Desk: সারাদেশ

All country

  • আলোচিত সেই কৃষক কবির হোসেন আর নেই

    আলোচিত সেই কৃষক কবির হোসেন আর নেই

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড নিয়ে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    কবির হোসেনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

    এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

  • তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই, ৩৫ পয়েন্টে তীব্র নদীভাঙন

    তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই, ৩৫ পয়েন্টে তীব্র নদীভাঙন

    উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের প্রধান প্রধান নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ায় তা বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে, যে কোনো মুহূর্তে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

    রোববার (২১ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদনদীর পানি বাড়লেও তা এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

    এদিকে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রায় ৩৫টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি পয়েন্টে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে তা রোধের চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

    নদীর পানি প্রবেশ করায় নিম্নাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

    কুড়িগ্রাম সদরের কৃষক আলম আলী জানান, শনিবার থেকে ধরলা নদীর পানি বাড়ছে। ইতিমধ্যে তার এক বিঘা জমির সবজিক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি আরও বাড়লে সব ফসল পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

    কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী পাঁচ দিন জেলার নদনদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কাজ চলছে।

  • খুলনার সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্টের নির্দেশ

    খুলনার সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্টের নির্দেশ

    খুলনায় জনসম্মুখে পুলিশ পরিদর্শককে ‘গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব’ মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দেওয়া অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) রায়হান উদ্দিন খান।

    আদেশে বলা হয়, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করে ২১ জুনের মধ্যে স্টেশন ত্যাগ করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রিপোর্ট করতে হবে।

    অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কারণ স্পষ্ট করা না হলেও পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, সম্প্রতি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের লবণচরা থানা এলাকায় আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যের জেরেই তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ওই সভায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষার আশ্বাস দিতে গিয়ে রাশিদুল ইসলাম খান বলেছিলেন, ‘কোনো ইনফরমেশন ইন্সপেক্টরকে বলার পর যদি ফাঁস হয়, তবে মুসলমান হিসেবে কথা দিচ্ছি, আমি নিজে ওই ইন্সপেক্টরকে এই গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজে পিটাইয়া মারবেন।’

    তার এ বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) এক বিবৃতিতে ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে একে পুলিশের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও বাহিনীর ভাবমূর্তির পরিপন্থি বলে উল্লেখ করে।

    মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা। তিনি কেএমপিতে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।