Tag: শিশু

  • জীবননগরে পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

    জীবননগরে পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে খেলা করতে গিয়ে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পানিতে ডুবে হাফসা খাতুন নামে ২ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের ধান্যখোলা গ্রামে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

    হাফসা খাতুন একই গ্রামের মাঝ পাড়ার জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে।

    শিশু হাফসা খাতুনের আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে হাফসা খাতুন বাড়ির পশ্চিম পাশে আতিয়ার মন্ডলের পুকুর সংলগ্ন স্থানে খেলা করতে যায়।খেলার এক পর্যায়ে সবার অজান্তে পুকুরের পানিতে পড়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর তার বাবা বাজার থেকে বাড়ি ফিরে এসে শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের ওই পুকুরে হাফসার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে স্বজনরা দ্রুত তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ বিষয় জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ধান্যখোলা গ্রামে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমরা মৃতদেহের সুরাতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছি। এছাড়াও জীবননগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • হামে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

    হামে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশে নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৩৯।

    বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সময়ের।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯২। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৪৭ জন।

    হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৬ জন, সিলেট ও বরিশালে একজন করে মারা গেছে।

    এ ছাড়া নতুন করে ৯৪ নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৯২৭ জন। আর ৯৪৫ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ২৯ জনে।

  • খানজাহান আলীর দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    খানজাহান আলীর দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাগেরহাট সদর উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (র.) মাজার-সংলগ্ন দিঘির ঘাট থেকে ফাতেমা আক্তার (৭) নামে এক শিশুকে কুমির টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ।

    তিনি বলেন, সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে শিশুটি কুমিরের হামলার শিকার হয়ে নিখোঁজ হয়েছে বলে খবর পাই। খবর পেয়ে আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। রাতভর অনুসন্ধান চালানোর পর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী তার মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নামেন। এ সময় দিঘিতে থাকা কুমির হঠাৎ শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় ফাতেমার চিৎকারে মাজার এলাকায় থাকা লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা তৎক্ষণাৎ নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। এরপর শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, মাজারের খাদেম ও স্থানীয়রা সম্মিলিতভাবে অভিযান চালান।

    ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

  • খানজাহান আলীর দিঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল কুমির

    খানজাহান আলীর দিঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল কুমির

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করার সময় রাবেয়া (৮) নামের এক কন্যাশিশুকে কুমির টেনে নিয়ে গেছে।

    সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা শুরু করেছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে শিশুটি মাজারের দিঘির ঘাটে গোসল করতে নামে। এ সময় হঠাৎ একটি বিশাল আকৃতির কুমির শিশুটির ওপর আক্রমণ করে এবং তাকে টেনে দিঘির গভীর পানিতে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

    খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি দিঘির পানিতে নামার পরপরই কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দিঘির বিশাল আয়তন এবং রাতের অন্ধকারের কারণে উদ্ধার অভিযানে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে নিখোঁজ শিশুটিকে খুঁজে বের করতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও উদ্ধারকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনার পর মাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা গেছে।

  • হামে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫২৮

    হামে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫২৮

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    সারাদেশে ২৩ মে সকাল ৮টা থেকে ২৪ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে দেশে হাম ও হামের সদৃশ উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৫২৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে এদের মধ্যে ১২৮ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম সংক্রমণে অন্তত ৮৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে হামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপসর্গ নিয়ে আরও ৪৪২ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

    ডিজিএইচএসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত সময়কালে সারাদেশে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৮ হাজার ৬২২ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে।

    সর্বশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনের তথ্যমতে, দেশব্যাপী এ পর্যন্ত মোট ৬৩ হাজার ৮১৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৬ হাজার ২১৪ জন রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে আক্রান্ত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

  • নাসিরনগরে পুকুরে ডুবে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

    নাসিরনগরে পুকুরে ডুবে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের সোনাতোলা এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে তামিম (৭) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।


    বুধবার (২০ মে) বিকেলে সোনাতোলা মসজিদপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তামিম সোনাতোলা এলাকার কুদ্দুস মিয়ার তৃতীয় ছেলে এবং স্থানীয় সোনাতোলা মাদ্রাসার ছাত্র।


    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে সহপাঠীদের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নামে তামিম। একপর্যায়ে সে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


    নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তৌফিক এলাহী খান তামিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


    তামিমের আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা শিশুদের পানিতে নামার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।