Tag: সংঘর্ষ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ২০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে দোকানের জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

    রোববার (৭ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী (ছোট গোষ্ঠী) পক্ষের জুবায়েরের সঙ্গে বাদৈর বাড়ির (বড় গোষ্ঠী) জয়নাল মিয়ার একটি দোকানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দোকানটি ছোট গোষ্ঠীর শিরো মিয়া পরিচালনা করে আসছিলেন।

    স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ চারদিন আগে অনুষ্ঠিত এক গ্রাম্য সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

    এরই জের ধরে রোববার সকালে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হলে টেঁটা, বল্লম ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি চলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন টেঁটাবিদ্ধ হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    সংঘর্ষের সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন।

    খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

    এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • মাগুরার শ্রীপুরে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৩

    মাগুরার শ্রীপুরে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৩

     

    মাগুরা প্রতিনিধি

    মাগুরার শ্রীপুরে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার সাচিলাপুর বাজারে এ সংর্ষের ঘটে। পরে তারাউজিয়াল ও দারিয়াপুর গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।এ ঘটনায় দারিয়াপুর গ্রামের শরীফ শেখ (৩৫), তারাউজিয়াল গ্রামের প্রবল (৪০) ও শাহজাহান (৩৫) নামে ৩ জন মারাত্মক আহত হয়। আহতরা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় সাচিলাপুর বাজারের হৃদয় টেলিকম, মেঘা সুইটস দুটি দোকান ও আলম মোল্যার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় সাচিলাপুর বাজারে হৃদয় টেলিকমে দ্বারিয়াপুর গ্রামের শরীফ শেখ মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতে যায়। এ সময় হৃদয় টেলিকমের মালিক তারাউজিয়াল গ্রামের প্রবল ভূলক্রমে এমবি রিচার্জের টাকা মিনিট ঢুকিয়ে দেয়। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সুত্রপাত হয়ে সেটা সংঘর্ষে রুপ নেয়। এ ঘটনায় মুহুর্তেই সাচিলাপুর বাজার এলাকায় বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় মারপিট ভাংচুর।

    শনিবার সকালে পুনরায় সাচিলাপুর বাজারের দারিয়াপুর ব্রীজ ও তারাউজিয়াল স্ব-মিল এলাকায় দুটি গ্রুপ অবস্থান নেয় সংঘর্ষের জন্য। পরে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল নাহিয়ান, শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ওলি মিয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান হাসান ইমাম সুজা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফুল আলম, সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুল আলম হিরো, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্বাস উদ্দিন, মুন্সি রেজাউল করিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষের ৩ জন করে দ্বায়িত্ব দিয়ে শান্তি বজায় রাখা ও আগামীকাল রবিবার সকালে মিমাংশার সিদ্ধান্তে সবাইকে যার বাড়িতে চলে যেতে বলা হয়।

    এ ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওলি মিয়া বলেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে দু-পক্ষের মধ্যে বিরাজমান সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

  • ফরিদপুরে দুইটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ

    ফরিদপুরে দুইটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ

     

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর এলাকায় দুইটি লোকাল বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

    শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে কোতোয়ালি থানাধীন কানাইপুরের হোসেন ফিলিং স্টেশনের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘ/টনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগুরা থেকে ছেড়ে আসা যশোর-জ-১১-০০৫০ নম্বরের একটি লোকাল বাস এবং ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহী মেট্রো-জ-১১-০০৭৫ নম্বরের আরেকটি লোকাল বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘ/র্ষে/র ফলে উভয় বাসের কয়েকজন যাত্রী আ/হত হন।

    দুর্ঘটনার পর আহত যাত্রীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনে করে নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় তাদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

    খবর পেয়ে ফরিদপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘ?ট/নাকবলিত বাস দুটি নিজেদের হেফাজতে নেয়।

    পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • নবীনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ: ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর আহত-১০

    নবীনগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ: ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর আহত-১০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে স্থানীয়ভাবে পরিচিত শিশু গ্রুপ ও হোসেন গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

    আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে স্থানীয় বাছির মেম্বারের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকালে বাজার এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

    হোসেন গ্রুপের পক্ষ থেকে আহমেদ হোসেন অভিযোগ করেন, বাজার এলাকায় তাদের লোকজনের ওপর প্রতিপক্ষ অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।

    অন্যদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে শিশু গ্রুপের প্রধান আতিকুর রহমান শিশু বলেন, তাদের এক সমর্থককে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে, যার ফলে তার একটি চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাদের পক্ষ থেকে আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে পুরো বাজার এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান। কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের পাশাপাশি মালামাল লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে।

    ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • গোপালগঞ্জের দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর আহত-২০

    গোপালগঞ্জের দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর আহত-২০

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাংচুর ও নারী-পুরুষসহ ২০ জন আহত হয়েছে।

    সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা- বেপারীপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    গুরুতর আহত ওহাব গাজী(৬০), জালাল গাজী (৪৫), খলিল গাজী (৪৮), আরিফুল গাজী (৩০) জলিল গাজী (৪৬) ছনিয়া খানম (১৯), মাজেদা বেগম (৪৫), হান্নান বরকতউল্লাহ (৫৫), মুকুল মুন্সী (৪৮), অলি বরকতউল্লাহ (৩৫), তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ (৪৫), হাবিব মুন্সী (৪২), জাহিদুল বরকতউল্লাহ (৩৮) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানাগেছে, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারী চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন  মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়াকে আটক করে বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয়ে আটকে রাখে।

    এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন এসে মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয়  ভাঙচুর করে ৩ চোরকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, আমাদের বেপারীপাড়া গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুলাহ এই ৩জন মিলে ব্যাটারী চুরি করে বিক্রি করে দেয়। এ খবর জানার পরে আমরা এই ৩ চোরকে আটক করে আমাদের কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেই।

    পরবর্তীতে কাঠিগা-চিতশীর লোকজন এসে আমাদের উপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই ৩জনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    কোটালীপাড়া থানার ওসি মোঃ রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

  • নাসিরনগরের ইছাপুর গ্রামে কোরবানির ছুরি কেনার টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৬

    নাসিরনগরের ইছাপুর গ্রামে কোরবানির ছুরি কেনার টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৬

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামে মসজিদের তহবিলের অর্থ নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার দুপুরে ইছাপুর বাইতুন নূর জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির ছুরি কেনার জন্য মসজিদের তহবিল থেকে অর্থ ব্যয়কে কেন্দ্র করে গ্রামের সফিল ও আজিম উদ্দিনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষ বাধে।

    সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন।

    আহতদের মধ্যে রয়েছেন রহিমা বেগম, শরীফ, শিমুল আক্তার, নিজাম আলম, যদু মিয়া ও হুমায়ুন কবির। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে গুরুতর আহত যদু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি শান্ত করে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” বর্তমানে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • সরাইলে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

    সরাইলে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

     

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় মাদক-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রায়হান (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

    শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার সৈয়দটুলা উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রায়হান ওই এলাকার ছুটুন মিয়ার ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে একটি মাদক লেনদেনকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যুবকের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে রাত গভীর হলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে রায়হান গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় দুই পক্ষের আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় একজন কিশোর নিহত হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • কুষ্টিয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫

    কুষ্টিয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫

     

    কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ

    কুষ্টিয়ার খোকসায় যাত্রীবাহী বাস ও ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। তাদের খোকসা ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খোকসার শিমুলিয়া দক্ষিণ কুঠিপাড়া মসজিদের সামনে কুষ্টিয়া রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়ক এই ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ।

    নিহত হয়েছেন ফরিদপুর জেলার মুন্সি বাজার এলাকার জুনায়েদ এর ছেলে নাদিল (২০) সহ আরো দু’জন।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী ড্রামট্রাকের সঙ্গে (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস উল্টে পুকুরে পড়ে যায়। এসময় স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা আহতের উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুজন নিহত হন এবং পরবর্তীতে আশংকাজনক অবস্থায় একাধিক আহত ব্যক্তিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরো একজন নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি ১১ জনের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

  • রণক্ষেত্র চট্টগ্রাম, পুলিশের গাড়িতে আগুন

    রণক্ষেত্র চট্টগ্রাম, পুলিশের গাড়িতে আগুন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, ঘেরাও এবং দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। অভিযুক্ত যুবক মনিকে পুলিশ নিয়ে যেতে চাইলে বাধা দেয় স্থানীয়রা। তারা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে বাধে সংঘর্ষ। একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের একটি এলাকায় স্থানীয়রা শিশু ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

    সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এ সময় গুলিতে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হন। এ ছাড়া থেমে থেমে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে র‌্যাব ও আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

    এদিকে রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকসহ অন্যদের খোঁজখবর নেন।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।