পোষ্যকোটা বাতিলসহ চার দাবিতে ইবি বৈবিছাআ নেতার অনশন

পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম-সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।

শনিবার সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তিনি এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এসময় তিনি দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়া দাবির সঙ্গে একমত হয়ে অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেন আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ জীবন।

দাবিগুলো হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সকল ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমাতে হবে।

এ সময় প্রশাসন ভবন গেটে  “যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক,” “অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চাই, বাতিল চাই,” “অযৌক্তিক সেশন ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই,” সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চাই, বাতিল চাই,” “প্রশাসন ভুয়া,” লেখা যুক্ত পোস্টার দেখা যায়।

এসময় বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছিলাম৷ কিন্তু হাসিনা সরকার আমাদের দাবি মেনে না নিয়ে ১৪শ শিক্ষার্থীকে হত্যা করে এবং আন্দোলনে ২২ হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়। পরবর্তী সময়ে এই কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ অনেক চেষ্টার পরেও কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেটের কারণে পোষ্য কোটা বাতিল করতে পারেনি। বর্তমান উপাচার্যের নিকট আমরা বারবার পোষ্য কোটা বাতিলের জন্য দাবি জানিয়েছি। কিন্তু, তিনি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি৷ এজন্য আমি আমার যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য অনশনে বসেছি।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমন্বয় করে সকল ধরনের অযৌক্তিক ফি কমাতে হবে৷ শিক্ষার্থীদের কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক হয়রানি বন্ধ করতে হবে। সার্টিফিকেট, মার্কশিট উত্তোলনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

আরও পড়ুন