Tag: পুলিশ

  • রাজবাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

    রাজবাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

    রাজবাড়ীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান (৬০) নামে এক মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের বাগমারা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার ইমামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার চান্দ্রা বাজার ইউনিয়নের সিংগারডাক গ্রামের আজিজ চৌধুরীর ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজবাড়ী পৌর শহরের চরলক্ষীপুর তালতলা এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে থাকেন। তিনি ৩ মাস ধরে বাগামার হোসেন জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকালে মসজিদে বাচ্চারা আরবি পড়তে আসে। শুক্রবার সকালেও বাচ্চারা আরবি পড়তে মসজিদে আসে। এক পর্র্যায়ে ৭ বছরের একজন শিশুকে মসজিদের ভেতর আটকে রেখে অশোভন আচরণ করে ইমাম। পরে ওই শিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে জানালে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে আটকে রেখে সদর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা আরও জানান, গ্রেপ্তার ইমামের এর আগেও একাধিকবার এই অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তারা।

    রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কুমিল্লায় ১ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৫

    কুমিল্লায় ১ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৫

    কুমিল্লা প্রতিনিধি

    কুমিল্লায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ারবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে চৌদ্দগ্রামে একটি প্রাইভেটকার আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পদুয়ারবাজারে লবণবাহী একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬টি প্যাকেট থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় মাদক বহনকারী কাভার্ডভ্যান ও স্কটকারী প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে। কাভার্ডভ্যানের মালিক, চালক ও হেলপারসহ মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

    আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

  • জনবান্ধব পুলিশিংয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত: বান্দরবানের শ্রেষ্ঠ ওসি মোজাম্মেল হক

    জনবান্ধব পুলিশিংয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত: বান্দরবানের শ্রেষ্ঠ ওসি মোজাম্মেল হক

     

    এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার

    সীমান্তবর্তী দুর্গম জনপদ নাইক্ষ্যংছড়িতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে একজন দক্ষ ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোজাম্মেল হক। তাঁর পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বান্দরবান জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন।

    বুধবার (১৭ জুন) জেলা পুলিশ কল্যাণ সভা শেষে বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার তাঁর হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেন। এ অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার সামগ্রিক কর্মদক্ষতা ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমেরও স্বীকৃতি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসি মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা এলাকায় মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি, ভুক্তভোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ এবং থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থানার সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। থানায় আগত সাধারণ মানুষ সহজে সেবা পাচ্ছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ-জনতার সমন্বয়ও জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে তাঁর কৌশলী পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে।

    শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, “পুলিশকে জনতার পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। জনগণের জানমাল রক্ষা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। এই সম্মাননা আমাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।”

    তিনি আরও বলেন, এই অর্জনের পেছনে জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনা, সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের সমর্থন রয়েছে।

    স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, একজন চৌকস, সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ওসি মোজাম্মেল হক ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

    সীমান্ত অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ওসি মোজাম্মেল হকের এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে বান্দরবান জেলা পুলিশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়।

    দ্রষ্টব্য: এটি একটি প্রশংসামূলক ফিচারধর্মী প্রতিবেদন। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশ করতে হলে অপরাধ দমন, মামলা নিষ্পত্তি, মাদক উদ্ধার, গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা সূচকের পরিসংখ্যান ও স্বাধীন সূত্রের মতামত যুক্ত করা উচিত।

  • শিশুর লাশ উদ্ধার নিয়ে আদিতমারী রণক্ষেত্র, ডিসি ও পুলিশের গাড়িবহরে হামলা: এসপি-ওসিসহ আহত-৩০

    শিশুর লাশ উদ্ধার নিয়ে আদিতমারী রণক্ষেত্র, ডিসি ও পুলিশের গাড়িবহরে হামলা: এসপি-ওসিসহ আহত-৩০

    জেভি২৪ ডেস্ক

    লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ভুট্টাক্ষেত থেকে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় নন্দিনী রানী (৭) নামে প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে আটকের পর তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনতার ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দেয়ার পাশাপাশি জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেট নিক্ষেপ করেন পুলিশ। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও এলাকাবাসীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নন্দিনী রানী ওই গ্রামের কৃষক নলনী বর্মণের মেয়ে এবং স্থানীয় ব্র্যাক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত সোমবার (১৫ জুন) বিকেল থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর মঙ্গলবার সকালে ভুট্টাক্ষেতে মাটিচাপা দেয়া ও বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহের সন্ধান মেলে।

    হত্যাকাণ্ডের পর তদন্তে নেমে আদিতমারী থানা পুলিশ শিশুটির চাচা (পারিবারিক সম্পর্কের) বিধানকে (১৯) প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করে। তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকেই তাকে আটক করে পুলিশ। তবে আটকের পর আসামিকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের পথরোধ করে এবং আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক বিধানের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং ইউএনওসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রশাসন স্থানীয়দের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু আসামিকে নিয়ে ফিরে আসার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুনরায় উত্তেজিত হয়ে প্রশাসনের গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে ডিসি, এসপি এবং ইউএনওর ব্যবহৃত সরকারি গাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন।

    এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান বলেন, ভুট্টাক্ষেতে শিশুটির লাশ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সেখানে যায়। কিন্তু আসামিকে নিয়ে আসার সময় জনগণ বাধা প্রদান করে। পরে বিজিবি ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়ে আমরা সেখানে যাই। সবাইকে বুঝিয়ে আসামিকে নিয়ে আসার সময় অতর্কিতভাবে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এতে আমাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর হয় এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

    লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আসামিকে নিয়ে আসার সময় পুলিশের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়েছে। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং আমাদের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় কাজে বাধা দেয়ার অপরাধে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হবে।

    তিনি আরও জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নাজমুল ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা হচ্ছে।

  • ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার এএসপি মুহম্মদ আল ফাহাদ

    ফরিদপুরে শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার এএসপি মুহম্মদ আল ফাহাদ

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নগরকান্দা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহম্মদ আল ফাহাদ। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার ওয়ারেন্ট নিষ্পত্তিতে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি এ স্বীকৃতি অর্জন করেন।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মো. নজরুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সম্মাননা গ্রহণ করে এএসপি মুহম্মদ আল ফাহাদ বলেন, এ অর্জন সার্কেলের সব পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সেবার মান উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল মনে করছে, তার নেতৃত্বে নগরকান্দা সার্কেলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম নতুন গতি পাবে।

  • শরীয়তপুর রহস্যজনক তাপে আতঙ্ক স্থানীয়রা, উৎস খুঁজছে পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস

    শরীয়তপুর রহস্যজনক তাপে আতঙ্ক স্থানীয়রা, উৎস খুঁজছে পুলিশ-ফায়ার সার্ভিস

     

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি 

    শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে রহস্যজনকভাবে মাটি অস্বাভাবিক গরম হয়ে ওঠার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রায় ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে মাটির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে।

    শনিবার (৬ জুন) বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল পানি দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান প্রবেশ সড়কের একটি অংশে মাটি স্পর্শ করলেই তীব্র তাপ অনুভূত হচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে কৌতূহলী মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর মধ্যে সম্ভাব্য বিস্ফোরণ বা অন্য কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। প্রাথমিকভাবে তারা ওই এলাকায় মাটির নিচে গর্ত করে পানি দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। তবে এখন পর্যন্ত তাপের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে ঘটনাস্থলের আশপাশে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাফিজুল রহমান মিয়া বলেন, প্রথমে বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। বিষয়টি নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। রোগী ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

    গোসাইরহাট পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. আব্দুল মতিন বলেন, খবর পেয়ে আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে সেখানে বিদ্যুতের কোনো ত্রুটি বা লিকেজের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবুও নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    গোসাইরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা এবিএম বাসার বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ করেছি। উত্তপ্ত স্থানে বারবার পানি দিয়েও তাপমাত্রা স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। মাটির নিচ থেকেও তাপ অনুভূত হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে তাপের উৎস সম্পর্কে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নওসাদ হাসান বলেন, রহস্যজনক এই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টির কারণ অনুসন্ধান করা হবে।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চুরির হিড়িক; গ্রাম থেকে শহর, স্বস্তি নেই কোথাও

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চুরির হিড়িক; গ্রাম থেকে শহর, স্বস্তি নেই কোথাও

     

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গ্রাম থেকে জেলা শহর কোথাও যেন স্বস্তি নেই। বিদ্যুতের তার, এসির কপার পাইপ, পানির মোটর, জানালা, থাই গ্লাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী চুরির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বাসিন্দারা।

    সরাইল উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামে ঈদের আগে ও পরে একাধিকবার বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র এক সপ্তাহে কয়েকটি বাড়ি ও দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়েছে। একইভাবে নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামেও গত দুই মাসে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি বাড়ির বিদ্যুতের তার চুরি হয়েছে।

    স্থানীয়দের দাবি, মাদকাসক্তদের একটি চক্র এসব চুরির সঙ্গে জড়িত। জালশুকা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু চিহ্নিত মাদকসেবী এসব চুরির ঘটনায় জড়িত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    অন্যদিকে জেলা শহরেও চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। দাতিয়ারা এলাকায় অবস্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদের আগে ও পরে দুই দফা চুরির ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসির আউটডোর ইউনিট, জানালার থাই গ্লাস এবং অন্যান্য সরঞ্জাম চুরি হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    এছাড়া জেলা পরিষদ কার্যালয়, পরিবার পরিকল্পনা অফিস, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়, শিল্পকলা একাডেমি, টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

    শহরের মৌলভীপাড়া এলাকায় জেলা জজ আদালতের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দ আমিনা ফারহিনের ভাড়া বাসায়ও চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা ফ্ল্যাটে ঢুকে আলমারিতে থাকা মালামাল নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

    ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলার বিভিন্ন স্থানে থাকা ভাঙারির দোকানে প্রকাশ্যে চোরাই তামার তার, এসির কপার পাইপ ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। তবে এসব ব্যবসার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অভিযান না থাকায় চুরি বেড়েই চলেছে বলে মনে করছেন তারা।

    এদিকে টানবাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা চুরি ও ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে ছিঁচকে চুরির ঘটনা বেড়েছে। মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অর্থের অভাবে এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রতিদিনই অভিযানে চোর ও মাদকসেবীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। পাশাপাশি চোরাই মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ভাঙারি ব্যবসায়ীদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

    জেলার সর্বত্র চুরির ক্রমবর্ধমান ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

  • মাদক ব্যবসার অভিযোগে নবীনগরে সালিশে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

    মাদক ব্যবসার অভিযোগে নবীনগরে সালিশে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে সালিশ বৈঠকে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নারুই বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার একটি ভিডিও জার্নাল ভিশন24 সহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি হলেন নারুই গ্রামের বাসিন্দা হবি মিয়া (৪০)। তিনি মৃত রহমত মিয়ার ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা দমনের লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে গঠিত একটি মাদকবিরোধী কমিটির উদ্যোগে নারুই বাজারে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে হবি মিয়াকে উপস্থিত করা হয়। পরে তার মা ও স্ত্রীর সামনেই তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হবি মিয়ার হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর নির্দেশে এক ব্যক্তি লাঠি দিয়ে তার পায়ের তালুতে বারবার আঘাত করছেন। এ সময় তিনি যন্ত্রণায় চিৎকার করলেও নির্যাতন অব্যাহত থাকে।

    ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ চেয়ারে বসে নির্যাতনের দৃশ্য দেখছিলেন। অনেককে আবার মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনাটি ধারণ করতেও দেখা যায়।

    এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদ আলম চৌধুরী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখার পরপরই ঘটনাস্থলে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ফিরে আসার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

  • অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পেলেন ৫ জন ডিআইজি

    অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পেলেন ৫ জন ডিআইজি

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    ডিআইজি থেকে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হলেন পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, এনএসআই পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

  • বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত; দুই নারী গ্রেপ্তার

    বুড়িচংয়ে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত; দুই নারী গ্রেপ্তার

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার এবং নেয়ামুল কবিরের স্ত্রী শেফালী বেগম।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টার দিকে বুড়িচং উপজেলার রামচন্দ্রপুর পূর্বপাড়া এলাকায় একটি পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযোগ এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তদন্তে যায় দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল।

    পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফোরকানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।

    পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ঘটনার খবর পেয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ওসি লুৎফুর রহমান জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় ৯৯৯-এর কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।