াডাঙ্গায় মামুনুল হক

    বর্তমান সরকার গণভোট, গণরায় এবং সংস্কারের পিছনে ছুরিকাঘাত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক।

    তিনি বলেন, এই সংস্কার ছিল সকল রাজনৈতিক দলের ঐক্যমত এবং গণঅভ্যুত্থানের প্রধান প্রত্যাশা। সংবিধান সংশোধনী করে সরকার মূলত জনগণের রায়ের সাথে নির্মম তামাশা করেছে।

    ​শনিবার (১৮ জুলাই) চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের সাহিদ গার্ডেনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বিকেএম) চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক ‘নাগরিক সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল-গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়ে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    ​দুপুর ৩টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলা এই সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও দলমত নির্বিশেষে স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

    ​​সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে মামুনুল হক বলেন, আমরা আশা করবো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরী তারেক রহমান সেই ভুল পথে পা বাড়াবেন না। তিনি কোনভাবেই শেখ হাসিনাকে অনুসরণ করবেন না। বরং তিনি বেগম জিয়া ও শহীদ জিয়ার পথ অনুসরণ করে দেশের মানুষের সিদ্ধান্তকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে সংবিধান সংস্কারের পথে অগ্রসর হবেন।

    ​তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি এই চলমান পথ থেকে ফিরে না আসেন তবে আমরাও রুখে দাঁড়াবো।

    ​ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে মামুনুল হক বলেন, ১৯৭০ সালে গণমানুষের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করায় পশ্চিম পাকিস্তানের স্বৈরাচারদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এরপর ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গণমানুষের রায়কে নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অপরাধে দেশের মানুষ শেখ হাসিনাকে ইতিহাসের নির্মম শাস্তি দিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।

    ​ ভারতের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, মর্যাদা ও বিচার ব্যবস্থার ওপর ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ থেকে থাকে, তাহলে পলাতক খুনি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের আদালতের কাছে তুলে দেওয়াই ভারতের একমাত্র পথ।

    ​বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মুফতী শোয়াইব আহমাদ কাসেমীর সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জুবায়ের খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।

    ​সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ​খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শারাফাত হুসাইন, ​কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী কেন্দ্রীয় বাইতুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, ​মেহেরপুর জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা হোসাইন আহমাদ, ​কুষ্টিয়া জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খান ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আরিফুজ্জামান আরিফ, ​ঝিনাইদহ জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লাল এবং বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ শাহরীয়ার আলম প্রমুখ।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নতুন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পার; সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নতুন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পার; সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

    চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টায় দর্শনা পৌর অডিটোরিয়ামে জেলার সকল ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারিদের অংশগ্রহণে ওয়ার্ড সভাপতি-সেক্রেটারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন,জুলাই সনদের প্রতিশ্রুত সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় জনগণের মধ্যে নতুন করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।ইতিহাসে কোনো স্বৈরাচারী সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। অতীতে দেশের মানুষ ভোটাধিকার হরণ, একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার নানা ঘটনার সাক্ষী হয়েছে। একটি জবাবদিহিমূলক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।

    বিশেষ অতিথি যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ মোবারক হোসাইন বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলের প্রতিটি ওয়ার্ডকে আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত করতে হবে। আদর্শিক নেতৃত্ব, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত কার্যক্রমের মাধ্যমে জামায়াতকে মানুষের আস্থার সংগঠনে পরিণত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অঞ্চল সহকারী পরিচালক অধ্যাপক আবু সাদেক এবং চুয়াডাঙ্গা-১আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।

    সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে আগত ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারিরা অংশ নেন। শেষে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

  • পাংশা উপজেলা মহিলা দলের কমিটির অনুমোদন দিলেন জেলা বিএনপি; সভাপতি স্বপ্না, সম্পাদক পাপিয়া

    পাংশা উপজেলা মহিলা দলের কমিটির অনুমোদন দিলেন জেলা বিএনপি; সভাপতি স্বপ্না, সম্পাদক পাপিয়া

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল পাংশা উপজেলা শাখার ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দিয়েছে রাজবাড়ী জেলা বিএনপি।

    এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে রাশিদা বেগম স্বপ্নাকে ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে পাপিয়া সুলতানাকে।

    এ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি রিমা আফরোজ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হেলেনা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাতেমাতুজ্জহুরা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানাজ শিউলী, প্রচার সম্পাদক রুপালি খাতুন, সহ-প্রচার সম্পাদক মমতাজ মহল, দপ্তর সম্পাদক তাজলী আক্তার, সহ দপ্তর সম্পাদক রিমা বিশ্বাস এছাড়াও ১১ জনকে সদস্য করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন রাজবাড়ী জেলা বিএনপি।

    রাজবাড়ী জেলা বিএনপি আহবায়ক এ্যাড লিয়াকত আলী, সদস্য সচিব এ্যাড মো: কামরুল আলম, যুগ্ন আহবায়ক রেজাউল করিম পিন্টু স্বাক্ষরিত জেলা বিএনপি প্যাডে ১৬ জুলাই এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    পাংশা উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি হওয়ায় রাশিদা বেগম স্বপ্না বলেন দলের দুর্দিনে মহিলাদের সংগঠিত করে দলের জন্য কাজ করেছি, আন্দোলন সংগ্রাম করেছি দল আজ আমাকে মূল্যায়ন করায় দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সেই সাথে আগামী দিন গুলোতে দলের আর্দশ ধরে রেখে কাজ করে যাব।

  • চাদাবাজিসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার দায়ে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কুহিনুর আলমকে দলকে বহিস্কার

    চাদাবাজিসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার দায়ে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কুহিনুর আলমকে দলকে বহিস্কার

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়গঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কুহিনুর আলমকে দল থেকে বহিস্কার করেছে জেলা বিএনপি।

    মঙ্গলবার বিকালে জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নির্দেশে জেলা বিএনপির সদস্য রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    জানাযায়, রূপগঞ্জে কাঞ্চন পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কুহিনুর আলম বিগত কয়েকমাস ধরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে কাঞ্চন পৌর এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাদাবাজি, লুটপাট, জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছে। এসব অভিযোগের সুস্পষ্ট অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নির্দেশে মঙ্গলবার বিকালে সকল দলীয় পদ থেকে অব্যাহতিসহ দল থেকে কুহিনুর আলমকে বহিস্কার করা হয়।

  • সব বাধা পেরিয়ে এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

    সব বাধা পেরিয়ে এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

    নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে চলতি বছরই তিনি দেশে ফিরবেন। শেখ হাসিনার ভাষ্য, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

    নিজের বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রসঙ্গে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, এটি কোনো বিচার নয়; বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসাংবিধানিক ও অবৈধ প্রক্রিয়ার ফল। বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। মানুষের কল্যাণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যেই রাজনীতি করি। মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না। অতীতেও বহু ষড়যন্ত্র ও হত্যাচেষ্টা মোকাবিলা করেছি। তাই সব বাধা উপেক্ষা করে চলতি বছরই দেশে ফিরব।’

    আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান নিয়ে যা বললেন শেখ হাসিনা

    দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে প্রোথিত একটি শক্তি। অতীতে বহুবার নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের শিকার হলেও জনগণের সমর্থনে দলটি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যর্থতার ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং জনগণের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান সরকারের সময় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

    দল নিষিদ্ধ থাকা এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। তাঁর দাবি, জনগণের সমর্থন থাকায় দলকে রাজনৈতিকভাবে দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

    তিনি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন।

    ‘দেশ তার মৌলিক চরিত্র হারাচ্ছে’

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত এসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান, স্মৃতিসৌধ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দেশে উগ্রবাদের বিস্তার ঘটছে।

    একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। তার দাবি, আওয়ামী লীগই আবার দেশকে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

    সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী, আহমদিয়া ও সুফি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী।

    তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা কোনো ভোটব্যাংক নয়; তারা সমান মর্যাদার নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হামলার ঘটনায় দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    নির্বাসিত জীবনের অভিজ্ঞতা

    ভারতে অবস্থান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ব্যক্তিগত জীবন অনেক আগেই দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও তার মন পড়ে থাকে বাংলাদেশে।

    এছাড়া বিএনপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে গোপন সমঝোতার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ কারও রাজনৈতিক দয়া চায় না। গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটাধিকার কোনো গোপন দর-কষাকষির বিষয় নয়; এগুলো সাংবিধানিক অধিকার।”

  • কর্মসূচি স্থগিত করল ইসলামী আন্দোলন

    কর্মসূচি স্থগিত করল ইসলামী আন্দোলন

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের (শায়খে চরমোনাই) বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক দেয় দলটি। শুক্রবার (২৬ জুন) দেশব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা ছিল। তবে মামলা প্রত্যাহার করায় কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিৃবতিতে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ তথ্য জানান।

    গাজী আতাউর রহমান বলেন, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছিল, তা বিএনপির স্থানীয় এমপির তত্ত্বাবধানে প্রত্যাহার করায় আগামীকাল শুক্রবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে না।

    বিএনপির তৃণমূলে পূর্বতনধারার হামলা-মামলা নির্ভর কলুষিত রাজনীতির চর্চা এখনও বিদ্যমান মন্তব্য করে তিনি বলেন, তৃণমূলে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এমনকি ক্ষেত্র বিশেষ বিএনপির কর্মীরাও পারস্পরিক জুলুমের শিকার হচ্ছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে আহ্বান করব, দেশজুড়ে সংগঠনে সংস্কার আনতে হবে।

    অপরাধী এবং পতিত ফ্যাসিস্টের দোসররা যাতে বিএনপিতে আশ্রয় নিয়ে অপরাধ করতে না পারে সেই বিষয়ে বিএনপিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

  • ১১ দলের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    ১১ দলের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। চলমান আন্দোলন আরও বেগবান করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিন এ কর্মসূচি পালন করবে এ জোট।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে এ তথ্য জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে ৩৬ দিনের কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে এগারো দলীয় জোট। এসব কর্মসূচির মূল দাবি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতি জনসচেতনতা তৈরি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনমত তৈরি করা ও বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচার নিশ্চিত করা।

    এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১-৫ জুলাই পর্যন্ত সব জেলা ও মহানগরে সেমিনার। ২৩, ২৪, ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশসহ ৫ আগস্ট সারাদেশের সব জেলা উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

    ৩৬ দিনের মূল কর্মসূচিসমূহ

    ১–১৫ জুলাই: জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের সব জেলা ও মহানগরীতে সেমিনার এবং মাসব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী।

    ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই: রাজধানীসহ দেশব্যাপী দেয়াল চিত্র বা গ্রাফিক অংকন কর্মসূচি।

    স্মৃতিচারণ ও সমাবেশ: রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, রামপুরা, মিরপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্মৃতিবিজড়িত ঘটনাকলে প্রত্যক্ষদর্শী ও শহীদ পরিবারের অংশগ্রহণে সমাবেশ ও স্মৃতিচারণ।

    ৪ জুলাই: রাজধানী ব্যতীত দেশের সকল মহানগর ও জেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।

    ৬ জুলাই: জাতীয় সংসদের সামনে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে মানববন্ধন এবং স্পিকারের নিকট স্মারকলিপি পেশ। (সংবিধান পরিষদ গঠন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি)।

    ৮ জুলাই: ঢাকায় জাতীয় সেমিনার। (জেলাসমূহ তাদের সুবিধাজনক সময়ে করবে)।

    ২০ জুলাই: নারী সংসদ সদস্য ও দেশের শীর্ষস্থানীয় নারী নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা।

    ৩১ জুলাই (শুক্রবার): শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশব্যাপী সকল মসজিদে দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা।

    ৫ আগস্ট: রাজধানীসহ দেশের সব জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে সমাপনী সমাবেশ।

  • মেহেরপুরে বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

    মেহেরপুরে বিএনপির মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

    মেহেরপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, তাঁর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুনের নেতৃত্যে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে মেহেরপুর শহিদ শামসুজ্জোহা পার্ক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

    এসময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

    এর আগে শামসুজ্জোহা পার্কে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাসুদ অরুন বলেন, ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ এ দেশের হাজার হাজার রাজনৈতিক কর্মীকে হত্যা করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। বাংলাদেশের বাক স্বাধীনতা বলতে কিছুই ছিল না।

    জুলাই গণঅভুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ফ্যাসীবাদের বিদায় শেষে ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর তারা আবারও ফ্যাসীবাদি আচরণ শুরু করেছে।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা বি,এনপির যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর বিশ্বাস,জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহিদুল হক, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আকিব জাবেদ সেনজিরসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

  • ববি ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ৩ বছরেও পেরোতে পারেনি প্রথম সেমিস্টারের গন্ডি

    ববি ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ৩ বছরেও পেরোতে পারেনি প্রথম সেমিস্টারের গন্ডি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ তামিম তিন বছরেও প্রথম সেমিস্টারের গন্ডি পেরোতে পারেনি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী।

    তামিমের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত প্রথম সেমিস্টারের জিপিএ ২.০০ অর্জন করতে পারেনি একবারও। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিধি অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থীকে পরবর্তী সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হতে ন্যূনতম ২.০০ সিজিপিএ অর্জন করতে হয় তা করতে না পারায় তিন বছর যাবৎ প্রথমবর্ষেই পড়ে আছেন তিনি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় এই ছাত্রনেতা পরপর তিন বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও প্রয়োজনীয় ফল অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি শাখা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক রাফি সিকদারের অনুসারী হিসেবে রাজনীতি করেন। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন।

    ববি ছাত্রদল প্রচার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ তামিম বলেন,’প্রথম সেমিস্টার ব্যক্তিগত কারনে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করিনি। পরে দুইবার পরিক্ষা দিলেও অসুস্থ থাকার কারনে পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারিনি। বর্তমানে পড়ালেখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সেমিস্টার চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিভাগে খুব দ্রুতই যোগাযোগ করবো।’

    এ বিষয়ে সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবু জিহাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ফয়সাল পড়াশোনায় খুবই দুর্বল হওয়ায় তিনি বারবার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। তাকে একাধিকবার পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।”

    তিনি আরও বলেন, “সাধারণত পরপর তিন বছর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে শিক্ষার্থীদের আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। তারপরও আমি তাকে আবেদন করতে বলেছিলাম, যাতে বিষয়টি একাডেমিক কাউন্সিলে উত্থাপন করে বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানানো যায়। কিন্তু সে বিষয়ে তিনি কোনো উদ্যোগ নেননি।”

  • বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে: পাটোয়ারী

    বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে: পাটোয়ারী

    এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু দুই বছর পরও সেই আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা সরকার ও সংসদের কাছে জানতে চাই- দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

    শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনার ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই রয়েছে- রাষ্ট্র সংস্কারের বাস্তবায়ন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করা। জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না। সংস্কার ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমরা রাজপথে যেমন ছিলাম, ভবিষ্যতেও তেমনি থাকব।’

    বিএনপির সমালোচনা করে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘গণতন্ত্র ও সংস্কারের প্রশ্নে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি ব্যর্থ হচ্ছে। ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করে জনগণের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। অন্যথায় জনগণই তার জবাব দেবে।’

    তিনি আরও বলেন, খুলনাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হয়েছে। কেসিসি, কেডিএ, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক বসানো তার বড় প্রমাণ। তিনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবা জানিয়ে বলেন, কোনো বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে দেশ ও জনগণের স্বার্থে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।