কালুখালীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ীর কালুখালীতে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেজবাহ উদ্দিন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস্ সাদাত মাহমুদ উল্লাহ, কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তফা কামাল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম রতন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাইমুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিমাই চন্দ্র রায়, কালুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. জিল্লুর রহমান প্রাং, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. লুৎফর রহমান খান, উপজেলার সাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

সভায় বর্ষা মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি, বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে করণীয়, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা, ত্রাণসামগ্রী সংরক্ষণ, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তরকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। তিনি বলেন, দুর্যোগের পূর্বেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে সচেতন করতে হবে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম ও ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখতে হবে। দুর্যোগ চলাকালে প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য সংগ্রহ, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দ্রুত ত্রাণ বিতরণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের জানমাল রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক দলকে সক্রিয় রাখা এবং দুর্যোগকালীন সময়ে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন