পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া ইউএনও’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদে কমকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আফরোজ শাহীন খসরু এর বিরুদ্ধে উর্মি নামের এক মহিলার ঘুষ দেয়ার মিথ্যা অভিযোগে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবের উদ্যোগে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমের সামনে উপস্থিত হয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা করেন।

এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার সাবরিনা আফরিন বলেন, আপনারা জানেন গত ২৯ তারিখ বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে একজন নারী তার দলবল নিয়ে মিথ্যা ঘুষের অভিনয়ে সরাসরি লাইফে ঘুষ প্রদানের অভিযোগ করেছে। আমাদের জানামতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই কর্মকান্ডে জড়িত নন । আমরা অফিসাস ক্লাবের পক্ষে এর প্রতিবাদ জানাই এবং তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত নারীর শাস্তি সহ নিরাপদ কর্মস্থলের দাবী করছি।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হক বলেন, এরকম মিথ্যা ও সাজানো অপবাদ একজন অফিসারের বিরুদ্ধে তুলে মান-সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে বিষয়টি খুব দুঃখজনক। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. শওকত আলী বলেন, উপজেলায় যে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী চাকুরী করেন তাদের মুখে অত্র উপজেলার মানুষের সুনাম আছে। গত পরশু দিনের ঘটনা আমাদের আতংকিত করেছে। একজন নারীর কে বা কাহারো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে খুব সুপরিকল্পিতভাবে ইউএনও’র বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়েছে যা দুঃখজনক। আমরা কর্ম স্থলে সঠিক পরিবেশের জন্য জনগণের সহযোগিতা চাই।

২নং তিরনই হাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারে সংগে বিগত দু’বছর ধরে নানামুখী কাজ করেছি। কখনো খারাপ কিছু দেখিনি। কিন্তু একজন ভারসাম্যহীন ও ভবঘুরে উর্মি নামের একজন নারী কিভাবে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দেবার কথা তুলছে। আমার জানামতে ছেলের জন্য কোন দরখাস্ত উপজেলা পরিষদে করেনি। বিষয়টি বানোয়াট ও ভীত্তিহীন হওয়ায় তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবী করছি।

উপজেলা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম এ বাসেত বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার একজন ভালো ও ন্যায় পরায়ন মানুষ। বিগত দু’বছরে তার সংগে নানামুখী কাজকর্মে যতটুকু দেখিছি তিনি এধরনের কাজে কোন ভাবে সম্পৃক্ত নয়। উর্মির অভিযোগের বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক কি না তা তদন্ত হওয়া দরকার।

প্রায় ঘন্টাব্যাপী প্রতিবাদ শেষে উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ কার্যালয়ে ফিরে যান।

আরও পড়ুন