Desk: স্বাস্থ্য

  • ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার

    ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার

    দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের ‘এনএসআই’ (NS1) পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে।

    ৫ জুলাই ২০২৬ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

    উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে সরকার এই জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

    ইতোমধ্যেই নির্দেশনাটি কার্যকর করতে সারা দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দপ্তরে নির্দেশনাটি পাঠানো হয়েছে।

  • শিশুদের উন্নতমানের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    শিশুদের উন্নতমানের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    দেশজুড়ে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইউনিসেফের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের মাধ্যমে উন্নতমানের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকার মান নিয়ে ইউনিসেফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই এগুলো আনা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আশ্বস্ত, শিশুদের উন্নতমানের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। তিনি জানান, সারা দেশে একযোগে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশের সব এলাকায় শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

    ক্যাম্পেইনের কোনো শিশু নির্ধারিত দিনে বাদ পড়লে পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ থাকবে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রথম দিন কেউ মিস করলে পরদিন, প্রয়োজনে তার পরের দিনও তাকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

    হামের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় থাকা শিশু ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সংখ্যাগত পার্থক্য নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের কোনো দেশই শতভাগ নিখুঁত পরিসংখ্যান দিতে পারে না। তবে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে সব শিশুকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনছে। আমরা সব শিশুকেই কাভার করার চেষ্টা করেছি। তারপরও খুঁজে খুঁজে শিশুদের সেবা দেয়া হচ্ছে। এখন এই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনও একটি সম্পূরক কর্মসূচি। এতে শিশুদের কোনো অসুবিধা হবে না।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবারের ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এ জন্য সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র এবং প্রায় ৫০০ অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা দায়িত্ব পালন করছেন।