Category: ক্যাম্পাস

  • কুবিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও উল্লাস

    কুবিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আনন্দ মিছিল ও উল্লাস

    কুবি প্রতিনিধি

    বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি ভালোবাসা ও উন্মাদনা প্রকাশ করতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দলটির ভক্ত ও সমর্থকদের উদ্যোগে এক উৎসবমুখর আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ​রবিবার (১৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। ক্যাম্পাসের গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়।

    ​শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া সমর্থকেরা আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি পরিধান করে এবং আর্জেন্টিনা দলের পতাকা ও ব্যানার নিয়ে উপস্থিত হন। এ সময় ক্যাম্পাস জুড়ে ভক্তদের চিরচেনা স্লোগান ও উল্লাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

    ​আর্জেন্টাইন সমর্থক মোহাম্মদ নাঈম খান তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “ছোটোবেলা থেকেই আর্জেন্টিনাকে মনে-প্রাণে সমর্থন করি। দলের প্রথম ম্যাচের জয়-পরাজয় দিয়ে আমাদের ভালোবাসা পরিমাপ করা যায় না। গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হেরেও শেষ পর্যন্ত আমরাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবারও লিওনেল মেসির ওপর আমাদের পূর্ণ ভরসা আছে এবং আমরাই ট্রফি জিতব।”

    ​চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স টেনে আরেক সমর্থক সাইফ মাশরাফি বলেন, “গতকাল মরক্কোর সাথর ব্রাজিলের আজকের এই শোভাযাত্রার আনন্দ আমাদের মাঝে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্রাজিলের হেক্সা মিশন দিন দিন তলানির দিকেই যাবে। আর এটাই আমরা আজকে বেশি করে উদ্‌যাপন করব।’

    ​আরেক সমর্থক শাহাদাত তানভীর রাফি বলেন, “২০২২ সালেও ব্রাজিল ‘হেক্সা মিশন’ এর স্বপ্ন দেখেছিল, এবারও দেখছে যা ২০৩০ সালেও অধরা থেকে যাবে বলে মনে হচ্ছে। এই তীব্র গরমে আর্জেন্টিনা ছাড়াও ব্রাজিল দলের সমর্থকদেরও আমরা ‘সেভেন আপ’ খেয়ে প্রাণ জুড়ানোর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

    ​প্রসঙ্গত, আগামী ১৭ই জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপে নিজেদের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

  • এলইডি স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখানোর দাবি ইবি ছাত্রদলের

    এলইডি স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখানোর দাবি ইবি ছাত্রদলের

    ইবি প্রতিনিধি 

    এলইডি স্ক্রিনে ফিফা বিশ্বকাপ খেলা দেখানোর দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদল। শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এয়াকুব আলী বরাবর এ স্মারকলিপি দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো মাসুদ রুমী মিথুন, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, সদস্য রাফিজ আহমেদ, স্বাক্ষর, সাব্বির ও রোকনুজ্জামান অর্ক।

    স্মারকলিকিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক হলে অবস্থান করায় সবার পক্ষে নিজস্ব ব্যবস্থায় খেলা উপভোগ করা সম্ভব হয় না। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্যাম্পাসের কোনো উপযুক্ত স্থানে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ খেলাসমূহ প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ হবে।

    এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এয়াকুব আলী বলেন, প্রস্তাবটি আমি উপাচার্য মহোদয়কে অবগত করবো। পরবর্তীতে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • ববি বাসে আইকনিক এক্সপ্রেসের ধাক্কা আহত তিন শিক্ষার্থী, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    ববি বাসে আইকনিক এক্সপ্রেসের ধাক্কা আহত তিন শিক্ষার্থী, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    ববি প্রতিনিধি

    বরিশালের দপদপিয়া সেতু এলাকায় ওভারটেক করতে গিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) একটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয় একটি যাত্রীবাহী বাস। এ ঘটনায় উভয় বাসই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে দপদপিয়া সেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহনকারী বাসটি নির্ধারিত গন্তব্যে যাওয়ার পথে দপদপিয়া সেতু অতিক্রম করছিল। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসটিকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। ওভারটেকের একপর্যায়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের পেছনের অংশে সজোরে ধাক্কা দেয়।
    সংঘর্ষের ফলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের পেছনের অংশ এবং যাত্রীবাহী বাসটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে ধীরগতি দেখা দিলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান করলেও বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এতে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। তবে আকস্মিক এ ঘটনায় বাসে থাকা যাত্রীরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

    দুর্ঘটনার পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট যাত্রীবাহী বাসটিকে আটক অবস্থায় রাখে। পরবর্তীতে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, সড়কে বেপরোয়া ওভারটেকিংয়ের প্রবণতা প্রায়ই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে যানবাহন চালকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পালের ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল প্রকল্প নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পালের ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল প্রকল্প নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ববি প্রতিনিধি

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুজন চন্দ্র পাল সম্প্রতি তার উদ্ভাবিত ‘থান্ডারবোল্ট’ মিসাইল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ এর সাথে অদ‍্য ১১ জুন ২০২৬ তারিখ তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পটির উদ্দেশ্য, প্রযুক্তিগত দিক এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।

    সাক্ষাৎকালে উপাচার্য মহোদয় সুজনের গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং তরুণ গবেষকদের এ ধরনের সৃজনশীল কাজে এগিয়ে আসার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি প্রকল্পটির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং প্রয়োজনীয় একাডেমিক ও গবেষণা সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

    সুজন চন্দ্র পাল জানান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন। ‘থান্ডারবোল্ট’ প্রকল্পও তার গবেষণামূলক কাজের একটি অংশ, যার মাধ্যমে তিনি প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও গবেষণার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের চেষ্টা করছেন।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ইতিবাচক আশ্বাস তাকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে উৎসাহিত করবে। সাক্ষাৎকালে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড.রহিমা নাসরিন, সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ অফিসের পরিচালক ড. সোনিয়া খান সনি উপস্থিত ছিলেন।

  • ইবির আল-ফিকহ বিভাগ: মানা হচ্ছে না মাদ্রাসা-কলেজ সমান ভর্তির শর্ত

    ইবির আল-ফিকহ বিভাগ: মানা হচ্ছে না মাদ্রাসা-কলেজ সমান ভর্তির শর্ত

    ইবি প্রতিনিধি

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে মাদ্রাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৫০:৫০ অনুসারে ভর্তিনীতি বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনুমোদিত নীতিমালায় সমান হারে শিক্ষার্থী ভর্তির বিধান থাকলেও চলমান গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমে সেই শর্ত অনুসরণ করা হচ্ছে না।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে মাদ্রাসা ও কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০:৫০ অনুপাতে আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত হয়। তবে চলমান ভর্তি কার্যক্রমে ওই নীতির বাস্তবায়ন হয়নি। বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভর্তির জন্য টাকা জমা দেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই কলেজ ব্যাকগ্রাউন্ডের। ফলে অনুমোদিত নীতিমালার সঙ্গে বাস্তব চিত্রের বড় ধরনের অমিল দেখা দিয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল কমিটি জানায়, আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে এ ইউনিট থেকে ৩২ জন, বি ইউনিট থেকে ৪০ জন এবং সি ইউনিট থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা ও কলেজ শিক্ষার্থীদের সমান বণ্টনের কথা উল্লেখ থাকলেও ইউনিটভিত্তিক আসন বণ্টনের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় হিসাব নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে পরবর্তী মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া থেকে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে।

    এ বিষয়ে বিজ্ঞান ইউনিট থেকে বিভাগটিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, “ভর্তি নির্দেশিকায় মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ শতাংশ হারে আসন বরাদ্দের বিষয়টি দেখেছিলাম। যদি পরে সেই শর্ত পরিবর্তন হয়ে থাকে, তবে তা শিক্ষার্থীদের প্রতি অন্যায় হবে। ভর্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত দেখিয়ে পরে তা বাস্তবায়ন না করা প্রতারণার শামিল। কারণ শিক্ষার্থীরা নির্দেশিকায় উল্লেখিত শর্তের ভিত্তিতেই সাবজেক্ট চয়েস দিয়েছে।”

    গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য এবং ইবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-এর অধ্যাপক ড. নাছির উদ্দিন খান বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবগত করা হয়েছে। পরবর্তী মাইগ্রেশনে সমন্বয়ের সুযোগ আছে।”

    অন্যদিকে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় টেকনিক্যাল কমিটির দায়িত্বে থাকা ইউএফটিবি-এর রুবেল শেখ বলেন, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরাই এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মাকসুদুল হক তালুকদার বলেন, “যদি কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়ে থাকে তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের আগেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল। আমি বর্তমানে এখানে রুটিন দায়িত্বে আছি। ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো সরাসরি তদারকি করেছেন শিক্ষা শাখার কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।”

    এ বিষয়ে উপ-রেজিস্ট্রার শহীদুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসা-কলেজ ভারসাম্য নীতি অনুযায়ী ভর্তি করানো হবে। প্রথম মেরিটে হয়তোবা এরকম পাওয়া যায়নি কিন্তু আগামী ম্যারিট থেকে এ শর্ত অনুযায়ী ভর্তি করানো হবে।

    বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ও প্রচলিত আইনের সমন্বয়ে শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৩-০৪ শিক্ষাবর্ষে আইন ও শরিয়াহ অনুষদের অধীনে আল-ফিকহ্ বিভাগ চালু হয়। শুরুতে আরবিতে দক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে ভর্তি পদ্ধতিতে একাধিক পরিবর্তন আনা হয়। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে মাদ্রাসা ও কলেজ পটভূমির শিক্ষার্থীদের সমানসংখ্যক ভর্তির ব্যবস্থা চালু করা হলেও পরে গুচ্ছভিত্তিক উন্মুক্ত ভর্তি নীতির আওতায় সেই ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

    বিভাগের শিক্ষকদের দাবি, অনার্স ও মাস্টার্স মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার নম্বরের আরবি ও ফিকহভিত্তিক কোর্স রয়েছে। আরবিতে তুলনামূলক দুর্বল শিক্ষার্থীরা এসব কোর্সে পিছিয়ে পড়ায় ফলাফল খারাপ হওয়া, রিটেক পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সেশনজটের মতো সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে ৪০ জন মাদ্রাসা ও ৪০ জন কলেজ পটভূমির শিক্ষার্থীর জন্য আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক বলেন, “বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ শর্ত যুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ভর্তি কার্যক্রমে কেন তা অনুসরণ করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।”

    উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে -এর নির্দেশে গঠিত -এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ধারা ১.২.১ ও ৫.১৪-এ ভর্তির ক্ষেত্রে জেনারেল ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সমানসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির বিধান রাখা হয়েছিল। ১৯৮৮ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশ মাদ্রাসা থেকে নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। পাশাপাশি দুই ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথকভাবে ১০০ নম্বরের ইংরেজি অথবা আরবি ও ইসলামিয়াত পরীক্ষাও আবশ্যিক ছিল।

    তবে সময়ের সঙ্গে সেই ভারসাম্য নীতি বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ধর্মতত্ত্ব অনুষদেও জেনারেল ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০ শতাংশ ভারসাম্য নীতি নেই। এমন পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র আল-ফিকহ্ অ্যান্ড ল’ বিভাগে নীতিটি পুনরায় কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও চলমান ভর্তি কার্যক্রমে তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

  • কুবিতে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখাতে প্রশাসনের কাছে ছাত্রদলের আবেদন

    কুবিতে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ দেখাতে প্রশাসনের কাছে ছাত্রদলের আবেদন

    কুবি প্রতিনিধি

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মুক্তমঞ্চে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড়ো পর্দায় ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সকল খেলা প্রদর্শনের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

    আজ সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়।

    আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে একসঙ্গে আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিশ্বকাপের খেলা উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদল এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। এই আয়োজন সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ, স্থান ব্যবহারের অনুমতি, নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

    এছাড়াও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল পরিবেশের নিশ্চয়তা দিয়ে আবেদনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত সকল বিধি-বিধান ও প্রশাসনিক নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে সম্পূর্ণ শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই আয়োজন পরিচালনা করা হবে।

    এই বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট আবেদন করেছি, যাতে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো বড়ো পর্দায় প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ করতে পারবে, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় হবে এবং ক্যাম্পাসে একটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে। আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলা বিভেদ নয়, ঐক্যের বার্তা দেয়। তাই শিক্ষার্থীদের বিনোদন, সম্প্রীতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ” এরকম আয়োজন আগেও হয়েছিল। বিষয়টি আমি মাননীয় উপাচার্যের নিকট পেশ করেছি। তিনি এখনো চূড়ান্ত কিছু জানায়নি।”

  • মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ইবির ড. তোজাম্মেল হোসেন

    মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ইবির ড. তোজাম্মেল হোসেন

    ইবি প্রতিনিধি

    মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেন।

    রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫) এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক তোজাম্মেল হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার (৪) বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ সেই সময় পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এ পদে তিনি তাঁর বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তাছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। প্রয়োজনবোধে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় তাঁর নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, আমাকে যোগ্য মনে করে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এ ব্যাপারে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।

    উল্লেখ্য, এর পূর্বে অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি, বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদের সভাপতি এবং বর্তমানে ইউট্যাব ইবি শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

  • কুবি রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে সাকিব-নাঈমুর

    কুবি রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে সাকিব-নাঈমুর

     

    কুবি প্রতিনিধি

    রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রোটা বর্ষ ২০২৬-২৭ এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফার্মেসী বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈমুর রহমান।

    শনিবার (৬ জুন) ক্লাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার রোটার‍্যাক্ট (পিপি) মো. মাসুম বিল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্য রোটার‍্যাক্ট (পিপি) মো. আবিদুর রহমান ও রোটার‍্যাক্ট (পিপি) শেখ শাকিল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

    নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নাঈমুর রহমান বলেন, “রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির সেক্রেটারি নির্বাচিত করায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। এটিকে পদ নয়, বড় দায়িত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক মনে করি। আমার মূল লক্ষ্য ক্লাবের কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করা এবং সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সবার সহযোগিতায় আগামী রোটা ইয়ারে নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে আমরা ক্লাবকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।”

    নব নির্বাচিত সভাপতি নাজমুস সাকিব বলেন, ​”রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অফ কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সেবা ও নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত রোটা বর্ষে আমরা রোটাক্যাম্প, ক্যারিয়ার বিফর ডিগ্রি, ফ্রিল্যান্সিং বুটক্যাম্প -এর মতো ক্যারিয়ার ভিত্তিক প্রোগ্রাম এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা প্রকল্প ‘পুষ্পায়ন’, শীতবস্ত্র বিতরণ ও বৃক্ষরোপণের মতো মানবিক উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি।”

    তিনি আরে বলেন, “​অতীতের এই অভিজ্ঞতা আমাদের আগামী দিনের পথচলার অনুপ্রেরণা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় চলমান রোটা বর্ষে আমরা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পারব এবং সাফল্যের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করব।”

    আগামী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রদান করা হবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ঈদের ছুটি কাটিয়ে প্রাণচাঞ্চল্যে ফিরছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    ঈদের ছুটি কাটিয়ে প্রাণচাঞ্চল্যে ফিরছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

     

    ববি প্রতিনিধি

    পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে আজ থেকে পুনরায় খুলছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে ক্যাম্পাসে ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে আবারও প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও আবাসিক পরিবেশ।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে নির্ধারিত ছুটি শেষে আজ থেকে নিয়মিত ক্লাস ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হবে। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন শেষে ক্যাম্পাসে ফিরছেন। ইতোমধ্যে আবাসিক হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে।

    দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পদচারণা, আড্ডা ও বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আবারও প্রাণ ফিরে পাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। বন্ধুদের সঙ্গে পুনর্মিলন এবং নতুন উদ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অনেক শিক্ষার্থী।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ক্যচিং মগ সিদ্ধার্থ বলেন, ঈদ প্রধানত মুসিলমদের উৎসব হলে ও ভার্সিটি সব ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের কাছেও এটি একটি পারিবারিক মিলনমেলা উৎসব।কারণ ঈদের দীর্ঘ ছুটি জন্য সবাই ক্যাম্পাস ছেড়ে নিজেদের পরিবারে সাথে সময় কাটায়।প্রায় ২০ দিনের মতো ঈদের ছুটি পর আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল প্রসাশনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।অনেক দিন পর ক্যাম্পাসে বন্ধুবান্ধবদের সাথে দেখা,ক্লাস,আড্ডা সবকিছুই মিলিয়ে অনুভূতি সত্যি প্রাণবন্ত ও উজ্জীবিত।চেনা পরিচিত মানুষজন ও শিক্ষা পরিবেশ আমার অনুভূতিকে আরো গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।এই যে নিজেদের পরিবার ছেড়ে ক্যাম্পাসে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া,আরেকটা পরিবার মনে করা সত্যি এইটা পরিবারে বন্ধন থেকেও কম নয়।তাই আমি মনে করি,অনুভূতি শুধু একটি শব্দ নয় এটি না বলার ব্যাখ্যা,আত্মিক প্রশান্তি ও মনের স্থায়িত্ব বহিঃপ্রকাশ।

    ববির আরেক শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পর আবার ক্যাম্পাসে ফিরতে পেরে খুব ভালো লাগছে। দীর্ঘ ছুটির পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে এবং নতুন উদ্যমে পড়াশোনা শুরু করতে পারব। আশা করছি, সামনের সেমিস্টারের কার্যক্রম সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে।

    ঈদের আনন্দ ও পারিবারিক সময় কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাবর্তনে আবারও সরব হয়ে উঠছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

     

    ববি প্রতিনিধি

    শুক্রবার ( ৫ জুন ) সকাল সাড়ে দশটায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন।

    উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন  ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ববি শাখার সভাপতি এবং দাওয়া সম্পাদকসহ অন্যন্য দায়িত্বশীল ও কর্মীবৃন্দ।

    কর্মসূচি সম্পর্কে দাওয়াহ সম্পাদক মুহাম্মদ রাইয়ান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বরিশালের উপকূলীয় অঞ্চল আজ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি ও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে আমরা একটি স্বতন্ত্র ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মনন ও জীবনবোধে পরিবেশবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তোলা। বিশেষ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মতো উদ্যোগগুলোকে একটি ইতিবাচক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চর্চায় পরিণত করাই ছিল আমাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

    উক্ত কর্মসূচিতে মোট ৫টা গাছ লাগানো হয়েছে। ২টা আম, ২টা পেয়ারা, ১টা আমড়া গাছ। আর ক্যাম্পাসে যে গাছ লাগানো ছিল সেগুলোর পরিচর্যা করা হয়েছে।