Tag: সংবর্ধনা

  • পাংশায় কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমির নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও সভাপতিকে সংবর্ধনা

    পাংশায় কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমির নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও সভাপতিকে সংবর্ধনা

    রাজবাড়ীর পাংশায় কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমির নতুন পরিচালনা পর্ষদের নব নির্বাচিত সভাপতি মো. সেলিম মিয়াকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

    সোমবার (২৬ অক্টোবর) পাংশায় কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমি প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শাহাদাত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. চাঁদ আলী খান, সাধারণ সম্পাদক খান রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান রাজা, শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি শামসুল আলম সোহরাব, পাংশা পৌর বিএনপির সভাপতি বাহারাম হোসেন সরদার, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী সরদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল আলম আকুল ও মো. রেজাউল করিম রিংকুসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের নতুন পরিচালনা পর্ষদের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. সেলিম মিয়াকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

    সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পরিবেশ আরও উন্নত হবে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

    উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রতিষ্ঠানটি এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের পাশাপাশি তাদের জ্ঞান ও মেধা বিকাশে ভূমিকা রেখে চলেছে।

    নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এ সময় বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী স্থানীয় বিএনপি যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদলের নেতা কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ইবিতে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ শিক্ষার্থীকে আইন অনুষদের সংবর্ধনা

    ইবিতে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ শিক্ষার্থীকে আইন অনুষদের সংবর্ধনা

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষা-২০২৫-এ সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ নাজিমুদ্দিন, আইন বিভাগ সভাপতি অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওহাব ও আল ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেনসহ তিন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত রোকোনুজ্জামান রায়হান বলেন,”আজ এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের যে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দদায়ক ও তৃপ্তিকর। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুর দিকে প্রতিকূল অবস্থা, ক্লাস রুমের সংকট ও শিক্ষক স্বল্পতার মধ্য দিয়ে আমাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়েছিল। তবে আইন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিবার সিনিয়রদের বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা আমাদের স্বপ্নকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রথমবারই মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে বিচারক হিসেবে কবুল করেছেন। তিনি উপস্থিত সবাইকে শুরু থেকেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে সিলেবাস বিশ্লেষণ করে সাধারণ ও আইন উভয় অংশকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে স্টাডি স্পেস বা জব কর্নার আরও বাড়ানোর এবং জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সদস্য হিসেবে ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডীন মহোদয়কেও অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।

    উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘সুপারিশপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অকৃত্রিম শুভেচ্ছা। দেশের প্রতি আপনাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থায় দেশের সকল শ্রেণির মানুষের কন্ট্রিবিউশন রয়েছে, আপনারাও সেই বিবেচনায় দায়িত্ব পালন করবেন। সবার ওপরে সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন, তা বিবেচনায় বিবেক বুদ্ধি দিয়ে তোমাদের দায়িত্ব পালন করা উচিত। একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়তে বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনেক শিক্ষার্থী আইন অঙ্গনে নিয়োজিত রয়েছে। আইন বিভাগ একটি বহুমুখী বিভাগ। এর শিক্ষার্থীদের নানামুখী পেশায় কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুবিধার্থে আমরা বিভিন্ন কাজের উদ্যোগ নিচ্ছি।’

  • নীলফামারীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির

    নীলফামারীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির

    নীলফামারীতে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের দিকনির্দেশনা ও উৎসাহিত করতে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

    ​আজ (৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকাল ৯টায় নীলফামারী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, ফুল ও শিক্ষা-উপহার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

    ​বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নীলফামারী শহর শাখার সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং শহর সভাপতি সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ঘোষণা করা হয়।

    ​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মেধাবীদের হাত ধরেই একটি স্বনির্ভর ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। শুধু জিপিএ-৫ পেলেই চলবে না, বরং নৈতিকতা ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সামনের দিনগুলোতে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।”

    ​প্রধান আলোচক হিসেবে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, “এসএসসি বা দাখিল পরীক্ষা হলো উচ্চশিক্ষার প্রথম ধাপ। আগামী দিনে কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও ক্যারিয়ার গঠনের জন্য এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সততা ও দক্ষতার সমন্বয়ে নিজেদের সৎ, দক্ষ ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”
    ​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-র ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি, মেধা বিকাশ এবং সৎ নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

    ​এছাড়া ছাত্রশিবিরের রংপুর মহানগরের সাবেক সভাপতি নুরুল হুদা তাঁর আলোচনায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

    ​অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী শহর জামায়াতের আমীর আনোয়ারুল ইসলাম এবং সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সম্পাদক আহমদ রায়হান।

    ​সংবর্ধিত ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, এ ধরনের আয়োজন তাদের ভবিষ্যৎ অধ্যবসায় ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতিতে দারুণ অনুপ্রেরণা জোগাবে। পরিশেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ সকল শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

  • মাগুরার শ্রীপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মাগুরার শ্রীপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    মাগুরার শ্রীপুরে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী এবং জুনিয়র ও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে এলাকার শিক্ষার সার্বিক মান উন্নয়নে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ​আজ ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

    ​শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো: নাজমুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-০১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মো: মনোয়ার হোসেন খান ।

    ​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো: আক্তার হোসেন, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বদরুল আলম হিরো, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আব্বাস উদ্দিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল গণি, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রশিদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুর রহিম এবং কৃষক দলের আহ্বায়ক রুবায়েত হোসেন খান প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ অংশ নেন।

    ​সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মোট ৫৬ জন (এসএসসি সাধারণ ৫৩ জন, কারিগরি ১ জন ও দাখিল ২ জন), জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪২ জন এবং প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪৪ জনসহ সর্বমোট ১৪২ জন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

    ​সংবর্ধনা শেষে উপজেলার শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে এক মুক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য কৃতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে মানসম্মত শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

  • শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি প্রধান এবং তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে ভালো করার অনুপ্রাণিত করার লক্ষে শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ আয়োজন করে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) উৎসবমুখর পরিবেশে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী করা হয়েছে।

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মিয়া মোঃ অসিম বিন হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমজাদ হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওলিউর রহমান, শেখপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লেছপাতি খাতুনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    আয়োজকরা জানান, ২০২৫ সালে শেখপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৬ জন ট্যালেন্টপুল বৃত্তি এবং ৬ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও মেধার স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

  • গোপালগঞ্জ জেলার কর্মরত (পিবিআই) উপ-পুলিশ পরিদর্শক রূপকুমার বিদায় সংবর্ধনা

    গোপালগঞ্জ জেলার কর্মরত (পিবিআই) উপ-পুলিশ পরিদর্শক রূপকুমার বিদায় সংবর্ধনা

    পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), গোপালগঞ্জ জেলায় কর্মরত উপ-পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জনাব রূপকুমার বিশ্বাস-এর বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু, পুলিশ সুপার, পিবিআই, গোপালগঞ্জ জেলা। এ সময় পিবিআই গোপালগঞ্জ জেলার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ফোর্স বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মনিষ্ঠা, সততা, আন্তরিকতা ও সহকর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিক আচরণের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য প্রদান করেন। বিদায়ী কর্মকর্তা জনাব রূপকুমার বিশ্বাসও পিবিআই গোপালগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালীন বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরে সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্মৃতিময় মুহূর্তগুলো স্মরণ করতে গিয়ে পরিবেশ আবেগঘন হয়ে ওঠে।

    সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার জনাব শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন, “বদলি চাকরিজীবনের স্বাভাবিক নিয়ম। তবে একজন সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল সহকর্মীকে বিদায় জানানো সবসময়ই কষ্টের। আমি বিশ্বাস করি, জনাব রূপকুমার বিশ্বাস নতুন কর্মস্থলেও সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশ-এর সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবেন। মহান আল্লাহ তাঁর কর্মজীবনকে আরও সাফল্যমণ্ডিত করুন এবং পরিবার-পরিজনকে নিয়ে সুস্থ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জীবন দান করুন।”

    পরিশেষে পুলিশ সুপার মহোদয় বিদায়ী কর্মকর্তার হাতে ফুলের তোড়া ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিদায়ের এ মুহূর্তটি সহকর্মীদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য নিদর্শন হয়ে থাকবে। এই ভালবাসা সব সময় আলোকিত। এই পৃথিবী ক্ষনস্থায়ী! আমরা ও মানুষ। আমরা চাই সকলে মিলে সুন্দর একটা বাংলাদেশ।

  • মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সংবর্ধনা দিল ইবির আরবি বিভাগ

    মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সংবর্ধনা দিল ইবির আরবি বিভাগ

    মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেনকে সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ।শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র নজরুল কলা ভবনের ৩০৩ নম্বর কক্ষে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে বিভাগটি।

    অনুষ্ঠানে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

    এসময় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মফিজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক ছিদ্দিকী এবং অধ্যাপক ড. কামরুল হাসানসহ বিভাগের অন্য শিক্ষক শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোস্তাক মুহাম্মদ আব্দুল মোক্তাদির মুনাওয়ার আলী।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেনকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন। সেই সাথে তার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য সফলতার কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।

    অনুষ্ঠানে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেন বলেন, আজকের এই আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। বর্তমানে আমার কাজের পরিধি অনেক বেশি, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। অল্প দিনেই আমি বেশ কিছু কাজ করতে পেরেছি। সকলের দোয়া এবং সরকারের সদিচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমি কাজ করতে করে যাব। আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত অভিজ্ঞতা আমি পুরোপুরি সেখানে ব্যয় করার চেষ্টা করবো। আমার সফলতাই আবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সফলতা, আমার সফলতাই ইবির সফলতা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় আমরা অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তার এই অর্জন আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের জন্য গর্বের, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি নিঃসন্দেহে একজন যোগ্য, অভিজ্ঞ ও কর্মক্ষম শিক্ষক। যা ইতোমধ্যেই তিনি তাঁর কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর নেতৃত্বে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আরও সমৃদ্ধ হবে এবং দ্রুত এগিয়ে যাবে।

    তিনি আরো বলেন, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক কোলাবোরেশন প্রতিষ্ঠায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।