Category: খেলাধুলা

  • আইপিএলের প্লে-অফ চূড়ান্ত, কবে কার ম্যাচ

    আইপিএলের প্লে-অফ চূড়ান্ত, কবে কার ম্যাচ

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্লে-অফের সূচি নিশ্চিত হলো। আজ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করে রাজস্থান রয়েলস। আগেই শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, গুজরাট টাইটান্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

    কবে থেকে শুরু প্লে-অফের খেলা? জেনে নিন

    আইপিএলের চলতি আসরে গ্রুপপর্বে প্রতিটি দল ১৪টি করে ম্যাচ খেলেছে। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বিরাট কোহলিদের বেঙ্গালুরু। সমান পয়েন্ট নিয়েও নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাট টাইটান্স। একই কারণে ১৮ পয়েন্ট নিয়েও তিনে রয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ রাজস্থান রয়েলস।

    কোয়ালিফায়ার ১

    লিগ টেবিলের প্রথম দুটি দল খেলবে প্রথম কোয়ালিফায়ার।

    ২৬ মে ধর্মশালায় কোহলিদের বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে খেলবে শুবমান গিলের গুজরাট টাইটান্স। এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারা সরাসরি ফাইনালে চলে যাবে। তবে যারা হেরে যাবে তারা আরও একটি সুযোগ পাবে। কোয়ালিফায়ার ২ ম্যাচে খেলে ফাইনালে যেতে পারবে।

    এলিমিনেটর

    লিগ টেবিলের তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দল খেলবে এলিমিনেটর ম্যাচে। সেই হিসেবে প্যাট কামিন্সের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ মুখোমুখ হবে রাজস্থান রয়েছের। ২৭ মে মুল্লানপুরে হবে সেই ম্যাচ।

    এলিমিটেনর ম্যাচে যারা হেরে যাবে তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। আর যারা জিতবে তারা খেলবে কোয়ালিফায়ার ২।

    কোয়ালিফায়ার ২

    ২৯ মে মুল্লানপুরে হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। প্রথম কোয়ালিফায়ারে হেরে যাওয়া দল এবং এলিমিনেটরে জয়ী টিম মুখোমুখি হবে কোয়ালিফায়ার ২-তে। এই ম্যাচে জয়ী দল পৌঁছে যাবে ফাইনালে।

    ৩১ মে গুজরাটের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে ফাইনাল।

  • নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনছে আইসিসি

    নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনছে আইসিসি

    জেভি২৪ স্পোর্টস ডেস্ক 

    ক্রিকেট বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনার চিন্তা ভাবনা করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আগামী ৩০ মে ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসির বোর্ড সভায় অনুমোদন হয়ে গেলে শিগগিরই কার্যকর হতে পারে নতুন কিছু নিয়ম।

    ওয়ানডে ম্যাচে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পরপর দুইবার পানিপান বিরতি থাকে। পানি পানের এই বিরতির সময় হেড কোচ মাঠে ঢুকে খেলোয়াড়দের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইনিংস বিরতি কমানো হচ্ছে। বর্তমানে দুই ইনিংসের মাঝে ২০ মিনিট বিরতি থাকে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী সেটি কমিয়ে ১৫ মিনিট করা হতে পারে।

    অবৈধ বোলিং অ্যাকশন ধরতে হক-আই প্রযুক্তির ব্যবহারেরও কথা ভাবা হচ্ছে। অন-ফিল্ড আম্পায়ারদের হক-আই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। এর মাধ্যমে ম্যাচ চলাকালেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

    টেস্ট ম্যাচ চলাকালীন প্রয়োজনে লাল বলের বদলে পিঙ্ক বা গোলাপী বল ব্যবহার হতে পারে। আবহাওয়া বা আলোজনিত সমস্যায় দুই দলের সম্মতিতে ডে-নাইট কন্ডিশনে খেলা চালিয়ে যেতেই এই পরিকল্পনা।

  • উত্তপ্ত আইপিএল, হেড-কোহলির দ্বন্দ্বে দোষ কার

    উত্তপ্ত আইপিএল, হেড-কোহলির দ্বন্দ্বে দোষ কার

    জেভি২৪ স্পোর্টস ডেস্ক 

    ২০২৬ সালের আইপিএল যেন নতুন করে উত্তাপ ছড়ানোর অপেক্ষায় ছিল। আর সেই কাজটাই করলেন বিরাট কোহলি ও ট্রাভিস হেড। শুক্রবার (২২ মে) রাতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (এসআরএইচ) ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) ম্যাচে দুই তারকার উত্তপ্ত আচরণ নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে এখন তুমুল আলোচনা।

    বিতর্কের সূচনা হয় ম্যাচ শেষে। ৫৫ রানের বড় ব্যবধানে আরসিবিকে হারানোর পর এসআরএইচ খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করতে দেখা যায় কোহলিকে। প্যাট কামিন্সের সঙ্গে হাত মেলালেও ট্রাভিস হেডকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেন তিনি। হেড হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও কোহলি তার দিকে না তাকিয়েই পাশ কাটিয়ে চলে যান। পরে হেডও নিরুপায় হয়ে সরে দাঁড়ান। মুহূর্তটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

    কোহলির এমন আচরণের পেছনে ঠিক কী কারণ ছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আরসিবির রান তাড়ার সময় কোহলির ইনিংস চলাকালীন দুজনের মধ্যে কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছিল। স্লেজিংয়ের অংশ হিসেবে কোহলি নাকি হেডকে কয়েকটি বল করতে আসার ইঙ্গিত দেন। একই সঙ্গে ‘ইমপ্যাক্ট সাব’ নিয়ে অঙ্গভঙ্গি করে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারকে খোঁচাও দেন তিনি।

    চলতি মৌসুমে বেশ কয়েকবার ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নেমেছেন হেড এবং কয়েকবার বদলিও হয়েছেন। তবে শুক্রবারের ম্যাচে তিনি পুরো সময় মাঠে ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কোহলি বিদ্রূপ করেছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    তবে মাঠে এতটা আগ্রাসী হওয়ার পর ব্যাট হাতে দীর্ঘ সময় টিকতে পারেননি কোহলি। মাত্র ১১ বলে ১৫ রান করে আউট হন তিনি। এরপরই পাল্টা জবাব দেন হেড। কোহলির বিদায়ের পর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারকে বলতে শোনা যায়, ‘বন্ধু, আমি বোলিংয়ে আসার আগেই তো তুমি আউট হয়ে গেলে!’

    ঘটনার পর ক্রিকেটমহলে প্রশ্ন উঠেছে, আসল দোষ কার? যদিও পুরো ঘটনা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি, তবু এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী অনেকেই কোহলির আচরণকেই বাড়াবাড়ি বলে মনে করছেন।

    ঘটনার সময় ধারাভাষ্যে ছিলেন সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। পরে তিনি বলেন, ‘ম্যাচের উত্তাপে অনেক কিছুই হতে পারে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু ম্যাচ শেষে যা হয়েছে, সেটা ঠিক হয়নি।’

    ম্যাচটি এসআরএইচের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শীর্ষ দুইয়ে জায়গা করে নিতে তাদের বড় জয় প্রয়োজন ছিল। তারা বড় ব্যবধানে জিতলেও নেট রান রেটে আরসিবি কিংবা গুজরাট টাইটানসকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আরসিবি, গুজরাট টাইটান্স ও এসআরএইচ; তিন দলই ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্ব শেষ করে। তবে ভালো নেট রান রেটের কারণে শীর্ষে থাকে আরসিবি।

    প্রতিবেদন হিন্দুস্তান টাইমসের। 

  • অবশেষে নেইমার প্রসঙ্গে নীরবতা ভাঙলেন আনচেলত্তি

    অবশেষে নেইমার প্রসঙ্গে নীরবতা ভাঙলেন আনচেলত্তি

    আর মাত্র একদিন পরই ঘোষণা করা হবে ব্রাজিলের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াড। আর বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণার ঠিক আগ মুহূর্তে নেইমারকে নিয়ে নিজের নীরবতা ভাঙলেন ব্রাজিলিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেইমারের ফিটনেস ও মাঠের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করে আনচেলত্তি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেলেসাওদের চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দলে বড় চমক হিসেবে থাকতে পারেন নেইমার।

    ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নেইমারকে নিয়ে যতই বিতর্ক থাকুক না কেন, আনচেলত্তি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে সেলেসাওদের ভেতরকার পরিবেশ একদম ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘আমি খুব ভালো করেই জানি নেইমার শুধু সাধারণ মানুষের কাছেই নয়, দলের খেলোয়াড়দের কাছেও ভীষণ জনপ্রিয়। দলের পরিবেশের ওপর তার কী প্রভাব পড়বে, সেটাও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। নেইমারকে দলে রাখলে ড্রেসিংরুম কোনোভাবে অশান্ত হবে না। সে সবার খুব প্রিয়।’

    নেইমারকে দলে নেওয়ার জন্য কোনো মহল থেকে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমারকে দলে নেওয়ার জন্য আমাকে কেউ চাপ দেয়নি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা আমার আছে। সিদ্ধান্তটি ১০০ ভাগ পেশাদারি হবে। একজন ফুটবলার হিসেবে সে মাঠে কেমন পারফর্ম করছে, কেবল সেটাই আমি বিবেচনায় নেব, অন্য কিছু নয়।’

    এদিকে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ইউওএল’র একটি প্রতিবেদন ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন তৈরি করেছে। সান্তোস ক্লাবের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানিয়েছে, ‘সান্তোস ইতোমধ্যেই নিশ্চিত তথ্য পেয়েছে যে, সোমবার আনচেলত্তির ঘোষিত বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকছে নেইমারের নাম।’

    তাছাড়া তরুণ ফরোয়ার্ড এসতেভাওয়ের ইনজুরির পর আক্রমণভাগে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে নেইমারের চেয়ে বড় নাম এই মুহূর্তে ব্রাজিলে নেই। আনচেলত্তি যদি এই নেইমারকে মাঠে কাজে লাগাতে পারেন, তবে তা হবে ব্রাজিলের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তি।