জেভি২৪ ডেস্ক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে।

জেভি২৪ ডেস্ক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে।

জেভি২৪ ডেস্ক
রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ব্যাখ্যা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৩০ মে) হাসপাতালের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ব্যাপক গণমাধ্যম কাভারেজের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবাকর্মীরা কয়েকদিন ধরে মানসিক চাপে দায়িত্ব পালন করছেন।
শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনের পর বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিছু সাংবাদিক হাসপাতালের পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে কথা বললে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। কয়েকজন কর্মী উত্তেজিত আচরণ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। সাংবাদিকদের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মান প্রদর্শনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত বলে বিবেচনা করেন। আদ-দ্বীন হাসপাতাল সব সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনভিপ্রেত উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। কোনো কর্মীর আচরণে সাংবাদিকরা কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জেভি২৪ ডেস্ক
সারাদেশে ২৩ মে সকাল ৮টা থেকে ২৪ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে দেশে হাম ও হামের সদৃশ উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫২৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে এদের মধ্যে ১২৮ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম সংক্রমণে অন্তত ৮৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে হামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপসর্গ নিয়ে আরও ৪৪২ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
ডিজিএইচএসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত সময়কালে সারাদেশে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৮ হাজার ৬২২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে।
সর্বশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনের তথ্যমতে, দেশব্যাপী এ পর্যন্ত মোট ৬৩ হাজার ৮১৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৬ হাজার ২১৪ জন রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে আক্রান্ত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।