Category: সারাদেশ

  • ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন

     

    নীলফামারী প্রতিনিধি

    ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবীতে নীলফামারীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ১২টার ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য সচিব আরিফ আল মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহবায়ক মোস্তাকিমুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা,ময়নুল ইসলাম, এনামুল হক প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের উত্তরসূরিদের অপসারণ করতে হবে এবং ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দৃর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।

    ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

  • কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোবাইল ফোন জব্দ

    কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোবাইল ফোন জব্দ

    কুমিল্লা প্রতিনিধি 

    কুমিল্লার সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার মাদক ও ভারতীয় পুরাতন মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বিজিবি। যার আনুমানিক দাম এক কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ জুন) ভোররাত প্রায় ২টার দিকে কুমিল্লার গোলাবাড়ী এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৩১ হাজার ৫০০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পুরাতন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    ১০ বিজিবি অধিনায়ক মীর আলী এজাজ জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের সময় কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব না হলেও মাদক ও চোরাচালানি পণ্য আটক করা হয়েছে।

    জব্দকৃত মাদক ও চোরাচালানি পণ্য বিধি মোতাবেক কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • দীপেন দেওয়ান পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ

    দীপেন দেওয়ান পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ

     

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ পত্র প্রজ্ঞাপনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে গৃহীত হলে বা জমা দিলে তা পুনঃবহালের দাবি জানান বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি। তিনি পদত্যাগ করতে পারেন না বলেও এমন তীব্র প্রতিবাদও জানান তারা । মঙ্গলবার ( ২ জুন) সকাল ১০ টায় বাজার প্রাঙ্গণে এই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক ধনমনি চাকমা এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কর্ণধার শান্তি রায় চাকমা ( রায়ধন)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক দীলিপ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মামুন,তাঁতী দলের সভাপতি মো. কামাল, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিলন চাকমা এবং বিএনপির ইমন চাকমাসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

    বক্তৃরা বলেন,দীপেন দেওয়ান একজন সৎ,সাহসী, শিক্ষিত এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তি। অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। বিগত ১২ ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।বাংলাদেশের ইতিহাসে ,যা স্মরণীয়। জনসমর্থন থেকে শুরু করে দলমত নির্বিশেষে সকলের জনপ্রিয় ও প্রিয় পাত্র ছিলেন। কিন্তু কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র ও ভুল সিদ্ধান্ত এবং ভুল ম্যাসেজের কারণে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থতা দেখিয়ে নিজেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।যা ছিলো ইচ্ছার বাইরে। এত বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় উপজেলা বিএনপি কোনো ভাবে মানতে পারছে না।তাই সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • ভূমিহীনের নামে বরাদ্দ খাসজমি কৌশলে দখল বিএনপি নেতার

    ভূমিহীনের নামে বরাদ্দ খাসজমি কৌশলে দখল বিএনপি নেতার

     

    কুমিল্লা প্রতিনিধি

    ভূমিহীনকে পুনর্বাসন ও কৃষিকাজের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া খাসজমি কৌশলে দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।

    অভিযোগ উঠেছে, ভূমিহীন মাসুদ আলমের নামে বরাদ্দ দেওয়া সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাশেম। বর্তমানে সে জমিতে স্থায়ী বহুতল ভবন নির্মাণের কার্যক্রম চলছে। ভুক্তভোগী মাসুদ আলম দাউদকান্দির গৌরীপুর পেন্নাই এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত আবুল হাশেম তার চাচাতো ভাই।

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী ভূমিহীন হিসেবে মাসুদ আলমকে ১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে সরকার ১০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত দেয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার পরও মাসুদ আলম ওই জমি ব্যবহার করার সুযোগ পাননি। কাগজে-কলমে তার নাম থাকলেও জমির নিয়ন্ত্রণ ছিল হাশেমের হাতে। এক পর্যায়ে পুরো জমির মালিকানা নিজের নামে করে নেন হাশেম।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে জমিটি ভোগদখলে রাখার পর বর্তমানে সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। হাশেমের ক্ষমতা ও রাজনৈতিক প্রভাবে প্রকাশ্যে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের চাপে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের মধ্যেও এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি তাদের।

    দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ ভুইয়া বলেন, আবুল হাশেম খাসজমি নিজের নামে নিয়ে দখলে রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি ও অনৈতিক। যদি তদন্তে কোনো অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অবৈধ দখলের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

    অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বলেন, সরকারিভাবে ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি থেকে মাসুদ আলমের নামে ১০ শতাংশ জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মাধ্যমে জমিটি আমার নামে ট্রান্সফার করি। এরপর থেকেই জমিটি আমার দখলে রয়েছে এবং সেটি ভোগ করে আসছি।

    ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হাশেম অভিযোগটি অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, সেখানে কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

    দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন, আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। ভুক্তভোগী যদি লিখিত অভিযোগ দেন, আমরা ব্যবস্থা নেব।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রেজা হাসান বলেন, ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত জমি অন্য কোনো ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার আইনগত সুযোগ নেই। অন্য কারো নামে হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন সম্পূর্ণ অবৈধ। সরকারি অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের জমিতে কোনো ব্যক্তি বহুতল ভবন বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করতে পারেন না। যদি কারো বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠে।

  • খানজাহান আলীর দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    খানজাহান আলীর দিঘিতে কুমিরে টেনে নিয়ে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাগেরহাট সদর উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (র.) মাজার-সংলগ্ন দিঘির ঘাট থেকে ফাতেমা আক্তার (৭) নামে এক শিশুকে কুমির টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ।

    তিনি বলেন, সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে শিশুটি কুমিরের হামলার শিকার হয়ে নিখোঁজ হয়েছে বলে খবর পাই। খবর পেয়ে আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে। রাতভর অনুসন্ধান চালানোর পর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারী তার মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নামেন। এ সময় দিঘিতে থাকা কুমির হঠাৎ শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় ফাতেমার চিৎকারে মাজার এলাকায় থাকা লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা তৎক্ষণাৎ নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। এরপর শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, মাজারের খাদেম ও স্থানীয়রা সম্মিলিতভাবে অভিযান চালান।

    ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

  • ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৫

    ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৫

     

    ফরিদপুর প্রতিনিধি

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোররাত পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মালিগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে ভাঙ্গামুখী একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালকসহ গাড়িতে থাকা ছয়জন গুরুতর আহত হন।

    খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চালকসহ পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। এছাড়া একই পরিবারের চারজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। আহত অপর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।

    শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • পাঁচ খনিতে ৭ বিলিয়ন টনের বেশি মজুদ আছে কয়লা

    পাঁচ খনিতে ৭ বিলিয়ন টনের বেশি মজুদ আছে কয়লা

    দিনাজপুর প্রতিনিধি

    বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লাখনির সংখ্যা পাঁচটি। এগুলোর অধিকাংশই দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এবং উচ্চমানের বিটুমিনাস কয়লায় সমৃদ্ধ।

    বর্তমানে আবিষ্কৃত খনিগুলো হলো- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়া, রংপুরের খালাশপীর এবং জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র। বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, বড়পুকুরিয়ায় প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন টন, ফুলবাড়ীতে ৫৭২ মিলিয়ন টন, দীঘিপাড়ায় ৬০০ মিলিয়ন টন এবং খালাশপীরে ১৪৩ মিলিয়ন টন কয়লার মজুদ রয়েছে। সবচেয়ে বড় মজুদ রয়েছে জামালগঞ্জে, যেখানে প্রায় ৫.৪ বিলিয়ন টন কয়লা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে সম্ভাব্য কয়লা মজুদের পরিমাণ প্রায় ৭.১ বিলিয়ন টন।

    ৩০০ বছরের জ্বালানি চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা রয়েছে।

    বর্তমানে দেশে চালু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বার্ষিক কয়লার চাহিদা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ থেকে এক কোটি ৫০ লাখ টন। পায়রা, রামপাল, মাতারবাড়ী এবং বড়পুকুরিয়াসহ বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হওয়ায় এই চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সে হিসাবে, পুরো ৭.১ বিলিয়ন টন কয়লা ব্যবহার করা গেলে বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ৪৭০ থেকে ৫৯০ বছর পর্যন্ত দেশের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।

    তবে বাস্তবে পুরো মজুদ উত্তোলন করা যায় না। প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, ভূতাত্ত্বিক জটিলতা, পরিবেশগত ঝুঁকি ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সাধারণত ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ কয়লা উত্তোলনযোগ্য ধরা হয়। সে হিসেবে মোট মজুদের মাত্র অর্ধেকও যদি উত্তোলনযোগ্য হয়, তাহলেও প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন টন কয়লা ব্যবহার করা সম্ভব হবে। বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী এই কয়লা দিয়েই প্রায় ২৩০ থেকে ৩০০ বছর দেশের বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।

    তবুও আমদানির ওপর পূর্ণনির্ভরতা

    বিপুল মজুদ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল কয়লাখনি হলো দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি। এখান থেকে বছরে গড়ে ৭ থেকে ১০ লাখ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়, যা জাতীয় চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। ফলে দেশের প্রায় সব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল। পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বিদেশী কয়লায় চলছে। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমানে বছরে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ থেকে এক কোটি ৫০ লাখ টন কয়লা আমদানি করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে এর জন্য বছরে প্রায় ২ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় দেশের ডলার সঙ্কটকে আরো তীব্র করছে। একই সাথে জ্বালানি আমদানিনির্ভরতার কারণে বিদ্যুৎ খাতও বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে।

    কয়লা উত্তোলন আটকে আছে কেন?

    বাংলাদেশে কয়লা উত্তোলন নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই রয়েছে নীতিগত অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে ওপেন-পিট নাকি ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন হবে- এই বিতর্কের কারণে বড় প্রকল্পগুলো এগোয়নি। বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে, বাংলাদেশের অধিকাংশ কয়লাখনি তুলনামূলক কম গভীরতায় অবস্থিত। ফলে ওপেন-পিট পদ্ধতিতে উত্তোলন করলে উৎপাদন ব্যয় কম হবে এবং অধিক পরিমাণ কয়লা উত্তোলন সম্ভব হবে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে ব্যাপক জমি অধিগ্রহণ, কৃষিজমি ক্ষতি, বসতভিটা উচ্ছেদ এবং পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ২০০৬ সালে ফুলবাড়ী কয়লাখনি প্রকল্পকে কেন্দ্র করে তীব্র আন্দোলন ও হতাহতের ঘটনার পর সরকার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নেয়। এরপর থেকে কার্যত ফুলবাড়ী প্রকল্প স্থবির হয়ে আছে। অন্য দিকে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে উত্তোলন তুলনামূলক নিরাপদ হলেও তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। বড়পুকুরিয়া খনিতে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে উৎপাদনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, প্রত্যাশিত পরিমাণ কয়লা উত্তোলন সম্ভব হয়নি। জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বড়। খনিটির কয়লার স্তর মাটির প্রায় ৬০০ থেকে এক হাজার মিটার গভীরে অবস্থান করছে। ফলে বর্তমান প্রযুক্তি ও ব্যয়ের কাঠামোয় এটিকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক মনে করা হচ্ছে না।

    দেড় যুগেও হয়নি কয়লানীতি

    বাংলাদেশে জাতীয় কয়লানীতি প্রণয়নের আলোচনা শুরু হয় প্রায় দেড় যুগ আগে। ২০০৮ সালে খসড়া কয়লানীতি তৈরি হলেও তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নীতিটি ঝুলে থাকার কারণে কয়লা উত্তোলনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বিদেশী বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন- কোনোটিই এগোয়নি। ফলে দেশের জ্বালানি পরিকল্পনায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার এক দিকে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে, অন্য দিকে দেশীয় কয়লা উত্তোলনে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। ফলে আমদানিনির্ভরতা দিন দিন বাড়ছে।

    জ্বালানি নিরাপত্তায় বাড়ছে ঝুঁকি

    বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতা বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সেই সময় ডলার সঙ্কটের কারণে কয়লা আমদানিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি যদি বিদেশি বাজারের ওপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে যেকোনো বৈশ্বিক সঙ্কট সরাসরি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে। তাদের ভাষ্য, দেশীয় কয়লার একটি অংশও যদি পরিকল্পিতভাবে উত্তোলন করা যেত, তাহলে অন্তত বিদ্যুৎ খাতের একটি বড় অংশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হতো। একই সাথে বৈদেশিক মুদ্রার চাপও কমে আসত।

    নবায়নযোগ্য জ্বালানি বনাম কয়লা বিতর্ক

    পরিবেশবিদদের একটি অংশ মনে করেন, বিশ্ব এখন ধীরে ধীরে কয়লা থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে এগোচ্ছে। ফলে নতুন করে বড় আকারে কয়লা উত্তোলন দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে জ্বালানি অর্থনীতিবিদদের অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় আগামী কয়েক দশকে কয়লা পুরোপুরি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। গ্যাসের মজুদ কমে যাচ্ছে, এলএনজি আমদানির ব্যয় বাড়ছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতাও এখনো সীমিত। তাদের মতে, পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশীয় কয়লার ব্যবহার বাড়ানোই হতে পারে বাস্তবসম্মত সমাধান। কারণ দেশের মাটির নিচে শত শত বছরের জ্বালানি মজুদ রেখে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার কয়লা আমদানি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা- দুই ক্ষেত্রেই বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

  • মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

    মে মাসে হামলা-মামলা ও জীবননাশের হুমকির শিকার ৫৫ সংবাদকর্মী

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    দেশে মে মাসে ৫৫ জন সংবাদমাধ্যমকর্মী শারীরিকভাবে হামলা, নির্যাতন, আইনি হয়রানি এবং জীবননাশসহ নানা হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। আজ সোমবার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টের (বিএজে) গবেষণা ও মনিটরিং সেলের সম্পাদক মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, মে মাসে সারা দেশে অন্তত ২১টি ঘটনায় ৩৮ সংবাদকর্মী শারীরিক হামলা, নির্যাতন ও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। এসব হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, রাজনৈতিক দলের উশৃঙ্খল নেতাকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পেশাজীবীরা, ঠিকাদার, এবং হাসপাতালকর্মীরা।

    পাবনা ও লালমনিরহাটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে ৩ সাংবাদিক আক্রান্ত হন। নরসিংদীতে যুবদল নেতার মারধরের শিকার হন ২ সাংবাদিক এবং বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার নেতৃত্বে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এছাড়া বগুড়ায় যুবলীগ এবং কেরানীগঞ্জে বিএনপি এনসিপির রাজনৈতিক সংঘর্ষের সময় অন্তত ৩ সাংবাদিক লাঞ্ছিত ও হামলার শিকার হয়েছেন।

    চট্টগ্রামে আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ছোঁড়া গুলিতে দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন। এছাডা রাজধানীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানের সংবাদ সংগ্রহকালে দুই সাংবাদিকের ওপর পুলিশ সদস্যরা হামলা চালায়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মদ্যপ সন্ত্রাসীদের হামলায় ২ জন, মানিকগঞ্জে মাদক কারবারির হামলায় একজন এবং সাভারে সংবাদ সংগ্রহকালে মাদক কারবারিদের হাতে ৪ সাংবাদিক আহত হন। এছাড়া ঝালকাঠিতে একদল দুর্বৃত্ত এক সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম করে। চট্টগ্রামে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ৩ সাংবাদিক আইনজীবীদের হামলার শিকার হন।

    ময়মনসিংহে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও তার দলবল ৩ জন সাংবাদিককে মারধর করে। এছাড়া পটুয়াখালীর পীরগাছায় ২ শিক্ষকের হামলায় একজন এবং রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হামলার শিকার হন অন্তত ৫ সাংবাদিক।

    কালিহাতী ও ফরিদপুরে অনিয়মের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠিকাদারদের হাতে ২ জন এবং মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে একজন সাংবাদিক আক্রান্ত হন। মোট দশ সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন।

    টেকনাফে মাদক ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এছাড়া ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা দায়ের করেন। এসময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পুলিশ খাগড়াছড়িতে একজন এবং র‍্যাব ময়মনসিংহে এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। হুমকি ও পেশাগত কাজে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন ৮ সাংবাদিক।

    সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকের আক্রান্ত হওয়ার এই দীর্ঘ তালিকা কেবল সংখ্যার হিসাব নয়। বরং এটি দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতায় ওপর এক বড় আঘাত। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় না আনা হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তাই বিএজে সাংবাদিকদের ওপর চলমান এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

  • খানজাহান আলীর দিঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল কুমির

    খানজাহান আলীর দিঘিতে শিশুকে টেনে নিয়ে গেল কুমির

    জেভি২৪ ডেস্ক 

    বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন দিঘিতে গোসল করার সময় রাবেয়া (৮) নামের এক কন্যাশিশুকে কুমির টেনে নিয়ে গেছে।

    সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা শুরু করেছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে শিশুটি মাজারের দিঘির ঘাটে গোসল করতে নামে। এ সময় হঠাৎ একটি বিশাল আকৃতির কুমির শিশুটির ওপর আক্রমণ করে এবং তাকে টেনে দিঘির গভীর পানিতে নিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

    খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি দিঘির পানিতে নামার পরপরই কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দিঘির বিশাল আয়তন এবং রাতের অন্ধকারের কারণে উদ্ধার অভিযানে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে নিখোঁজ শিশুটিকে খুঁজে বের করতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও উদ্ধারকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ঘটনার পর মাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা গেছে।

  • ফুলবাড়ী বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক

    ফুলবাড়ী বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক

    দিনাজপুর প্রতিনিধি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) কতৃক মালিক বিহীন ভারতীয় নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য আটক ০১ জুন সন্ধ্যায় ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ অচিন্তপুর বিওপি কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশর অভ্যন্তরে চাপড়া গ্রামের চেয়ারম্যান পাড়ার মধ্য হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৫০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট আটক করে।

    আটককৃত চোরাচালানী মালামালের সিজার মূল্য- ১২,০০০/-(বারো হাজার) টাকা।

    এবিষয়ে ফুলবাড়ী ব্যাটালিয়ন (২৯ বিজিবি) সুএ জানান,ভবিষ্যতেও বিজিবি কর্তৃক চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল আটক এবং আসামী আটকের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।