Tag: যুক্তরাষ্ট্র

  • কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাদ যাচ্ছে না বাংলাদেশও

    কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাদ যাচ্ছে না বাংলাদেশও

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর শ্রম আইন নিয়ে সোচ্চার হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ এবং তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    এ নিয়ে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় নির্বাচিত হয়ে আসার পর ‍দ্বিতীয়বারের মতো শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (২ জুন) এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি জারি করেছে ইউএসটিআর। জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগে এবার এসব দেশের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় এক তদন্তের পর ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ‘সেকশন ৩০১’-এর অধীনে এই সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    তদন্ত প্রতিবেদনে দেশগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে ইউএসটিআর। যেসব দেশ আংশিক নিয়ম কার্যকর করেছে বা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে জোরপূর্বক শ্রমের পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এবং যেসব দেশ সম্পূর্ণভাবে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা কার্যকর করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    প্রথম তালিকায় রয়েছে কানাডা, মেক্সিকো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ইকুয়েডর, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান।

    অন্যদিকে দ্বিতীয়টিতে রয়েছে যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াসহ ৫৪টি দেশ।

    বিজ্ঞপ্তিতে একটি ‘টেক্সটাইল মেকানিজম’-এর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আওতায় নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্য হ্রাসকৃত (কম) শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে।

    তবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য এটি স্বস্তির কারণ হতে পারে কি না, তা পরবর্তী শুনানিতে স্পষ্ট হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ার বলেছেন, ‘আমাদের প্রধান ব্যাবসায়িক অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রম দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে একটি অসমান প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আমরা এই বৈষম্য আর সহ্য করব না।’

    ইউএসটিআর-এর তদন্তে বলা হয়েছে, এই ৬০টি দেশের ব্যর্থতার কারণে তৈরি হওয়া সস্তা পণ্য মার্কিন বাজারে প্রবেশ করছে। এটি মার্কিন উৎপাদকদের জন্য অসদুপায় ও অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে এবং বৈধভাবে ব্যাবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    তবে এই শুল্ক এখনো চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হয়নি। এটি আপাতত একটি প্রস্তাব, যার ওপর অংশীজনদের মতামত ও শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের একক বৃহত্তম বাজার। নতুন এই প্রস্তাব কার্যকর হলে তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া সমস্ত পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০% শুল্ক যোগ হবে। ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থগিত করল ইরান

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

    লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান।

    সোমবার (১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

    তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত অপরাধ ও যুদ্ধবিরতির শর্ত বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের আলোচক দল মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনা ও খসড়া বিনিময় স্থগিত করেছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লেবানন ইস্যু ছিল তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অন্যতম শর্ত। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে পুরোপুরি ভঙ্গ হয়েছে।

    রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। কারণ শান্তি আলোচনা চলার মধ্যেই ইরানের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলার চালানোর কথা বলেছে ইরানও।

    এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়াটা অন্যতম প্রধান শর্ত। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে কোনো প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিতেও হিজবুল্লাহকে সমর্থন দেবে ইরান।

    সোমবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি লেখেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে লক্ষ্য করুন: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিঃসন্দেহে সব ফ্রন্টে কার্যকর, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।’

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কোনো একটি ফ্রন্টে ভঙ্গ করা হলে সেটি সব ফ্রন্টে ‍যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে ওই পোস্টে জানান তিনি।

  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আসেনি ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’

    ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আসেনি ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য বা প্রস্তাবিত চুক্তিতে সই করবেন কি না, তা নির্ধারণ করতে নিজের উপদেষ্টাদের নিয়ে হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুমে’ জরুরি বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রায় দুই ঘণ্টার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে।

    শুক্রবার (২৯ মে) হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। তবে ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড়সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।

    ট্রাম্প বলেছেন, তাদের (ইরানকে) অবশ্যই প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির উভয় দিকে অবাধ নৌযান চলাচলের জন্য খুলে দিতে হবে।

    বড় ধরনের সংকট মোকাবিলায় হোয়াইট হাউসে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগে ইরান জানিয়েছিল, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না।

    বৈঠক শেষে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন কোনো চুক্তিই করবেন না যা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না।

    মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারকের (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) খসড়ায় একমত হয়েছিল। তবে সেটি কার্যকর হতে ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অনুমোদন প্রয়োজন। প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

    এর আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্র সরিয়ে নিয়ে ধ্বংস করবে। তবে আলোচনায় থাকা সমঝোতা স্মারকে এমন কোনো শর্ত অন্তর্ভুক্ত নেই বলে জানা গেছে।

    গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে এখন পর্যন্ত আলোচনায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি।

    গতকাল শুক্রবার সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ তুলে নিতে তিনি প্রস্তুত। এর ফলে সেখানে আটকে থাকা জাহাজগুলো নিজ গন্তব্যে ফিরতে পারবে।

    ট্রাম্প বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ লেনদেন হবে না। তবে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

    ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থা সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যে ‘সত্য ও মিথ্যার মিশ্রণ’ রয়েছে। সংস্থাটি দাবি করেছে, সমঝোতা স্মারকে পারমাণবিক উপকরণ ধ্বংসের কোনো শর্ত অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

    এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য যুদ্ধের অবসান। পারমাণবিক ইস্যুতে কোনো আলোচনা চলছে না।

    হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুম’ হলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি গোয়েন্দা কেন্দ্র। এটি মূলত একটি কমান্ড সেন্টার, যেখানে বসে প্রেসিডেন্ট এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

  • বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র

    বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

    শার্লট এফসির অভিজ্ঞ তারকা টিম রিমকে অধিনায়ক করে বুধবার (২৭ মে) শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো।

    দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া রিমের অভিজ্ঞতা নতুনদের জন্য বড় সহায়তা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, দলের ঐতিহাসিক সাফল্যের স্বপ্নপূরণে ভিত্তিটা গড়ে দিতে চান এই ডিফেন্ডার।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ স্কোয়াড :

    গোলরক্ষক: ক্রিস ব্র্যাডি (শিকাগো এফসি), ম্যাট ফ্রিজ (নিউইয়র্ক সিটি এফসি), ম্যাট টার্নার (নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশন)।

    ডিফেন্ডার: ম্যাক্স আর্ফস্টেন (কলম্বাস ক্রু), সার্জিনো ডেস্ট (পিএসভি), অ্যালেক্স ফ্রিম্যান (ভিয়ারিয়াল), মার্ক ম্যাকেঞ্জি (তুলুস এফসি), টিম রিম (শার্লট এফসি), ক্রিস রিচার্ডস (ক্রিস্টাল প্যালেস), অ্যান্টনি রবিনসন (ফুলহ্যাম), মাইলস রবিনসন (এফসি সিনসিনাটি), জো স্ক্যালি (বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ), অস্টন ট্রাস্টি (সেল্টিক)।

    মিডফিল্ডার: টাইলর অ্যাডামস (বোর্নমাউথ), সেবাস্টিয়ান বারহল্টার (ভ্যাঙ্কুবার হোয়াইটক্যাপস), উইস্টন ম্যাককিনে (জুভেন্টাস), ক্রিস্টিয়ান রোল্ডান (সিয়াটল সাউন্ডার্স), ব্রেন্ডন অ্যারনসন (লিডস ইউনাইটেড), জিওভান্নি রেইনা (বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ), মালিক তিলম্যান (বায়ার লেভারকুসেন), টিম উইয়াহ (মার্শেই)।

    ফরোয়ার্ড: ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ (এসি মিলান), আলেজান্দ্রো জেন্দেজাস (ক্লাব আমেরিকা), ফ্লোরিয়ান বালোগুন (মোনাকো), রিকার্ডো পেপি (পিএসভি) ও হাজি রাইট (কোভেন্ট্রি সিটি)।

  • ছয় মুসলিম দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করতে বললেন ট্রাম্প

    ছয় মুসলিম দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করতে বললেন ট্রাম্প

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ইসরায়েলের সঙ্গে পাকিস্তানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় মুসলিম দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ‘বাধ্যতামূলক’ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (২৫ মে) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে! হয় সবার জন্য একটি দারুণ চুক্তি হবে, নয়তো কোনো চুক্তিই হবে না। আবার যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরতে হবে, তবে আগের চেয়েও বড় ও শক্তিশালী হয়ে। আর তা কেউই চায় না!

    তিনি বলেন, শনিবার সৌদি আরবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি, প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম বিন জাবের আল থানি ও মন্ত্রী আলী আল-থাওয়াদি, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ এবং বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে আলোচনার সময় আমি বলেছি যে, এই অত্যন্ত জটিল ধাঁধাটি সমাধান করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত প্রচেষ্টার পর, এই সমস্ত দেশগুলোর জন্য ন্যূনতম হলেও একযোগে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।

    ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহারাইন একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এটিই আব্রাহাম চুক্তি। এর মাধ্যমে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল উপসাগরীয় দেশ দুটি। যদিও বলা হয়, চুক্তির উদ্দেশ্য দশকব্যাপী শত্রুতা ও দূরত্ব কমিয়ে রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করা।

    এর আগে সৌদি আরবের যুবরাজ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাব্য আগ্রহ প্রকাশ করলেও রিয়াদ বলেছে, স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শর্তেই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

  • চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

    চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চুক্তি সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে, ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

    এই চুক্তি যুদ্ধের আরও বিস্তার ঠেকাবে এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহের ওপর চাপ কমাবে। তবে, এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পারমাণবিক দাবিগুলোকে পূরণ করে এমন একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির দিকে নিয়ে যাবে কিনা তা এখনো অস্পষ্ট। ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারীরা উভয়েই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চুক্তিটি শিগগিরই ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং শেষ মুহূর্তে ভেস্তেও যেতে পারে।

    মার্কিন ওই কর্মকর্তা বর্তমানে খসড়া চুক্তিতে যা রয়েছে তার একটি বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন, যার অনেকটাই আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অন্যান্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই বিষয়গুলো এখনো ইরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে তেহরানও ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে।

    চুক্তিতে কী রয়েছে

    উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করবে, যা ৬০ দিন কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতিতে এর মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এই ৬০ দিনের সময়ে হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে এবং সেখানে কোনো ধরনের শুল্ক নেওয়া হবে না। পাশাপাশি ইরান প্রণালিতে স্থাপন করা মাইন সরিয়ে ফেলতে সম্মত হবে, যাতে জাহাজগুলো অবাধে চলাচল করতে পারে।

    এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে এবং কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যাতে ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, এটি ইরানের অর্থনীতির জন্য বড় সুবিধা হবে। তবে তিনি বলেন, এতে বৈশ্বিক তেলের বাজারও উল্লেখযোগ্য স্বস্তি পাবে।

    মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ইরান যত দ্রুত মাইন সরিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে, তত দ্রুত অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এই চুক্তিতে ট্রাম্পের মূল নীতি হলো‘কাজের বিনিময়ে স্বস্তি’।

    ইরান চেয়েছিল অবিলম্বে জব্দ অর্থ ছাড় এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। কিন্তু মার্কিন পক্ষ জানিয়েছে, বাস্তব ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত তা সম্ভব হবে না।

    পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে এখনো আলোচনা বাকি

    খসড়া সমঝোতা স্মারকে ইরানের পক্ষ থেকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা না করার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করা এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় বসার কথাও রয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তা জানান।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে মৌখিকভাবে জানিয়েছে যে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং পারমাণবিক উপাদান ত্যাগের বিষয়ে কতটা ছাড় দিতে প্রস্তুত।

    যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের সময়কালে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের জব্দ অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হবে। তবে এসব পদক্ষেপ কেবল একটি চূড়ান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর কার্যকর হবে।

    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনী ৬০ দিনের এই সময়জুড়ে অঞ্চলে অবস্থান করবে এবং কেবল চূড়ান্ত চুক্তি হলে সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে। চমকপ্রদ বিষয় হলো, খসড়া সমঝোতা স্মারকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ শেষ হবে।

    শনিবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি চুক্তির আরও কিছু বিষয় নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক ও সংযতভাবে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

    মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এটি কোনো ‘একতরফা যুদ্ধবিরতি’ হবে না। যদি হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ বা হামলার চেষ্টা করে, তাহলে ইসরায়েলকে তা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহ শান্ত থাকলে ইসরায়েলও শান্ত থাকবে।’

    নেতানিয়াহুকে তার ডাকনাম ধরে উল্লেখ করে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিবির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় রয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থও বিবেচনা করতে হয়।’

    কীভাবে এই অগ্রগতি হলো

    শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েকজন আরব ও মুসলিম নেতার সঙ্গে ফোনালাপে এই চুক্তির বিষয়ে মতামত নেন এবং সবাই এতে সমর্থন জানিয়েছেন বলে কলটির বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্র জানিয়েছে।

    মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কড়া অবস্থানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদও ছিলেন। এছাড়া সৌদি আরব, কাতার, মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের নেতারাও ওই আলোচনায় অংশ নেন। এই দেশগুলো মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় জড়িত রয়েছে।

    পাকিস্তানিরাই প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। এ প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, যিনি শুক্রবার ও শনিবার তেহরানে ছিলেন চুক্তিটি সম্পন্ন করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে।

    সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প একদিকে চুক্তি এগিয়ে নেওয়া এবং অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা চালানোর মধ্যে দোদুল্যমান অবস্থায় ছিলেন। তবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি কূটনৈতিক সমাধানের দিকেই বেশি ঝুঁকেছিলেন।

  • শান্তিচুক্তি চূড়ান্তের পথে, হরমুজ খোলা নিয়ে দ্বিমত

    শান্তিচুক্তি চূড়ান্তের পথে, হরমুজ খোলা নিয়ে দ্বিমত

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২৩ মে) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে। তবে ট্রাম্পের দাবি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ। তারা ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অবাস্তব’ বলে উল্লেখ করেছে।

    ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তিটি সম্পন্ন হলে হরমুজ প্রণালি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান। তাই এই প্রণালি খুলে দেওয়া নিয়ে ট্রাম্পের একক দাবি সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। অবশ্য আলোচনার বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যকার বিরোধ কিছুটা কমেছে। তবে এখনও বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য আরও তিন-চার দিন অপেক্ষা করতে হবে।

    এই শান্তি আলোচনা প্রক্রিয়ায় মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির তেহরানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে শনিবার তিনি তেহরান ত্যাগ করেন। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এই আলোচনাকে ‘আশানুরূপ’ বলে বর্ণনা করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার জন্য একটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও বিস্তৃত চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।

    গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর এই অঞ্চলে যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে হরমুজ প্রণারি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা নেমে আসে। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চললেও গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ এখনও সাধারণ জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ রয়েছে।

    এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত শান্তি চুক্তি মূলত তিনটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটবে। দ্বিতীয় ধাপে হরমুজ প্রণালির সংকটের সমাধান করা হবে এবং তৃতীয় ধাপে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ৩০ দিনের একটি আলোচনার সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনে আলোচনার সময় আরও বাড়তে পারে। আগামী শুক্রবার ঈদের ছুটির পর শান্তি চুক্তি নিয়ে পরবর্তী আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ইরানের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, তাদের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া এবং তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা তেহরানের প্রধান দাবি। তবে এর চেয়েও বড় অগ্রাধিকার হলো নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকি বন্ধ করা এবং লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো।

    সবশেষে, ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, চলমান যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করেছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ‘বোকামি করে যুদ্ধ শুরু করে’, তবে এর পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ ও তিক্ত। দীর্ঘ সংঘাতের পরও ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও অস্ত্র মজুদের পাশাপাশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদও অক্ষুণ্ন রেখেছে।