Category: খেলাধুলা

  • একাদশে ৪ পরিবর্তন নিয়ে মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশ ঘোষণা

    একাদশে ৪ পরিবর্তন নিয়ে মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশ ঘোষণা

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    আসন্ন বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে শুরুর একাদশ ঘোষণা করেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। একাদশ চূড়ান্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের মাস্টারমাইন্ড কোচ কার্লো আনচেলত্তি। শুক্রবার নিউ জার্সিতে গরম আবহাওয়ার মধ্যে হালকা অনুশীলনও করেছে দলটি। পরে সন্ধ্যার দিকে ক্লিভল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা টিম ব্রাজিল। শনিবার মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল।

    জানা গেছে, চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকা তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার পুরো দলের সঙ্গে ভ্রমণই করেননি। পায়ের পেশির (কাফ) ইনজুরি থেকে তিনি এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। তার দ্বিতীয়বারের মতো মেডিকেল পরীক্ষা আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।

    অনুশীলনটি সাংবাদিকদের জন্য প্রথম ১৫ মিনিট খোলা ছিল। জানা গেছে, কোচ আনচেলত্তি ছোট মাঠে মিশ্র অনুশীলন করিয়েছেন এবং আক্রমণভাগের বিভিন্ন কৌশল অনুশীলন করিয়েছেন।

    শনিবার মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশ হবে আলিসন, ওয়েসলি, মারকিনিওস, লিও পেরেইরা এবং ডগলাস সান্তোস; কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস, লুকাস পাকেতা এবং রাফিনিয়া; ইগর থিয়াগো এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

    এই একাদশে গত সপ্তাহে পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শুরু করা একাদশের তুলনায় চারটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। মারকিনিওস দলে এসেছেন ব্রেমারের জায়গায়, ডগলাস সান্তোস খেলবেন অ্যালেক্স সান্দ্রোর পরিবর্তে। পাশাপাশি লুকাস পাকেতা এবং ইগর থিয়াগোকে আক্রমণভাগে পরীক্ষা করা হচ্ছে, যেখানে লুইজ হেনরিক এবং মাতেউস কুনহার পরিবর্তে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের পর ক্লান্তির কথা জানিয়ে গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়ায়েসকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি বিশ্বকাপে প্রস্তুত থাকতে পারেন। ব্রাজিল তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ১৭ জুন মরক্কোর বিপক্ষে, নিউ জার্সিতে।

    কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলের কৌশলগত পরিবর্তন নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, বল দখলে থাকা অবস্থায় ব্রাজিল বিভিন্ন ফর্মেশনে খেললেও, প্রতিরক্ষার সময় দল মূলত ৪-৪-২ ফর্মেশনে থাকে, যেটিকে তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। আক্রমণে দল সাধারণত ৩-২-৫ কাঠামোতে খেলছে।

    শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায়, ক্লিভল্যান্ড ব্রাউনস স্টেডিয়ামে দুই দল মুখোমুখি হবে । এই প্রীতি ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে TV Globo, SporTV এবং ge tv।

  • অবশেষে বিশ্বকাপ খেলতে ইরান দলকে ভিসা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    অবশেষে বিশ্বকাপ খেলতে ইরান দলকে ভিসা দিল যুক্তরাষ্ট্র

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে ইরানের জাতীয় ফুটবল দলকে ভিসা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচ শুরুর মাত্র ১০ দিন আগে এ বিষয়ে অনিশ্চয়তার অবসান হলো। খবর শাফাক নিউজের।

    ভিসা অনুমোদনে বিলম্ব হওয়ায় ইরান তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা থেকে সরিয়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় স্থানান্তর করে। দলটি ৭ জুন সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

    ইরান ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে গ্রুপ-জি’র প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। এরপর একই শহরে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলবে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সিয়াটলে মিসরের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগেই জানিয়েছিলেন, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বিশ্বকাপ প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবারের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরুর পর এই প্রথম এমন একটি আসর হতে যাচ্ছে, যেখানে আয়োজক দেশ ও অংশগ্রহণকারী একটি দেশের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা রয়েছে।

  • বাংলাদেশের ফাইনালসহ টিভিতে আজ যত খেলা

    বাংলাদেশের ফাইনালসহ টিভিতে আজ যত খেলা

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার (০৬ জুন) রয়েছে বেশ কয়েকটি ইভেন্ট। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আজ মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। এ ছাড়া ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড টেস্ট রয়েছে আজ।

    নারী সাফ ফাইনাল

    বাংলাদেশ-ভারত

    সন্ধ্যা ৭টা, টি-স্পোর্টস

    লর্ডস টেস্ট-৩য় দিন

    ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড

    বিকেল ৪টা, সনি টেন ১

    চণ্ডীগড় টেস্ট-১ম দিন

    ভারত-আফগানিস্তান

    সকাল ১০টা, সনি টেন ৫

    আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল

    পর্তুগাল-চিলি

    রোমানিয়া-ওয়েলস রাত ১১-৪৫ মি., সনি টেন ১ ও ২

    ফ্রেঞ্চ ওপেন টেনিস

    নারী একক ফাইনাল

    সন্ধ্যা ৭টা, সনি টেন ২ ও ৩

  • তপু বর্মনের জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারাল বাংলাদেশ

    তপু বর্মনের জোড়া গোলে সান মারিনোকে হারাল বাংলাদেশ

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ইউরোপের মাটিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই স্মরণীয় জয় পেল বাংলাদেশ। ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মন। তাঁর জোড়া গোলেই সেরাভালের সান মারিনো স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ।

    ফিফা র‍্যাংকিংয়ের সবচেয়ে নিচের দল সান মারিনো। কিন্তু ইউরোপের দেশ হওয়ায় নিয়মিতই তাদের খেলতে হয় জার্মানি, স্পেন, ইংল্যান্ড, ইতালির মতো বিশ্ব ফুটবলের বড় শক্তিগুলোর বিপক্ষে। তাই র‍্যাংকিংয়ের হিসাবের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশের জন্য সান মারিনোর বিপক্ষে এই জয় বিশেষ কিছু। কারণ ইউরোপের মাটিতে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ, আর সেই ম্যাচেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লাল-সবুজরা।

    সান মারিনো স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের নায়ক ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। দুই অর্ধে একটি করে গোল করেছেন তিনি, দুটি গোলই হেডে। দ্বিতীয়ার্ধে জামাল ভূঁইয়া মাঠ ছাড়ার পর অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ওঠে তপুর হাতে। শেষ পর্যন্ত তাঁর গোলেই ইউরোপের দলের বিপক্ষে প্রথম জয় পেল বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশ এর আগে ইউরোপের মাটিতে খেলেছে, তবে ইউরোপের দলের বিপক্ষে নয়। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডে ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল বাংলাদেশ, সেই ম্যাচ জেতা হয়নি। ২০০১ সালে ভারতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে খেলেছিল লাল-সবুজরা, সেই ম্যাচে ২-০ গোলে হারতে হয়েছিল। সে হিসেবে সান মারিনোর বিপক্ষে জয় বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য আলাদা এক মাইলফলক।

    ম্যাচের শুরুটা অবশ্য বাংলাদেশের জন্য খুব স্বস্তির ছিল না। বল দখল ও আক্রমণে শুরুতে এগিয়ে ছিল সান মারিনো। নিজেদের মাঠে তারা দ্রুত ছন্দ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাংলাদেশের রক্ষণও প্রথম কয়েক মিনিটে কিছুটা চাপে পড়ে। তবে দশ মিনিটের পর ধীরে ধীরে খেলায় ফিরে আসে বাংলাদেশ। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ বাড়ে, আক্রমণেও দেখা যায় গতি।

    ১৯ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। হামজা চৌধুরীর ফ্রি কিক থেকে আক্রমণের সূত্রপাত। এরপর শেখ মোরসালিন ডান প্রান্ত থেকে দারুণ ক্রস বাড়ান। বক্সের ভেতর অবস্থান নেওয়া তপু বর্মণ নিখুঁত হেডে বল জালে পাঠান। সান মারিনোর জাল কাঁপতেই গ্যালারিতে উল্লাসে ফেটে পড়েন বাংলাদেশের সমর্থকরা।

    তবে বাংলাদেশের আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩৩ মিনিটে সমতায় ফেরে সান মারিনো। ফিলিপ্পো বেরার্দিকে আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন তপু, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে থামাতে পারেননি। বেরার্দির কাটব্যাক থেকে বক্সের ভেতর ফাঁকা জায়গায় বল পান নিকোলাস। তাঁর শটে ডান দিকে ঝাঁপিয়েও পুরোপুরি বল ঠেকাতে পারেননি গোলরক্ষক মিতুল মারমা। হাতে লেগে বল জালে জড়ায়। স্কোরলাইন হয় ১-১।

    প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবারও আক্রমণের উৎস ছিলেন শেখ মোরসালিন। তাঁর বাড়ানো বল পেয়ে সাদ উদ্দিন গোলরক্ষককে প্রায় একা পেয়েছিলেন। কিন্তু ভালো সুযোগ পেয়েও পোস্টের ওপর দিয়ে শট নেন তিনি। ফলে বিরতিতে দুই দল যায় ১-১ সমতা নিয়ে।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পরিবর্তন আনেন বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি। মাঠে নামান সামিত সোম, জায়ান আহমেদ ও সোহেল রানা জুনিয়রকে। সামিত ও জায়ান নামার পর বাংলাদেশের খেলায় গতি বাড়ে। মাঝমাঠে বল চলাচল দ্রুত হয়, আক্রমণেও তৈরি হয় নতুন ধার। এই সময়ে বাংলাদেশ আরও একটি গোল পেতে পারত। ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের শট সাইড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

    ম্যাচের শেষ পনেরো মিনিটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন ডুলি। বিশ্বনাথ ঘোষকে মাঠে নামানো হয়। সাধারণত ফুলব্যাক হিসেবে খেললেও এই ম্যাচে তাকে রাইট উইংয়ে ব্যবহার করা হয়। পরে বাংলাদেশের জয়সূচক গোলের আক্রমণেও বড় ভূমিকা রাখেন বিশ্বনাথ।

    ৮৬ মিনিটে ডান দিক থেকে হামজা চৌধুরীর ফ্রি কিক আসে বিপজ্জনক জায়গায়। বিশ্বনাথ ঘোষ ভলি নেন। বক্সের ভেতর তখন মাটিতে পড়ে ছিলেন তপু বর্মণ। উঠে দাঁড়ানোর মুহূর্তে বল তাঁর মাথায় লেগে জালে জড়ায়। কিছুটা অপ্রত্যাশিত হলেও সেটিই হয়ে যায় বাংলাদেশের জয়সূচক গোল। নিজের দ্বিতীয় গোলের সঙ্গে তপু লিখে ফেলেন বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন ইতিহাস।

    শেষ দিকে চার মিনিট যোগ করা সময় দেয় চতুর্থ রেফারি। সেই সময়টুকুতে সমতায় ফেরার চেষ্টা করে সান মারিনো। এক পর্যায়ে মিতুল মারমার হাত ফস্কে বল গোললাইনের দিকে গড়ায়। তবে বল পুরোপুরি লাইন অতিক্রম না করায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ। শেষ দুই মিনিট সতর্ক থেকে কাটিয়ে দেয় ডুলির দল। শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়।

  • বিশ্বকাপ শুরু না হতেই ফিফার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত

    বিশ্বকাপ শুরু না হতেই ফিফার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে একের পর এক বিতর্ক যেন থামছেই না।  টিকিটের উচ্চমূল্য ও ইরানের ভিসা জটিলতার মতো ইস্যুর পর এবার নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।  সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বকাপের সব স্টেডিয়ামে দর্শকরা কোনো ধরনের পুনঃব্যবহারযোগ্য পানির বোতল সঙ্গে নিতে পারবেন না। 

    এর আগে নির্দেশিকায় বলা ছিল, সর্বোচ্চ এক লিটার ধারণক্ষমতার স্বচ্ছ ও খালি প্লাস্টিক বোতল স্টেডিয়ামে আনা যাবে।  তবে নতুন নিয়মে সেই সুযোগও বাতিল করা হয়েছে।  এই সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেক সমর্থক এটিকে অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত কড়াকড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, বোতল ছুড়ে মারার মতো ঘটনার মাধ্যমে মাঠে থাকা খেলোয়াড়, রেফারি বা দর্শকদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে ফিফা জানিয়েছে, স্টেডিয়ামগুলোর ভেতরে দর্শকদের জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা রাখা হবে। পাশাপাশি থাকবে কুলিং টেন্ট, মিস্টিং জোন এবং ফ্যান জোনের মতো সুবিধা। প্রয়োজন অনুযায়ী বোতলজাত পানি বিক্রিও করা হবে।

    তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আবহাওয়াবিদদের একাংশ।  তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর বিভিন্ন স্টেডিয়ামে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খেলা হওয়ায় পর্যাপ্ত পানির সহজলভ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  বিশেষ করে খোলা স্টেডিয়ামে দীর্ঘ সময় দর্শক ও খেলোয়াড়দের অবস্থানের কারণে হিট স্ট্রেসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

  • তাহলে এবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা!

    তাহলে এবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা!

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এই শিরোপা-উল্লাস লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জনও। তবে আলোচনা এখানে নয়। এবারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ৪৮ দলের ফিফা বিশ্বকাপ। 

    যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা দলে আছেন মেসি। কোচ লিওনেল স্কালোনির মূল ভরসাও তিনি। পাশাপাশি, দলে ১৭ জন ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী এবং ৯ জন নতুন খেলোয়াড় আছেন। সবমিলিয়ে শিরোপাটা ধরে রাখার জন্য দলের যে সব রসদ প্রয়োজন, এবারের আর্জেন্টিনা দলে তার সবই রয়েছে।

    এদিকে আর্জেন্টিনা দলটি দেখে ফুটবলবিশেষজ্ঞদের অভিমত, ১৯৬২ সালের পর এবারই প্রথম টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারে কোনো দল। এর আগে, ১৯৯০ সালে আর্জেন্টিনার সামনে সেই সুযোগ ছিল, কিন্তু ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে গিয়ে ম্যারাডোনার দল ইতিহাস গড়তে ব্যর্থ হয়।

    ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলও এই সুযোগ হারায়। তবে ২০০২ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে দুটি জয় করেছিল ব্রাজিল। কাতারে ফ্রান্সের সামনেও এই সুযোগ ছিল। কিন্তু মেসিদের কাছে হেরে সেই স্বপ্নভঙ্গ হয়ে ফরাসিদের।

    বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে মাত্র দুটি দেশের টানা দু’বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি আছে। প্রথম দল হিসেবে ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে এই রেকর্ড গড়ে ইতালি। এরপর ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপে পেলের জাদু ও গারিঞ্চাদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে একই কীর্তি গড়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু গত ৬৪ বছরে আর কোনো দেশ এই অর্জনে নাম লেখাতে পারেনি।

    এবার আর্জেন্টিনা কী পারবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয় করতে? ফুটবল বিশ্বে মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন দেখছে এবং সমর্থকদের মধ্যে বড় আশা তৈরি হয়েছে। যদিও সেই উত্তর মেলাতে আপাতত ১৯ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে ভক্ত-সমর্থকদের।

    কিছু লক্ষণ অবশ্য মেসিদের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে। বিশ্বকাপজয়ী কোচ, বিশ্বকাপজয়ী অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অধিকাংশ ফুটবলারও এবার আর্জেন্টাইন শিবিরে আছেন। সবচেয়ে বড় শক্তি দলটির ভেতরের ঐক্য ও ড্রেসিং রুমের দারুণ পরিবেশ, যা বড় সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এ ছাড়া আধুনিক ফুটবল ও অন্যান্য খেলার সাম্প্রতিক ফলাফল বলছে, দলীয় স্থিতিশীলতা থাকলে টানা শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাব ফুটবলে পিএসজি ও অন্যান্য শীর্ষ দলগুলো ধারাবাহিক সাফল্য মূলত ভালো টিমওয়ার্ক ও ভারসাম্যের কারণেই এসেছে। গত ৩০ মে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে টাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয় পিএসজি।

    যদিও এর আগে কিলিয়ান এমবাপ্পে-নেইমার জুনিয়র কিংবা লিওনেল মেসিদের মতো তারকাদের ভিড়িয়েও ইউরোপাসেরা খেতাব জিততে পারেনি দলটি। কিন্তু সবশেষ দুই আসরে তারকাভর্তি টাইটানিক নয়, বরং একাত্মতা আর ড্রেসিং রুমের স্থিতিশীলতার মন্ত্রেই সাফল্য পেয়েছে কোচ লুইস এনরিকের অধীনে থাকা দলটি।

    ক্রিকেট ও ফুটবলের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়ও একই চিত্র দেখা যায়। যেখানে দল হিসেবে একসঙ্গে খেলা ও ড্রেসিং রুমের স্থিতিশীলতা শিরোপা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে। উদাহরণ হিসেবে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কথাও আসতে পারে। এর আগে, তারকা নির্ভর দল গড়েও প্রত্যাশিত শিরোপা স্বাদ বঞ্চিত ছিল বিরাট কোহলির দল। কিন্তু সবশেষ দুই আসরে দলীয় স্থিতিশীলতা, ড্রেসিংরুমের চমৎকার পরিবেশ টিম স্পিরিটের মন্ত্রে শিরোপা উল্লাসে মেতেছে তারা।

    এ ছাড়া কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে স্প্যানিশ লা লিগায় টানা দু’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সেলোনা। জার্মান বুন্দেসলিগায় টানা দু’বার চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। এখানেও একইরকম রহস্যমন্ত্রে সফল দলগুলো। এই দিকগুলো আর্জেন্টিনা দলে এখন স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

    সব মিলিয়ে বলা যায়, অন্যান্য দলের তুলনায় আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে। যদি এই ধারাবাহিকতা ও ঐক্য বজায় থাকে, তাহলে আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা মেসির হাতেই উঠতে পারে, এমন সম্ভাবনাই এখন বেশি আলোচনায়

  • বিশ্বকাপের আগেই প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল

    বিশ্বকাপের আগেই প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতিতে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। রবিবার রিও ডি জেনিরোর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে পানামাকে ৬-২ গোলে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। খেলা শুরুর এক মিনিটও পূর্ণ হওয়ার আগেই দলকে এগিয়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কাসেমিরোর কাছ থেকে বল পেয়ে দূরপাল্লার শক্তিশালী শটে পানামার গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মসকেরাকে পরাস্ত করেন তিনি।

    তবে ১৪তম মিনিটে অপ্রত্যাশিতভাবে সমতায় ফেরে পানামা। মাইকেল মুরিলোর নেওয়া ফ্রি-কিক মাতেউস কুনিয়ার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলরক্ষক অ্যালিসনের নাগালের বাইরে জালে জড়িয়ে যায়। সমতা ফেরানোর পর বেশিক্ষণ ম্যাচে টিকে থাকতে পারেনি পানামা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই আবারও এগিয়ে যায় ব্রাজিল। বাম প্রান্ত দিয়ে ভিনিসিয়ুসের তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাসেমিরো হেডে বল জালে পাঠান।

    বিরতির পর ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি প্রায় পুরো শুরুর একাদশ বদলে দেন। কিন্তু তাতেও দলের আক্রমণভাগের ধার কমেনি, বরং আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ৫৩তম মিনিটে পানামার গোলরক্ষক মসকেরার ভুল পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন ১৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড রায়ান। বোর্নমাউথের এই তরুণ ফুটবলারের গোল মারাকানার দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করে তোলে।

    ৬০তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে ব্রাজিলের চতুর্থ গোল করেন লুকাস পাকেতা। এর তিন মিনিট পর পেনাল্টি থেকে পঞ্চম গোল যোগ করেন ইগর থিয়াগো। বক্সের ভেতরে মসকেরা তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখে ব্রাজিল। ৮১তম মিনিটে পাকেতার ভাসিয়ে দেওয়া পাস নিয়ন্ত্রণে এনে পানামার রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে দলের ষষ্ঠ গোল করেন বোটাফোগোর ডানিলো।

    ম্যাচের শেষ দিকে একটি সান্ত্বনার গোল পায় পানামা। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া কার্লোস হার্ভির শক্তিশালী শটে ব্যবধান কমে ৬-২ হয়। তবে তাতে ম্যাচের ফল বদলানোর কোনো সুযোগ ছিল না। নেইমার কাফের চোটে মাঠের বাইরে থাকলেও এই ম্যাচে ব্রাজিলের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফর্মার ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। একটি গোল করার পাশাপাশি কাসেমিরোর গোল তৈরিতেও ভূমিকা রাখেন তিনি। পুরো ম্যাচজুড়ে গতি ও আক্রমণাত্মক ফুটবলে পানামার রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন এই উইঙ্গার।

    গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, মারকিনিয়োস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির মতো কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। তবুও আনচেলত্তির দল আক্রমণভাগে নিজেদের গভীরতা ও বৈচিত্র্য প্রদর্শন করেছে। ম্যাচে ব্রাজিল ৪-২-৩-১ ফরমেশনে খেলেছে। গোলপোস্টে ছিলেন অ্যালিসন। রক্ষণভাগে ছিলেন ওয়েসলি, ব্রেমার, লেও পেরেইরা ও অ্যালেক্স সান্দ্রো। মাঝমাঠে কাসেমিরো ও ব্রুনো গিমারায়েস দায়িত্ব পালন করেন। আক্রমণভাগে ছিলেন রাফিনিয়া, হেনরিক, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মাতেউস কুনিয়া।

    অন্যদিকে থমাস ক্রিস্টিয়ানসেনের অধীনে পানামার একাদশে ছিলেন অরল্যান্ডো মসকেরা, ব্ল্যাকম্যান, কর্দোবা, এসকোবার, রদ্রিগেজ, দিয়াজ, বারসেনাস, হার্ভি, আন্দ্রাদে, ওয়াটারম্যান ও মুরিলো। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক ভেন্যু মারাকানায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপ শুরুর আগে নিজেদের সমর্থকদের সামনে ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ।

    এখন টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আরও একটি প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এরপর ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’ অভিযান শুরু করবে সেলেসাওরা। একই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

  • ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলের জার্সি নম্বর ঘোষণা নেইমার ১০, অন্যরা কে কত?

    ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলের জার্সি নম্বর ঘোষণা নেইমার ১০, অন্যরা কে কত?

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নেইমারদের অফিশিয়াল জার্সি নম্বর প্রকাশ করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। প্রায় আড়াই বছর পর জাতীয় দলে ফেরা ও চোট কাটিয়ে ওঠার লড়াইয়ে থাকা তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়রের পিঠেই উঠছে ১০ নম্বর জার্সি। আর আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ম্যাথিউস কুনিয়াকে দেওয়া হয়েছে ৯ নম্বর জার্সি।

    নিজেদের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের মতোই জাতীয় দলেও ৭ নম্বর জার্সি পরে মাঠ মাতাবেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর আক্রমণভাগের আরেক তারকা রাফিনিয়ার গায়ে উঠছে ১১ নম্বর জার্সি। ব্রাজিলের বিস্ময় বালক এনড্রিক পরবেন ১৯ নম্বর জার্সি।

    আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে তার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সেলেসাওরা। আজ রবিবার (৩১ মে) রাতে রিও ডি জেনিরোর বিখ্যাত মারাকানা স্টেডিয়ামে প্রথম প্রীতি ম্যাচে পানামার মুখোমুখি হবে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। এরপর আগামী শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে মিশরের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলবে ব্রাজিল দল।

    কে কত নম্বর জার্সি পেলেন? 
    ১. অ্যালিসন বেকার (গোলরক্ষক)
    ২. ওয়েসলি
    ৩. গ্যাব্রিয়েল মাগালাস
    ৪. মার্কিনহোস
    ৫. কাসেমিরো
    ৬. অ্যালেক্স সান্দ্রো
    ৭. ভিনিসিয়াস জুনিয়র (ভিনি জুনিয়র)
    ৮. ব্রুনো গিমারেস
    ৯. ম্যাথিউস কুনিয়া
    ১০. নেইমার জুনিয়র
    ১১. রাফিনিয়া
    ১২. ওয়েভারটন (গোলরক্ষক)
    ১৩. দানিলো
    ১৪. ব্রেমার
    ১৫. লিও পেরেরা
    ১৬. দগলাস সান্তোস
    ১৭. ফাবিনহো
    ১৮. দানিলো সান্তোস
    ১৯. এনড্রিক

    ২০. লুকাস পাকেতা

    ২১. লুইজ হেনরিকে
    ২২. গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি
    ২৩. এডারসন (গোলরক্ষক)
    ২৪. ইবানেজ
    ২৫. ইগর থিয়াগো
    ২৬. রায়ান

  • বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকে যত খেলা

    বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকে যত খেলা

    স্পোর্টস ডেস্ক 

    ব্যস্ত জীবনে সব খেলা দেখা সম্ভব হয় না। তাই সময় ও পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে হয়। লাইভ খেলা দেখতেই সবার আগ্রহ বেশি। রোববার (৩১ মে) টিভিতে কোথায় কী খেলা আছে দেখে নিন একনজরে।

    ক্রিকেট

    আইপিএল

    ফাইনাল

    বেঙ্গালুরু–গুজরাট

    রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২

    ফুটবল

    সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

    নেপাল-শ্রীলঙ্কা

    বিকেল ৫টা, টি স্পোর্টস

    বাংলাদেশ-ভারত

    রাত ৮টা, টি স্পোর্টস

    টেনিস

    ফ্রেঞ্চ ওপেন

    ৪র্থ রাউন্ড

    বেলা ৩টা, সনি স্পোর্টস ২ ও ৫

  • ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার বিশ্বকাপ খেলবেন কি না, স্পষ্ট করলেন আনচেলত্তি

    ইনজুরি কাটিয়ে নেইমার বিশ্বকাপ খেলবেন কি না, স্পষ্ট করলেন আনচেলত্তি

    স্পোর্টস ডেস্ক

    বিশ্বকাপের আবহে ইতোমধ্যেই মেতে উঠেছে ব্রাজিল। আগামী রোববার (৩১ মে) মারাকানায় প্রীতি ম্যাচে পানামার মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা। ম্যাচটি ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের জন্য হবে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের দলকে বিদায় জানানোর শেষ সুযোগ।

    ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের চূড়ান্ত ভাবনা তুলে ধরেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এ সময় তিনি নেইমারের শারীরিক অবস্থা, দল নির্বাচনের কারণ এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনিয়ার মতো খেলোয়াড়দের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন।

    সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নেইমার। আনচেলত্তি জানান, নেইমারের সর্বশেষ ক্লাব ম্যাচের পর থেকে তিনি যে চোটে ভুগছিলেন, সে বিষয়ে সান্তোস ক্লাবের কাছ থেকে বিস্তারিত মেডিকেল রিপোর্ট পেয়েছিল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। এরপর থেকে জাতীয় দলের মেডিকেল স্টাফই তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তদারকি করছে।

    ইতালিয়ান এই কোচের বিশ্বাস, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের মধ্যেই মাঠে ফিরতে পারবেন নেইমার। যদি প্রথম ম্যাচে খেলার মতো পুরোপুরি ফিট না হন, তাহলে দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে পাওয়ার আশা করছে দল।

    আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার তার পুনর্বাসন নিয়ে খুব ভালোভাবে কাজ করছে এবং বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তাকে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত দেখাচ্ছে।’

    দলে নেইমারকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার সঙ্গে সরাসরি কথা হয়েছে। নেইমারের পুনর্বাসন এবং বিশ্বকাপে তার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন তারা।

    দল নির্বাচন প্রসঙ্গে আনচেলত্তি স্বীকার করেন, কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে কোচিং স্টাফকে। তবে তারা এমন খেলোয়াড়দেরই বেছে নিয়েছেন, যারা দলের সামগ্রিক সাফল্যে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, নেইমার বা অন্য কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে বাইরের কোনো চাপ কখনও ছিল না।

     

    সূত্রঃ এএস স্পোর্টসের