Tag: শুরু

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পের সমন্বিত ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি শুরু

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পের সমন্বিত ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি শুরু

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রণয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

    আজ সকাল ১১ টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ এর উপস্থিতিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রাইভেট) লিঃ এর মধ্যে এ প্রকল্পের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রকল্পের পরিচালক ড. হাফিজ আশরাফুল হক এবং শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রাইভেট) লিঃ এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

    এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের সম্মানিত ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, পরিচালক, দপ্তর প্রধান, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণসহ শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রাইভেট) লিঃ এর ম্যানেজার ও আর্কিটেক্টগণ উপস্থিত ছিলেন।

    চুক্তি শেষে উপাচার্য মহোদয় এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এ সমীক্ষার মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন সম্ভব হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ উন্নয়ন এবং সামগ্রিক একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করার পথ সুগম হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানান।

    এ প্রকল্পের আওতায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা, মাস্টার প্ল্যান ও ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রণয়নসহ বিভিন্ন ধরনের জরিপ ও ভৌত সমীক্ষা পরিচালনা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নকে অধিকতর পরিকল্পিত, টেকসই ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ এবং সম্ভাব্যতা যাচাই এ সমীক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। উল্লেখ্য যে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি প্রকল্পের কাজ ই-জিপির মাধ্যমে শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রাইভেট) লিঃ কে প্রদান করা হয়েছে।

  • মেহেরপুরে সার সংকট নিয়ে আমন ধানের আবাদ শুরু

    মেহেরপুরে সার সংকট নিয়ে আমন ধানের আবাদ শুরু

    মেহেরপুরে এক দিকে সারের সংকট, অন্য দিকে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোড শেডিং। তার পরও কীটনাশকের উচ্চ মুল্য আর বাড়তি শ্রমিক খরচ। এমন বিভিন্ন সংকট নিয়ে আমন ধানের আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা। প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশ তারা। ফলে প্রয়োজনীয় সার না পেলে কৃষকদের মধ্যে আমন আবাদ ব্যহত হওয়ার দুশ্চিন্তা থাকলেও সারের ঘাটতি নেই বলে দাবি কৃষি বিভাগের।

    মেহেরপুর জেলায় চলতি আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় দেড় লাখ টন ধান। সেই লক্ষ্যে কৃষকরা আমন আবাদের জন্য শুরু করেছেন জমি প্রস্তত ও ধানের চারা রোপনের কাজ। পাট কাটার পরপরই আমন ধান রোপণের যেন এক নতুন উৎসব কৃষকদের মধ্যে। তবে ধানের চারা রোপণ ও জমি প্রস্তত করতে পর্যাপ্ত সার পাচ্ছেন না চাষিরা। অন্য দিকে কৃষি-নির্ভর মেহেরপুরে সারা বছরই পেয়াজ, মরিচ, বাধাকপি ও ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ হয়। একই জমিতে বছরে তিন থেকে চার ফসল হয়। প্রতিটি জমিতেই সাথি ফসল হিসেবে একই সঙ্গে একাধিক ফসলের চাষ করেন চাষিরা। সেখানেও সারের চাহিদা আছে চাষিদের।

    চাষিরা জানান, ডিলারদের কাছে ন্যায্য দামে সার না পেলেও বাহিরের খুচরা দোকানে বেশি দাম দিলে মিলছে সার। প্রতি বস্তায় পাচ শত টাকা থেকে সাত শত টাকায় বেশি দাম দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে তাদের। সরকারি নিয়মবহির্ভূতভাবে খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে সার কেনাবেচা হলেও কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ জেলা প্রশাসন।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সনজিব মৃধা জানান, জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। চাষিরা তাদের জমিতে অতিমাত্রায় সার প্রয়োগ করে ফলে সারের সংকট তৈরি হচ্ছে ।