Desk: গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

  • গোপালগঞ্জে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে প্রশাসনের কড়া নজরদারি

    গোপালগঞ্জে আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে প্রশাসনের কড়া নজরদারি

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার কোথাও আওয়ামী লীগের ব্যানারে কোনো সভা, সমাবেশ, মিছিল কিংবা কেক কাটার অনুষ্ঠানের খবর পাওয়া যায়নি।

    জেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে পালন করছেন।তবে মাঠপর্যায়ে কোনো কর্মসূচি না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বেশ সক্রিয় দেখা গেছে। অনেকেই আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন স্লোগান, ছবি, ব্যানার ও ফটোকার্ড পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করে দাবি করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মতপ্রকাশের অধিকার দমিয়ে রাখা যাবে না।

    জেলা শহরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা গোপালগঞ্জে অবস্থান করলেও আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তাদের সড়কে টহল দিতে দেখা যায়নি।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালগঞ্জসহ দেশের ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    এ সিদ্ধান্তের পর সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোরের ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের সেনানীবাস থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছায়। তবে কতজন সেনাসদস্য বা কতটি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে অসমর্থিত একটি সূত্রে জানা গেছে প্রায় ২০০ সেনা সদস্য গোপালগঞ্জে অবস্থান করছেন।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জেলার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান, প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

    পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও সাদাপোষাকে মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, জেলার সার্বিক পরিবেশ শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি পালনের তথ্য আমাদের কাছে আসেনি। তবে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সেনাবাহিনী গোপালগঞ্জে অবস্থান করবে। এ সময়ে জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

    গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, ‘জেলায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। শহরের প্রবেশপথ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং বিভিন্ন মহল্লায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা চাই, জেলার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক এবং কোনো ধরনের মিটিং-মিছিল বা সহিংস ঘটনার সুযোগ সৃষ্টি না হোক।নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগ, ছাএলীগ, শ্রমিক লীগের পক্ষ থেকে কোন মিছিল বা সমাবেশ হয়নি। জেলা শহরের আওয়ামী লীগ অফিস তালাবদ্ধ দেখা গেছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্হানে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়। তবে সেনাবাহিনীর কোন টহল শহরে চোখে পড়েনি। এদিকে গোপালগঞ্জ জেলা যুবদল শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রদক্ষিণ করে গোপালগঞ্জ ডিসি অফিসের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিল সমাবেশের বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের বিপ্লবী সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটন, সাধারণ সম্পাদক রাসেকুজ্জামান পলাশ সহ স্হানীয় নেতৃবৃন্দ। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের মিছিলের আশঙ্কায় কাশিয়ানি ও মুকসুদপুর উপজেলা থেকে ৬ জনকে আটক করে। তবে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তাদের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আনা হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিতের জন্য তথ্য জানাননি পুলিশ। গোপালগঞ্জ জেলার আইন শৃঙ্খলা সাময়িক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিভিরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আমরা জনগণের পাশে থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কাজ করছি। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হোক।

  • গোপালগঞ্জে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

    গোপালগঞ্জে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

    গোপালগঞ্জে আগামী ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুদের অপুষ্টিজনিত ঝুঁকি কমানো ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    রোববার (২১ জুন) বিকেলে গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মোহাম্মদ ফারুক।

    তিনি বলেন, জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬৮৪টি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

    সিভিল সার্জন আরও বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই জেলার কোনো শিশু যেন এ কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি ক্যাম্পেইনের সার্বিক সফলতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং শিশুদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

    মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শোভন সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কাজী হুমায়ূন রশিদ, মেডিকেল অফিসার ডা. দিবাকর বিশ্বাসসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সভাপতি আজিজুর রহমান রনি, গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি শেখ মোস্তফা জামান ও সাধারণ সম্পাদক এম রহমান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

    স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জাতীয় এ কর্মসূচির মাধ্যমে জেলার প্রতিটি শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বক্তারা বলেন আজকের শিশু আগামী দিনের আশার আলো। আমরা নিজে সচেতন হই, অন্যকে সচেতন করি। সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে আমরা সকলে যার যার স্হান থেকে সকলকে সচেতন করবো। ইনশাআল্লাহ!

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারেফ হোসেনকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

    বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারেফ হোসেনকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

    গোপালগঞ্জে তালিকাভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোশারেফ হোসেন মোল্লাকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।

    প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে
    জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড।

    মানববন্ধনে জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ বোরহান উদ্দিন, সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ছবেদ আলী ভূঁইয়া ও ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোশারেফ হোসেন মোল্লা সহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

    বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোশারেফ হোসেন মোল্লার সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে। তারা এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    এছাড়া, অপপ্রচার বন্ধ এবং প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সংবাদ পরিবেশন এবং মিথ্যা সংবাদ প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। মানববন্ধন শেষে মুক্তিযোদ্ধারা র‍্যালি নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। একজন মুক্তিযোদ্ধার মান সন্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

  • গোপালগঞ্জে প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিএ), গোপালগঞ্জ জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে জেলার বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়ন, চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. কে এম বাবর।

    সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি ডা. বি এম মনিরুজ্জামান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডা. গৌতম কুমার বাগচী।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. মুরসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস (ডাম্বেল), গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবির।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, “গোপালগঞ্জে এখনো পর্যাপ্ত আধুনিক ও মানসম্মত প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে ওঠেনি।ফলে জটিল রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা কিংবা ঢাকায় পাঠাতে হয়। এতে রোগীর পরিবার যেমন অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়ে, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে পথেই রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।”

    তিনি আরও বলেন, “জেলায় আধুনিক ও উন্নত বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, দক্ষ জনবল এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সমন্বয়ে গোপালগঞ্জেই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে স্থানীয় মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূরদূরান্তে ছুটতে হবে না।”
    সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী মেয়াদের জন্য ২৯ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    নবগঠিত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ময়েনুর রহমান হিটু।

    কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি ডা. বি এম মনিরুজ্জামান, ডা. গৌতম কুমার বাগচী ও কাজী শাহিনুর রশিদ শাহিন; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হক মুনীর; কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলিম; সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু শিকদার; দপ্তর সম্পাদক ডিএইচএম তোফাজ্জল হুসাইন; সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবু ওবায়েত মোল্লা এবং প্রচার সম্পাদক তন্ময় কুমার বালা মিহির।নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ গোপালগঞ্জে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা, স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, এস,এম, আজিজুর রহমান বেনা জেলা বিএনপি, শিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন সভাপতি সদর বিএনপি, সাজ্জাদ হোসেন হিরা আহবায়ক জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, রিয়াজ উদ্দিন লিপটন সভাপতি জেলা যুবদল ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ প্রমুখ। এবং গণ্যমান্য নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক জিয়া স্বাস্থ্যসেবা কে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাইয়া দেওয়ার জন্য সকলকে কাজ করার আহবান জানান। সুস্থ সুন্দর বাংলাদেশ গড়ি!