Category: জাতীয়

  • নিবন্ধনকৃত গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান

    নিবন্ধনকৃত গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান

    সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে যে, সরকারি নিবন্ধন ও ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত কিছু গণমাধ্যম ভুল তথ্য, অপতথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্টসহ অসত্য খবর পরিবেশন করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ইতোমধ্যে অসত্য সংবাদ প্রকাশের জন্য কোনো কোনো গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।

    যেকোনো সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই, পেশাদারী দায়িত্বশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং ফ্যাক্ট চেক (Fact Check) করা গণমাধ্যমের জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনির্ভরযোগ্য উৎসকে সংবাদের সূত্র হিসেবে ব্যবহার করার কারণে অনেক গণমাধ্যম বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছে। ফলে অপতথ্য ও বিকৃত কনটেন্ট মূলধারার গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। এ কারণেই যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে ফ্যাক্ট চেক করা বৈধ গণমাধ্যমের জন্য অপরিহার্য ও অবশ্য পালনীয় বলে তথ্য অধিদফতর মনে করে।

    এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রচলিত বিধি-বিধানের আওতায় আনতে সরকার বাধ্য। তাই বেনামী, ভুয়া কিংবা অনিবন্ধিত কোনো মাধ্যমকে সংবাদের উৎস হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সকল বৈধ গণমাধ্যমকে তথ্য অধিদফতর সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

    দেশের সকল গণমাধ্যমকে (সংবাদপত্র, টেলিভিশন, বেতার, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, দৈনিক পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, আইপি টিভি) তাদের স্বাক্ষরিত ডিক্লারেশন ও নিবন্ধনের নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

  • ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ

    ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ

    আগামী ১৫ জুলাই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় পাঁচটি করে গাছের চারা রোপণের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি রেখে এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১৫ জুলাই (বুধবার) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ বিতরণ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই দিনে নির্ধারিত সময়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি এই তিন শ্রেণির সমন্বয়ে মোট পাঁচটি করে গাছের চারা রোপণ করতে হবে।

    এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় উপপরিচালকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ নির্দেশনার অনুলিপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সবুজায়ন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

  • শিগগিরই খুলে দেয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর- কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী

    শিগগিরই খুলে দেয়া হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর- কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী

    সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে, নতুন কমিটিও গঠন করা হয়েছে। খুব শিগগিরই জুলাই জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে কুমিল্লা জাদুঘর ও শালবন বিহার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জুলাই জাদুঘরের কমিটি কিছুটা এলোমেলো ছিল। বর্তমানে নতুন করে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংসদে সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

    তিনি আরও বলেন, বিগত সরকার দেশের সাংস্কৃতিক নিদর্শন ধ্বংস করেছে। গত ১৮ থেকে ২০ বছরে শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি, আইন ও বিচারব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জনগণের মতামতের কোনো মূল্যায়ন ছিল না, নির্বাচনের নামে প্রহসন চলেছে। পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা লুটপাট করে ব্যাংক ও বীমা খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় মন্ত্রী কুমিল্লা ময়নামতি জাদুঘরের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও শালবন বিহার পরিদর্শন করেন।

    এ সময় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আখতার হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল কুমিল্লা মহানগরীর সাবেক সভাপতি ভিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নতুন ৩ উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি

    নতুন ৩ উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি

    চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলাকে ভাগ করে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলাকে ভাগ করে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ এবং কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ নামে নতুন উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

    বুধবার (০৮ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নিকার-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকার চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন: ১. বাগানবাজার, ২. দাঁতমারা, ৩. নারায়ণহাট, ৪. ভজপুর, ৫. হারুয়ালছড়ি এবং ৬. সুয়াবিল-এর সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ উপজেলার বিভিন্ন অফিসের জন্য অফিস সেট-আপ অনুমোদন করা হয়েছে।

    আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার আটটি ইউনিয়ন: ১. মশাখালী, ২. পাঁচবাগ, ৩. উস্থি, ৪. লংগাইর, ৫. পাইথল, ৬. দত্তের বাজার, ৭. নিগুয়ারী ও ৮. টাংগাব-এর সমন্বয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এ উপজেলার বিভিন্ন অফিসের জন্য অফিস সেট-আপ অনুমোদন করা হয়েছে।

    কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ উপজেলা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন: ১. শ্রীকাইল, ২. আকুবপুর, ৩. আন্দিকোট, ৪. পূর্বধৈইর (পূর্ব) ৫. পূর্বধৈইর (পশ্চিম), ৬. বাঙ্গরা (পূর্ব), ৭. বাঙ্গরা (পশ্চিম), ৮. চাপিতলা, ৯. রামচন্দ্রপুর (উত্তর) এবং ১০. টনকী-এর সমন্বয়ে বাঙ্গরা উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপজেলার বিভিন্ন অফিসের জন্য অফিস সেট-আপও অনুমোদন করা হয়েছে।

  • চাকরি হারাচ্ছেন হাইপ্রোফাইল ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা, আতঙ্কে ৩৩ ডিসি

    চাকরি হারাচ্ছেন হাইপ্রোফাইল ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তা, আতঙ্কে ৩৩ ডিসি

    ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা পুলিশ ক্যাডারের অন্তত ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন। তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে আছেন।

    চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী তাদের অবসরে পাঠানো হতে পারে। একইভাবে ওই সময় দায়িত্ব পালন করা প্রশাসন ক্যাডারের অন্তত ৩৩ জন জেলা প্রশাসককেও (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

    সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে, সরকার জনস্বার্থে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে অবসরে পাঠাতে পারে। ২০তম ব্যাচের এই কর্মকর্তারা ২০০১ সালের ৩১ মে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই হিসেবে গত ৩০ মে তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে।

    গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের ২২ জন ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

    এর পরপরই তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের ৬৪ জেলার এসপিদেরও অবসরে পাঠানো হবে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে তাদের ওএসডি এবং এখন স্থায়ী অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

    চাকরি হারানোর তালিকায় যেসব পুলিশ কর্মকর্তা

    সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক অবসরের তালিকায় থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় ঢাকা জেলার এসপি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জের এসপি হারুন অর রশীদ, কুমিল্লার এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, চাঁদপুরের এসপি জিহাদুল কবির, নরসিংদীর এসপি মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুরের এসপি ড. শামসুন্নাহার, চট্টগ্রামের এসপি নূরে আলম মিনা, বরিশালের এসপি সাইফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জের এসপি মাশরুকুর রহমান খালেদ।

    এছাড়াও নোয়াখালীর এসপি ইলিয়াছ শরীফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি আনোয়ার হোসেন খান, ফরিদপুরের এসপি জাকির হোসেন খান, গোপালগঞ্জের এসপি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, ময়মনসিংহের এসপি শাহ আবিদ হোসেন, রাঙামাটির এসপি মো. আলমগীর কবির, ঠাকুরগাঁওয়ের এসপি মনিরুজ্জামান, সুনামগঞ্জের এসপি বরকতুল্লাহ খান, চুয়াডাঙ্গার এসপি মাহবুবুর রহমান, যশোরের এসপি মঈনুল হক, মাগুরার এসপি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, সিরাজগঞ্জের এসপি টুটুল চক্রবর্তী, জয়পুরহাটের এসপি রশীদুল হাসান, সিলেটের এসপি মো. মনিরুজ্জামান, পাবনার এসপি শেখ রফিকুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের এসপি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, শরীয়তপুরের এসপি সাইফুল্লাহ আল মামুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এসপি টি এম মোজাহিদুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রামের এসপি মো. মেহেদুল করিম।

    এদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন এসপি হারুন অর রশীদ ও হবিগঞ্জের এসপি বিধান ত্রিপুরা বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন। অন্য কর্মকর্তাদের অধিকাংশই ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে রয়েছেন। তাদের অনেকেই পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি বা ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়ে বিভিন্ন ইউনিট, রেঞ্জ ও বিশেষায়িত সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাদের অধিকাংশকেই ওএসডি করা হয়।

    আতঙ্কে সাবেক ৩৩ ডিসি

    একই ব্যাচের (বিসিএস ২০তম) যে ৩৩ জন সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে যুগ্ম সচিব হিসেবে ওএসডি আছেন, তারাও চাকরি হারানোর চূড়ান্ত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

    তালিকায় থাকা সাবেক ডিসিরা হলেন

    মো. মাজেদুর রহমান খান (চাঁদপুর), মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী (পটুয়াখালী), সাবিনা ইয়াসমিন (পঞ্চগড়), ড. আতাউল গনি (মেহেরপুর), আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন (পিরোজপুর), এম কাজী এমদাদুল ইসলাম (সিলেট – বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত), এস এম মোস্তফা কামাল (সাতক্ষীরা), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), মোছা. সুলতানা পারভিন (কুড়িগ্রাম), মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী (কিশোরগঞ্জ), মো. শহীদুল ইসলাম (খাগড়াছড়ি), মো. হেলাল হোসেন (খুলনা), মো. আলী আকবর (মাগুরা), মোহাম্মদ দাউদ ইসলাম (বান্দরবান), এ জে এম নুরুল হক (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)।

    এ জেড এম অজিয়র রহমান (বরিশাল), মোহাম্মদ আলম ছিদ্দিকী (ভোলা), গোপাল চন্দ্র দাস (চুয়াডাঙ্গা), কাজী আবু তাহের (শরীয়তপুর), মো. মিজানুর রহমান (নওগাঁ), মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ (সুনামগঞ্জ), আনার কলি মাহবুব (শেরপুর), সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন (নরসিংদী), মাহমুদুল কবির মুরাদ (হবিগঞ্জ), আবুল ফজল মীর (কুমিল্লা), মঈন উল ইসলাম (নেত্রকোনা), ওয়াহেদুজ্জামান (ফেনী), এ কে এম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), এস এম আব্দুল কাদের (রাজশাহী), ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম (ঠাকুরগাঁও), কবীর মাহমুদ (বগুড়া), মো. মাহমুদুল আলম (দিনাজপুর) এবং হায়াত উদ দৌলা খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)।

    সূত্র: আগামীর সময়

  • একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

    একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

    একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই। রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

    নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত তাকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।

    তার স্ত্রী মেরী মনোয়ার কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলেন, ফুসফুসে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে তিনি সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন।

    ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রেখে তিনি দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

  • এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, সবগুলো বাংলাদেশের আশপাশে

    এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিন ভূমিকম্প, সবগুলো বাংলাদেশের আশপাশে

    বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের নিকটবর্তী সীমান্ত এলাকায় এক ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে পরপর তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় ভারতের মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ-ভুটান সীমান্ত ও মেঘালয় অঞ্চলে।

    ভারতের সরকারি ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ১২ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ভারতের মণিপুরে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫। ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল।

    এর প্রায় পাঁচ মিনিট পর, ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি হয় অরুণাচল প্রদেশ ও ভুটান সীমান্তবর্তী এলাকায়। এটির ছিল ৩ মাত্রার এবং উপকেন্দ্র মাত্র ৭ কিলোমিটার গভীরে।

    সবশেষে ভোর ৫টা ৫ মিনিটে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে, সুনামগঞ্জের উত্তরের এলাকায় তৃতীয় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর মাত্রা ছিল ২ দশমিক ৯ এবং ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প সংগঠিত হয়।

    এর আগে রোববার (২৮ জুন) রাতেও কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

    দেশে ভেতরে সর্বশেষ গত ২২ জুন রাত ৯টা ২৮ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প সংগঠিত হয়। ভূপৃষ্ঠের ১৬ কিমি গভীরতায় উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্প ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় অনুভূত হয়।

  • সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    ইন্টারনেটের দাম আরও কমিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য সেবাটি সহজলভ্য করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সোমবার (২৯ জুন ২০২৬) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওনের চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

    বৈঠকে দেশের ডিজিটাল সেবা আরও সহজলভ্য করার বিষয়সহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলালিংক কর্তৃপক্ষকে স্মার্টফোন আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বলেন, যাতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রযুক্তির সুবিধা পেতে পারে।

    সাক্ষাৎকালে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ভিওনের বোর্ড সদস্য মিশেল সোয়েটিং এবং বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইওহান হেনড্রিক মার্টিনাস বাস উপস্থিত ছিলেন।

  • কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ দীপু মনি

    কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ দীপু মনি

    মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি (৬১)।

    সোমবার (২৯ ‍জুন) সকাল ৬টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

    দীপু মনিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ফজলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়।

    কাল সোয়া ৮টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাকে নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

    তাৎক্ষণিকভাবে ডা. দীপু মনির অসুস্থতার কারণ বা বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। তবে চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, ডা. দীপু মনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আগে দলটির নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

  • সরকার গঠনের দায়িত্ব নিতে আমাকে রাজি করিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ: ড. ইউনূস

    সরকার গঠনের দায়িত্ব নিতে আমাকে রাজি করিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ: ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের পেছনের ঘটনা তুলে ধরে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে দায়িত্ব নিতে রাজি করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    রোববার সাভারের জিরাবোতে ইউনূস সেন্টার ও গ্রামীণ গ্রুপ আয়োজিত ১৬তম ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ড. ইউনূস জানান, সে সময় তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর আসিফ মাহমুদ একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দেশের নেতৃত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান। তবে শুরুতে তিনি এ দায়িত্ব নিতে রাজি হননি।

    ড. ইউনুস বলেন, ‘আমি বারবার আসিফকে বলছিলাম, অন্য কাউকে খুঁজে নাও। আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত নই। আমি শুধু সেই কাজগুলোই করি যা করতে আমি আনন্দ পাই।’

    জবাবে আসিফ মাহমুদ তাকে বলেছিলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। পুরো দেশ একটি সরকারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আপনি রাজি না হওয়ার কারণে তিন দিন ধরে দেশে কোনো সরকার নেই।’

    আসিফের এই কথার পর ড. ইউনুস দায়িত্ব নিতে সম্মতি জানান। সম্মতি দেওয়ার সাথে সাথেই আসিফ তাকে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব বিমানের টিকিট কেটে চলে আসুন। প্রথম ফ্লাইটেই চলে আসুন।’