Desk: সানজানা তালুকদার কুবি প্রতিনিধি

  • কুবিতে সাহিত্যিক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান স্মরণে সেমিনার অনুষ্ঠিত

    কুবিতে সাহিত্যিক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান স্মরণে সেমিনার অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার সম্পন্ন হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনারের সমাপনী ও দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

    দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ এস এম আবু দায়েন এবং বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান।

    এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা।

    সেমিনারের দ্বিতীয় দিনে মূল প্রবন্ধসমূহ পাঠ করেন কুবি বাংলা বিভাগের শিক্ষকেরা। অধ্যাপক ড. শামসুজ্জামান মিলকী পাঠ করেন ‘মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের প্রবন্ধ: পরিপ্রেক্ষিত ও প্রাসঙ্গিকতা শীর্ষক প্রবন্ধ সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম পাঠ করেন ‘মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের প্রবন্ধ: পরিশীলিত জীবনবোধের স্বরূপ শীর্ষক প্রবন্ধ।

    সেমিনারে আলোচকের বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আবু দায়েন বলেন, ‘মোহাম্মদ লুৎফর রহমান অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তিনি নৈতিকতা চর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের আদর্শ জীবন গঠনের রাস্তা দেখিয়ে গিয়েছেন।’

    পাশাপাশি তিনি উপযোগবাদ ও নৈতিক মূল্যবোধের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

    বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘লুৎফর রহমান বিশ্বাস করতেন জাতিকে শক্তিশালী ও উন্নত করতে শিক্ষা ও জ্ঞানকে বৃষ্টির ধারার মতো সর্বসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। উগ্রতা নয়, বিনয় ও নম্রতার মাধ্যমেই মানুষের মন জয় করা সম্ভব।’

    তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও জাগতিক জ্ঞান চর্চার সাথে একীভূত হয়ে বাংলা একাডেমি তাদের জ্ঞান উৎপাদনের লক্ষ্য আরও ভালোভাবে পূরণ করতে পারবে।’

    সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন,’মোহাম্মদ লুৎফর রহমান তাঁর সাহিত্যকর্মে মানুষের আদর্শগত দিকের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। মানুষের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও গুণাবলিই তাঁর লেখার মূল উপজীব্য। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের নৈতিক দিক যত উন্নত হবে, তার প্রতিটি কাজ, তা সাহিত্যচর্চা হোক কিংবা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন ততই সুষ্ঠু, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী হবে।’

    সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগকে সম্পৃক্ত করে যৌথভাবে এই সেমিনার আয়োজনের উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে।’

    সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন কুবি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মোকাদ্দেস-উল-ইসলামসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী এই সেমিনার গত সোমবার (২২ জুন) শুরু হয়।

  • কু্বিতে সেশনজট নিরসনের দাবিতে আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা, সমাধানের আশ্বাস

    কু্বিতে সেশনজট নিরসনের দাবিতে আইন বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা, সমাধানের আশ্বাস

    সেশনজটের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন। একপর্যায়ে বিভাগের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা।

    সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রবেশপথে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষার্থীরা জানান, সেশনজটের কারণে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রায় আট মাস পিছিয়ে গেছে। দীর্ঘ এ বিলম্বে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিক্ষোভ চলাকালে অনুষদ ভবনের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে এবং চলমান সেশনজট দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই সংক্রান্ত ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলো হলো– আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সকল কোর্সের ইনকোর্স রেজাল্ট প্রকাশ করতে হবে, ছয় মাসের মধ্যে বাকি ২ সেমিস্টার শেষ করতে হবে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুই সেমিস্টারের রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে, পরীক্ষা শেষের ৮ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে, শিক্ষক সংকট থাকলে গেস্ট টিচার নিয়ে কোর্স শেষ করতে হবে এবং উপর্যুক্ত বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে লিখিত মুচলেকা দিতে হবে ইত্যাদি।

    সর্বশেষ, যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নিমিত্তে মৌখিক আশ্বাস দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

    এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মাসুদা কামাল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

    ড. মাসুদা কামাল বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেলে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে বিলম্বের জন্য দায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • কুবির বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু 

    কুবির বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির আয়োজনে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু 

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগ ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হাসান আজিজুল হক এবং সাহিত্যিক ও সম্পাদক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান স্মরণে দুই দিনব্যাপী সেমিনার শুরু হয়েছে।

    সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের সম্মেলন কক্ষে প্রথম দিনের সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রথম দিনের সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজীজ। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, বাংলা একাডেমির অফিসার শাহ্ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

    সেমিনারে বক্তারা হাসান আজিজুল হকের সাহিত্যকর্ম, দর্শন, মানবতাবোধ ও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা করেন।

    সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক  ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “হাসান আজিজুল হক বাংলা সাহিত্যের এমন একজন শক্তিমান লেখক, যিনি মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সামাজিক বৈষম্য তাঁর গল্প-উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি কখনো সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য লেখেননি, বরং সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য লিখেছেন।”

    সেমিনারের আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মহীবুল আজিজ বলেন, “আমি বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম। পরবর্তীতে ভালো লাগা ও আগ্রহ থেকেই বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। আমার বিশ্বাস, কোনো বিষয়ে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করলে এবং সেই বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে গেলে সফল হওয়া সম্ভব।”

    বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা বলেন, “এম.এ. শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে আমার থিসিসের বিষয় ছিল হাসান আজিজুল হকের গল্প। তাঁর প্রথম প্রকাশিত ‘পাতালে হাসপাতালে’ গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণের একটি কপি এখনও আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহে সংরক্ষিত রয়েছে। একজন পাঠক ও গবেষক হিসেবে এটি আমার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ।”

    তিনি আরো বলেন, “হাসান আজিজুল হক তাঁর অসাধারণ গল্প শৈলী, মানবজীবনের গভীর উপলব্ধি এবং সমাজবাস্তবতার অনন্য উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন লাভ করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্মই তাঁকে আজ সর্বজন পরিচিত ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।”

    প্রথম দিনের সেমিনারের সভাপতি বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু হাসান আজিজুল হককে স্মরণ করা নয়, বরং তাঁর জীবন ও সাহিত্যকর্ম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। তিনি জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সংকটকে সাহিত্যে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন।”

  • গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বন্ধুস্কুল’, উদ্যোগে কুবির সাত শিক্ষার্থী

    গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য ‘বন্ধুস্কুল’, উদ্যোগে কুবির সাত শিক্ষার্থী

    গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাদের মেধা বিকাশে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে ‘বন্ধুস্কুল’ নামে একটি শিক্ষাবান্ধব সামাজিক উদ্যোগের যাত্রা শুরু করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সাত শিক্ষার্থী।

    বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর গ্রামে উদ্যোগটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

    উদ্যোগটির প্রতিষ্ঠাতারা হলেন- সুদীপ্ত সাহা সময়, নিলয় সরকার, উম্মে হাবিবা মৌ, অঙ্কিতা দাস ঐশী, মো. কাউসার, সানজানা তালুকদার বুশরা ও যয়নব আজাদী লুবনা। শিক্ষাকে সহজলভ্য ও সবার জন্য উন্মুক্ত করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

    প্রতিষ্ঠাতারা জানান, প্রাথমিকভাবে ‘বন্ধুস্কুল’ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবে। বিশেষ করে গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশ এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

    স্থানীয় শিক্ষক দীপক কুমার পাল এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এটি আমাদের গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় একটি প্রাপ্তি। এমন একটি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”

    উদ্যোগটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নিলয় সরকার বলেন, “গ্রামের শিক্ষার্থীরা নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় পিছিয়ে পড়ে। শহরের শিক্ষার্থীদের তুলনায় তাদের সুযোগ-সুবিধাও কম। আমরা চাই গ্রাম ও শহরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমে আসুক। শিক্ষাকে সবার জন্য সমান ও উন্মুক্ত করে তোলা এবং লুকিয়ে থাকা প্রতিভাগুলোকে বিকাশের সুযোগ করে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ।”

    আরেক প্রতিষ্ঠাতা উম্মে হাবিবা মৌ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শিশুদের জন্য আনন্দময় ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। আমরা বিশ্বাস করি, সুযোগ পেলে প্রতিটি শিশুই এগিয়ে যেতে পারে। ছোট্ট এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা তাদের স্বপ্ন দেখার সাহস ও শেখার সুযোগ করে দিতে চাই।”

    উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘বন্ধুস্কুল’ ভবিষ্যতে গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশাপাশি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ ও সামাজিক বৈষম্য কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।