Tag: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

  • সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রদবদল

    সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে রদবদল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সরকারি আবাসন পরিদপ্তর, জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর, রাজশাহী ওয়াসা ও ঢাকা ওয়াসাসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার।

    এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    একই সঙ্গে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে। তিনি ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দুই বছরের জন্য এ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন।

    অবসরে যাওয়ার সুবিধার্থে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব ফারুক আহম্মেদকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

    ঢাকা ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুল হককে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এরশাদ হোসেন খানকে ঢাকা ওয়াসার নতুন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জহিরুল ইসলাম খানকে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার চাকরিও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে। এ জন্য তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ডি এম আতিকুর রহমানকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে। এ জন্য তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ জুনের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে, অন্যথায় তিনি সেদিন থেকেই তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।

    রাজশাহী কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহানা আখতার জাহানকে রাজশাহী ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগের ন্যস্ত করা হয়েছে। তাকেও ১৭ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় তিনি তাৎক্ষণিক অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।

    অন্যদিকে, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (যুগ্ম সচিব) এস এম তুহিনুর আলমকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

    তাকে আগামী ১৬ জুনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তিনিও স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য হবেন।

  • মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সহকারী একান্ত সচিবদের (এপিএস) বেতন বাড়িয়েছে সরকার। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদার নিয়োগকৃতদের এপিএসরাও এই বাড়তি বেতন পাবেন।

    এপিএসদের নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    চিঠিতে জানানো হয়েছে, সরকারি চাকরির বাইরে থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদারসহ) এপিএস এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের অভিপ্রায়ে নিযুক্ত তাদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে অর্থাৎ ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসরা এত দিন বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা মূল বেতনে নিয়োগ পেতেন। অনেক সময় কোনো কোনো এপিএসের বেতন নবম গ্রেডে বেশ কয়েকটি ইনক্রিমেন্ট যোগ করে নির্ধারণ করা হতো।

    বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় উপদেষ্টাদের এপিএসদের নিয়োগ বেতন কাঠামোর নবম গ্রেডের শুরুর ধাপে অর্থাৎ ২২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে তাদের বেতন নবম গ্রেডের সর্বোচ্চ ধাপে অর্থাৎ ৫৩ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছিল।

    মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএসদের বেতন গ্রেড নির্ধারণের বিষয়ের মতামত চেয়ে গত ৩১ মার্চ অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এপিএসদের নতুন বেতন গ্রেড নির্ধারণ করে দিয়ে অর্থ বিভাগ বলেছে, এপিএসদের মূল বেতন ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারিত। কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না। তারা বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতা পাবেন। কোনো প্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

    এই মূল বেতন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) সহকারী একান্ত সচিব ও উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) একান্ত সচিব পদে শুধুমাত্র সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।

    সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের এপিএস নিয়োগ দেওয়া হয়। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে এপিএস পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। কোনো মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এপিএস পদে সরকারি কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিলে তিনি এই বেতন গ্রেডের আওতাভুক্ত হবেন না।