কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি ভাড়া বাসা থেকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই এনজিওকর্মীকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে কর্মরত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত আচরণ, জবাবদিহি ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির রিফ্র্যাকশনিস্ট ফয়সাল আহম্মেদ (৩৫) এবং আরটিএম ইন্টারন্যাশনালের মেডিকেল অফিসার ডা. ফাতেমা তুজ জোহরা ঋতু (২৮)-কে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ দাবি করেন, ওই বাসায় দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহজনক যাতায়াত ছিল।
উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরকে কেন্দ্র করে শতাধিক দেশি-বিদেশি সংস্থার হাজারো কর্মী কাজ করছেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই কিছু কর্মীর ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের ভাষ্য, কোনো প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মীর অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হলে তার প্রভাব পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির ওপর পড়ে। তাই নিয়োগের পর কর্মীদের আচরণবিধি বাস্তবায়ন, নিয়মিত তদারকি এবং অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আরও কঠোর হওয়া উচিত।
এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, মানবিক সেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নৈতিক মানদণ্ড সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। তাই এমন অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উচিত দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত করা এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া।

